বাংলাদেশ একটি নদীমাতৃক দেশ। নদীগুলোই যেন বাংলাদেশকে বাঁচিয়ে রেখেছে। অসংখ্য নদ-নদী উত্তরের হিমালয় এবং ভারতের পাহাড়ি অঞ্চল থেকে নেমে এসেছে বাংলাদেশ ভূখন্ডে। এগুলো আঁকাবাঁকা পথে চলেছে। এই পোস্টে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি ৫ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর লিখে দিলাম।
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি ৫ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন] জাহিদ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে। ছুটিতে সে তার বিদেশি সহপাঠীদের সেখানকার বনভূমিতে বেড়াতে নিয়ে যায়। সেগুন, গর্জন, জারুল বৃক্ষশোভিত বনভূমিটির সৌন্দর্য তাদের মুগ্ধ করে। ফেরার পথে জাহিদ তাদের অঞ্চলটির প্রধান নদীটির তীরে নিয়ে যায় এবং বলে যে, তাদের নদীটি অফুরন্ত শক্তির উৎস। ক. নাফ নদীর অবস্থান কোথায়? খ. ব্রহ্মপুত্রের শাখা নদী সৃষ্টির কারণ ব্যাখ্যা করো। গ. অনুচ্ছেদে বর্ণিত বনভূমিটির বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত নদীর অর্থনৈতিক গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো। |
উত্তরঃ
ক. নাফ নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্তে অবস্থিত।
খ. ১৭৮৭ সালে একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের কারণে ব্রহ্মপুত্র নদ-এর তলদেশ উঁচু হয়ে যায়। এর ফলে নদীর নতুন শাখা বা স্রোত তৈরি হয়। তলদেশ উঁচু হওয়ায় নদীটি আগের মতো পানি ধরে রাখতে পারেনি এবং তার পথ পরিবর্তন করে যমুনা নদ নামে প্রবাহিত হতে শুরু করে। অর্থাৎ একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণেই এই বড় নদীর মূল প্রবাহের পরিবর্তন হয়েছিল।
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত সেগুন’ ও গর্জন বৃক্ষশোভিত এলাকাটি হলো বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পত্রপতনশীল বনভূমি।
দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের ক্রান্তীয় চিরসবুজ ও পত্রঝরা বনভূমির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এখানে গাছের সব পাতা একসাথে ঝরে পড়ে না, তাই বন সারা বছর সবুজ থাকে। এই বনভূমি প্রধানত চট্টগ্রাম বিভাগ, রাঙামাটি জেলা, খাগড়াছড়ি জেলা এবং বান্দরবান জেলা পার্বত্য এলাকায় অবস্থিত। এখানে প্রচুর বৃষ্টি হয় বলে বন খুব ঘন এবং এখানে বিভিন্ন ধরনের ঝোপঝাড় ও গুল্ম জন্মায়।
এই বনে সেগুন, গর্জন ছাড়াও মেহগনি, জারুল ও চাপালিশ গাছ দেখা যায়। এছাড়া এখানে প্রচুর বাঁশ ও বেত জন্মে এবং কিছু জায়গায় রাবার চাষও করা হয়। এই বনভূমি বাংলাদেশের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা এবং অর্থনীতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এভাবেই এই বনভূমির চিরসবুজ প্রকৃতি একে দেশের অন্যান্য বনাঞ্চল থেকে আলাদা করেছে।
ঘ. উদ্দীপকে জাহিদের বর্ণনা করা নদীটি হলো কর্ণফুলী, যার অর্থনৈতিক গুরুত্ব বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে অপরিসীম।
কর্ণফুলী নদী বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রধান নদী এবং এর তীরে দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দর অবস্থিত। এই বন্দরের মাধ্যমে বাংলাদেশের বেশিরভাগ বৈদেশিক বাণিজ্য ও মালামাল পরিবহন করা হয়। নদীটির পাহাড়ি প্রবাহে কাপ্তাই নামক স্থানে বাঁধ দিয়ে দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। এই জলবিদ্যুৎ সবচেয়ে কম খরচে উৎপাদিত হয়, যা দেশের শিল্প ও গৃহস্থালি বিদ্যুতের চাহিদা পূরণ করে। এছাড়া নদীটি নৌ-চলাচল ও মৎস্য সম্পদের একটি বড় উৎস হিসেবে কাজ করে। এই নদীর পানি সেচ কাজে ব্যবহারের ফলে কৃষি অর্থনীতি উন্নত হয়েছে। নদীর নাব্যতা বজায় রাখা এবং এর ব্যবস্থাপনা উন্নত করার মাধ্যমে দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রম সচল রাখা হয়।
সবশেষে বলা যায়, কর্ণফুলী নদীকে কেন্দ্র করেই চট্টগ্রাম অঞ্চলের পাশাপাশি সারা বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি গড়ে উঠেছে।
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন] আজমল মিয়া দেশের উত্তরাঞ্চলের নদীপাড়ের বাসিন্দা ছিলেন। একটা সময় ছিল যখন তিনি মাছ শিকার করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কিন্তু বর্তমানে নদীটির রূপ পরিবর্তিত হওয়ায় তাকে জীবিকা পরিবর্তন করতে হয়েছে। ভিটামাটি হারিয়ে তিনি নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। তার অঞ্চলে ঋতুবিশেষে পানির চরম সংকট জনজীবনকে বিপর্যন্ত করে। ক. ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি কী? খ. দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে প্রচুর সৌরশক্তি পাওয়া যায় কেন? গ. আজমল মিয়ার বসবাসকৃত অঞ্চলটির নদীর রূপ পরিবর্তিত হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করো। ঘ. অনুচ্ছেদে উল্লিখিত সংকটটি নিরসনে কী ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া যেতে পারে? তোমার মতামত দাও। |
উত্তরঃ
ক. উপকূলীয় জোয়ার-ভাটার লোনা ও ভেজা মাটিতে যে সকল উদ্ভিদ জন্মায়, তাদের ম্যানগ্রোভ বা স্রোতজ বনভূমি বলা হয়।
খ. বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো নিরক্ষীয় বা ক্রান্তীয় অঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় বছরের প্রায় সব সময়ই এখানে সূর্য প্রায় লম্বভাবে কিরণ দেয়। এই ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে এসব দেশে প্রচুর সূর্যালোক পাওয়া যায়, যা সহজেই সরাসরি সৌরশক্তিতে রূপান্তর করা সম্ভব।
গ. আজমল মিয়ার বসবাসকৃত উত্তরাঞ্চলের নদীর রূপ পরিবর্তিত হওয়ার প্রধান কারণ হলো উজানে প্রতিবেশী ভারতের দেওয়া বাঁধ এবং নদীর তলদেশে পলি জমে নাব্যতা হ্রাস পাওয়া।
ভারতের ফারাক্কা বাঁধ ও অন্যান্য নদী সংযোগ প্রকল্পের কারণে বাংলাদেশের গঙ্গা নদী, পদ্মা নদী ও তিস্তা নদী-এর মতো নদীগুলোতে শুষ্ক মৌসুমে পানির প্রবাহ ভয়াবহভাবে কমে গেছে। এছাড়া উজান থেকে আসা পানির সাথে প্রচুর পলি জমে নদীর তলদেশ ভরাট হয়ে যাওয়ায় অনেক নদী ইতোমধ্যে মৃত নদীতে পরিণত হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে কখনো অতিবৃষ্টি আবার কখনো অনাবৃষ্টির ফলে নদীর স্বাভাবিক গতিপ্রকৃতি আরও বেশি বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।
আজমল মিয়া যে মাছ ধরে জীবিকা চালাতেন, তা এখন আর সম্ভব হচ্ছে না কারণ নদী শুকিয়ে যাওয়ায় মৎস্য সম্পদ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উদ্দীপকের এই চিত্রটি মূলত উত্তরাঞ্চলের নদীগুলোর নাব্যতা সংকটের একটি দুঃখজনক বাস্তব চিত্র।
ঘ. অনুচ্ছেদে বর্ণিত পানির সংকট নিরসনে পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা এবং আন্তর্জাতিক পানি কূটনীতি জোরদার করার মতো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন।
প্রথমত, বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ নদীগুলোর নাব্যতা ফিরিয়ে আনার জন্য পরিকল্পিতভাবে নদী খনন বা ড্রেজিং কাজ করতে হবে। উত্তরাঞ্চলে পানি সংরক্ষণের জন্য জলাধার বা রিজার্ভার তৈরি করলে শুষ্ক মৌসুমে সেচের পানির অভাব পূরণ করা যাবে এবং মাছের প্রজননও ঠিক থাকবে। দ্বিতীয়ত, আন্তর্জাতিক আইন ও চুক্তি অনুযায়ী অভিন্ন নদীগুলোর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের জন্য প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে শক্তিশালী পানি কূটনীতি চালাতে হবে।
এই কাজে জনগণের অংশগ্রহণও খুব জরুরি। স্থানীয় মানুষ ও শিক্ষার্থীদের সচেতন করে নদী দখল ও দূষণ বন্ধ করতে হবে, যাতে নদীগুলো আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। বৈজ্ঞানিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ এবং কৃষিতে পানির অপচয় কমানোও এই সমস্যার সমাধানে সাহায্য করতে পারে। অভিন্ন নদী কমিশনকে আরও সক্রিয় করে দীর্ঘমেয়াদী পানিবণ্টন চুক্তি নিশ্চিত করাই এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান।
সবশেষে বলা যায়, সরকারের কার্যকর নীতি বাস্তবায়ন এবং পরিবেশ সচেতন নাগরিক সমাজ গড়ে তোলার মাধ্যমে আজমল মিয়ার মতো অসহায় মানুষের জীবন এবং উত্তরাঞ্চলের প্রকৃতি আবারও স্বাভাবিক ও সবুজ করা সম্ভব।
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [রাজশাহী বোর্ড ২০২৫] দৃশ্যকল্প-১: আয়ানের বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে একটি নদী প্রবাহমান, যা দীর্ঘপথ অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে নদীটি থেকে একটি নতুন জলধারা তৈরি হয়। দৃশ্যকল্প-২: জনাব সেলিম রংপুরের একজন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। তিনি তিস্তা নদী থেকে একাধিক খাল খনন করে তার এলাকার পানি সরবরাহ নিশ্চিত করেন। তিনি এলাকাবাসীকে পানি সংরক্ষণ ও এর অপচয় রোধে উৎসাহিত করেন। ক. জলবিদ্যুৎ কী? খ. প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা প্রয়োজন কেন? গ. দৃশ্যকল্প-১ এ কোন নদীকে নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. বাংলাদেশে পানি ও খাদ্য নিরাপত্তায় জনাব সেলিমের উদ্যোগটি মূল্যায়ন করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩। [যশোর বোর্ড ২০২৫] দৃশ্যকল্প-১: প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে একটি নদীর গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে ‘P’ নামক নদীর উৎপত্তি হয়েছে। দৃশ্যকল্প-২: দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি নদী ‘Q’, যার মোহনায় বিশ্বের অধিকাংশ দেশের বাণিজ্যিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। ক. প্রাকৃতিক সম্পদ কাকে বলে? খ. নদনদীর ওপর জনবসতির নির্ভরশীলতার প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করো। গ. দৃশ্যকল্প-১ এ উল্লিখিত ‘P’ নদীটির গতিপথ ব্যাখ্যা করো। ঘ. দৃশ্যকল্প-২ এ উল্লিখিত ‘Q’ নদীটি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখছে- বিশ্লেষণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪। [চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৫] কুড়িগ্রাম জেলার বৃহৎ একটি নদীপাড়ের বাসিন্দা রহিম মিয়া। রহিম নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে। নদীর গ্রাসে ভিটে মাটি হারিয়ে রহিম ঢাকায় রিকশা চালিয়ে জীবিকা চালাচ্ছে। নাব্যতা হারার কারণে অনেক নদীতে জাহাজ চলাচলও বন্ধ হয়ে গেছে। ক. গরান বনভূমি কাকে বলে? খ. দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে প্রচুর সৌরশক্তি পাওয়া যায় কেন? গ. রহিম মিয়া যে নদীটির পাশে বসবাস করত সে নদীটির গতিপথ ব্যাখ্যা করো। ঘ. দৃশ্যকল্পে বর্ণিত সমস্যা বাংলাদেশের অর্থনীতিকে বিপর্যস্ত করছে- বিশ্লেষণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫। [বরিশাল বোর্ড ২০২৫] দৃশ্য-১ : মাহীর মামা রাঙামাটিতে চাকরি করেন। সেখানে সে একটি চমৎকার লেক ও নদী দেখতে পায়। বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর উক্ত নদীর তীরে অবস্থিত। এ নদীকে কেন্দ্র করে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ব্যবসা বাণিজ্য পরিচালিত হয়। দৃশ্য-২ : সাফিন ও মাহিন দুই ভাইবোন টেবিলের দুইপাশে বসে পড়াশোনা করছিল। হঠাৎ টেবিলটি নড়ে উঠলে একে অপরকে দোষারোপ করতে থাকে। পরক্ষণে তাদের পুরো চারতলা বাড়িটি নড়ে উঠলে তারা আসল ঘটনাটি উপলব্দি করে দ্রুত সিঁড়ি বেয়ে নামতে চেষ্টা করল। ক. সৌর সম্পদ কী? খ. পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো। গ. দৃশ্য-১ এ কোন নদীকে ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. দৃশ্য-২ এর দুর্যোগটির প্রেক্ষিতে সৃষ্টি ক্ষয়ক্ষতি নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ আলোচনা করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬। [চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৪] ঘটনা-১ : রফিক ‘ক’ নদীর তীরে বসবাস করে। বাংলাদেশের ব্যবসায় বাণিজ্যের জন্য নদীটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নদীটি বিদ্যুৎ উৎপাদনেও ভূমিকা রাখে। ঘটনা-২ : মি. আমজাদ সোনাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান যিনি মানুষের জন্য নিরবচ্ছিন্ন পানি সরবরাহের চেষ্টা করেন। তিনি মানুষকে পানির অপচয় না করার জন্য বোঝান। ক. IWTA-এর পূর্ণরূপ লেখো। খ. বনভূমি ক্রমেই কমে যাচ্ছে কেন? গ. ‘ক’ নদী দ্বারা তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন নদীকে নির্দেশ করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. পানি ও খাদ্য নিরাপত্তায় মি. আমজাদের কার্যক্রম তার এলাকার মানুষের জন্য উপকারী ছিল- বক্তব্যটি মূল্যায়ন করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭। [ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৪] দৃশ্যকল্প-১: প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলোর একটির গতিপথ পরিবর্তিত হয়ে ‘C’ নদীর উৎপত্তি হয়েছে। দৃশ্যকল্প-২ : বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাংশে অবস্থিত একটি নদী ‘E’ যা প্রবল বন্যায় নিজ গতিপথ পরিবর্তন করে। পরবর্তীতে উক্ত নদীতে একটি ব্যারেজ তৈরি করা হয়। নদীটির পানিসম্পদকে নানাবিধ কাজে ব্যবহারের মাধ্যমে ওই এলাকাসহ দেশের নানাবিধ উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে। ক. জলবিদ্যুৎ কী? খ. স্রোতজ বনভূমি বলতে কী বোঝায়? গ. দৃশ্যকল্প-১-এ উল্লিখিত ‘C’ নদীটির গতিপথ ব্যাখ্যা করো। ঘ. “দৃশ্যকল্প-২-এ উল্লিখিত ‘E’ নদীটি দেশের নানাবিধ উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখছে”- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮। [ঢাকা বোর্ড ২০২৩] ঘটনা-১: জনাব মনির ‘ক’ নদীর তীরে বসবাস করেন। বাংলাদেশের ব্যবসায় বাণিজ্যে এই নদীটির গুরুত্ব অনেক। বিদ্যুৎ উৎপাদনে এই নদীটির ভূমিকা আছে। ঘটনা-২: জনাব হানিফ একটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান। তিনি তার জনগণের জন্য নিরবচ্ছিন্নভাবে পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য চেষ্টা করেন। সম্প্রতি তিনি তার এলাকায় একটি খাল খনন করেন ও নদীর সঙ্গে সংযোগ স্থাপন করেন। পানির অপচয় রোধে তিনি জনগণকে সচেতন করে তোলেন। ক. বিআইডব্লিউটিএ-এর পূর্ণরূপ কী? খ. প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ করা প্রয়োজন কেন? গ. ঘটনা-১-এর ‘ক’ নদীটি তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন নদীকে নির্দেশ করছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. বাংলাদেশের পানি এবং খাদ্য নিরাপত্তায় জনাব হানিফের কাজের গুরুত্ব মূল্যায়ন করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮। [রাজশাহী বোর্ড ২০২৩] দৃশ্যকল্প-১: নিপু রাজশাহী শহরে তার নানার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছে। সেখানে সে. প্রতিদিনই নদীর তীরে বেড়াতে যায়। নিপু জানতে পারে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ নদীটির উৎপত্তিস্থল। দৃশ্যকল্প-২ : রনি বাবার সঙ্গে বসে টিভিতে বাংলাদেশের ওপর প্রামাণ্যচিত্র দেখছিল। এ দেশের বন, পাহাড়া, নদী, খনিজসম্পদ, বিশাল জলরাশি দেখে সে মুগ্ধ। ক. পানিসম্পদ ব্যবস্থপনা কাকে বলে? খ. সৌরশক্তি পরিবেশবান্ধব কেন? গ. উদ্দীপকের নিপুর দেখা নদীটির সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন নদীর মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. “বাংলাদেশের অর্থনীতিতে দৃশ্যকল্প-২-এ উল্লিখিত সম্পদের গুরুত্ব অপরিসীম।” বক্তব্যটি মূল্যায়ন করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮। [রাজশাহী বোর্ড ২০২৩] দৃশ্যকল্প-১: নিপু রাজশাহী শহরে তার নানার বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছে। সেখানে সে. প্রতিদিনই নদীর তীরে বেড়াতে যায়। নিপু জানতে পারে। আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশ নদীটির উৎপত্তিস্থল। দৃশ্যকল্প-২ : রনি বাবার সঙ্গে বসে টিভিতে বাংলাদেশের ওপর প্রামাণ্যচিত্র দেখছিল। এ দেশের বন, পাহাড়া, নদী, খনিজসম্পদ, বিশাল জলরাশি দেখে সে মুগ্ধ। ক. পানিসম্পদ ব্যবস্থপনা কাকে বলে? খ. সৌরশক্তি পরিবেশবান্ধব কেন? গ. উদ্দীপকের নিপুর দেখা নদীটির সাথে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন নদীর মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. “বাংলাদেশের অর্থনীতিতে দৃশ্যকল্প-২-এ উল্লিখিত সম্পদের গুরুত্ব অপরিসীম।” বক্তব্যটি মূল্যায়ন করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮। [দিনাজপুর বোর্ড ২০২৩] উত্তর আমেরিকা ও ইউরোপের দেশগুলোর মানুষকে তাদের ঘরবাড়ি বসবাসের উপযোগী রাখতে প্রচুর জ্বালানি সম্পদ ব্যয় করতে হয়। আমাদের এ অঞ্চলের দেশগুলোতে তা করতে হয় না। আমরা প্রকৃতি থেকে সূর্যের যে আলো পাই তা অনেক মূল্যবান সৌরসম্পদ। ক. পদ্মা নদীর উৎপত্তিস্থল কোথায়? খ. পানিকে সম্পদ হিসেবে বিবেচনা করা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো। গ. ভৌগোলিকভাবে উদ্দীপকে বর্ণিত অবস্থার কারণ ব্যাখ্যা করো। ঘ. উক্ত সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের উন্নয়নের সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করো। |
নিচে বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি ৫ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন পিডিএফ ফাইল দেওয়া হল।
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি ৫ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন পিডিএফ
Related Posts
- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি ১০ম অধ্যায় MCQ (বহুনির্বাচনি)
- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি ৫ম অধ্যায় MCQ (বহুনির্বাচনি)
- ৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ৪র্থ অধ্যায় বহুনির্বাচনি প্রশ্ন (MCQ)
- বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় নবম দশম শ্রেণি ১৫ অধ্যায় MCQ (বহুনির্বাচনি)
- ৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ৩য় অধ্যায় বহুনির্বাচনি প্রশ্ন (MCQ)