১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে জন্ম নিলেও বাংলার ইতিহাস কিন্তু অনেক আগে থেকেই চলে আসছে। প্রাচীন যুগ থেকেই মৌর্য, শুঙ্গ, কুষাণ, গুপ্ত, পাল ও সেন যুগের শাসনের মধ্য দিয়ে বাংলা এগিয়ে গিয়েছে। এই পোস্টে ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় দ্বিতীয় অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর লিখে দিলাম।
Table of Contents
ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় দ্বিতীয় অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন] তথ্য-১ঃ প্রচুর ধান উৎপাদন। বিভিন্ন ধরনের দেশীয় ফল উৎপাদন। তথ্য – ২ঃ আকাশপথে আমেরিকায় তৈরি পোশাক রপ্তানি। পাটজাত দ্রব্য বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত। ক. মাৎস্যন্যায় কী? খ. বাংলা কীভাবে একটি প্রদেশে পরিণত হয়? গ. তথ্য-১ এর মতো প্রাচীন বাংলাদেশের গৌরবময় ক্ষেত্রটি ব্যাখ্যা করো। ঘ. তথ্য-২ এ উল্লিখিত বিষয়গুলো প্রাচীন বাংলাদেশের গৌরবের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ মতামত দাও। |
উত্তরঃ
ক. পুকুরে বড় মাছ ছোট মাছকে ধরে গিলে ফেলার মতো বিশৃঙ্খল পরিস্থিতিকে বলা হয় ‘মাৎস্যন্যায়’।
খ. মুঘল শাসনের সূচনার মধ্যদিয়ে বাংলা একটি প্রদেশে পরিণত হয়।
১৫২৬ সালের পর দিল্লির সুলতানি শাসন শেষ হয়ে গেলে দিল্লিকে কেন্দ্র করে ভারতে মুঘল শাসন শুরু হয়। মুঘল আমলে সুবাদাররা বাংলার শাসন, কর আদায় এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করতেন। বাংলার সুবাদার হিসেবে ইসলাম খান চিশতি দায়িত্ব নেওয়ার পর বারো ভূঁইয়াদের পরাজিত করেন। এরপর ১৬১০ সালে তিনি ঢাকাকে সুবা বাংলার রাজধানী হিসেবে গড়ে তোলেন। পরবর্তী সময়ে ঢাকা মুঘল বাংলার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে পরিণত হয়। এভাবে মুঘল আমলে সুবা বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশে পরিণত হয়।
গ. তথ্য-১-এর মতো প্রাচীন বাংলাদেশের গৌরবময় ক্ষেত্রটি হলো কৃষি।
প্রাচীন যুগে বাংলার অর্থনীতি ছিল কৃষিনির্ভর। সেই সময় বাংলার প্রধান ফসল ছিল ধান। এছাড়া প্রচুর পরিমাণে আখ উৎপাদিত হতো, আর আখ থেকে তৈরি গুড় ও চিনির খ্যাতি ছিল বিশ্বজুড়ে। এই গুড় ও চিনি বিদেশে রপ্তানি করা হতো। তুলা, সরিষা ও পান চাষের জন্যও বাংলার তখন সুনাম ছিল। এ ছাড়া নারিকেল, সুপারি, আম, কাঁঠাল, কলা, ডুমুরসহ বিভিন্ন ফলও উৎপাদিত হতো।
তথ্য-১-এ যে প্রচুর ধান উৎপাদন ও দেশীয় ফল চাষের কথা বলা হয়েছে, তা আধুনিক বাংলার কৃষির চিত্র তুলে ধরলেও এটি প্রাচীন বাংলার কৃষির সঙ্গেও পুরোপুরি মেলে। তাই বলা যায়, তথ্যে বর্ণিত এই কৃষি সমৃদ্ধি প্রাচীন বাংলার গৌরবময় কৃষিক্ষেত্রের সঙ্গেই সংগতিপূর্ণ।
ঘ. আমি মনে করি, তথ্য-২-এ যে কুটিরশিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের কথা বলা হয়েছে, তা প্রাচীন বাংলার গৌরবের সঙ্গে খুব মিলে যায়।
প্রাচীন বাংলার অর্থনীতি ছিল অনেক সমৃদ্ধ। কুটিরশিল্পের দিকে তাকালেই দেখা যায়, বাংলার তাঁতিরা খুব মিহি সুতি ও রেশমি কাপড় বুনতে পারদর্শী ছিল। বাংলার মসলিন কাপড় ছিল সারা পৃথিবীতে বিখ্যাত। এই মসলিন বিশ্বের নানা দেশে রপ্তানি করা হতো। প্রাচীন বাংলায় ব্যবসা-বাণিজ্য mostly নদীপথে হতো। সে সময় বাংলার পণ্য ভারতের বিভিন্ন বন্দরে, এমনকি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও ভূমধ্যসাগরীয় অঞ্চলেও যেত।
তথ্য-২-এ বলা আছে, আকাশপথে আমেরিকায় তৈরি পোশাক রপ্তানি করা হয়। আর পাটজাত পণ্যের কথা উল্লেখ আছে যা বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত। এই বিষয়গুলো প্রাচীন বাংলার কুটিরশিল্প ও ব্যবসা-বাণিজ্যের বিকাশের সঙ্গে খুব মিলে যায়।
সবশেষে বলতে পারি, তথ্য-২-এর তৈরি পোশাক রপ্তানি আর পাটজাত দ্রব্যের মতো প্রাচীন বাংলার কুটিরশিল্পও গোটা বিশ্বে প্রশংসিত ছিল। তাই উপরের কথাটি আমি একদম সঠিক মনে করি।
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। শাকিল তার দাদার কাছে শুনল, একসময় বাংলার অর্থনীতি ছিল খুব সমৃদ্ধ। এদেশের মসলিন কাপড় সারা বিশ্বে বিখ্যাত ছিল। নদীপথে ব্যবসা-বাণিজ্য হতো। পুণ্ড্রনগর ও উয়ারী-বটেশ্বর ছিল গুরুত্বপূর্ণ বন্দর। ক. চর্যাপদ কী? খ. ‘পাল আমলে বাংলা শিল্পকলায় সমৃদ্ধ ছিল’— ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত মসলিন কাপড় ও নদীপথের ব্যবসা প্রাচীন বাংলার কোন বৈশিষ্ট্যকে নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. প্রাচীন বাংলার অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সঙ্গে বর্তমান বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি তুলনামূলক চিত্র উপস্থাপন করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩। আরিফ সাহেব ইতিহাসের বই পড়ে জানলেন, ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের দ্বারা নানাভাবে শোষিত হয়। ভাষা, অর্থনীতি, চাকরি, বাজেট সব ক্ষেত্রেই বৈষম্য ছিল। এর বিরুদ্ধে বাঙালিরা প্রথমে সাংস্কৃতিক ও ভাষা আন্দোলন করে, পরে স্বাধিকার আন্দোলন এবং শেষ পর্যন্ত সশস্ত্র মুক্তিযুদ্ধ করে। ক. ‘ছয় দফা’ কী? খ. বাঙালির জাতীয়তাবাদ বিকাশে ভাষা আন্দোলনের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের শোষণের প্রেক্ষাপটে ‘আওয়ামী লীগের ছয় দফা’ কতটা যুক্তিসংগত ছিল? ব্যাখ্যা করো। ঘ. বাঙালির শোষণমুক্তির সংগ্রামের ধারাবাহিকতা বিশ্লেষণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪। রমজান মিয়া গ্রামের মোড়ল। তিনি এলাকার তরুণদের জানান, একসময় বাংলায় সেন রাজবংশ শাসন করত। তাদের পরে ক্ষমতা নেয় ইখতিয়ারউদ্দিন বখতিয়ার খলজি। তার হাত ধরেই বাংলায় শুরু হয় মুসলিম শাসন। দীর্ঘদিন স্বাধীনভাবে সুলতানিরা বাংলা শাসন করেন। পরবর্তীতে বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যের একটি প্রদেশে পরিণত হয়। ক. ইলিয়াস শাহি বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে? খ. বাংলা কীভাবে মুঘল সাম্রাজ্যের একটি প্রদেশে পরিণত হয়? ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের বর্ণনায় প্রাচীন ও মধ্যযুগের সন্ধিস্থল কোন ঘটনাকে নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. ‘মুসলিম শাসনামলে বাংলা রাজনীতি, অর্থনীতি ও সংস্কৃতিতে নতুন মাত্রা পায়’— উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫। মুনা জানতে পারল, ২০২৪ সালের জুন-জুলাই মাসে শিক্ষার্থীরা কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে। আন্দোলন দমনে সরকার নির্বিচার গুলি চালায়। ১৬ জুলাই রংপুরে আবু সাঈদ শহিদ হন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আন্দোলন ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। ৫ আগস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। ক. ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ বলতে কী বোঝায়? খ. ২০২৪ সালের আন্দোলনে ছাত্রসমাজের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের ‘আবু সাঈদ শহিদ হওয়ার ঘটনা’ আন্দোলনকে কীভাবে ত্বরান্বিত করেছিল? ব্যাখ্যা করো। ঘ. ‘২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থান গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত’— বিশ্লেষণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬। শিক্ষক শ্রেণিতে বললেন, প্রাচীন বাংলার শিক্ষাব্যবস্থা ছিল উন্নত। পাল যুগের বিহারগুলো ছিল আবাসিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সেখানে ছাত্ররা ধর্মের পাশাপাশি চিকিৎসাবিদ্যা, ব্যাকরণ, জ্যোতিষশাস্ত্র প্রভৃতি বিষয়ে পড়াশোনা করত। বাংলার প্রাচীন পণ্ডিত অতীশ দীপঙ্কর তিব্বতে গিয়ে বৌদ্ধধর্ম প্রচার করেন। ক. অতীশ দীপঙ্করের জন্মস্থান কোথায়? খ. পাহাড়পুর মহাবিহারের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের ‘আবাসিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ধারণা’ বর্তমান শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো। ঘ. ‘প্রাচীন বাংলার শিক্ষাব্যবস্থা বিশ্বের অনেক দেশের চেয়ে এগিয়ে ছিল’— উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭। ‘সি’ সাম্রাজ্যের পতনের পর বাংলায় ‘ডি’ বংশ শাসন করে। তাদের সময় বাংলার সীমান্ত বিস্তৃত হয় এবং শিল্পকলায় অভূতপূর্ব উন্নতি ঘটে। পরবর্তীতে ‘ই’ বংশ বাংলায় শাসন করে। তারা দীর্ঘদিন বাংলা শাসন করেনি। তাদের পতনের পর বাংলায় অরাজকতা দেখা দেয়। পরে এক নতুন শক্তি বাংলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠা করে। ক. পাহাড়পুর মহাবিহার কোন যুগের স্থাপত্য নিদর্শন? খ. বাংলায় ‘মাৎস্যন্যায়’ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় কেন? গ. উদ্দীপকে ‘সি’ ও ‘ডি’ দ্বারা প্রাচীন বাংলার কোন কোন রাজবংশকে বোঝানো হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. ‘ই’ বংশের পতনের পর কীভাবে বাংলায় মুসলিম শাসনের সূচনা হয়? বিশ্লেষণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮। কাজল ও শ্রাবণী দুই বোন। তাদের দাদি ছোটবেলায় তাদের পাকিস্তান আমলের গল্প শোনাতেন। তখন পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ উর্দু চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টার শিকার হয়েছিল। ১৯৫২ সালে তারা মায়ের ভাষার অধিকার আদায়ের জন্য রাস্তায় নেমেছিল। সেই আন্দোলনে অনেক তরুণ প্রাণ দিয়েছিল। দাদি বলেন, ওই আন্দোলনই পরবর্তীতে বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রামের বীজ রোপণ করেছিল। ক. ভাষা আন্দোলন কত সালে হয়? খ. ‘২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে কেন? ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের দাদির বর্ণিত আন্দোলন বাঙালির জাতীয়তাবাদ বিকাশে কীরূপ ভূমিকা রেখেছিল? ব্যাখ্যা করো। ঘ. ‘১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন পরবর্তী স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেরণা হিসেবে কাজ করেছিল’— উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৯। আবুল হোসেন প্রাচীন বাংলার স্থাপত্যশিল্প নিয়ে গবেষণা করছেন। তিনি জানতে পারলেন, পাল ও সেন যুগে ইটের তৈরি বিশাল বিশাল স্থাপনা নির্মিত হয়েছিল। সুলতানি আমলে মসজিদ স্থাপত্যে নতুনত্ব আসে, যেখানে পোড়ামাটির অলংকার ও গম্বুজ ব্যবহার দেখা যায়। ষাট গম্বুজ মসজিদ ও ছোট সোনা মসজিদ তৎকালীন স্থাপত্যশিল্পের উৎকৃষ্ট নিদর্শন। ক. ছোট সোনা মসজিদ কোথায় অবস্থিত? খ. সুলতানি আমলের স্থাপত্যশৈলীর বিশেষত্ব কী ছিল? ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে বর্ণিত স্থাপত্যশিল্পে পাল ও সুলতানি আমলের পার্থক্য কোথায়? ব্যাখ্যা করো। ঘ. ‘প্রাচীন ও মধ্যযুগীয় বাংলার স্থাপত্যশিল্প বিশ্বসভায় মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে সক্ষম’— বিশ্লেষণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১০। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করা হয়। এরপর একদলীয় শাসন চালু হয়। ১৯৮২ সালে হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ ক্ষমতা দখল করে স্বৈরশাসন শুরু করেন। জনগণ গণতন্ত্র ফিরে পাওয়ার জন্য আন্দোলন চালায়। ১৯৯০ সালে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে এরশাদ সরকারের পতন ঘটে। ক. ‘বাকশাল’ কী? খ. গণঅভ্যুত্থান কীভাবে স্বৈরাচার উৎখাত করে? ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ১৯৭৫-১৯৮২ সময়কালকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে ‘অন্ধকার যুগ’ বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো। ঘ. ‘বাংলাদেশের জনগণ স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে সবসময়ই রুখে দাঁড়িয়েছে’— উদ্দীপকের ঘটনাগুলো বিশ্লেষণ করো। |
নিচে ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় দ্বিতীয় অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন পিডিএফ ফাইল দেওয়া হল।
ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় দ্বিতীয় অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন পিডিএফ
Related Posts
- ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ১ম অধ্যায় বহুনির্বাচনি প্রশ্ন (MCQ)
- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি ৫ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর
- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি ৬ষ্ঠ অধ্যায় MCQ (বহুনির্বাচনি)
- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি ১৩ অধ্যায় MCQ (বহুনির্বাচনি)
- ৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সৃজনশীল প্রশ্ন ৩য় অধ্যায়