ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় প্রথম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর

মানুষ একা থাকতে চায় না। নিরাপদে ও শান্তিতে বাঁচার জন্য মানুষ দল বেঁধে থাকে। এতে মানুষে মানুষে আত্মীয়তা ও বন্ধুত্বের সম্পর্ক তৈরি হয়। এসব সম্পর্ককেই বলা হয় সামাজিক সম্পর্ক। এই পোস্টে ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় প্রথম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর লিখে দিলাম।

ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় প্রথম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন

সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন]

উদ্দীপক বইয়ে দেখঃ

ক. পোড়াবাড়ি কীসের জন্য বিখ্যাত?

খ. আদিম মানুষ দলবদ্ধ হয়ে বাস করত কেন?

গ. উদ্দীপকে ১নং চিত্রটি কোন সমাজের ইঙ্গিত বহন করছে, ব্যাখ্যা করো।

ঘ. ২ নং চিত্রে ইঙ্গিতকারী সমাজের উদ্ভাবক মেয়েরাই- বক্তব্যটি মূল্যায়ন করো।

উত্তরঃ

ক. টাঙ্গাইলের পোড়াবাড়ি চমচমের জন্য বিখ্যাত।

খ. আদিম মানুষ নিজেকে রক্ষা করতে ও খাবার জোগাড় করতে গিয়ে দল বেঁধে থাকতে শিখেছিল।

তখন মানুষ ছিল খুব অসহায়। তাকে প্রতিকূল পরিবেশের সঙ্গে লড়াই করে বাঁচতে হতো। আদিম মানুষ গুহায় আর বনজঙ্গলে থাকত। তাই অনেক সময় হিংস্র প্রাণীর আক্রমণে তারা পড়ে যেত। আবার খাবারের সন্ধানে তাদের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় ঘুরে বেড়াতে হতো। সেই কারণে খাদ্য সংগ্রহ করতে আর হিংস্র প্রাণীর হাত থেকে বাঁচতে তারা একসঙ্গে দল বেঁধে বসবাস করত।

গ. রাউদ্দীপকের ১নং চিত্রটি শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজের ইঙ্গিত বহন করছে।

শিকার ও খাদ্য সংগ্রহ করে বাঁচার সমাজই ছিল মানবসমাজের সবচেয়ে আদিম রূপ। এ সমাজের মানুষ গুহায় আর বনজঙ্গলে বসবাস করত। খাদ্য উৎপাদন করতে তারা জানত না। বন থেকেই তারা খাবার খুঁজে নিত আর পশু-পাখি শিকার করত। শিকারের জন্য তারা খাঁজকাটা বল্লম, মাছ ধরার জন্য হারপুন আর সেলাইয়ের জন্য হাড়ের সুই ব্যবহার করত। রোদ, বৃষ্টি আর শীত থেকে বাঁচতে তারা গাছের ছাল, লতাপাতা আর পশুর চামড়া পরত।

চিত্র-১-তেও একই ধরনের সমাজের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। এখানে একজন মানুষ খাঁজকাটা বল্লম দিয়ে শিকার করছে। আর তার পরনে রয়েছে গাছের ছাল ও লতাপাতার তৈরি পোশাক। তাই বলা যায়, উদ্দীপকের ১ নম্বর চিত্রটি শিকার ও খাদ্য সংগ্রহভিত্তিক সমাজের সঙ্গেই পুরোপুরি মিলে যায়।

ঘ. ২নং চিত্রে ইঙ্গিতকারী সমাজ অর্থাৎ উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজের উদ্ভাবক মেয়েরাই- বক্তব্যটি যথার্থ।

উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজেই প্রথম খাদ্য উৎপাদনের কাজ শুরু হয়। এই সমাজে এসে মানুষ আগে যেখানে খাবার শুধু সংগ্রহ করত, সেখানে নিজেরা খাদ্য উৎপাদন করতে শিখে যায়।

আদিম সমাজে পুরুষেরা শিকারে যেত। আর ফলমূল, কন্দ ইত্যাদি সংগ্রহের কাজ করত মেয়েরা। মেয়েরা বন থেকে বুনো গম, বার্লি, মেটে আলু, কচুর মূল ইত্যাদি নিয়ে আসত। এসবের মধ্যে কিছু দানা তাঁদের থাকার জায়গার আশেপাশে পড়ে থাকত। সেসব থেকে গজিয়ে উঠত চারা গাছ। চারা গাছে পরে শিষ আসত আর শিষ থেকে দানা পাওয়া যেত।

এই ঘটনা দেখে মেয়েরা বুঝতে পারে, বীজ মাটিতে ফেললেই শস্য পাওয়া যায়। তখন তারা বসবাসের কাছেই পতিত জমিতে একটা লম্বা লাঠি বা পশুর শিং দিয়ে মাটি চিরে গর্ত করে বীজ ফেলতে থাকে। এভাবেই মেয়েরা চাষাবাদ শুরু করে। সমাজবিজ্ঞানীরা তাই বলেন, মেয়েরাই কৃষিকাজ আবিষ্কার করেছে। এর মানে হলো, উদ্যান কৃষিভিত্তিক সমাজের জন্ম দিয়েছিল মেয়েরাই। উদ্দীপকের ২ নং চিত্রেও একই সমাজের কথা বলা হয়েছে। তাই বলা যায়, এই সমাজের আবিষ্কারক নারীরাই।

সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন]
ঘটনা-১: রীমা তার নানাবাড়ি রাজশাহীর একটি এলাকায় বেড়াতে গিয়ে একটি বিশেষ গাছ দেখে এবং জানতে পারে ঐ গাছে বসবাসকারী কীট থেকে একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় সুতা এবং পরে সেই সুতা থেকে কাপড় তৈরি হয়।

ঘটনা-২: রহিম মিয়া তার পূর্বপুরুষের জমি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে। তার ছেলে জনি লেখাপড়া শিখে ঢাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করে। এখন রহিম মিয়ার নাতি ফয়সাল একটি সফটওয়‍্যার কোম্পানি পরিচালনা করে।

ক. সমাজ কাকে বলে?

খ. সভ্যতাকে কৃষির অবদান বলা হয় কেন?

গ. ঘটনা-১ এ তোমার পাঠ্য বইয়ের কোন ধারণার উল্লেখ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. ঘটনা-২ এ নির্দেশিত সমাজ ব্যবস্থার স্তরগুলো বিশ্লেষণ করো।

উত্তরঃ

ক. মিলেমিশে থাকা একতাবদ্ধ মানবগোষ্ঠীকে সমাজ বলে।

খ. সভ্যতাকে কৃষির অবদান বলা হয়, কারণ কৃষির মাধ্যমেই মানবসভ্যতার ভিত্তি রচিত হয়। কৃষিকাজের ফলে মানুষ স্থায়ীভাবে এক জায়গায় বসবাস শুরু করে। কৃষিতে উদ্বৃত্ত ফসল উৎপাদিত হলে তা থেকে অবসর জীবনযাপনকারী শ্রেণির উদ্ভব ঘটে। এ শ্রেণির লোকেরা ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প ও সংস্কৃতির বিকাশ ঘটায়। নগরজীবনের সূচনাও হয় কৃষির ফলেই। তাই বলা হয়, সভ্যতা কৃষিরই অবদান।

গ. ঘটনা-১ এ বস্ত্রশিল্প ও ভৌগোলিক পরিবেশের সম্পর্ক সম্পর্কিত ধারণার উল্লেখ করা হয়েছে।

রীমা তার নানাবাড়ি রাজশাহীর একটি এলাকায় বেড়াতে গিয়ে একটি বিশেষ গাছ দেখে এবং জানতে পারে ঐ গাছে বসবাসকারী কীট থেকে একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় সুতা এবং পরে সেই সুতা থেকে কাপড় তৈরি হয়। এটি বস্ত্রশিল্পের উদাহরণ।

রাজশাহী অঞ্চলে তুঁতগাছ জন্মে। তুঁতগাছে রেশমকীট বাসা বাঁধে। রেশমকীট থেকে রেশম সুতা তৈরি হয়। এই সুতা থেকে তৈরি হয় বিখ্যাত রাজশাহীর রেশমি শাড়ি। এখানে ভৌগোলিক পরিবেশের প্রভাব স্পষ্ট। কোনো অঞ্চলের প্রাকৃতিক সম্পদের ওপর ওই অঞ্চলের পেশা নির্ভর করে। তুঁতগাছ এবং রেশমকীট থাকার কারণেই রাজশাহীতে রেশমশিল্প গড়ে উঠেছে। তাই ঘটনা-১-এ বস্ত্রশিল্প বিকাশে ভৌগোলিক পরিবেশের প্রভাবের ধারণাটি ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

ঘ. ঘটনা-২-এ তিন প্রজন্মের তিনটি ভিন্ন সমাজব্যবস্থার স্তর ফুটে উঠেছে। কৃষি, শিল্প ও শিল্পবিপ্লব পরবর্তী সমাজ সমাজের ক্রমবিকাশ।

প্রথম স্তর: রহিম মিয়া তার পূর্বপুরুষের জমি চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। এটি কৃষিভিত্তিক সমাজের উদাহরণ। এ সমাজে কৃষি প্রধান পেশা, মানুষ স্থায়ীভাবে বসবাস করে এবং লাঙল ও বলদ ব্যবহার করে চাষাবাদ করে। কৃষির উদ্বৃত্ত ফসল থেকেই সভ্যতার বিকাশ ঘটে।

দ্বিতীয় স্তর: রহিম মিয়ার ছেলে জনি ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন। এটি শিল্পভিত্তিক সমাজের নির্দেশক। শিল্পভিত্তিক সমাজে যন্ত্রের সাহায্যে ব্যাপক উৎপাদন হয়। ইংল্যান্ডের শিল্পবিপ্লব এ ধরনের সমাজের সূচনা করেছিল। এ সমাজে কৃষির চেয়ে শিল্পের গুরুত্ব বেশি।

তৃতীয় স্তর: রহিম মিয়ার নাতি ফয়সাল একটি সফটওয়্যার কোম্পানি পরিচালনা করেন। এটি শিল্পবিপ্লব পরবর্তী তথ্যভিত্তিক সমাজ। এ সমাজে জ্ঞান ও তথ্যই প্রধান সম্পদ। কম্পিউটার, ইন্টারনেট ও সফটওয়্যার এ সমাজের অপরিহার্য উপাদান। এভাবে ঘটনা-২-এর মাধ্যমে কৃষি, শিল্প ও শিল্পবিপ্লব পরবর্তী সমাজের ক্রমবিকাশ স্পষ্টভাবে বোঝা যায়।


সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩।
পলাশী গ্রামের অধিকাংশ লোক কৃষিকাজ করে। তাদের উৎপাদিত ফসলের বেশির ভাগই নিজেরা খায়, বাজারজাত করে না। সম্প্রতি গ্রামটির পাশ দিয়ে একটি প্রশস্ত সড়ক নির্মাণ করা হয়েছে। এতে করে গ্রামের মানুষ সহজে শহরে যাতায়াত করতে পারে। কয়েকজন যুবক শহরে গিয়ে ছোট ছোট কারখানায় চাকরি নিয়েছে। গ্রামের মেয়েরা এখন বাড়িতেই কুটিরশিল্পের পণ্য তৈরি করে শহরে বিক্রি করছে।
ক. কোন যুগকে প্রাগৈতিহাসিক যুগ বলে?
খ. ‘সভ্যতা কৃষির অবদান’— ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত সড়ক নির্মাণ সমাজের উপর কী প্রভাব ফেলেছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের গ্রামটির সমাজব্যবস্থার ধারাবাহিক বিকাশের একটি চিত্র উপস্থাপন করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪।
মাহমুদ সাহেব তাঁর পূর্বপুরুষের বাড়ি পাহাড়ি এলাকায় ছেড়ে সমভূমির এক শহরে এসে বসবাস শুরু করেন। তিনি লক্ষ করেন, এখানকার মানুষ শীতকালে হালকা সুতি কাপড় পড়ে, অথচ তাঁর নিজ এলাকার মানুষ গরম পশমি কাপড় পরে। এখানকার ঘরবাড়ি ইট ও সিমেন্টের তৈরি, অথচ পাহাড়ি এলাকায় ঘর তৈরিতে কাঠের ব্যবহার বেশি।
ক. ‘বিশ্বায়ন’ বলতে কী বোঝায়?
খ. উদ্যানকৃষিভিত্তিক সমাজের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
গ. উদ্দীপকে মাহমুদ সাহেব কোন ভৌগোলিক উপাদানের প্রভাব অনুভব করেছেন? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. মানুষের জীবনযাত্রার ধরণে প্রাকৃতিক ও ভৌগোলিক পরিবেশের প্রভাব বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫।
আলমপুর গ্রামের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ধান ও পাট চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। গ্রামের যুবকেরা এখন শহরের শিল্পকারখানায় কাজ করতে যায়। সম্প্রতি এলাকায় একটি বৃহৎ তৈরি পোশাক কারখানা স্থাপিত হয়েছে। কারখানার চারপাশে গড়ে উঠেছে দোকানপাট, ব্যাংক, স্কুল-কলেজ। ধীরে ধীরে এলাকাটি একটি নগরীতে পরিণত হচ্ছে।
ক. মানবসমাজের আদিমতম রূপ কোনটি?
খ. ‘পশুপালন সমাজ দ্রব্য বিনিময় প্রথার সূচনা করে’— ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের এলাকাটি বর্তমানে কোন ধরনের সমাজের দিকে এগোচ্ছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উদ্দীপকের পরিবর্তনশীল সমাজব্যবস্থার বিভিন্ন স্তর চিহ্নিত করে বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬।
শরীয়তপুর অঞ্চলটি নদীবেষ্টিত। এখানকার মাটি অত্যন্ত উর্বর। কৃষকরা সহজেই তিনটি ফসল উৎপাদন করতে পারে। কিন্তু এলাকায় ভালো সড়ক না থাকায় উৎপাদিত ফসল সময়মতো বাজারে পৌঁছায় না, ফলে কৃষকরা ন্যায্য দাম পায় না। সম্প্রতি সরকার এ অঞ্চলে একটি সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।
ক. মিশরীয় সভ্যতা কোন নদের তীরে গড়ে ওঠে?
খ. ভূমিকম্পপ্রবণ অঞ্চলে ঘরবাড়ি তৈরিতে কী ব্যবহার করা হয়? কেন?
গ. উদ্দীপকের অঞ্চলটির অর্থনৈতিক সমস্যার পেছনে কোন ভৌগোলিক উপাদান দায়ী? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লব বাংলাদেশকেও স্পর্শ করেছে’— উদ্দীপকের আলোকে মূল্যায়ন করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭।
পৃথা গারো পাহাড়ের এক নৃগোষ্ঠীর মেয়ে। তার পরিবার পাহাড়ের ঢালে ছোট ছোট জমিতে ফলমূল ও শাকসবজি চাষ করে। তারা এক জায়গায় একবার ফসল ফলিয়ে পরের বছর অন্য জায়গায় চাষ করে। অন্যদিকে, সমতলের কৃষকরা একই জমিতে বছর বছর লাঙল ও বলদ দিয়ে গভীর চাষ করে ধান উৎপাদন করে।
ক. তথ্যপ্রক্রিয়াজাতকরণ কোন সমাজের বৈশিষ্ট্য?
খ. ‘নারীদের হাত ধরেই কৃষির সূচনা হয়’— ব্যাখ্যা করো।
গ. পৃথার পরিবারের চাষপদ্ধতি কোন সমাজব্যবস্থার অন্তর্গত? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. উত্তরণের ধারায় পৃথার পরিবার ও সমতলের কৃষকদের সমাজব্যবস্থার পার্থক্য বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮।
ব্রিটিশ আমলে এ দেশের স্থানীয় শিল্পগুলো ধ্বংস হয়ে যায়। দেশের মানুষ কেবল কাঁচামাল রপ্তানি করত এবং ইংল্যান্ড থেকে তৈরি পণ্য আমদানি করত। স্বাধীনতার পর দেশে শিল্পায়নের উদ্যোগ নেওয়া হলেও অবকাঠামোগত দুর্বলতা ছিল। বর্তমানে দেশের অর্থনীতিতে কৃষির পাশাপাশি শিল্প ও তথ্যপ্রযুক্তি খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
ক. শিল্পবিপ্লবের পথিকৃৎ কোন দেশ?
খ. শিল্পভিত্তিক সমাজের দুটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
গ. উদ্দীপকে ব্রিটিশ আমলের অর্থনৈতিক কাঠামোকে ‘পরনির্ভর’ বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. বাংলাদেশের সমাজব্যবস্থার ক্রমবিকাশের ধারায় উদ্দীপকের বক্তব্যটির প্রভাব বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৯।
সুমন তার গ্রামের প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়ে। সে প্রতিদিন ফেসবুকে বন্ধুদের সাথে কথা বলে, ইউটিউবে পড়ার ভিডিও দেখে। তার বাবা গ্রামের মাঠে ধান চাষ করেন। চাচা শহরের একটি গার্মেন্টস কারখানায় কাজ করেন। দাদা অবসর সময়ে বাড়ির আঙিনায় ছাগল ও মুরগি পালেন।
ক. লিংকডইন কী?
খ. ‘প্রযুক্তি বিশ্বায়নকে ত্বরান্বিত করেছে’— ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে সুমনের পরিবারের সদস্যরা কোন কোন সমাজব্যবস্থার প্রতিনিধিত্ব করছে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. সুমনের সময় ও তার দাদার সময়ের সমাজব্যবস্থার একটি তুলনামূলক চিত্র উপস্থাপন করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১০।
চৈতা গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ গরু, ছাগল ও হাঁস-মুরগি পালন করে জীবিকা নির্বাহ করে। তারা ঘাসভরা জায়গার সন্ধানে গ্রাম থেকে গ্রামে ঘুরে বেড়ায়। তাদের কোনো স্থায়ী বসতি নেই। এ গ্রামের কিছু মানুষ আবার নিকটবর্তী নদীতে মাছ ধরে এবং বন থেকে ফলমূল সংগ্রহ করে।
ক. ‘সালতি’ কী?
খ. ‘প্রাচীন সভ্যতাগুলো ছিল নদীভিত্তিক’— ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকের চৈতা গ্রামের মানুষ কোন ধরনের সমাজব্যবস্থায় বাস করে? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. মানবসমাজের ক্রমবিকাশের ধারায় উদ্দীপকের সমাজব্যবস্থার অবস্থান ও বৈশিষ্ট্য বিশ্লেষণ করো।

নিচে ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় প্রথম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন পিডিএফ ফাইল দেওয়া হল।

ষষ্ঠ শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় প্রথম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন পিডিএফ

Related Posts

Leave a Comment