আল মাহমুদের ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় কবি দেখিয়েছেন, শহরের চাকচিক্য ও সুযোগ-সুবিধা তাঁকে ডাকলেও ট্রেন ধরতে না পারার অজুহাতে তিনি আসলে মায়ের টানেই গ্রামের পথে ফিরে আসেন। এই পোস্টে প্রত্যাবর্তনের লজ্জা কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর লিখে দিলাম।
Table of Contents
প্রত্যাবর্তনের লজ্জা কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন] উদ্দীপক-১: যে তোমায় ছাড়ে ছাড়ক্, আমি তোমায় ছাড়ব না মা! মা গো, আমি তোমার চরণ করব শরণ, আর কারো ধার ধারব না মা। কে বলে তোর দরিদ্র ঘর, হৃদয় তোর রতনরাশি- আমি জানি গো তোর মূল্য জানি, পরের আদর কাড়ব না মা। উদ্দীপক-২: মানের আশে দেশ বিদেশে যে মরে সে মরুক ঘুরে তোমার ছেঁড়া কাঁথা আছে পাতা, ভুলতে সে যে পারব না মা ধনে মানে লোকের টানে ভুলিয়ে নিতে চায় যে আমায়- ওমা ভয় যে জাগে শিয়র-বাগে, কারো কাছেই হারব না মা। ক. প্রত্যাবর্তিত কবিকে দেখে তার বাবা কী পড়বেন? খ. ‘আর আমি মাকে জড়িয়ে ধরে আমার প্রত্যাবর্তনের লজ্জাকে ঘষে ঘষে তুলে ফেলব।’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? গ. উদ্দীপক-২ এর ‘ধনে মানে লোকের টানে ভুলিয়ে নিতে চায় যে আমায়’ চরণটিতে ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতার যে বিশেষ দিকের ইঙ্গিত রয়েছে তা ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপক-১ ও উদ্দীপক-২ মিলে ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতার ভাববস্তু প্রকাশে সক্ষম কি না? তোমার যুক্তিগ্রাহ্য মতামত দাও। |
উত্তরঃ
ক. প্রত্যাবর্তিত কবিকে দেখে তাঁর বাবা পড়বেন, ‘ফাবি আইয়ে আলা ই-রাব্বিকুমা তুকাজ্বিবান…’।
খ. ‘আর আমি মাকে জড়িয়ে ধরে আমার প্রত্যাবর্তনের লজ্জাকে ঘষে ঘষে তুলে ফেলবো’- বলতে বোঝানো হয়েছে, মায়ের সান্নিধ্যে সন্তান তার সকল প্রকার দুঃখ-বেদনা-ব্যর্থতা-লজ্জা ভুলে গিয়ে পরম শান্তি লাভ করে।
শহরে যাওয়ার শেষ ট্রেনটি ধরতে না পেরে কবি হতাশ মন নিয়ে বাড়ির দিকে রওনা হন। তখন তাঁর মনে পড়ে বাবা-মায়ের দেওয়া উপদেশ আর ভাই-বোনদের আগেভাগে প্রস্তুতির কথা। এসব মনে করে তিনি খুব লজ্জা পান এবং তাঁর মন ভারী হয়ে যায়। কিন্তু কবি বাড়ি ফিরতেই মা খুব খুশি হন। মাকে জড়িয়ে ধরার সঙ্গে সঙ্গে কবির সব লজ্জা ও কষ্ট যেন মিলিয়ে যায়।
গ. উদ্দীপক-২ এর ‘ধনে মানে লোকের টানে ভুলিয়ে নিতে চায় যে আমায়’ চরণটিতে ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতার গতানুগতিক নাগরিক জীবনের মোহ থেকে মুক্তির বিষয়টির ইঙ্গিত বহন করে।
উদ্দীপকে দেখা যায়, মানুষের মন শান্তির খোঁজে দেশ–বিদেশে ছুটে বেড়ায়। কিন্তু এই ছুটে চলার মধ্যে সে কোথাও সত্যিকারের শান্তি পায় না। ধন-সম্পদের লোভে মানুষের জীবন আরও বেশি অস্থির হয়ে ওঠে। আসল শান্তি পাওয়া যায় মায়ের কোলে আর পরিচিত প্রকৃতির কাছে। তাই সব মোহ ছেড়ে মানুষ ভয় জয় করে নিজের ঘরে ফিরতে চায়।
‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় কবি শহরে যেতে চাইলেও শেষ ট্রেন ধরতে পারেন না। ব্যর্থ হয়ে লজ্জা নিয়ে তিনি বাড়ির পথে ফেরেন। তাঁর ফিরে আসায় মা খুব খুশি হন। মাকে জড়িয়ে ধরে কবির সব লজ্জা দূর হয়ে যায়। তখন তিনি বুঝতে পারেন, শহরের চাকচিক্যের চেয়ে গ্রামের সহজ জীবন আর মায়ের স্নেহই বেশি শান্তির।
ঘ. নগর জীবনের মোহ নয়, গ্রামীণ সহজ-সরল জীবনেই রয়েছে প্রকৃত শান্তির পরশ- এই বিষয়টিই উদ্দীপক এবং কবিতার মূল বিষয়। তাই বলা যায়, উদ্দীপক ১ ও ২ মিলে ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতার ভাববস্তু প্রকাশে সক্ষম।
উদ্দীপক দুটিতে কবির মা ও মাতৃভূমির প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রকাশ পেয়েছে। মায়ের দারিদ্র্য কবির কাছে অমূল্য সম্পদের মতো। তাই তিনি ধন-সম্পদ বা অন্য কিছুর লোভ করেন না। অন্যরা ধনের পেছনে ছুটে যাক, কবি মায়ের ছেঁড়া কাঁথাতেই সবচেয়ে বেশি সুখ পান।
‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় শহরের ঝলমলে জীবন কবিকে ডাকলেও ট্রেন ধরতে না পেরে তিনি গ্রামের দিকে ফিরে যান। তাঁকে দেখে মা খুব খুশি হন। মাকে জড়িয়ে ধরে কবি সব লজ্জা ও ভয় ভুলে যান এবং গভীর শান্তি অনুভব করেন।
উদ্দীপক ও কবিতা দুটোতেই দেখা যায়, মায়ের কোল যেমন সন্তানের জন্য নিরাপদ ও শান্তির জায়গা, তেমনি মাতৃভূমিও মানুষের জন্য আশ্রয়। মানুষ ধনের আশায় দূরে গেলেও তার মন পড়ে থাকে মা ও দেশের কাছে। শহরের কৃত্রিম জীবন মানুষকে ক্লান্ত করে, আর গ্রামের সহজ-শান্ত পরিবেশ জীবনকে আনন্দময় করে তোলে।
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। উদ্দীপক-১: একটি প্রাণ, একটি জীবন। সময়ের চাকায় রাতদিন ঘুরতে থাকে ব্যক্তিগত সুখের ভাবনা। আমি থেকেই আমার ব্যাপ্তি। শিল্পকারখানার যান্ত্রিকতায় নগরমুখি মানুষ বড্ড বেশি আত্মকেন্দ্রিক। রাতদিন মানুষ ছুটছে টাকার পিছনে। কালের আবর্তে। ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা যেন শহুরে সমাজে যন্ত্রব্য কৃত্রিম নাগরিক পরিবেশের সৃষ্টি করেছে। উদ্দীপক-২: সহজ-সরল গ্রামীণ সমাজ কেবল আমিতে সীমাবদ্ধ নয়; এর আছে এক সামষ্টিক রূপ। পরিবার, সমাজ, প্রকৃতি, মানুষের হাসি-কান্না ব্যক্তিকেন্দ্রিকতা ছাপিয়ে উন্নীত হয় গোষ্ঠীবদ্ধ জীবনে। অর্থনীতির অর্থের বাইরে বেরিয়েও জীবনের অর্থ যেখানে সাধারণের মধ্যে ত্যাগের মহিমাকে খুঁজে পায়। ক. উৎকণ্ঠিত মুখগুলো কীভাবে কবিকে সান্ত্বনা জানাচ্ছিল? খ. ‘গোছাতে গোছাতেই তোর সময় বয়ে যাবে’- কথাটি বলার কারণ কী? বুঝিয়ে লেখো। গ. উদ্দীপক-১ ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতার কবির শহরে যাওয়ার ভাবনার সাথে কীভাবে সম্পর্কিত? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপক-২ কি কবির ফিরে আসার প্রকৃত উদ্দেশ্যকে সফল করতে পেরেছে? মন্তব্যের স্বপক্ষে যুক্তি দাও। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩। এ কি অপরূপ রূপে মা তোমায় হেরিনু পল্লী-জননী। ফুলে ও ফসলে কাদা মাটি জলে ঝলমল করে লাবণিঃ রৌদ্রতপ্ত বৈশাখে তুমি চাতকের সাথে চাহ জল, আম কাঁঠালের মধুর গন্ধে জ্যৈষ্ঠে মাতাও তরুতল। ঝঞ্ঝার সাথে প্রান্তরে মাঠে কভু খেল ল’য়ে অশনি। কেতকী-কদম-যূথিকা কুসুমে বর্ষায় গাঁথ মালিকা, পথে অবিরল ছিটাইয়া জল খেল চঞ্চলা বালিকা। তড়াগে পুকুরে থই থই করে শ্যামল শোভার নবনী। ক. ‘আজ রাত না হয় বই নিয়েই বসে থাক’- কে বলেছিলেন? খ. ‘এক নিঃস্বপ্ন নিদ্রায় আমি নিহত হয়ে থাকলাম।’- পঙ্ক্তিটির তাৎপর্য কী? বুঝিয়ে লেখো। গ. উদ্দীপকের সঙ্গে ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতার মিল খুঁজে বের করো। ঘ. “উদ্দীপকটি ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতার আংশিক প্রকাশ, পূর্ণরূপ নয়।” মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪। গ্রামের ছেলে নিখিল। সাধ ও সাধ্যের এক আকস্মিক গৌরববোধে নগরের স্বপ্ন হাতছানি দিলো নিখিলের ভাবনায়। গ্রামবাংলার নির্ঝঞ্ঝাট মননই যেন খোলনলচে পালটে নগরমুখিতার মুখোশে মুখ ঢাকল। শহুরে জীবনে আর্থিক সচ্ছলতার পিছনে ছুটতে গিয়ে নিখিলকে খাপ খাইয়ে চলার মানসিক টানাপোড়েনে পড়তে হলো। অর্থ ও বিত্তের সুখ হয়ে উঠল বর্তমান; কিন্তু শান্তি লুকালো প্রত্যহ অতীতে। বাড়ি। থেকে তার মা তাকে প্রায়ই ফিরে যেতে বলে। ক. ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতার উৎস কী? খ. ‘কুয়াশার শাদা পর্দা’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? গ. নিখিল এবং ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতার কবির নগরমুখী ভাবনা যেদিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ, তা ব্যাখ্যা করো। ঘ. “উদ্দীপকের শেষাংশের ভাবনাই যেন ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতার কবিকে প্রত্যাবর্তনের প্রেরণা জুগিয়েছে।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫। এই ভাঙা ছেড়ে হায় রূপ কে খুঁজিতে যায় পৃথিবীর পথে। বটের শুকনো পাতা যেন এক যুগান্তের গল্প ডেকে আনে, ছড়ায়ে রয়েছে তারা প্রান্তরের পথে পথে নির্জন অঘ্রাণে; তাদের উপেক্ষা ক’রে কে যাবে বিদেশে বলো- আমি কোনো মতে বাসমতী ধানখেত ছেড়ে দিয়ে মালাবারে- উটির পর্বতে যাব নাকো, দেখিব না পামগাছ মাথা নাড়ে সমুদ্রের গানে কোন দেশে, কোথায় এলাচিফুল দারুচিনি-বারুণীর প্রাণে। ক. কবির চোখের পাতায় কী জমবে? খ. প্রত্যাবর্তকের মুখ পরাজিতের মতো কেন? গ. ‘তাদের উপেক্ষা করে কে যাবে বিদেশে বলো।’- চরণটি ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতায় কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. “চিত্রকল্পটিতে একটি বিশেষ দিকের ইঙ্গিত থাকলেও ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতার প্রেক্ষাপট ভিন্ন।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬। উঠানের এককোণে বেড়ে ওঠা জরাগাছ থেকে নির্মলা দেবী ফুল তুলছেন। আজ তার উপোস। একমাত্র ছেলে দুদিন বাদেই শহরে যাবে চাকরি করতে। তার কল্যাণের কথা চিন্তা করেই মা পূজা দেবেন ঠাকুরকে। উপোস রেখে ভোগ চড়াবেন। বাবাও ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন ছেলের টিকিট কাটা নিয়ে। ছোটো ভাই-বোনেরা বড়োদাদার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র গোছাতে ব্যস্ত। সকলে মিলে যে যার মতো। পরিবারের দায়িত্ব পালন করে চলেছে। ক. কে আধ ঘণ্টা আগেই স্টেশনে পৌঁছে যায়? খ. ‘আর আমি এদের ভাই’- কথাটি কোন প্রসঙ্গে, কেন বলা হয়েছে? গ. উদ্দীপকটি কীভাবে ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতার সাথে সম্পর্কিত? ব্যাখ্যা করো। ঘ. “উদ্দীপক ও ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতার মূলসুর ভিন্ন।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭। শহরমুখী জনস্রোত বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৭.২ শতাংশ; মাসে ৫ হাজার মানুষ রাজধানীতে আসে, কর্মসংস্থানসহ নানা সুযোগ-সুবিধার। খোঁজে শহরে ভিড় জমায়। গ্রাম ছেড়ে শহরের দিকে ছুটছে মানুষ।। এ হার বাড়ছে দিনদিন। গ্রামে কর্মসংস্থানের সুযোগ, স্বাস্থ্য-শিক্ষাসহ নানা সুযোগ-সুবিধা ও নাগরিক জীবনের আরাম-আয়েশের। কথা চিন্তা করেই শহরের প্রতি আকর্ষণ বাড়ছে মানুষের। ক. কে কখনো ট্রেন ফেল করে না? খ. কবির ট্রেন ধরার বিষয়ে তাঁর বাবা-মা উদবিগ্ন ছিলেন কেন? গ. উদ্দীপকের সঙ্গে ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতা কীভাবে সম্পর্কিত? ব্যাখ্যা করো। ঘ. “উদ্দীপকের সাথে ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতার মিল। থাকলেও চেতনাগত দিক থেকে এ দুটি পরস্পর বিপরীতমুখী।”- মন্তব্যটি মূল্যায়ন করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮। ভাঁতিপাড়ার সিধু। বন্যায় প্রায় সবগুলো তাঁতকল ডুবে গেছে। চারদিকে জল, মাঝখানে জীবন। সকাল-বিকাল পাওনাদারদের ‘হুমকি। পরিবারে দুরবস্থায় সিধুর বড়ো ছেলে চাকরির উদ্দেশে রওনা দেয় শহরে। মাঝরাতে ট্রেন আসার সময় গ্রামের প্রকৃতি যেন সরব হয়ে এক অজানা টানে তাকে বেঁধে রাখতে চায়। প্রকৃতি সরব হলেও নীরব থাকে বাবা-মা। বারবার ছেলেকে বোঝায়- যত কষ্টই হোক মন দিয়ে চাকরিটা করতে হবে। প্রথম কয়দিন মন না টিকলেও ধীরে ধীরে মনও একদিন ঠিক মেনে নেবে। ক. কোথাও যাওয়ার কথা থাকলে নাহারের অভিব্যক্তি কেমন হয়? খ. চোখের পাতায় শীতের বিন্দু বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন? গ. দৃশ্যকল্পের সিধুর বড়ো ছেলে কোন দিক দিয়ে ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতার প্রত্যাবর্তিতের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো। ঘ. “দৃশ্যকল্পের বাবা-মা ‘প্রত্যাবর্তনের লজ্জা’ কবিতার কবির বাবা-মায়ের সার্থক প্রতিনিধি নয়।”- মন্তব্যটির সত্যতা যাচাই করো। |
নিচে প্রত্যাবর্তনের লজ্জা কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর পিডিএফ ফাইল দেওয়া হল।
প্রত্যাবর্তনের লজ্জা কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর পিডিএফ
আরও পড়ুনঃ আমি কিংবদন্তির কথা বলছি সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর