কোনো দেশের অর্থনীতির অবস্থা জানতে হলে সে দেশের মোট জাতীয় উৎপাদন, মোট অভ্যন্তরীণ বা দেশজ উৎপাদন ও জনগণের মাথাপিছু আয় জানা প্রয়োজন। এগুলোকে বলা হয় অর্থনীতির নির্দেশক। এই পোস্টে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি ১১ অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর লিখে দিলাম।
Table of Contents
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি ১১ অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [২০২৬ সালের বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন] মাহমুদ ‘ক’ নামক দেশের নাগরিক। তিনি যে দেশে জন্মগ্রহণ করেছেন সে দেশে ব্যক্তিগত কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান স্বাপন করা যায় না। মাহমুদের বাবা উক্ত ‘ক’ দেশে যে কারখানায় কাজ করতেন তার প্রাপ্য মজুরির একটি অংশ প্রয়োজন অনুসারে তাকে দেওয়া হতো সাম্প্রতিককালে মাহমুদ ‘খ’ নামক দেশের নাগরিকত্ব লাভকরেন। তিনি সেখানে এক লক্ষ ডলার খরচ করে একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন কনে। পরবর্তীতে তিনি তার আয় দিয়ে আরও একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছেন। ক. সমষ্ঠিগত সম্পদ কী? খ. অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কী? ব্যাখ্যা করো। গ. ‘ক’ দেশের অর্থব্যবস্থার ধরনটি তোমার পঠিত বিষয়বস্তুর আলোকে ব্যাখ্যা করো। ঘ. ‘খ’ দেশের অর্থব্যবস্থা ‘ক’ দেশের অর্থব্যবস্থার তুলনায় অধিক উৎপাদন নিশ্চিত করে-যুক্তির মাধ্যমে ব্যাখ্যা করো। |
উত্তরঃ
খ. ১০ম অধ্যায়ের উত্তর দেখ।
গ. ১০ম অধ্যায়ের উত্তর দেখ।
ঘ. ১০ম অধ্যায়ের উত্তর দেখ।
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [২০২৫ সালের বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন] অণিমা তার পরিবারের সদস্যদের সাথে মাইক্রোবাসে করে কুয়াকাটায় বেড়াতে যাচ্ছিল। যাওয়ার সময় দুটি ফেরি তারা নির্বিঘ্নে পার হলো। কিন্তু মহীপুরের ফেরি পার হতে গিয়ে দেখে যে, ব্যাপক জলোচ্ছ্বাসের কারণে ফেরিসংলগ্ন পন্টুনের তিন-চতুর্থাংশ পানির নিচে ডুবে গেছে। তাদেরকে ফেরি পার হওয়ার জন্য সেখানে চার ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়। অণিমার বাবা সেখানকার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানতে পারেন, সরকার এ ধরনের অবস্থা মোকাবিলার জন্য একটি বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করেছে। ক. অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি কী? খ. বৈদেশিক বাণিজ্য বলতে কী বুঝায়? গ. অণিমা ও তার পরিবার কুয়াকাটা যাওয়ার পথে দেশের কোন ধরনের অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়? ব্যাখ্যা কর। ঘ. অণিমার বাবার জানা প্রকল্পটি কি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক হবে? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও। |
উত্তরঃ
ক. অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তি হচ্ছে মাথাপিছু মোট জাতীয় আয় বৃদ্ধি।
খ. সাধারণত দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে সংঘটিত বাণিজ্যকে বৈদেশিক বাণিজ্য বলা হয়।
পৃথিবীর কোনো দেশই সব দিক থেকে সম্পূর্ণ স্বয়ংসম্পূর্ণ নয়। তাই প্রত্যেক দেশকে অন্য দেশ থেকে কিছু পণ্য আমদানি করতে হয়। আবার কোনো দেশ নিজের চাহিদা পূরণ করার পর কিছু পণ্য অন্য দেশে রপ্তানিও করে। এভাবে বিভিন্ন দেশের মধ্যে যে বাণিজ্য সম্পর্ক গড়ে ওঠে, তাকে বৈদেশিক বাণিজ্য বলা হয়।
গ. অনিমা ও তার পরিবার কুয়াকাটা যাওয়ার পথে যে ধরনের অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয় তা হলো প্রকৃতিজনিত প্রতিবন্ধকতা, অর্থাৎ প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাংলাদেশে একটি সাধারণ ঘটনা। বলা হয়, বাংলাদেশ একটি দুর্যোগপ্রবণ দেশ। প্রধান প্রধান প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে রয়েছে বন্যা, খরা, জলোচ্ছ্বাস, ঘূর্ণিঝড়, টর্নেডো ও নদীভাঙন। এসব দুর্যোগ প্রধানত দেশের কৃষিখাতকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এছাড়া বাড়িঘর, রাস্তাঘাট ও গাছপালার ব্যাপক ক্ষতি হয়। বিশেষ করে প্রতিবছর বন্যা ও নদীভাঙনে সীমিত কৃষিজমির বড় অংশ নষ্ট হয়ে যায়। এতে মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং গবাদি পশু, মৎস্য ও পাখি সম্পদেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়। এই ক্ষতি পুষিয়ে আবার উৎপাদন কাজ শুরু করতে হয়।
উদ্দীপকে অনিমা দেখে যে মহীপুর ফেরিঘাটে ব্যাপক জলোচ্ছ্বাসের কারণে ফেরিঘাটের পল্টুনের তিন-চতুর্থাংশ পানির নিচে ডুবে গেছে। এখানে জলোচ্ছ্বাস একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগ। তাই বলা যায়, অনিমা ও তার পরিবার কুয়াকাটা যাওয়ার পথে প্রকৃতিজনিত অর্থনৈতিক প্রতিবন্ধকতার সম্মুখীন হয়।
ঘ. অনিমার বাবার জানা প্রকল্পটি হলো ‘কম্প্রিহেনসিভ ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম’ বা সংক্ষেপে সিডিএমপি, যা এদেশে প্রকৃতিজনিত প্রতিবন্ধকতা দূর করার জন্য কাজ করছে। এই প্রকল্পটি অবশ্যই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহায়ক হবে।
প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য দেশে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে। সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিভাগ, এর অধীনস্থ দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যুরো, আবহাওয়া অধিদপ্তর, পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ বিভিন্ন সংস্থা প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগাম পূর্বাভাস দিয়ে থাকে। অনেক এনজিওও এ কাজে যুক্ত রয়েছে। ত্রাণ ও পুনর্বাসন, খাদ্য, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর এবং পানিসম্পদ পরিকল্পনা সংস্থাও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় কাজ করে। দুর্যোগ মোকাবিলার জন্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ বিভাগ ‘কম্প্রিহেনসিভ ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম’ নামের প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় ২০১০-১৪ মেয়াদে বাস্তবায়ন করে। এর মাধ্যমে দুর্যোগ সম্পর্কে আগাম সতর্কীকরণ, পূর্বপ্রস্তুতি, ঝুঁকি হ্রাস এবং জনগণের সক্ষমতা বৃদ্ধি করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
উদ্দীপকে অনিমা তার পরিবারের সঙ্গে কুয়াকাটায় বেড়াতে যাচ্ছিল। পথে জলোচ্ছ্বাসের কারণে তাদের যাত্রা বাধাগ্রস্ত হয়, যা প্রকৃতিজনিত প্রতিবন্ধকতা নির্দেশ করে। অনিমার বাবা সেখানে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানতে পারে যে সরকার এ ধরনের প্রতিবন্ধকতা দূর করার জন্য একটি বিশেষ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। এই প্রকল্পই হলো কম্প্রিহেনসিভ ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট প্রোগ্রাম। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমে প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা করা সম্ভব হবে, ফলে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এটি বিশেষভাবে অবদান রাখবে বলে আমি মনে করি।
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [ঢাকা বোর্ড ২০২৪] দৃশ্যকল্প-১: ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে ‘ক’ দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার আর্থিক মূল্য ২৮,০০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ওই দেশের প্রবাসী নাগরিকদের দ্বারা উৎপাদনের পরিমাণ। ৭,৫০০ কোটি টাকা। দৃশ্যকল্প-২: ‘খ’ দেশের ২০২০-২১ অর্থবছরে জাতীয় আয় ছিল ১,০০,০০০ কোটি মার্কিন ডলার এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে তা অর্জিত হয় ১,১০,০০০ কোটি মার্কিন ডলার। এ সময় জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ছিল ৩% এবং পণ্যসামগ্রীর মূল্য বৃদ্ধির হার ছিল ৫%। ক. প্রবৃদ্ধির হার কাকে বলে? খ. অর্থনৈতিক উন্নয়ন নির্ধারণ করা যায় কীভাবে? গ. ‘ক’ দেশের মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয় কর। ঘ. দৃশ্যকল্প-২-এর ‘খ’ দেশটিতে উন্নয়ন হচ্ছে কি? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩। [দিনাজপুর বোর্ড ২০২৪] আহাদের দেশের জনসংখ্যা ১৮ কোটি। ওই দেশের কোনো এক বছরে দেশের জাতীয় আয় ৫৪,০০০ কোটি টাকা। তিনি সম্প্রতি একটি দেশে চাকরির সুবাদে গিয়েছেন। সেই দেশের জনগণের মাথাপিছু আয় ৬৬,১৭৮ (ইউএস ডলার)। ক. প্রবৃদ্ধির হার কাকে বলে? খ. বাংলাদেশের জনগণের বৃহত্তর অংশ মানবসম্পদে রূপান্তরিত না। হওয়ার কারণ কী? ব্যাখ্যা কর। গ. উদ্দীপকে বর্ণিত আহাদের দেশের মাথপিছু আয় ব্যাখ্যাসহ নির্ণয় কর। ঘ. উদ্দীপকে বর্তমানে আহাদ যে দেশে অবস্থান করছেন সে দেশটির অর্থনৈতিক অবস্থার সাথে আহাদের দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪। [কুমিল্লা বোর্ড ২০২০] ২০১৮ সালে ‘G’ দেশে বসবাসরত জনগণের উৎপাদিত সকল দ্রব্য ও সেবা বাবদ মোট প্রাপ্ত অর্থ ১২০০ বিলিয়ন ইউএস ডলার। ঐ বছর দেশের অভ্যন্তরে কর্মরত বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের প্রাপ্ত অর্থ ৩০০ বিলিয়ন ইউএস ডলার ছিল। দেশটিতে ১১০০ মিলিয়ন জনসংখ্যার বসবাস হলেও ঐ বছর জনসংখ্যার বৃহদংশ বিভিন্ন দেশে কাজ করে ৮০০ বিলিয়ন ইউএস ডলার প্রেরণ করে। ক. প্রবৃদ্ধির হার কী? খ. “বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ” ব্যাখ্যা কর। গ. ‘G’ দেশের মোট জাতীয় উৎপাদন নির্ণয় কর। ঘ. “মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে ‘G’ একটি উন্নয়নশীল দেশ”-যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ কর। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫। দৃশ্যপট-১: ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ‘A’ দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত মোট দ্রব্য ও সেবার আর্থিক মূল্য ২৪,০০০ কোটি টাকা। তন্মধ্যে ঐ দেশে বসবাসকারী বিদেশিদের দ্বারা উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার মূল্য ১,৫০০ কোটি টাকা এবং পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী ‘A’ দেশের নাগরিকদের মোট উৎপাদনের আর্থিক মূলা ৪,০০০ কোটি টাকা। দৃশ্যপট-২: ‘৪’ দেশটিতে ২০১৪-১৫ অর্থবছরে লোকসংখ্যা ছিল ২ লক্ষ, তাদের মোট আয় ছিল ২০ কোটি ডলার। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে দেশটিতে লোকসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে হয় ২.০২ লক্ষ। তাদের উৎপাদিত মোট দ্রব্যাদির অর্থমূল্য গিয়ে দাঁড়ায় ২২ কোটি ডলারে। দেশটির অভ্যন্তরে এরূপ অবস্থা বেশ কয়েক বছর যাবত চলে আসছে। ক. প্রবৃদ্ধির হার কী? খ. মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি কীভাবে দারিদ্র্য দূর করে? খ. গ. দৃশ্যপট-১ এ উল্লিখিত ‘A’ দেশটির মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) নির্ণয় কর। ঘ. তুমি কি মনে কর, দৃশ্যপট-২ এ নির্দেশিত ও দেশটির অর্থনৈতিক অবস্থা আশাব্যঞ্জক? উত্তরের সপক্ষে তোমার যুক্তি দাও। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬। [বরিশাল বোর্ড ২০২০] একটি দেশের লোকসংখ্যা ১৬ কোটি। ঐ দেশের কোনো নির্দিষ্ট বছরে দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত মোট দ্রব্য ও সেবার আর্থিক ২৮,০০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ঐ দেশে বসবাসকারী বিদেশিদের। দ্বারা উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবার মূল্য ৩,০০০ কোটি টাকা। একই বছরে উক্ত দেশের বাইরে বসবাসকারী ঐ দেশের নাগরিকদের দ্বারা মোট উৎপাদনের আর্থিক মূল্য ৭,০০০ কোটি টাকা। ক. উপযোগ কাকে বলে? খ. উৎপাদনের ক্ষেত্রে উদ্যোক্তার ভূমিকা ব্যাখ্যা কর। গ. উদ্দীপকে বর্ণিত দেশটির মোট জাতীয় উৎপাদন (GNP) ব্যাখ্যাসহ নির্ণয় কর। ঘ. “উক্ত দেশের মাথাপিছু আয় সে দেশের জনগণের জীবনযাত্রার মান নির্ধারণ করে” বিশ্লেষণ কর। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭। [যশোর বোর্ড ২০১৯] জনাব মিনসেং একজন চীনা ব্যবসায়ী। তিনি ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে এসে সরকারের অনুমতি নিয়ে রংপুরে একটি কারখানা প্রতিষ্ঠা করেন। স্থানীয় অনেক মানুষ তার কারখানায় কাজ করে। অন্যদিকে জনাব পলাশ সখিপুরে গ্রামে বসবাস করেন। স্নাতক পাস করে সে তার গ্রামে একটি ছোট কারখানা প্রতিষ্ঠা করে। ব্যাংক থেকে পর্যান্ত ঋণ না পাওয়ার কারণে সে এটাকে বড় করতে পারছে। না। গ্রামের অধিকাংশ মানুষ মূর্খ হওয়ায় সে তার কারখানার জন্য দক্ষ ও শিক্ষিত শ্রমিক পাচ্ছে না। রাস্তাঘাট ভাঙা হওয়ার কারণে সে পরিবহন সমস্যারও মুখোমুখি হয়। ক. মোট জাতীয় উৎপাদন কাকে বলে? খ. আমাদের অর্থনৈতিক সমস্যাগুলো সমাধান করা উচিত কেন? গ. জনাব মিনসেং-এর কাজটি অর্থনীতির কোন নির্দেশকের মধ্যে পড়ে? ব্যাখ্যা কর। ঘ. বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে পলাশ যে প্রতিবন্ধকতাসমূহের সম্মুখীন হয়েছে তার প্রভাব বিশ্লেষণ কর। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮। [কুমিল্লা বোর্ড ২০১৯] সাদিয়া বাংলাদেশ থেকে শিক্ষাবৃত্তি নিয়ে ‘X’ নামক দেশে পড়াশুনা করতে যান। সেখানে গিয়ে তিনি দেখতে পান ঐ দেশের আর্থসামাজিক অবস্থা বেশ ভালো, কৃষিতে ট্রাক্টর ও উন্নত বীজ ব্যবহার করা হয় এবং রাজনৈতিক অবস্থা স্থিতিশীল। আবার সাদিয়ার বোন ‘Y’ নামক একটি দেশে বাস করে। সেখানকার বেশিরভাগ মানুষ কৃষিকাজে নিয়োজিত। ওখানকার জনগণের বর্তমান মাথাপিছু আয় ৭৪০ মার্কিন ডলার। উন্নয়নের ধারা অনেকটা স্থবির। ক. অর্থনৈতিক উন্নয়নের মূল লক্ষ্য কী? খ. মাথাপিছু আয় নির্ণয়ের পদ্ধতি ব্যাখ্যা কর। গ. উদ্দীপকে ‘X’ নামক দেশটি অর্থনৈতিক উন্নয়নের ভিত্তিতে কোন শ্রেণিভুক্ত দেশ? ব্যাখ্যা কর। ঘ. ‘Y’ নামক দেশটি সাদিয়ার নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করে কি? যুক্তি দাও। |
নিচে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি ১১ অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন পিডিএফ ফাইল দেওয়া হল।
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি ১১ অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন পিডিএফ
Related Posts
- ৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ৪র্থ অধ্যায় বহুনির্বাচনি প্রশ্ন (MCQ)
- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি ১৩ অধ্যায় MCQ (বহুনির্বাচনি)
- ৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ৩য় অধ্যায় বহুনির্বাচনি প্রশ্ন (MCQ)
- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি ৩য় অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর
- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি ৬ষ্ঠ অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর