বিলাসী গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর – একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির

‘বিলাসী’ গল্পে সমাজব্যবস্থার কঠোর জাতিভেদ ও রক্ষণশীলতার নির্মম রূপ ফুটে উঠেছে। বিলাসী নিম্নবর্ণের নারী হওয়া সত্ত্বেও উচ্চবর্ণের মৃত্যুঞ্জয় তাকে ভালোবেসে বিয়ে করে, যা তৎকালীন সমাজ সহজে মেনে নিতে পারেনি। এই পোস্টে বিলাসী গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর – একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির বাংলা লিখে দিলাম।

বিলাসী গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর

সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন]
উজ্জয়িনীর রাজা বিক্রমাদিত্যের রাজসভার প্রখ্যাত জ্যোতির্বিদ বরাহপুত্র মিহিরের স্ত্রী খনা। একদিন পিতা বরাহ এবং পুত্র মিহির আকাশের তারা গণনা করতে গিয়ে সমস্যায় পড়লে খনা এ সমস্যার সমাধান দেন। রাজা বিক্রমাদিত্য তাঁর গণে মুগ্ধ হন। গণনা করে খনার দেওয়া পর্বাভাসে রাজ্যের কৃষকরা উপকৃত হতেন বলে রাজা বিক্রমাদিত্য খনাকে দশম রত্ন হিসেবে আখ্যা দেন। কিন্তু খনার এই খ্যাতি ও সম্মান অল্প সময়ের মধ্যেই তাঁর জীবনে বিড়ম্বনা নিয়ে আসে। রাজসভায় প্রতিপত্তি হারানোর ভয়ে ও নারীর জ্ঞানের কাছে নিচ হওয়ার লজ্জায় প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে বরাহের আদেশে মিহির খনার জিহ্বা কেটে দেন। এর কিছুকাল পরে খনার মৃত্যু হয়।

ক. খুড়া কোন বংশের?

খ. ‘ইহা আর একটি শক্তি’- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

গ. বিলাসী চরিত্রের কোন দিকটি খনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ তা বর্ণনা করো।

ঘ. ‘মৃত্যুঞ্জয় ও মিহির পরস্পর বিপরীত চরিত্রের মানুষ।’- মন্তব্যটি যাচাই করো।

উত্তরঃ

ক. খুড়া মিত্তির বংশের।

খ. “ইহা আর একটি শক্তি” — এই কথাটির মাধ্যমে স্বামী-স্ত্রীর প্রকৃত ও গভীর ভালোবাসার কথাই বোঝানো হয়েছে।

আলোচ্য গল্পে গল্পকথক তাঁর এক আত্মীয়ার উদাহরণ দিয়েছেন। সেই নারী তার স্বামীর সঙ্গে দীর্ঘ পঁচিশ বছর সংসার করেছে। কিন্তু স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি স্বামীর মৃতদেহের পাশে পাঁচ মিনিটও একা থাকতে পারেননি। ভয় ও অস্থিরতায় তিনি অন্যদের ডাকেন। এতে বোঝা যায়, স্বামীর সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল না গভীর ভালোবাসার ছিল শুধু সংসার করা। যেখানে সত্যিকারের ভালোবাসা থাকে, সেখানে ভয় থাকে না। থাকে টান, মায়া ও সাহস। এই উক্তির মাধ্যমে লেখক বোঝাতে চেয়েছেন, শুধু একসঙ্গে থাকা নয়, হৃদয়ের সম্পর্কই আসল শক্তি।

গ. বিলাসী চরিত্রের করুণ পরিণতির দিকটি উদ্দীপকের খনার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ।

‘বিলাসী’ গল্পের প্রধান চরিত্র বিলাসী। উচ্চবর্ণের মৃত্যুঞ্জয় তাকে ভালোবেসে বিয়ে করে। কিন্তু সে সময়ের রক্ষণশীল সমাজ তাদের এই বিয়ে মেনে নেয়নি। সমাজের ভয় ও বাধা উপেক্ষা করে মৃত্যুঞ্জয় নিজের জাত ছেড়ে সাপুড়ে হয়ে যায়। পরে একদিন গোখরো সাপ ধরতে গিয়ে সাপের কামড়ে তার মৃত্যু হয়। স্বামীর এই মৃত্যু বিলাসী সহ্য করতে পারেনি, তাই সেও বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করে।

উদ্দীপকে খনা ছিলেন একজন বিদুষী নারী, যিনি জ্যোতির্বিদ্যায় খুব দক্ষ ছিলেন। তাঁর ভবিষ্যদ্বাণীতে কৃষকেরা উপকার পেলে রাজদরবারে তাঁর সম্মান ও সুনাম বাড়ে। কিন্তু এই সুনাম তাঁর শ্বশুর বরাহ সহ্য করতে পারেননি। তিনি মনে করেন, এক নারীর কাছে নিজের সম্মান হারানো লজ্জার। তাই তিনি নিজের ছেলে মিহিরকে আদেশ দেন খনার জিভ কেটে নিতে। পিতার আদেশ মেনে মিহির স্ত্রীর জিভ কেটে দেয় এবং কিছুদিনের মধ্যেই খনার মৃত্যু হয়। একইভাবে ‘বিলাসী’ গল্পেও বিলাসী সমাজের নিষ্ঠুরতার শিকার। তাই দেখা যায়, ভিন্ন কাহিনি হলেও খনা ও বিলাসী দুজনেই সমাজের অন্যায় আচরণের কারণে করুণ পরিণতি ভোগ করেছে। এই দিক থেকেই তাদের মধ্যে মিল রয়েছে।

ঘ. মৃত্যুঞ্জয় স্ত্রীকে গভীরভাবে ভালোবাসলেও উদ্দীপকের মিহির স্ত্রীর মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

‘বিলাসী’ গল্পটি বিলাসী ও মৃত্যুঞ্জয়ের ভালোবাসা এবং তাদের দুঃখজনক পরিণতি নিয়ে। মৃত্যুঞ্জয় খুব অসুস্থ হলে নিম্নবর্ণের বিলাসী তার সেবা করে তাকে সুস্থ করে তোলে। পরে মৃত্যুঞ্জয় তাকে ভালোবেসে বিয়ে করে। কিন্তু বিলাসীর হাতে ভাত খাওয়ার ঘটনাকে অজুহাত করে গ্রামবাসী তাদের শত্রু মনে করে। শেষ পর্যন্ত মৃত্যুঞ্জয় নিজের জাত ত্যাগ করে বিলাসীর সঙ্গে সংসার করে এবং সাপুড়ে হয়ে যায়।

উদ্দীপকে মিহিরের স্ত্রী খনা খুব মেধাবী ছিলেন। শ্বশুর ও স্বামী যখন তারা গোনার সমস্যায় পড়েন, খনা তার সমাধান দেন। তার কথায় কৃষকেরা উপকার পেলে রাজদরবারে খনার সম্মান বাড়ে। কিন্তু খনার শ্বশুর একজন নারীর কাছে হার মানতে চাননি। তাই তিনি ছেলে মিহিরকে খনার জিভ কেটে দিতে বলেন। মিহিরও বাবার কথা মেনে এমন নিষ্ঠুর কাজ করেন। এর বিপরীতে মৃত্যুঞ্জয় তার স্ত্রী বিলাসীর প্রতি সত্যিকারের ভালোবাসা ও দায়িত্ব দেখিয়েছিল।

মৃত্যুঞ্জয় বিলাসীকে মন থেকে ভালোবেসেছিল। উচ্চবর্ণের হয়েও সাপুড়ের মেয়ে বিলাসীকে বিয়ে করতে সে ভয় পায়নি। সমাজ মেনে না নেওয়ায় সে নিজের জাত ত্যাগ করে বেদেপল্লিতে গিয়ে সাপুড়ে হয়। সম্পত্তি হারানোর ভয়ও তাকে থামাতে পারেনি। কিন্তু মিহির স্ত্রীর সাফল্যে খুশি না হয়ে বাবার কথায় তার জিভ কেটে দেন। যদি স্ত্রীর প্রতি ভালোবাসা থাকত, তবে তিনি এমন অন্যায় করতেন না। তাই মন্তব্যটি সঠিক।


সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [দিনাজপুর বোর্ড ২০২৪]
মহেশ’ গল্পে গফুরের প্রিয় গরুটির নাম মহেশ। দরিদ্র গফর নিরীহ পশটিকে ঠিকমতো খাবারের জোগান দিতে পারে না। ফসল নষ্ট করার কারণে তাকে জমিদারের শাস্তিও পেতে হয়েছে। একদিন তৃষ্ণার্ত মহেশ পানির জন্য গফুরের মেয়ে আমিনার মাটির পাত্র ভেঙে ফেলে রাগান্বিত গফুর লাঙলের ফলা দিয়ে মাথায় আঘাত করলে মহেশ মারা যায়। গো-হত্যার প্রায়শ্চিত্ত করতে গফুর রাতের আঁধারে মেয়েকে নিয়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়।

ক. ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কত সালে শরচ্চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে সম্মানসূচক ডিলিট ডিগ্রি প্রদান করে?

খ. ‘আমার মাথার দিব্যি রইল, এসব তুমি আর কখনো করো না।’- ব্যাখ্যা করো।

গ. গফুরের জীবনবাস্তবতার সাথে ‘বিলাসী’ গল্পের কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো।

ঘ. “উদ্দীপকের ‘গো-হত্যা’ এবং ‘বিলাসী’ গল্পের ‘অন্নপাপ’ একই সূত্রে গাঁথা।”- বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩। [কু. বো, ২০২৪]
দীর্ঘ ৫০ বছর পথঘাটে সাপখেলা দেখিয়ে সংসার চালিয়েছে ঝড়ু সর্দার। আত্মীয়-পরিজন হারিয়ে বয়সের ভারে ন্যুব্জ হয়ে পড়েছে সর্দারজি। পনেরো বছরের মেয়ে স্বর্ণময়ী এখন তার একমাত্র ভরসা। কয়েকদিন ধরে-খাবারের ব্যবস্থা হয়নি বলে সাপ নিয়ে স্বর্ণময়ী রাস্তায় বেরিয়েছে। কিন্তু আজকাল লোকে সাপখেলা দেখে না। এমন অবস্থা দেখে প্রতিবেশী ব্রাহ্মণের ছেলে রাজন স্বর্ণময়ীকে বিয়ে করে তাদের দায়িত্ব নেয়। এ ঘটনায় সমাজ রাজনের পরিবারকে একঘরে করে রাখে।

ক. বিলাসী’ গল্পের ন্যাড়া কত ক্রোশ পথ হেঁটে স্কুলে যেত?

খ. ‘গ্রামনি এবার রসাতলে গেল।’- ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকের স্বর্ণময়ী ‘বিলাসী’ গল্পের বিলাসী চরিত্রের কোন দিকটির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. উদ্দীপকের ভাববস্তু ও ‘বিলাসী’ গল্পের প্রেক্ষাপট অভিন্ন নয়।”-মন্তব্যটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪। [ম. বো. ২০২৩]
সৌদামিনী মালো স্বামীর মৃত্যুর পর উত্তরাধিকার সূত্রে ধানি জমি, বসতবাড়ি, পুকুরসহ কয়েক একর সম্পত্তির মালিক হয়। এই সম্পত্তির উপর নজর পড়ে সৌদামিনীর জ্ঞাতি দেওর মনোরঞ্জনের। সৌদামিনীর সম্পত্তি দখলের জন্য সে নানা কৌশল অবলম্বন করে। একবার সৌদামিনী দুর্ভিক্ষের সময় ধানখেতের পাশে একটি মানব শিশু খুঁজে পায়। অসহায় অসুস্থ শিশুটিকে সে তুলে এনে পরম যত্নে সন্তানের মতো লালনপালন করে। মনোরঞ্জন সৌদামিনীকে সমাজচ্যুত করতে প্রচার করে যে নমঃশূদ্রের ঘরে ব্রাহ্মণ সন্তান পালিত হচ্ছে। এ যে মহাপাপ। সমাজের জাত-ধর্ম সব শেষ হয়ে গেল।

ক. মৃত্যুঞ্জয়ের কত বিঘার বাগান ছিল?

খ. মৃত্যুঞ্জয়ের জাত-বিসর্জনের কারণ ব্যাখ্যা করো।

গ. সৌদামিনী চরিত্রের সঙ্গে ‘বিলাসী’ গল্পে বিলাসীর সাদৃশ্য তুলে ধরো।

ঘ. “উদ্দীপকের মূলভাব ‘বিলাসী’ গল্পের আংশিক প্রতিচ্ছবি।”- মূল্যায়ন করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫। [রা. বো. ২০২৩]
মহুয়া শহরে একটি পোশাক কারখানায় কাজ করে। তার শহরে কাজ করার বিষয়টি গ্রামের কিছু মানুষ পছন্দ করে না। উপরন্ত তার নামে দুর্নাম রটনা করে। ঈদের ছুটিতে বাড়ি আসলে গ্রামের মানুষগুলো মহুয়ার নামে বিচার বসায়। তারা মহয়াকে জোর করে গ্রাম থেকে বের করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। কিন্তু মহুয়া তাতে প্রতিবাদ করে। অসুস্থ মাকে রেখে সে কিছুতেই কোথাও যাবে না।

ক. এডেন কীসের জন্য বিখ্যাত?

খ. ঠিক যেন ফুলদানিতে জল দিয়া ভিজাইয়া রাখা বাসি ফুলের মতো’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

গ. বিলাসী চরিত্রের কোন দিকটি মহুয়ার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ তা বর্ণনা করো।

ঘ. বিলাসী ও মহুয়া পরস্পর বিপরীত চরিত্রের মানুষ।’- মন্তব্যটি যাচাই করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬। [দি. বো. ২০২৩]
করোনাকালীন দুর্যোগে জনাব শিমুল চাকরি হারিয়ে দিশাহারা হয়ে পড়েন। চরম আর্থিক সংকট এবং মানসিক চাপে তিনি শারীরিকভাবেও ভেঙে পড়েন। ফলে দুই সন্তানের লেখাপড়াসহ সংসারের খরচ চালানো তার জন্য কঠিন হয়ে যায়। এই সময়ে তার স্ত্রী পারুল আক্টার সেলাইয়ের কাজ করে সংসারের হাল ধরেন। পাশাপাশি অসুস্থ স্বামীর সেবা করেন পরম মমতায়।

ক. মৃত্যুঞ্জয় কোন ক্লাসে পড়ত?

খ. ‘একদিন এই মন্ত্রের সত্য-মিথ্যার চরম মীমাংসা হইয়া গেল।’- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখো।

গ. পারুল আক্তারের সঙ্গে ‘বিলাসী’ চরিত্রের কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. উদ্দীপকের ভাববস্তুর সঙ্গে ‘বিলাসী’ গল্পের সাদৃশ্য থাকলেও প্রেক্ষাপট ভিন্ন।”- উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭। [কু. বো. ২০২৩]
ভ্রমরাবেদের মেয়ে মহুয়ার প্রেমে পড়ে জমিদারপুত্র নদের চাঁদ। জমিদার বিষয়টি জানতে পেরে রাতের আঁধারে হুমরাবেদের দলকে গ্রামছাড়া করে। নিচু জাতের বেদের মেয়ের সঙ্গে তাঁর পুত্র নদের চাঁদের প্রেম তিনি মেনে নিতে পারেননি। কিন্তু নদের চাঁদ মহুয়াকে পাওয়ার আশায় বাবা-মাকে ছেড়ে যায়। হুমরাবেদে নদের চাঁদকে হত্যার জন্য মহুয়ার হাতে বিষলক্ষার ছুরি তুলে দেয়।

ক. ‘বিলাসী’ গল্পটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?

খ. ‘বিলাসী’ গল্পে বর্ণিত মৃত্যুঞ্জয়ের বাড়ির পরিবেশ কেমন ছিল?

গ. উদ্দীপকের নদের চাঁদ চরিত্রের সঙ্গে ‘বিলাসী’ গল্পের কোন চরিত্র তুলনীয়? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. “উদ্দীপকটি যেন ‘বিলাসী’ গল্পের মৃত্যুঞ্জয়-বিলাসীর অমর প্রেমের উপাখ্যান।” মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮। [চ. বো ২০২৩]
মহামারি কোভিডের সময় বাবুলের বাবার কারখানা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বাবুলের লেখাপড়া প্রায় বন্ধের উপক্রম হয়। এ সময় সহপাঠী রানুর বাবা বাবুলকে গৃহশিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেন। বাবুল যেন হাফ ছেড়ে বাঁচে। কিন্তু তাদের পারিবারিক শত্রুর কারসাজিতে। নিজের আড়ালে কিছু একটা ঘটতে থাকে। কিছুদিনের মধ্যেই সে টের পায়- তার পাড়া-প্রতিবেশী তাকে এড়িয়ে চলছে। সবাই বাবুল এবং রানুকে জড়িয়ে অপপ্রচারে বিশ্বাসী।

ক. ন্যাড়ার সন্ন্যাসীগিরি ইস্তফার কারণ কী?

খ. ‘অতিকায় হস্তী লোপ পাইয়াছে কিন্তু তেলাপোকা টিকিয়া আছে।’- ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকের পারিবারিক শত্রু ‘বিলাসী’ গল্পের খুড়াকে কীভাবে প্রতিনিধিত্ব করে? আলোচনা করো।

ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত সমাজচিত্রকে ‘বিলাসী’ গল্পের সমাজচিত্রের দর্পণ বলা যায় কি? যুক্তিসহ মত প্রকাশ করো।

নিচে বিলাসী গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর পিডিএফ ফাইল দেওয়া হল।

বিলাসী গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর পিডিএফ

আরও পড়ুনঃ অর্ধাঙ্গী প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর – একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির

Related Posts

Leave a Comment