কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর

‘কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ’ গল্পে কপিলদাসকে একজন সাহসী ও সংগ্রামী মানুষ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। জীবনের শেষ প্রান্তেও তিনি মহাজনের অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হন। এই পোস্টে কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর লিখে দিলাম।

কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর

সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন]
উনিশশো সাতচল্লিশ সালের দেশ বিভাগের পর থেকেই পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী এদেশবাসীর ওপর সামাজিক, সাংস্কৃতিক, অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয়সহ নানা দিক থেকে শোষণ-বঞ্চনা চালাতে থাকে। দেশের মানুষ এ সকল শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রথম সোচ্চার হয় বাংলাকে মাতৃভাষা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার দাবি নিয়ে। এই দাবি আদায়ে ঝরাতে হয় রক্ত। পরবর্তীকালের প্রতিটি যৌক্তিক দাবির বিপরীতে পাকিস্তানিদের একের পর এক সীমাহীন দমন-পীড়ন ও অত্যাচার-বৈষম্যের বিরুদ্ধে দেশবাসী সংক্ষুব্ধ হয় এবং ফুঁসে ওঠে। তাদের উচ্চকিত স্লোগানে আন্দোলিত হয় শহর-বন্দর-গ্রাম।

ক. মুর্মু কী?

খ. ‘কপিলদাস বুড়োর কাছে সবই একটার সাথে আরেকটা মেলানো মনে হয়।’- কেন?

গ. উদ্দীপকের দেশবাসীর সাথে কপিলদাস মুর্মুর চেতনাগত সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।

ঘ. ‘কপিলদাস মুর্মুর অতীত ও বর্তমানই তাঁকে উদ্দীপকের দেশবাসীর প্রতিনিধি হিসেবে দাঁড় করিয়ে দেয়।’- তোমার পঠিত গল্প অবলম্বনে মন্তব্যটির যথার্থতা যাচাই কর।

উত্তরঃ

ক. মুর্মু হলো সাঁওতাল গোত্রবিশেষ।

খ. বয়োবৃদ্ধ অভিজ্ঞ কপিলদাসের কাছে জীবনের চলার পথ স্পষ্ট, বলেই সবকিছু একটার সাথে আরেকটা মেলানো মনে হয়।

কপিলদাস একজন অত্যন্ত বয়স্ক মানুষ। বয়সের প্রভাবে তিনি এখন অনেক শান্ত, ধীর ও ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন। জীবনের দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে গিয়ে তিনি বহু অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন। এ কারণে চারপাশের প্রকৃতি কিংবা মানুষের জীবনের নানা ঘটনাও তাঁকে আর সহজে বিচলিত করতে পারে না। সুখ-দুঃখ, রাগ-অভিমান, ঝগড়া-বিবাদ কিংবা জীবন ও মৃত্যুর মতো বিষয়গুলো এখন তাঁর কাছে প্রায় সমান হয়ে গেছে। তাই এসব নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়া বা মানসিক অস্থিরতায় ভোগার কোনো প্রয়োজন তিনি অনুভব করেন না।

গ. উদ্দীপকের দেশবাসীর সাথে কপিলদাস মুর্মুর সংগ্রামী চেতনাগত সাদৃশ্য বিদ্যমান।

‘কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ’ গল্পে কপিলদাস একজন প্রবীণ সাঁওতাল ব্যক্তি। তিনি যে সাঁওতাল পল্লিতে বসবাস করেন, সেখানে মহাজনরা বহুদিন ধরে সাঁওতালদের ওপর নানাভাবে শোষণ ও অত্যাচার চালিয়ে আসছে। একসময় মহাজনরা সাঁওতালদের বসতি উচ্ছেদ করে সেই জায়গায় ধান চাষের পরিকল্পনা করে। এতে কপিলদাস নিজের ভিটেমাটি হারানোর ভয় অনুভব করেন। দীর্ঘদিন ধরে অন্যায় সহ্য করতে করতে তাঁর ভেতরে প্রতিবাদের শক্তি জেগে ওঠে। তাই নিজের জমি ও অস্তিত্ব রক্ষার জন্য তিনি সাহসের সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন।

উদ্দীপকে দেখা যায়, ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী এ দেশের মানুষের ওপর সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় নানা ধরনের শোষণ ও বৈষম্য চাপিয়ে দেয়। এসব অন্যায় ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে মানুষ প্রতিবাদে সোচ্চার হয়ে ওঠে এবং রক্তের বিনিময়ে নিজেদের মাতৃভাষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করে। এভাবে দেখা যায়, কপিলদাস মুর্মু এবং উদ্দীপকের দেশবাসী উভয়েই দীর্ঘদিনের শোষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়ে উঠেছিল। তাই বলা যায়, কপিলদাস মুর্মু ও উদ্দীপকের মানুষের সংগ্রামী চেতনার মূল উৎস একই ধরনের বঞ্চনা ও অত্যাচার।

ঘ. অধিকার আদায়ে সর্বদা সংগ্রামশীল দেশপ্রেমিকের মহানত্বে কপিলদাস মুর্মুকে উদ্দীপকের প্রতিনিধি হিসেবে দাঁড় করিয়ে দেয়।

‘কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ’ গল্পে কপিলদাসকে একজন সাহসী ও সংগ্রামী মানুষ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি নিজের চোখে দেখেছেন, কীভাবে মহাজনেরা সাঁওতাল কৃষকদের শোষণ করে তাদের উৎপাদিত ধানের বড় অংশ জোরপূর্বক কেড়ে নিয়ে নিজেদের গোলা ভরায়। যৌবনকালে এসব অন্যায় দেখে কপিলদাসের রক্ত গরম হয়ে উঠেছিল। তখন তিনি মহাজনের কাছ থেকে ধান ছিনিয়ে এনে দরিদ্র কৃষকদের মধ্যে বিলিয়ে দেন। আবার ব্রিটিশ শাসকের প্রতিনিধি মানুয়েল পাদ্রিকে ধাক্কা দিয়ে টাঙনের পানিতে ফেলে দেওয়ার মতো সাহসিকতাও তিনি দেখিয়েছিলেন। বয়সের ভারে শরীর দুর্বল হয়ে গেলেও অন্যায়ের সামনে তিনি কখনো মাথা নত করেননি। তাই জীবনের শেষ সময়েও তিনি মহাজনের বিরুদ্ধে সংগ্রামের জন্য প্রস্তুত ছিলেন।

উদ্দীপকে এ দেশের মানুষের অধিকার আদায়ের দীর্ঘ আন্দোলনের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠী শোষক হিসেবে আবির্ভূত হয়। তারা এ দেশের মানুষের ওপর নানাভাবে বৈষম্য, নির্যাতন ও বঞ্চনা চাপিয়ে দেয়। এর বিরুদ্ধে একসময় বাঙালি জাতি প্রতিবাদে জেগে ওঠে। ধীরে ধীরে সেই আন্দোলন শহর থেকে গ্রামাঞ্চলেও ছড়িয়ে পড়ে।

‘কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ’ গল্পে যেমন মহাজনের শোষণ ও অত্যাচার কপিলদাসকে প্রতিবাদী করে তুলেছিল, তেমনি উদ্দীপকেও পাকিস্তানি শাসকদের নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাঙালিরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংগ্রামে নেমেছিল। তাই বলা যায়, আলোচ্য গল্পের কপিলদাস মুর্মু যেন উদ্দীপকে বর্ণিত সংগ্রামী দেশবাসীরই প্রতীক ও প্রতিনিধি।


সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [বরিশাল ক্যাডেট কলেজ]
সত্যেন সেনের বিখ্যাত উপন্যাস ‘বিদ্রোহী কৈর্বত’। উপন্যাসের ভেতরে অনুরণিত হয় অত্যাচারিত কৈবর্ত সমাজের হাহাকার ধ্বনি। এই উপন্যাসে একদিকে প্রাসাদ ষড়যন্ত্র অন্যদিকে রয়েছে কৈবর্ত জনগোষ্ঠীর অধিকার প্রতিষ্ঠার রক্তরঞ্জিত চিত্র। দাদন প্রথা নিয়ে কৈবর্ত সমাজের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার কথাও এখানে স্থান পেয়েছে। বঞ্চিত, লুণ্ঠিত হতে হতে কৈবর্তরা একসময় হাল ফেলে অস্ত্র তুলে নেয় এবং জয়ী হয় তাদের নেতা দিব্যকের নেতৃত্বে।

ক. জাড় অর্থ কী?

খ. ‘কপিলদাস বুড়ো এবার সত্যিই দমে যায়’- কেন? ব্যাখ্যা করো।

গ. ‘কপিলদাস মুর্মুর শেষে কাজ’ গল্পের কোন দিকটি উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে তা তুলে ধরো।

ঘ. “অস্তিত্বের লড়াইয়ে আপস নয়, দরকার সংগ্রাম।” মন্তব্যটি উদ্দীপক এবং গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩। [রাজউক উত্তরা মডেল কলেজ, ঢাকা]
শুধু বিঘে দুই ছিল মোর ভুঁই, আর সবই গেছে ঋণে।
বাবু বলিলেন, ‘বুঝেছ উপেন? এ জমি লইব কিনে।’
কহিলাম আমি, ‘তুমি ভূস্বামী, ভূমির অন্ত নাই-
চেয়ে দেখো মোর আছে বড়োজোর মরিবার মতো ঠাঁই।’
শুনি রাজা কহে, ‘বাপু জানো তো হে, করেছি বাগানখানা,
এটা দিতে হবে।’

ক. মুর্মু কী?

খ. “তুই বুঢ়া মানুষ, তোর কিছু ফম থাকে না।”- কথাটি বুঝিয়ে লেখো।

গ. উদ্দীপকে ‘কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ’ গল্পের কোন বিষয়টির ইঙ্গিত পাওয়া যায়?

ঘ. “ইঙ্গিতপূর্ণ দিকটিই বৃদ্ধ কপিলদাস মুর্মুকে বিপ্লবী করে তোলে।”- বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪। [ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজ, ঢাকা]
উনিশ শতকে ব্রিটিশ ভারতে ‘সাঁওতাল বিদ্রোহ’ নামে সংগঠিত একটা ঔপনিবেশিক ও জমিদারি শাসন বিরোধী আন্দোলন হয়েছিল। ১৮৫৫ সালে পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ ও বিহারের ভাগলপুর জেলায় এর সূত্রপাত হয়। এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন চার মুরমু ভাই- সিধু, কানু, চাঁদ ও ভৈরব। তাঁদের এই নেতৃত্বে ইংরেজ আমলেই স্থানীয় জমিদার, মহাজন ও ইংরেজদের প্রবর্তিত রাজস্ব ও কৃষিনীতির বিরুদ্ধে অনেক সাঁওতাল একত্রিত হয়ে কঠোর বিদ্রোহ গড়ে তুলেছিল।
ক. শওকত আলী কত খ্রিস্টাব্দে একুশে পদকে ভূষিত হন?
খ. “শুধুই যথাস্থানে ফিরে যাওয়া, শুধুই মেনে নেওয়া”- কেন? ব্যাখ্যা করো।
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত চার ভাইয়ের মনোভাব ‘কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ’ গল্পের কোন চরিত্রের চেতনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? কীভাবে? ব্যাখ্যা করো। ৩
ঘ. “নিজ জাতিসত্তার অস্তিত্ব রক্ষায় সংগ্রামী মানুষ চিরকালই আপসহীন”- উদ্দীপক ও ‘কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ’ গল্পের আলোকে মন্তব্যটি বিচার করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫। [রাজশাহী কলেজ]
বার্ধক্য তাহাই যাহা পুরাতনকে, মিথ্যাকে, মৃত্যুকে আঁকড়িয়া পড়িয়া থাকে; বৃদ্ধ তাহারাই যাহারা মায়াচ্ছন্ন নব মানবের অভিনব জয়যাত্রার শুধু বোঝা নয়, বিঘ্ন; … আলোক-পিয়াসী প্রাণচঞ্চল শিশুদের কল-কোলাহলে যাহারা বিরক্ত হইয়া অভিসম্পাত করিতে থাকে, জীর্ণ পুঁথি চাপা পড়িয়া যাহাদের নাভিশ্বাস বহিতেছে, অতি জ্ঞানের অগ্নিমান্দ্যে যাহারা আজ কঙ্কালসার বৃদ্ধ তাহারাই। ইহাদের ধর্মই বার্ধক্য। বার্ধক্যকে সব সময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না। বহু যুবককে দেখিয়াছি যাহাদের যৌবনের উর্দির নিচে বার্ধক্যের কঙ্কাল মূর্তি। আবার বহু বৃদ্ধকে দেখিয়াছি- যাঁহাদের বার্ধক্যের জীর্ণাবরণের তলে
মেঘলুপ্ত সূর্যের মতো প্রদীপ্ত যৌবন।

ক. কপিলাসের বাবার নাম কী?

খ. “একবার নয়, ঘুরে ঘুরে কথাটা সে বলেই চলল।” কোন কথা এবং কেন বলেই চলল?

গ. উদ্দীপকের বক্তব্য ‘কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ’ গল্পের কোন দিকটির সাথে তুলনীয়?

ঘ. “বহু যুবককে দেখিয়াছি যাহাদের যৌবনের উর্দির নিচে বার্ধক্যের কঙ্কাল মূর্তি”- উদ্দীপক ও ‘কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ’ গল্পের আলোকে সত্যতা যাচাই করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬। [ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ, রংপুর]
পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়-পর্বতময় অঞ্চল। এই অঞ্চলের চাকমারা প্রকৃতির সঙ্গে নিরবচ্ছিন্নভাবে কঠোর সংগ্রাম করে জীবনধারণ করে। কিন্তু এই অঞ্চলটি ইংরেজ শাসনের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সাথে সাথে তাদের স্বাধীনভাবে জীবিকা নির্বাহের পুরানো ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যায় এবং তারা শোষণের নাগপাশে আবদ্ধ হয়ে পড়ে। ফলে ১৭৭৬ সালে। রামু খাঁ ও শের দৌলত চাকমা জাতির সকলকে এক করে ইংরেজদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার প্রস্তুতি নেন।

ক. ‘কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ’ গল্পটি কোন গ্রন্থ থেকে সংকলন করা হয়েছে?

খ. ‘ঠিক শুনিছিস তুই, ঠিক শুনিছিস?”- উক্তিটি কোন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকের চাকমাদের সাথে ‘কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ’ গল্পের কাদের কর্মকান্ডের সাদৃশ্য রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. ‘রামু খাঁ, শের দৌলত এবং কপিলদাস যেন অস্তিত্ব রক্ষার সংগ্রামে আপসহীন যোদ্ধা।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭। [ইস্পাহানী ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল ও কলেজ,]
খিজির মিয়া একজন বয়স্ক মানুষ। অনেক দিন ধরে তিনি চুপচাপ অন্যায় দেখে যাচ্ছিলেন, কিছুই বলতেন না। তিনি ভাবতেন, ‘বয়স হয়েছে, আমি আর কী-ই বা করতে পারব?’ একদিন কয়েকজন প্রভাবশালী লোক্ গ্রামের এক গরিব কৃষকের জমি জোর করে দখল করতে আসে। তখন মিঠু বলে, ‘চাচা, চলো কিছু একটা করতে হবে।’ মিঠুর কথায় খিজির মিয়ার ভেতরের যুবক বয়সে অন্যায়ের বিরুদ্ধে করা প্রতিবাদের বিভিন্ন সাহসী ঘটনা ভেসে ওঠে। সঙ্গে সঙ্গেই শরীরে একটা শক্তি অনুভব করে তিনি পুনরায় সাহসিকতায় উজ্জীবিত হয়ে ওঠেন। গলায় জোর নিয়ে মিঠুকে বলেন, ‘চল ভাতিজা, চুপ থাকলে চলবে না আর।’

ক. জমিদার ও কৃষকদের মধ্যে মধ্যস্বত্বভোগী শ্রেণির নাম কী?

খ. ‘নিজের দুর্বলতা প্রকাশ হয়ে যাবে বলে ইতস্তত করে”-উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকের খিজির মিয়ার সঙ্গে ‘কপিলদাস মুর্মুর শেষ ‘কাজ’ গল্পের কপিলদাসের চেতনাগত সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো।

ঘ. ‘লড়াইয়ের কোনো বয়স নেই’ মন্তব্যটি উদ্দীপক ও তোমার পঠিত গল্প অবলম্বনে বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮।
পাশে সব আত্মীয় পরিজন
তবু বয়ঃক্রমে পাই অবহেলা,
স্মৃতির আঁধারে তাই কাটে বেলা।
জোয়ানে লড়ে দিয়েছি সমৃদ্ধ
আজ পাই অবহেলা আজ বলো-বৃদ্ধ।

ক. ‘কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ’ গল্পের লেখক কে?

খ. ‘কপিলদাস বুড়োর কাছে সবই একটার সঙ্গে আরেকটা মেলানো বলে মনে হয়’- ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকের বৃদ্ধের সাথে কপিলদাসের কী সাদৃশ্য রয়েছে? বর্ণনা করো।

ঘ. উদ্দীপকটি কি ‘কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ’ গল্পের সমগ্রভাবের প্রতিনিধিত্ব করে? তোমার যৌক্তিক মতামত দাও।

নিচে কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর পিডিএফ ফাইল দেওয়া হল।

কপিলদাস মুর্মুর শেষ কাজ সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর পিডিএফ

Related Posts

Leave a Comment