ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় চতুর্থ অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর

বাংলাদেশের মূল অর্থনীতি দাঁড়িয়েছে কৃষির ভিত্তির ওপর। কালের বিবর্তনে কৃষির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে শিল্প ও বাণিজ্যও। সরকারি মালিকানায় আছে কিছু কারখানা, রেলপথ আর সড়ক ব্যবস্থা। এই পোস্টে ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় চতুর্থ অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর লিখে দিলাম।

ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় চতুর্থ অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন

সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন]
আশরাফ আলি তার কারখানায় পশুর চামড়া দিয়ে ব্যাগ তৈরি করেন। প্রথম বছরে ইংল্যান্ডে তার তৈরি ব্যাগ স্বল্প পরিমাণে বিক্রি হলেও তিন বছর শেষে ইউরোপের কয়েকটি দেশে তার পণ্যের ব্যাপক চাহিদা পরিলক্ষিত হয়। অন্যদিকে তার স্ত্রী মিসেস জমিলা প্রতিদিন বাড়ির আঙ্গিনার হাঁস ও মুরগির খামার থেকে প্রায় শতাধিক ডিম বাজারে বিক্রি করেন। দুজনের যৌথ প্রচেষ্টায় তাদের সুখের সংসার।

ক. অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য কী?

খ. বাংলাদেশের বিপুল জনসংখ্যাকে কীভাবে জনসম্পদে পরিণত করা যায়?

গ. মিসেস জমিলার কাজটি অর্থনীতির কোন খাতের বৈশিষ্ট্যের সাথে সংগতিপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. আশরাফ আলি ও মিসেস জমিলার কাজের মধ্যে কোনটি অর্থনৈতিক উন্নয়নে অধিক সহায়ক বলে তুমি মনে করো? তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।

উত্তরঃ

ক. অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য বলতে দেশের ভেতরে ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগে জিনিসপত্র কেনাবেচাকে বোঝায়।

খ. বাংলাদেশের বিপুল জনসংখ্যাকে শিক্ষা ও উপযুক্ত প্রশিক্ষণের মাধ্যমে জনসম্পদে পরিণত করা যায়।

বাংলাদেশের জনসংখ্যা বিশাল, কিন্তু উন্নত দেশগুলোর চেয়ে এখানে শিক্ষার হার কম। শিক্ষার অভাবে অনেক মানুষ ঠিকমতো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না। আমরা যদি দেশের মানুষকে প্রকৃত শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারি, তাহলে তাদের জীবনমান যেমন বাড়বে, তেমনি তারা উন্নয়ন নিয়ে সচেতন ও আগ্রহী হয়ে উঠবে। আর সঠিক শিক্ষা আর প্রশিক্ষণের মাধ্যমেই এই বিরাট জনগোষ্ঠীকে আমরা রূপ দিতে পারি মূল্যবান জনসম্পদে।

গ. মিসেস জমিলার কাজটি অর্থনীতির কৃষিখাতের বৈশিষ্ট্যের সাথে সংগতিপূর্ণ।

বাংলাদেশের অর্থনীতিকে ভাগ করা হয় কয়েকটি মূল খাতে। তার মধ্যে কৃষিখাত অন্যতম। এই খাতের আওতায় পড়ে শুধু ফসলের চাষ নয়, বরং বনজ, মৎস্য ও পশুসম্পদও। এমনকি বাড়ির আঙিনায় হাঁস-মুরগি পালনও কৃষির অংশ। প্রাচীন আমল থেকেই কৃষি এই ভূখণ্ডের অর্থনীতিতে মুখ্য ভূমিকা রেখে আসছে। এখনও অধিকাংশ মানুষ জীবিকার তাগিদে কৃষির ওপর নির্ভরশীল। জাতীয় অর্থনীতিতে কৃষির অবদান প্রায় ১২ শতাংশ।

উদ্দীপকের জমিলা যেমন নিজের খামার থেকে ডিম ও মুরগি বিক্রি করছেন। সেটিও কৃষির আওতার ভেতরেই পড়ে। তাই বলা যায়, জমিলার কাজটি কৃষিনির্ভর অর্থনীতিকেই ইঙ্গিত করছে।

ঘ. উদ্দীপকের আশরাফ আলি ও মিসেস জমিলার কাজের মধ্যে আশরাফ আলীর কাজটিই ‘অর্থনৈতিক উন্নয়নে বেশি সহায়ক বলে আমি মনে করি।

বাংলাদেশের অর্থনীতির চাকা ঘোরাতে শিল্পখাতের ভূমিকা অনেক বড়। জিডিপিতে শিল্পের অবদান প্রায় ৩৮ শতাংশ। পাট, চামড়া, সুতা, কাপড় এসব এ দেশের অন্যতম প্রধান শিল্পপণ্য। উদ্দীপকের আশরাফ আলী পশুর চামড়া দিয়ে ব্যাগ বানান, যা শিল্পখাতের আওতায় পড়ে। অন্যদিকে তার স্ত্রী জমিলা হাঁস-মুরগির খামার করেন, যা কৃষির অন্তর্গত। জিডিপিতে কৃষির অবদান ১২ শতাংশ।

জমিলার ডিম স্থানীয় বাজারের চাহিদা পূরণ করে। এ কাজ অর্থনীতিতে ছোট হলেও নির্দিষ্ট ভূমিকা রাখে। কিন্তু আশরাফ আলীর কাজ শুধু দেশের চাহিদা মেটায় না, বিদেশেও পণ্য রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা আনে। জিডিপির হিসাবেও শিল্পের অংশ বড় হওয়ায় তিনি তুলনামূলকভাবে বেশি অবদান রাখছেন।

দুজনেই দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখছেন ঠিকই, তবে আশরাফ আলীর কাজ অর্থনীতিকে বেশি শক্তি জোগায়। তাই বলা যায়, স্বামী-স্ত্রী উভয়ের কাজ গুরুত্বপূর্ণ হলেও অর্থনৈতিক উন্নয়নে আশরাফ আলীর অবদান অগ্রগণ্য।

সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন]
মধ্যবিত্ত লোকমান সাহেবের চার ছেলের সবাই বেকার। বড়ো ছেলে আরমানকে ধার দেনা করে সৌদি আরব পাঠানোর পর সে একটি খেজুর বাগানে কাজ পেল। সেখানে মরুভূমির অনুর্বর জমিতে মেধা ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে খেজুরসহ বিভিন্ন ধরনের ফলের চাষ দেখে সে অনুপ্রাণিত হয়। নিজ দেশের অনুন্নত কৃষির কথা চিন্তা করে পরের বছরই সে দেশে ফিরে এসে তিন ভাইকে নিয়ে খামার করার সিদ্ধান্ত নেয়। বেকার তিন ভাইকে হর্টিকালচার সেন্টার থেকে কৃষি উৎপাদন সম্পর্কিত প্রশিক্ষণ দিয়ে চার ভাই একত্রে একটি খামার তৈরি করে এবং স্বল্প সময়ের মধ্যে সফল ব্যবসায়ী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।

ক. মানব সম্পদ কাকে বলে?

খ. আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পরিমাণ বাড়ানো যায় কীভাবে?

গ. জনাব আরমান সৌদি আরব থেকে ফিরে কোন অর্থনীতির সাথে যুক্ত হয়েছেন? ব্যাখ্যা করো।

ঘ ‘জনাব লোকমান সাহেবের বেকার চার পুত্রই এখন মানবসম্পদ’-মূল্যায়ন করো।

উত্তরঃ

ক. দক্ষ মানুষকেই মানবসম্পদ বলা হয়।

খ. শিল্পের প্রসারের মাধ্যমে আমাদের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের পরিমাণ বাড়ানো যায়।

বিশ্ব এখন দ্রুত ছুটছে শিল্পের পথ ধরে। কারণ ব্যাপক শিল্পায়নের মাধ্যমেই অর্জিত হচ্ছে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা। আমাদের দেশেও গার্মেন্টস, ফার্মা, সিমেন্ট, সিরামিক এসব সম্ভাবনাময় খাতকে আরও বাড়াতে হবে। তাহলে দেশের ভিতরের চাহিদা শেষ করে বাকিটা বিদেশে রপ্তানি করতে পারবো বেশি করে। তাতে বিদেশি মুদ্রা আসবে প্রচুর, আর আমাদের অর্থনীতি হবে শক্তও মজবুত।

গ. আরমান সৌদি আরব থেকে ফিরে গ্রামীণ অর্থনীতির সাথে যুক্ত হয়েছেন।

গ্রামের মানুষ যেসব অর্থনৈতিক কাজ করে বাঁচে আর গ্রামের টাকা-পয়সার লেনদেন সচল রাখে—সেটাই গ্রামীণ অর্থনীতি। আমাদের দেশের বেশিরভাগ লোক গ্রামে থাকে, তাই তাদের জীবন গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গে একেবারে জড়িয়ে। গ্রামের সবচেয়ে বড় পেশা হলো কৃষি। কারণ অধিকাংশ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। এ ছাড়া কেউ জেলে, তাঁতি, কামার, কুমার, মুদি হিসেবেও রোজগার করে। বর্তমানে গ্রামীণ অর্থনীতিতে বদল এসেছে, বিশেষ করে কৃষিতে। এখন আধুনিক যন্ত্রপাতি, সার, কীটনাশক আর ভালো বীজ ব্যবহার হচ্ছে। এতে যেমন উৎপাদন বাড়ছে, তেমনি তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন সম্ভাবনারও।

উদ্দীপকের আরমান সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে তার তিন ভাইকে কৃষির ওপর প্রশিক্ষণ দিল। তারপর চার ভাই মিলে মেধা আর প্রযুক্তি ব্যবহার করে খামার গড়ে তুলল। ওপরের আলোচনা থেকে বুঝতে পারা যায়, তাদের এই কাজটিও গ্রামীণ কৃষি অর্থনীতির অন্তর্গত। তাই বলা যায়, আরমান বিদেশ থেকে ফিরে ঠিক গ্রামীণ অর্থনীতির সঙ্গেই যুক্ত হয়েছেন।

ঘ. “জনাব লোকমান সাহেবের বেকার চার পুত্রই এখন মানবসম্পদ”-উদ্দীপকের আলোকে উক্তিটিকে যথার্থ বলা যায়।

একটা দেশের অশিক্ষিত আর কাজহীন মানুষ, বিশেষ করে তরুণদের যদি শিক্ষা, প্রশিক্ষণ আর সঠিক চাকরির ব্যবস্থা করা যায় তাহলে তারাই বদলে যেতে পারে মূল্যবান মানবসম্পদে। বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান। এখানকার বেশির ভাগ মানুষ কৃষির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু তাদের অনেকে লেখাপড়া জানেন না, কারিগরি জ্ঞানও নেই। অথচ এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে একটু শিক্ষা আর প্রশিক্ষণ দিতে পারলেই তারা হয়ে উঠতে পারে দেশের সম্পদ। ঠিক যেমনটা ঘটেছে লোকমান সাহেবের চার ছেলের বেলায়।

উদ্দীপকের আরমান সৌদি আরবে দেখে এসেছে কীভাবে মেধা আর প্রযুক্তি দিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়ানো যায়। দেশে ফিরে সে তিন ভাইকে হর্টিকালচার সেন্টার থেকে প্রশিক্ষণ দিল। তারপর চার ভাই মিলে তৈরি করল খামার। খুব কম সময়ের মধ্যেই তারা সফল হয়ে গেল। এখানেও মূল কাজ করল সঠিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন। তারা এখন দেশের অর্থনীতিতেও ভূমিকা রাখছে।

তাই বলা যায়, লোকমান সাহেবের চার পুত্র আজ সত্যিকার অর্থেই মানবসম্পদ।


সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩।
শফিকুল ইসলাম ও মনোয়ারা বেগম দম্পতি। তাদের তিন মেয়ে ও এক ছেলে। শফিকুল ঢাকার একটি গার্মেন্টস কারখানায় সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে কাজ করেন। স্ত্রী মনোয়ারা বেগম গ্রামের বাড়িতে ছোট একটি গরু ও ছাগলের খামার করেন। তাদের ছেলে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। তিন মেয়ের মধ্যে বড়ো মেয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করে, মেজো মেয়ে প্রবাসে চাকরি করে। ছোট মেয়ে এখনো পড়ালেখা করছে।
ক. ‘রেমিট্যান্স’ বলতে কী বোঝায়?
খ. ‘গ্রামীণ অর্থনীতি জাতীয় অর্থনীতির মেরুদণ্ড’— ব্যাখ্যা করো।
গ. মনোয়ারা বেগমের কাজটি কোন অর্থনৈতিক খাতের অন্তর্ভুক্ত? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. শফিকুলের পরিবারের সদস্যরা যে সকল অর্থনৈতিক খাতে যুক্ত, তার একটি চিত্র উপস্থাপন করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪।
সোহেল ও সজীব দুই ভাই। সোহেল চট্টগ্রাম বন্দরে ব্যবসা করে। তিনি প্রতিবছর বিদেশে প্রচুর পরিমাণে তৈরি পোশাক ও ঔষধ রপ্তানি করেন। অন্যদিকে সজীব ইউরোপের একটি দেশে ডাক্তারি পেশায় নিয়োজিত। সে প্রতি মাসে দেশে তার পরিবারের জন্য অর্থ পাঠায়। তাদের বোন নীলা দেশের একটি বেসরকারি ব্যাংকে চাকরি করে।
ক. ‘সেবাখাত’ বলতে কী বোঝায়?
খ. ‘অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য অর্থনীতিকে সচল রাখে’— ব্যাখ্যা করো।
গ. সোহেলের কাজটি অর্থনীতির কোন খাতের সাথে সম্পর্কিত? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. সোহেল, সজীব ও নীলা তিনজনের কাজ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কীভাবে ভূমিকা রাখে? বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫।
মি. নজরুল ইসলাম একটি সিরামিক কারখানার মালিক। তার কারখানায় এক হাজারের বেশি শ্রমিক কাজ করে। অন্যদিকে তার প্রতিবেশী হামিদ মিয়া একজন কৃষক। তিনি তার ছোট জমিতে সবজি চাষ করেন। সম্প্রতি হামিদ মিয়া তার জমি বিক্রি করে নগরীতে গিয়ে একটি পোশাক কারখানায় যোগ দিয়েছেন।
ক. শিল্পখাতের উদাহরণ দাও।
খ. ‘বাংলাদেশকে কৃষিনির্ভর দেশ বলা হয় কেন?’ ব্যাখ্যা করো।
গ. হামিদ মিয়ার পেশা পরিবর্তনের কারণ কী হতে পারে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. গ্রাম থেকে শহরে পেশা পরিবর্তনের ফলে অর্থনীতির কী ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে? বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬।
পল্লী অঞ্চলের বাসিন্দা নূরজাহান বেগম। তার স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি একটি ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে মুরগির খামার করেন। ধীরে ধীরে তিনি এলাকার অন্যান্য নারীদেরও খামার করতে উদ্বুদ্ধ করেন। বর্তমানে তার নেতৃত্বে প্রায় শতাধিক নারী স্বাবলম্বী হয়েছেন। তার এলাকায় এখন আর শিশুশ্রম দেখা যায় না।
ক. ‘দক্ষ জনশক্তি’ বলতে কী বোঝায়?
খ. ‘গ্রামীণ অর্থনীতিতে কুটিরশিল্পের ভূমিকা অপরিসীম’— ব্যাখ্যা করো।
গ. নূরজাহান বেগমের উদ্যোগটি কোন অর্থনৈতিক খাতের অন্তর্ভুক্ত? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘নূরজাহান বেগমের উদ্যোগ মানবসম্পদ তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে’— বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭।
সিরাজুল ইসলাম একটি চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানার মালিক। তার কারখানার বর্জ্য আশপাশের পরিবেশ দূষিত করছে। স্থানীয়রা এর প্রতিবাদ করলে তিনি কিছুই করেননি। অন্যদিকে তার প্রতিবেশী নুরুল ইসলাম একটি জৈব সার তৈরির কারখানা স্থাপন করেছেন। তিনি কৃষকদের থেকে জৈব বর্জ্য সংগ্রহ করে তা প্রক্রিয়াজাত করে সার তৈরি করেন।
ক. ‘টেকসই উন্নয়ন’ বলতে কী বোঝায়?
খ. ‘শিল্পায়নের সঙ্গে নগরায়ন জড়িত’— ব্যাখ্যা করো।
গ. সিরাজুল ইসলামের কারখানার বর্জ্য কোন ধরনের সমস্যা তৈরি করছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘নুরুল ইসলামের উদ্যোগ টেকসই উন্নয়নের পথে একটি পদক্ষেপ’— মূল্যায়ন করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮।
মি. জহিরুল হক শিক্ষিত ও প্রশিক্ষিত যুবক। তিনি দেশে চাকরি না পেয়ে সৌদি আরবে গিয়ে একটি কনস্ট্রাকশন ফার্মে কাজ নেন। পাঁচ বছর পর তিনি দেশে ফিরে আসেন। নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি একটি বিল্ডিং কনস্ট্রাকশন ফার্ম চালু করেন। বর্তমানে তার ফার্মে শতাধিক কর্মী কাজ করে।
ক. ‘মানবসম্পদ’ বলতে কী বোঝায়?
খ. ‘দারিদ্র্য নিরসনে দক্ষ জনশক্তির বিকল্প নেই’— ব্যাখ্যা করো।
গ. জহিরুল হকের সৌদি প্রবাস তার বর্তমান সাফল্যকে কীভাবে প্রভাবিত করেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘জহিরুল হকের উদ্যোগ বেকারত্ব নিরসনে ভূমিকা রাখছে’— বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৯।
দক্ষিণ আফ্রিকায় কর্মরত সালমান প্রতি মাসে বাংলাদেশে তার পরিবারের জন্য ৫০০ ডলার করে পাঠান। তার ভাই ফারুক দেশের একটি গার্মেন্টস কারখানায় চাকরি করে। তাদের ছোট ভাই ইউসুফ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখা করে। তাদের বাবা অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মচারী।
ক. ‘বৈদেশিক বাণিজ্য’ বলতে কী বোঝায়?
খ. ‘প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থ বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত’— ব্যাখ্যা করো।
গ. ফারুকের চাকরিটি অর্থনীতির কোন খাতের অন্তর্ভুক্ত? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. সালমান ও ফারুকের উপার্জন বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কী ভূমিকা রাখে? বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১০।
বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত ঔষধ কোম্পানি প্রতিবছর দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও ঔষধ রপ্তানি করে। কোম্পানিটি আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এবং ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের মান বজায় রাখে। কোম্পানির উদ্যোক্তা নাজমুল হক দেশের তরুণদের প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের জন্য একটি ইনস্টিটিউটও স্থাপন করেছেন।
ক. রপ্তানি থেকে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয় কেন?
খ. ‘শিল্পখাত কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে’— ব্যাখ্যা করো।
গ. নাজমুল হকের ঔষধ কোম্পানি অর্থনীতির কোন খাতের অন্তর্ভুক্ত? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘নাজমুল হকের উদ্যোগ অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি মানবসম্পদ তৈরিতেও সহায়ক’— বিশ্লেষণ করো।

নিচে ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় চতুর্থ অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন ফাইল দেওয়া হল।

ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় চতুর্থ অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন পিডিএফ

Related Posts

Leave a Comment