৬ষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সৃজনশীল প্রশ্ন ৫ম অধ্যায়

প্রাচীনকালে পৃথিবীতে রাষ্ট্র বলে কিছু ছিল না, ছিল না নাগরিকত্বের কোনো ধারণা। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে প্রায় পাঁচ-ছয় হাজার বছর আগে নদী ও সমুদ্রের তীরে গড়ে ওঠে প্রথম কয়েকটি নগররাষ্ট্র। সেখান থেকেই ধীরে ধীরে জন্ম নেয় রাষ্ট্রের ধারণা। এই পোস্টে ৬ষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সৃজনশীল প্রশ্ন ৫ম অধ্যায় লিখে দিলাম।

৬ষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সৃজনশীল প্রশ্ন ৫ম অধ্যায়

সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন]
জাকির সাহেব ও আফরিন দম্পতি চাকরি নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ২০ বছরের অধিক সময় ধরে বসবাস করছেন। সেখানে তাদের ছেলে মায়াজের জন্ম হয়। তারা সেখানে নিজেদের আয় থেকে একটি ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ক্রয় করেন। সরকারকে নিয়মিত আয়কর দেন। দেশের আইনকানুন মেনে চলেন। বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশুদের জন্য একটি তহবিল পরিচালনা করেন। এই দম্পতি এখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক।

ক. রাষ্ট্র কাকে বলে?

খ. রাষ্ট্রে বসবাসকারী সকলেই নাগরিক নয় কেন?

গ. জাকির সাহেবের নাগরিকত্ব লাভের প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করো।

ঘ. জাকির সাহেব ও মায়াজের নাগরিকতার পার্থক্য বিশ্লেষণ করো।

উত্তরঃ

ক. রাষ্ট্র হলো এমন একটি সংগঠন যার একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড, জনসমষ্টি, সরকার ও সার্মভৌম ক্ষমতা আছে।

খ. নাগরিকত্বের জন্য বিশেষ শর্ত প্রযোজ্য হওয়ায় রাষ্ট্রে বসবাসকারী সকলেই নাগরিক নয়।

যে কোনো রাষ্ট্রে নিজেদের লোক ছাড়াও থাকেন বহু বিদেশি। তারা পড়তে, ব্যবসা করতে বা চাকরির টানে দীর্ঘসময় সেখানে থাকেন। কিন্তু নাগরিক না হওয়ায় তাদের ওই রাষ্ট্রের সরকার বা রাজনীতিতে কোনো অধিকার থাকে না। কারণ নাগরিক হতে গেলে রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্যের সম্পর্ক থাকা জরুরি, যা বিদেশিদের নেই। তাই রাষ্ট্রের ভেতরে বাস করলেই যে সবাই নাগরিক হয়ে যায়, তা কিন্তু নয়।

গ. জাকির সাহেব অনুমোদনসূত্রে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব লাভ করেছেন।

নাগরিকত্ব মানে হচ্ছে কোনো রাষ্ট্রের স্থায়ী বাসিন্দার জাতীয় সত্তা। রাষ্ট্রের সঙ্গেই জড়িয়ে থাকে এই পরিচয়। নাগরিক হওয়ার প্রধান উপায় দুটি জন্মসূত্রে আর অনুমোদনসূত্রে। উদ্দীপকের জাকির সাহেব অনুমোদনসূত্রে নাগরিকত্ব পেয়েছেন অনুমোদনসূত্রের পদ্ধতিতে এক দেশের নাগরিককে আরেক দেশের নাগরিক হতে গেলে আবেদন করতে হয়। যাঁরা পড়তে, চাকরি করতে বা অন্য কারণে বিদেশে দীর্ঘদিন থাকেন, তাঁরা ইচ্ছা করলে সে দেশের নাগরিকত্ব চাইতে পারেন। ওই দেশ তাঁদের আবেদন যাচাইবাছাই করে দেখে, শর্তপূরণ হলে নাগরিকত্ব দিয়ে দেয়।

জাকির সাহেব যুক্তরাষ্ট্রে অনেক দিন ধরে থাকছেন, সেখানে ব্যবসাও কিনেছেন। তিনি নিয়মিত কর দেন, আইন মানেন, সমাজের ভালো কাজও করেন। ধরা যাক, সে সবই অনুমোদনসূত্রে নাগরিকত্ব পাওয়ার শর্ত। তাই জাকির সাহেব এই পথেই নাগরিকত্ব পেয়েছেন।

ঘ. জাকির সাহেব অনুমোদনসূত্রে ও তার সন্তান মায়াজ জন্মস্থান নীতি অনুযায়ী নাগরিকত্ব লাভ করেন।

জাকির সাহেব স্ত্রীসহ যুক্তরাষ্ট্রে বিশ বছরের বেশি সময় ধরে থাকছেন, সেখানে একটি ব্যবসাও কিনেছেন। আবেদন করায় তিনি অনুমোদনসূত্রে নাগরিকত্ব পেয়েছেন। আর তাঁর ছেলে মায়াজ যুক্তরাষ্ট্রে জন্মেছে বলে জন্মস্থান নীতিতে সে নাগরিক হয়েছে।

জন্মস্থান নীতি বলে শিশু যেখানেই জন্মাবে, সেখানকার নাগরিক হবে। বিশেষ করে যেসব দেশ এই নীতি মানে, তাদের জাহাজ, বিমান বা দূতাবাসে জন্মালেও শিশু ওই দেশের নাগরিকত্ব পায়। এই দুই পদ্ধতির মধ্যে বড় পার্থক্য হলো: অনুমোদনসূত্রে নাগরিক হতে গেলে কিছু শর্ত পূরণ করতে হয়। যেমন দীর্ঘদিন থাকা, আইন মেনে চলা, কর দেওয়া ইত্যাদি। কিন্তু জন্মস্থান নীতিতে শুধু ওই দেশের মাটিতে (বা তার সীমার মধ্যে) জন্মানোই যথেষ্ট; কোনো বাড়তি শর্ত নেই।

সুতরাং, জাকির সাহেব অনুমোদনের পথে, আর মায়াজ জন্মস্থান নীতিতে নাগরিক হয়েছেন। দুই পদ্ধতি, তাই আলাদা। আর এখানেই তাদের নাগরিকত্বের ভিন্নতা।

সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন]
বাংলাদেশের অধিবাসী সজীব সিঙ্গাপুরে মেরিন সার্ভিসে কর্মরত অবস্থায় অস্ট্রেলিয়ান মেয়েকে তিন বছর হয় বিয়ে করেছেন। সিঙ্গাপুর থেকে স্ত্রীকে নিয়ে আমেরিকার একটি জাহাজে করে তিনি অস্ট্রেলিয়ায় যাচ্ছিলেন। অস্ট্রেলিয়ায় পৌঁছানোর পূর্বেই জাহাজে তাদের মেয়ে মারিয়ার জন্ম হয়। বাংলাদেশ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে আসা সজীবের ছোটো ভাই সাগর গত নির্বাচনে সেখানে ভোট দিতে পারেনি।

ক. বাংলাদেশের প্রথম সরকার কখন গঠিত হয়?

খ. দ্বৈত-নাগরিকত্ব বলতে কী বোঝায়?

গ. মারিয়া কোন দেশের নাগরিকত্ব লাভ করবে ব্যাখ্যা করো।

ঘ. ‘সজীব বা সাগরের নাগরিক অধিকার ভিন্ন’- উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তরঃ

ক. বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠিত হয় ১৯৭১ সালের ১০ই এপ্রিল।

খ. একই ব্যক্তির দুটি দেশের নাগরিকত্ব লাভ করাই হলো দ্বৈত-নাগরিকত্ব।

ধরা যাক, কোনো বাংলাদেশি দম্পতির সন্তান আমেরিকার মাটিতে জন্ম নিল। তখন জন্মস্থান নীতি অনুযায়ী সে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক হয়ে যায়। অন্যদিকে বাবা-মা বাংলাদেশি বলে, সে একই সময়ে বাংলাদেশেরও নাগরিকত্ব পায়। অর্থাৎ একটি সন্তানের কাছে একসঙ্গে থাকছে দুটি দেশের নাগরিকত্ব। এটাই হলো ‘দ্বৈত-নাগরিকত্ব’।

গ. মারিয়া আমেরিকার নাগরিকত্ব লাভ করবে।

নাগরিক হওয়ার দুটো বড় পথের মধ্যে ‘জন্মসূত্র নীতি’ একটি। এই নীতি আবার দুই রকমের: (১) জন্মসূত্র (বাবা-মায়ের রক্তের সম্পর্ক), আর (২) জন্মস্থান (যেখানে শিশুটি ভূমিষ্ঠ হলো)। উদ্দীপকের মারিয়ার বেলায় প্রয়োগ হবে ‘জন্মস্থান নীতি’। এই নিয়ম বলে বাবা-মা যেখানকারই হোন, শিশু যে দেশের ভূখণ্ডে, আকাশে, জাহাজে বা দূতাবাসে জন্ম নেয়, সেদেশের নাগরিকত্ব পেয়ে যায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এই নিয়ম মানে।

উদ্দীপকে উল্লিখিত মারিয়া যেহেতু একটি আমেরিকান জাহাজে জন্মগ্রহণ করেছে, তাই জন্মস্থান নীতির সরাসরি প্রয়োগে সে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব লাভ করবে। এই নীতির মূল কথা হলো নাগরিকত্ব নির্ধারণে জন্মের ভৌগোলিক অবস্থানই প্রধান, পিতামাতার জাতীয়তা নয়।

ঘ. সজীব বা সাগরের নাগরিক অধিকার ভিন্ন”- উক্তিটি যথার্থ।

বিদেশিরা যে দেশে অবস্থান করে, সেখানে তারা শুধু সামাজিক অধিকার পায়। খাওয়া, চলাফেরা, চিকিৎসার মতো সুবিধাগুলো। কিন্তু রাজনৈতিক কোনো অধিকার, যেমন ভোট দেওয়া বা সরকার গঠনে অংশ নেওয়া, তাদের জন্য নেই। অন্যদিকে নাগরিকরা ওই দেশের সব ধরনের অধিকার ভোগ করে।

সজীব বাংলাদেশি হয়েও অস্ট্রেলিয়ার মেয়েকে বিয়ে করে অনুমোদনসূত্রে সেখানকার নাগরিকত্ব নিয়েছে। তাই এখন সে অস্ট্রেলিয়ার সব অধিকার পাবে। তার ছোট ভাই সাগর শুধু পড়তে গেছে সেখানে। সে অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক হওয়ার কোনো শর্ত পূরণ করেনি। তাই সে সেখানে বিদেশি মর্যাদায় আছে, ভোটও দিতে পারে না।

এখানেই নাগরিক আর বিদেশির মধ্যে বড় ফারাক। তাই সজীব ও সাগরের এই অভিজ্ঞতা থেকে বোঝা যায়, একটি দেশে কারা ঠিক কোন কোন অধিকার পাবে তা নির্ভর করে নাগরিকত্বের ওপর। আর এই সীমানা অনেকটাই স্পষ্ট।


সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩।
লিমা ও রানা দুই বোন। লিমার বিয়ে হয় একজন ফরাসি নাগরিকের সঙ্গে। বিয়ের পর সে ফ্রান্সে গিয়ে বসবাস শুরু করে। পাঁচ বছর পর সে ফ্রান্সের নাগরিকত্ব লাভ করে। অন্যদিকে রানার স্বামী জার্মানিতে চাকরি করে। তাদের সন্তান সিয়াম জার্মানিতে জন্মগ্রহণ করে।
ক. ‘নাগরিক’ কাকে বলে?
খ. ‘জন্মসূত্র নীতি’ ব্যাখ্যা করো।
গ. লিমা কোন পদ্ধতিতে ফ্রান্সের নাগরিকত্ব লাভ করেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘সিয়ামের নাগরিকত্ব নির্ধারণে জন্মস্থান নীতি কার্যকর হবে’— বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪।
বাংলাদেশি বাবা-মায়ের সন্তান সিমুল কানাডায় জন্মগ্রহণ করে। তার বাবা-মা সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি পেয়েছেন। সিমুল বড় হয়ে কানাডার সেনাবাহিনীতে চাকরি নেয়। অন্যদিকে তার ছোট ভাই সজীব বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে।
ক. ‘সার্বভৌমত্ব’ বলতে কী বোঝায়?
খ. ‘ভূখণ্ড ছাড়া রাষ্ট্রের অস্তিত্ব নেই’— ব্যাখ্যা করো।
গ. সিমুল কিসের ভিত্তিতে কানাডার নাগরিক হবে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘সিমুল ও সজীবের নাগরিকত্ব ভিন্ন ভিন্ন সূত্রে নির্ধারিত’— বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫।
জনাব সেলিম যুক্তরাজ্যে স্থায়ীভাবে বসবাস করছেন। তিনি সেখানকার ভাষা ও আইনকানুন ভালোভাবে আয়ত্ত করেছেন। দীর্ঘদিন সেখানে থাকার পর তিনি ব্রিটিশ নাগরিকত্বের জন্য আবেদন করেন। অন্যদিকে তার ভাই জনাব জসিম বাংলাদেশের নাগরিক। তিনি নিয়মিত কর দেন, ভোট দেন এবং দেশের আইন মেনে চলেন।
ক. ‘অনুমোদনসূত্রে নাগরিকত্ব’ কী?
খ. ‘রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের আনুগত্য প্রয়োজন’— ব্যাখ্যা করো।
গ. জনাব সেলিম কোন পদ্ধতিতে নাগরিকত্ব লাভের চেষ্টা করছেন? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘জনাব জসিম ও জনাব সেলিমের নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব ও অধিকারের পার্থক্য আছে’— মূল্যায়ন করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬।
জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র ‘এ’ একটি গণতান্ত্রিক দেশ। এ রাষ্ট্রের সংবিধান অনুযায়ী সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়। রাষ্ট্রটির একটি নির্দিষ্ট ভূখণ্ড ও বিশাল জনসমষ্টি রয়েছে। এ রাষ্ট্রের নাগরিকরা নিয়মিত কর প্রদান করে এবং আইন মেনে চলে। রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অন্য কোনো দেশ হস্তক্ষেপ করতে পারে না।
ক. ‘রাষ্ট্র’ বলতে কী বোঝায়?
খ. ‘জনসমষ্টি ছাড়া রাষ্ট্রের অস্তিত্ব নেই’— ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের ‘এ’ রাষ্ট্রটির রাষ্ট্রীয় উপাদানগুলো চিহ্নিত করো।
ঘ. ‘উদ্দীপকের রাষ্ট্রটির নাগরিকরাই প্রকৃত শাসক’— বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭।
জনাব রাশেদ একজন বাংলাদেশি নাগরিক। তিনি ইতালিতে একটি কোম্পানিতে চাকরি করেন। সেখানে গিয়ে তিনি একজন ইতালিয়ান নাগরিককে বিয়ে করেন। বিয়ের পর তিনি সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন এবং ইতালির ভাষা ও রীতিনীতি আয়ত্ত করেন। পাঁচ বছর পর তিনি ইতালির নাগরিকত্ব লাভ করেন।
ক. ‘রাষ্ট্রের প্রাণ’ কাকে বলা হয়?
খ. ‘বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা গণতান্ত্রিক’— ব্যাখ্যা করো।
গ. জনাব রাশেদ কীভাবে ইতালির নাগরিকত্ব লাভ করেছেন? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘জনাব রাশেদের নাগরিকত্ব লাভের পদ্ধতি অনুমোদনসূত্রের উদাহরণ’— বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮।
জনাব নাজমুল একজন বাংলাদেশি নাগরিক। তিনি ফ্রান্সে একটি বহুজাতিক কোম্পানিতে চাকরি করেন। সেখানে গিয়ে তিনি স্থানীয় একজন নাগরিককে বিয়ে করেন। তাদের সন্তান সারা ফ্রান্সে জন্মগ্রহণ করে। অন্যদিকে জনাব নাজমুলের ছোট ভাই রায়হান জন্মসূত্রে একজন বাংলাদেশি নাগরিক।
ক. ‘দ্বৈত-নাগরিকত্ব’ কী?
খ. ‘সার্বভৌমত্ব রাষ্ট্রের অস্তিত্ব রক্ষা করে’— ব্যাখ্যা করো।
গ. সারা কোন নীতি অনুসারে ফ্রান্সের নাগরিক হবে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘নাজমুল ও রায়হানের নাগরিক অধিকারের মধ্যে পার্থক্য আছে’— বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৯।
মিসেস নাদিয়া জার্মানির একজন নাগরিক। তিনি একটি এনজিওতে কাজের জন্য বাংলাদেশে আসেন। তিনি ঢাকায় তিন বছর বসবাস করেন। এ সময় তিনি একজন বাংলাদেশি নাগরিককে বিয়ে করেন। তাদের সন্তান রাফা ঢাকায় জন্মগ্রহণ করে। অন্যদিকে তার স্বামী জনাব সাইফ বাংলাদেশেরই নাগরিক।
ক. ‘জন্মস্থান নীতি’ কী?
খ. ‘জনগণই রাষ্ট্রের মূল চালিকাশক্তি’— ব্যাখ্যা করো।
গ. রাফা কোন দেশের নাগরিক হবে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘মিসেস নাদিয়া ও জনাব সাইফের নাগরিকত্ব ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিতে নির্ধারিত’— বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১০।
জনাব আনিস একজন ব্রিটিশ নাগরিক। তিনি ব্যবসার প্রয়োজনে সৌদি আরব ও কাতারে দীর্ঘদিন বসবাস করেন। তিনি এসব দেশের আইন মেনে চলেন এবং নিয়মিত কর দেন। কিন্তু তিনি এসব দেশের রাজনৈতিক অধিকার ভোগ করেন না। অন্যদিকে তার ভাই জনাব তানভীর জন্মসূত্রে একজন বাংলাদেশি নাগরিক।
ক. ‘প্রবাসী’ কাকে বলে?
খ. ‘রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের দায়িত্ব রয়েছে’— ব্যাখ্যা করো।
গ. জনাব আনিস কেন সৌদি আরব বা কাতারের নাগরিক নন? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘জনাব আনিস ও জনাব তানভীরের নাগরিকত্বের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য রয়েছে’— বিশ্লেষণ করো।

নিচে ৬ষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সৃজনশীল প্রশ্ন ৫ম অধ্যায় পিডিএফ ফাইল দেওয়া হল।

৬ষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সৃজনশীল প্রশ্ন ৫ম অধ্যায় পিডিএফ

Related Posts

Leave a Comment