বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি ১০ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর

কোনো দেশের সমৃদ্ধি নির্ভর করে সে দেশের জাতীয় সম্পদের প্রকৃতি ও পরিমাণের ওপর। যে দেশ জাতীয় সম্পদে যত সমৃদ্ধ সে দেশের উন্নতির সম্ভাবনা ততবেশি। এই পোস্টে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি ১০ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর লিখে দিলাম।

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি ১০ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন

সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১। [২০২সালের বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন]
মাহমুদ ‘ক’ নামক দেশের নাগরিক। তিনি যে দেশে জন্মগ্রহণ করেছেন সে দেশে ব্যক্তিগত কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান স্বাপন করা যায় না। মাহমুদের বাবা উক্ত ‘ক’ দেশে যে কারখানায় কাজ করতেন তার প্রাপ্য মজুরির একটি অংশ প্রয়োজন অনুসারে তাকে দেওয়া হতো সাম্প্রতিককালে মাহমুদ ‘খ’ নামক দেশের নাগরিকত্ব লাভকরেন। তিনি সেখানে এক লক্ষ ডলার খরচ করে একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন কনে। পরবর্তীতে তিনি তার আয় দিয়ে আরও একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছেন।

ক. সমষ্ঠিগত সম্পদ কী?

খ. অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কী? ব্যাখ্যা করো।

গ. ‘ক’ দেশের অর্থব্যবস্থার ধরনটি তোমার পঠিত বিষয়বস্তুর আলোকে ব্যাখ্যা করো।

ঘ. ‘খ’ দেশের অর্থব্যবস্থা ‘ক’ দেশের অর্থব্যবস্থার তুলনায় অধিক উৎপাদন নিশ্চিত করে-যুক্তির মাধ্যমে ব্যাখ্যা করো।

উত্তরঃ

ক. সমাজের সকলে সম্মিলিতভাবে যেসব সম্পদ ভোগ করে তাকে সমষ্টিগত সম্পদ বলে।

খ. যে ব্যবস্থা বা কাঠামোর মাধ্যমে উৎপাদনের উপাদানগুলোর মালিকানা নির্ধারণ করা হয় এবং উৎপাদন, সম্পদের বণ্টন ও ভোগের কাজ সম্পন্ন হয়, তাকে অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলে। অর্থনৈতিক ব্যবস্থা মানুষের অর্থনৈতিক কাজকর্ম এবং অর্থনীতি সম্পর্কিত প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনগত কাঠামোর সমন্বয়ে গড়ে ওঠে।

গ. ক’ দেশের অর্থব্যবস্থাটি হলো সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা।

সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপকরণসহ সব সম্পদ রাষ্ট্রের মালিকানায় থাকে। তাই রাষ্ট্রই শ্রমিকদের মজুরি দেয় এবং উৎপাদনের অন্য সব খরচ বহন করে। এর ফলে ধনতন্ত্রের মতো পুঁজিপতিদের দ্বারা শ্রমিকদের বঞ্চিত হওয়ার সুযোগ কম থাকে। এখানে মজুরি দেওয়ার নিয়ম হলো প্রত্যেকে তার যোগ্যতা অনুযায়ী কাজ পাবে এবং কাজ অনুযায়ী পারিশ্রমিক পাবে। এই ব্যবস্থায় বেকারত্ব থাকে না, কারণ রাষ্ট্র সবার সামর্থ্য ও যোগ্যতা অনুযায়ী কাজের ব্যবস্থা করে দেয়। সবার আয় এক রকম না হলেও কেউ তার কাজের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত হয় না।

উদ্দীপকে মাহমুদ ‘ক’ রাষ্ট্রের নাগরিক। তিনি যে দেশে জন্ম নিয়েছেন, সেখানে ব্যক্তিগতভাবে কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা যায় না। মাহমুদের বাবা সেই ‘ক’ দেশের একটি কারখানায় কাজ করতেন এবং তার প্রাপ্য মজুরির একটি অংশ প্রয়োজন অনুযায়ী তাকে দেওয়া হতো। তাই বোঝা যায়, মাহমুদের ‘ক’ দেশের অর্থব্যবস্থা হলো সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা।

ঘ. উদ্দীপকে ‘খ’ দেশে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা এবং ‘ক’ দেশে সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা প্রচলিত। এ দুটি অর্থব্যবস্থার মধ্যে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার তুলনায় বেশি উৎপাদন নিশ্চিত করে। নিচে তা যুক্তিসহ ব্যাখ্যা করা হলো—

১. ধনতান্ত্রিক বা পুঁজিবাদী অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান লাভের উদ্দেশ্যে উৎপাদনে অংশ নেয়। বেশি মুনাফা পাওয়ার ইচ্ছা তাদেরকে বেশি উৎপাদনে উৎসাহিত করে, ফলে মোট উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
২. ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় অনেক প্রতিষ্ঠান একে অপরের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে। এই প্রতিযোগিতার কারণে উৎপাদন ক্রমাগত বৃদ্ধি পায়।
৩. এ ব্যবস্থায় উদ্যোক্তারা নতুন প্রযুক্তি, আধুনিক যন্ত্রপাতি ও উদ্ভাবন ব্যবহারের স্বাধীনতা পায়। ফলে উন্নত প্রযুক্তির কারণে উৎপাদন ক্ষমতা অনেক বেড়ে যায়।
৪. ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় যে পণ্যের চাহিদা বেশি, উদ্যোক্তারা সেখানে বেশি বিনিয়োগ করে। এতে সম্পদের অপচয় কম হয় এবং উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।
৫. সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় সরকারি নিয়ন্ত্রণ বেশি থাকায় উৎপাদনে কিছু জটিলতা দেখা দেয়। কিন্তু ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় নিয়ন্ত্রণ কম থাকায় দ্রুত উৎপাদন বাড়ে।

উপরের আলোচনার ভিত্তিতে বলা যায়, ‘খ’ দেশের অর্থাৎ ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা ‘ক’ দেশের অর্থাৎ সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার তুলনায় বেশি উৎপাদন নিশ্চিত করে।

সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [২০২৫ সালের বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন]
পার্থ ‘ক’ নামক দেশের নাগরিক। তিনি যে দেশে জন্মগ্রহণ করেছেন সে দেশে ব্যক্তিগত কোনো শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা যায় না। পার্থর বাবা উক্ত ‘ক’ দেশে যে কারখানায় কাজ করতেন তার প্রাপ্য মজুরির একটি অংশ প্রয়োজন অনুসারে তাকে দেওয়া হতো। সাম্প্রতিককালে পার্থ ‘খ’ নামক দেশের নাগরিকত্ব লাভ করেন। তিনি সেখানে এক লক্ষ ডলার খরচ করে একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। পরবর্তীতে তিনি তার আয় দিয়ে আরও একটি শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছেন।

ক. সম্পদকে কয়ভাগে ভাগ করা যায়?

খ. অর্থনৈতিক ব্যবস্থা কী? ব্যাখ্যা কর।

গ. পার্থের ‘ক’ দেশের অর্থব্যবস্থার ধরনটি তোমার পঠিত বিষয়বস্তুর আলোকে ব্যাখ্যা কর।

ঘ. ‘খ’ দেশে যে ধরনের অর্থব্যবস্থা প্রচলিত তার সাথে ‘ক’ দেশের অর্থব্যবস্থার পার্থক্য রয়েছে-যুক্তির মাধ্যমে ব্যাখ্যা কর।

উত্তরঃ

ক. সম্পদকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়।

খ. ১ নং এর ‘খ’ এর উত্তর দেখো।

গ. ১ নং এর ‘গ’ এর উত্তর দেখো।

ঘ. উদ্দীপকে ‘খ’ দেশে ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা প্রচলিত এবং ‘ক’ দেশে সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা প্রচলিত। এ দুই দেশের অর্থব্যবস্থার মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে।

ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থাসমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থা
১। ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপাদানসমূহ যেমন-ভূমি, শ্রম, মূলধন ও সংগঠন ব্যক্তিমালিকানাধীন। ব্যক্তি তার নিজস্ব সম্পদ স্বাধীনভাবে ভোগ ও হস্তান্তর করতে পারে।১। সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের উপকরণসহ সকল সম্পদ রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন। এক্ষেত্রে সম্পদের কোনোরকম ব্যক্তিমালিকানা থাকে না।
২। ধনতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় ব্যক্তি এককভাবে বা গোষ্ঠীবদ্ধভাবে যেকোনো দ্রব্য বা সেবা উৎপাদনের জন্য উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে।২। সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের সকল উদ্যোগ সরকারিভাবে গৃহীত হয়।
৩। ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ভোগকারী কোন দ্রব্য কী পরিমাণে ক্রয় ও ভোগ করবে তার সিদ্ধান্ত নিজেই গ্রহণ করে।৩। সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ভোগকারীর নিজ ইচ্ছামতো দ্রব্যসামগ্রী ভোগের সুযোগ নেই।
৪। এ অর্থব্যবস্থায় শ্রমিকেরা প্রাপ্যের চেয়ে অনেক কম মজুরি পায়। তাই এখানে শ্রমিক শোষণ রয়েছে।৪। এখানে মুনাফার মধ্যে পুরোটাই রাষ্ট্র বা সরকারের মালিকানায়। তাই শ্রমিক শোষণের প্রশ্নই ওঠে না।
৫। ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় উৎপাদনের যেকোনো ক্ষেত্রে ব্যক্তি নির্দেশনা কার্যকর হয়। অর্থাৎ উদ্যোক্তা নিজেই নানা বিষয়ে নির্দেশনা প্রদান করে থাকে।৫। সমাজতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থায় ব্যক্তি নির্দেশের কোনো ব্যবস্থাই নেই। এখানে উৎপাদনের যেকোনো বিষয়ে সরকারিভাবে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

সুতরাং দেখা যাচ্ছে, ‘ক’ ও ‘খ’ দেশের অর্থব্যবস্থা অর্থাৎ সমাজতান্ত্রিক ও ধনতান্ত্রিক অর্থব্যবস্থার মধ্যে অনেক পার্থক্য বিদ্যমান।


সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [ঢাকা বোর্ড ২০২৪]
ঘটনা-১: জনাব আবির এমন একটি দেশে থাকেন যেখানে তিনি ব্যবসায় করতে চাইলে জানতে পারলেন যে, এখানে ব্যক্তিগত বা যৌথভাবে ব্যবসায় করার সুযোগ নেই। এখানে সবকিছু একট কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

ঘটনা-২: জনাব রাকিবের দেশে তাঁরা যেকোনো ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারেন। ব্যক্তি তার ইচ্ছামতো সম্পদ ভোগ ও হস্তান্তর করতে পারেন। এসব ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের কোনো হস্তক্ষেপ নেই বললেই চলে।

ক. সমষ্টিগত সম্পদ কাকে বলে?

খ. বণ্টনব্যবস্থা সমাজে কী ধরনের প্রভাব ফেলে? ব্যাখ্যা কর। 

গ. জনাব রাকিবের দেশে কোন ধরনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিদ্যমান? ব্যাখ্যা কর।

ঘ. জনাব আবিরের দেশের মজুরি প্রদান ব্যবস্থার সাথে বাংলাদেশের মজুরি প্রদান ব্যবস্থা কি সাদৃশ্যপূর্ণ? উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও। 
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩। [রাজশাহী বোর্ড ২০২৪]
বাঁধন ‘ক’ দেশের নাগরিক। তিনি নিজ দেশে ব্যক্তিগত উদ্যোগে একটি শিল্পকারখানা স্থাপন করেন। অল্পদিনের মধ্যে কারখানা থেকে প্রচুর টাকা আয় করেন এবং নিজের জন্য একটি দামি গাড়ি কিনেন। বাঁধন ‘খ’ দেশে বেড়াতে গিয়ে দেখেন, সেখানে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কোনো প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা যায় না। ওই দেশে উৎপাদন বাবস্থার সকল সিদ্ধান্ত সরকারই গ্রহণ করে।

ক. উপযোগ কাকে বলে?

খ. সমষ্টিগত সম্পদ সংরক্ষণ করা প্রয়োজন কেন? ব্যাখ্যা কর। 

গ. উদ্দীপকের ‘ক’ দেশটিতে কোন ধরনের অর্থব্যবস্থা বিদ্যমান? ব্যাখ্যা কর।

ঘ. উদ্দীপকের ‘খ’ দেশের অর্থব্যবস্থায় পুঁজিপতি কর্তৃক শ্রমিককে বঞ্চিত করার সুযোগ নেই।” মতামত দাও।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪। [কুমিল্লা বোর্ড ২০২৪]
জনাব ‘M’ ১০ বিঘা জমি কিনে বসবাসের জন্য একটি বাড়ি নির্মাণ করেন। তার বাড়ির পাশেই একটি রেললাইন রয়েছে। তিনি একদিন দেখতে’ পেলেন, একজন লোক রেলপথের স্লিপার খুলে নেওয়ার চেষ্টা করছে। তিনি তাকে বাধা দিলে লোকটি পালিয়ে যায়।

 ক. শ্রম কাকে বলে? 

খ. জাপানকে উচ্চ আয়ের দেশ বলা হয় কেন?

গ. উদ্দীপকের বাড়িটি কোন ধরনের সম্পদ? ব্যাখ্যা কর।

ঘ. উদ্দীপকের শেষের সম্পদটি সংরক্ষণে আমাদের করণীয় কী?মতামত দাও।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫। [বরিশাল বোর্ড ২০২৪]
দৃশ্যপট-১: জনাব ‘X’ একজন বিজ্ঞানের গবেষক। তিনি তার দক্ষতা ও সৃজনশীলতা দিয়ে পরিবেশ বান্ধব যানবাহন উদ্ভাবন করেন।

দৃশ্যপট-২: জনাব ‘Y’ কয়েকটি কারখানা মালিক। তিনি ইচ্ছামতো তার ব্যবসায় পরিচালনা করেন। এখানে সরকার কোনো হস্তক্ষেপ করে না। তার বন্ধু ‘ও’ একটি সরকারি কোম্পানিতে চাকরি করেন। তাকে সরকারের নিয়মনীতি কঠোরভাবে পালন করতে হয়।

ক. উপযোগ কাকে বলে?

খ. জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণ করা প্রয়োজন কেন?

গ. দৃশ্যপট-১ -এর সম্পদটি কোন ধরনের-ব্যাখ্যা কর।

ঘ. দৃশ্যপট-২-এর অর্থব্যবস্থাগুলোর উভয় অর্থব্যবস্থাই তোমার দেশে প্রচলিত। যুক্তিসহ উত্তর দাও।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬। [ঢাকা বোর্ড ২০২৩]
ঘটনা-১: জামশেদ আলী ‘ক’ দেশে বাস করেন। তার একটি রেস্তোরাঁ রয়েছে। সেখানে প্রায় ৩০ জন্য কর্মচারী কাজ করে। জামশেদ আলী তার কর্মচারীদের কম বেতন দিয়ে নিজের লাভের দিকে তিনি সমসময়ই প্রাধান্য দেন।

ঘটনা-২: শরীফ চৌধুরী নামে একজন সরকারি কর্মকর্তা ‘খ’ দেশে বসবাস করেন। তিনি লক্ষ করেন, এদেশের উৎপাদন সংক্রান্ত সব কাজেই সরকারি নির্দেশনা থাকে। এখানে বাক্তি উদ্যোগে কোনো শিল্পকারখানা স্থাপন করা যায় না। যদিও মানুষের সর্বোচ্চ কল্যাণ। এদেশের মূল্য লক্ষ্য।

ক. উপযোগ কাকে বলে?

খ. সূর্যের আলো সম্পদ নয় কেন?

গ. ‘ক’ দেশটিতে কোন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা প্রচলিত? ব্যাখ্যা কর।  

ঘ. ‘খ’ দেশটিতে প্রচলিত অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় মোট জাতীয় উৎপাদন বাড়ে এবং সম্পদের সুষম বণ্টন সম্ভব হয়।” তুমি কি একমত? যুক্তি দাও।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭।
দৃশ্যকল্প-১: সিয়াম পরীক্ষা শেষে কুয়াকাটা বেড়াতে গেল। যাবার পথে তারা পদ্মা সেতু অতিক্রম করে। সেতুটি দেখে সিয়ামের মণ আনন্দে ভরে গেল।

দৃশ্যকল্প-২: জনাব রতনের দেশের অর্থনীতিতে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের সহঅবস্থান লক্ষ করা যায়। জনগণের একটি ক্ষুদ্র অংশ বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তা, বৃহত্তর অংশই শ্রমিক বা মজুর।

ক. উপযোগ কী?

খ. ফ্যানের বাতাস সম্পদ হিসেবে বিবেচিত হয় কেন?

গ. দৃশ্যকল্প-১-এ কোন ধরনের সম্পদ প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর। 

ঘ. “তুমি কি মনে কর জনাব রতনের দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সকল মানুষের জন্য কল্যাণকর।”-উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও। 
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮। [যশোর বোর্ড ২০২৩]
মায়া ‘ক’ দেশের নাগরিক। রাষ্ট্র তাকে তার যোগ্যতা ও সামর্থ্য অনুযায়ী কাজের ব্যবস্থা করে দেয় এবং সব চাহিদা মেটায়। তিনি তার প্রাপ্য আয় থেকে বঞ্চিত হন না। অপরদিকে, স্মিথ ‘খ’ দেশের নাগরিক। তিনি একটি টুথপেস্ট কেনার জন্য দোকানে গেলে দোকানদার তার কাছে বেশি দাম চাইলে সে পাশের দোকান থেকে দ্রব্যটি ক্রয় করেন।

ক. মূলধন কী? 

খ. জাতীয় সম্পদ সংরক্ষণ প্রয়োজন কেন?

গ. ‘ক’ দেশে কোন অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বিদ্যমান? ব্যাখ্যা কর।

ঘ. ‘খ’ দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার সাথে ‘ক’ দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর ৷

নিচে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি ১০ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন পিডিএফ ফাইল দেওয়া হল।

বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি ১০ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন পিডিএফ

Related Posts

Leave a Comment