মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। মহান আল্লাহর আদেশ-নিষেধ অনুসরণ করলেই মানুষ সেরা হতে পারে। যে জীবন অনুসরণ ও অনুকরণ করলে মানুষের জীবন সুন্দর ও সফল হয়, তাকে আদর্শ জীবন বলে। এই পোস্টে ৭ম শ্রেণির ইসলাম শিক্ষা ৫ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর লিখে দিলাম।
Table of Contents
৭ম শ্রেণির ইসলাম শিক্ষা ৫ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন] দৃশ্যপট-১: শুকনো মৌসুমে ভাসানচর ইউনিয়নে খাল-বিল শুকিয়ে যায়। এতে কৃষকদের চাষাবাদে অসুবিধা হয়। এলাকার ধনাঢ্য ব্যক্তি মাহমুদ সাহেব দশটি গভীর নলকূপ স্থাপন করে দেন। খরার কারণে গ্রামে অভাব দেখা দিলে মাহমুদ সাহেব। পরিবার প্রতি বিশ কেজি চাল বিতরণ করেন। দৃশ্যপট-২: একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পাশাপাশি অবস্থিত দুই গ্রামের অধিবাসীদের মধ্যে বিবাদের সৃষ্টি হয়। বিবাদের চরম। পর্যায়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামের কৃতি সন্তান সেলিম উল্লাহর মধ্যস্থতায় উভয় গ্রাম থেকে দশজন করে সদস্য নিয়ে একটি সভা করেন। সভায় ১২ দফা সংবলিত একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এতে দুই গ্রামের হানাহানি বন্ধ হয়ে যায়।, ক. হুদায়বিয়ার সন্ধি কী? খ. ‘আমি জ্ঞানের শহর, আর আলি (রা.) তার দরজা’- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো। গ. দৃশ্যপট-১ মাহমুদ সাহেবের কর্মকাণ্ডে কোন মুসলিম মনীষীর কাজের মিল রয়েছে? তোমার পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা করো। ঘ. দৃশ্যপট-২ সেলিম উল্লাহর কর্মকান্ডে তোমার পাঠ্যবইয়ের যে। ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ তা চিহ্নিত করে এর গুরুত্ব বিশ্লেষণ। করো। |
উত্তরঃ
ক. ৬ষ্ঠ হিজরি বা ৬২৮ খ্রিষ্টাব্দে মক্কার কুরাইশ এবং মদিনার মুসলমানদের মধ্যে হুদায়বিয়া নামক স্থানে যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তাকে হুদায়বিয়ার সন্ধি বলে।
খ. “আমি জ্ঞানের শহর, আর আলি (রা.) তার দরজা”—এই কথার মাধ্যমে হযরত আলি (রা.)-এর গভীর জ্ঞান ও পাণ্ডিত্য বোঝানো হয়েছে। তিনি ছোটবেলা থেকেই রাসুল (স.)-এর কাছে থেকে জ্ঞান অর্জন করতেন। আরবি ব্যাকরণসহ ধর্মীয় বিষয়ে তার জ্ঞান ছিল খুবই উচ্চমানের। তার এই বিশেষ জ্ঞান ও মেধার কারণে বিশ্বনবি (স.) তাকে জ্ঞানের প্রবেশদ্বার বলে উল্লেখ করেছেন।
গ. দৃশ্যপট-১-এর মাহমুদ সাহেবের কর্মকান্ডে ইসলামের তৃতীয় খলিফা হযরত উসমান (রা.)-এর কাজের মিল রয়েছে।
হযরত উসমান (রা.) ছিলেন খুবই দয়ালু এবং তিনি তার অনেক সম্পদ মানুষের উপকারে খরচ করতেন। দুর্ভিক্ষ ও কষ্টের সময়ে তিনি গরিবদের মাঝে খাবার বিতরণ করতেন এবং মানুষের কল্যাণে নানা কাজ করতেন।
উদ্দীপকের মাহমুদ সাহেব খরার সময় দশটি গভীর নলকূপ বসিয়েছেন এবং গরিব পরিবারগুলোর মধ্যে চাল বিতরণ করেছেন। তার এই দান ও সেবামূলক কাজ হযরত উসমান (রা.)-এর আদর্শের সঙ্গে মিল রয়েছে। তাই বলা যায়, মাহমুদ সাহেবের এই কাজের মধ্যে হযরত উসমান (রা.)-এর জীবনধারারই প্রতিফলন দেখা যায়।
ঘ. সেলিম উল্লাহর কর্মকাণ্ড পাঠ্যবইয়ে বর্ণিত ‘মদিনা সনদ’ অথবা ‘হুদায়বিয়ার সন্ধি’র ন্যায় শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার ঘটনার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ।
মদিনা সনদের মাধ্যমে রাসুল (স.) বিভিন্ন গোত্রের ঝগড়া মিটিয়ে ঐক্য ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এটি ছিল বিশ্বের প্রথম লিখিত সংবিধান, যা সমাজে সুশাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করেছিল।
উদ্দীপকে সেলিম উল্লাহ দুই গ্রামের বিরোধ মেটাতে একটি সভা করেন এবং ১২ দফার একটি চুক্তি করেন, যার ফলে মারামারি বন্ধ হয়ে যায়। তার এই কাজ মদিনা সনদের মতোই, যেখানে চুক্তির মাধ্যমে শান্তি আনা হয়েছিল। এ ধরনের চুক্তি খুব গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি ঝগড়া কমায় এবং সমাজে শান্তি ও নিরাপত্তা তৈরি করে।
সবশেষে বলা যায়, সেলিম উল্লাহর এই বুদ্ধিমান উদ্যোগ মদিনা সনদের মতোই সমাজে স্থিরতা ও শান্তি আনার একটি ভালো উপায়।
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। হযরত আলি (রা.) কুরআন, হাদিস ও ব্যাকরণে ছিলেন অসাধারণ পণ্ডিত। রাসুল (স.) বলেন, “আমি জ্ঞানের শহর আর আলি তার দরজা।” হযরত আলি (রা.) জাঁকজমক পছন্দ করতেন না। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি জীবনযাপন করতেন। তিনি তাঁর বীরত্বের জন্য আসাদুল্লাহ উপাধি পেয়েছিলেন। ক. হযরত আলি (রা.) কখন ইসলাম গ্রহণ করেন? খ. রাসুল (স.) আলি (রা.)-কে আসাদুল্লাহ উপাধি দিয়েছিলেন কেন? গ. হযরত আলি (রা.) এর অনাড়ম্বর ও কঠোর পরিশ্রমী জীবন থেকে তুমি কী শিক্ষা লাভ কর? ব্যাখ্যা করো। ঘ. অনুকরণীয় আদর্শ হিসেবে আলি (রা.)-এর অনাড়ম্বর জীবন সম্পর্কে আলোচনা করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩। শায়লা একটি বেসরকারী কোম্পানিতে চাকরি করে। আচার-আচরণে কিছুটা উগ্র। পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে দুর্বব্যবহার করে।। স্বামীর সাথে প্রায়ই ঝগড়া হয়। চাকচিক্যময় আড়ম্বর জীবনযাপনেই তার স্বাচ্ছন্দ্য। এসব দেখে তার ছোট বোন নুসরাত বলে- “আপু’ তোমার উচিত হযরত ফাতিমা (রা.) এর জীবনী পাঠ করা। তিনি ছিলেন সত্যনিষ্ঠা, ধৈর্য, দানশীলতা, লজ্জাশীলতা, পতিভক্তি, আল্লাহর প্রতি নির্ভরশীলতা প্রভৃতি মহৎগুণের অধিকারিণী। ক. হযরত ফাতিমা (রা.) উপাধি কী ছিল? খ. হযরত ফাতিমা (রা.)-এর দানশীলতা ব্যাখ্যা করো। গ. হযরত ফাতিমা (রা.) এর সুমহান জীবন থেকে শায়লা ও নুসরাত কী শিক্ষাগ্রহণ করবে? ঘ. হযরত ফাতিমা (রা.)-এর চারিত্রিক মাধুর্য মূল্যায়ন করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪। পাশাপাশি অবস্থিত দুই গ্রামের অধিবাসীদের মধ্যে একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিবাদের সৃষ্টি হয়। বিবাদের চরম পর্যায়ে পার্শ্ববর্তী গ্রামের সেলিম মিয়ার মধ্যস্থতায় উভয় গ্রামের কয়েকজন প্রতিনিধিকে নিয়ে আলাপ আলোচনার মাধ্যমে কয়েকটি শর্ত সাপেক্ষে একটি সমঝোতা চুক্তি করা হয়। এতে উভয় গ্রামের মানুষ নিশ্চিত সংঘর্ষ থেকে মুক্তি পায়। চুক্তি সম্পাদনের পর সেলিম মিয়া সবার উদ্দেশ্যে বলেন, মহানবি (স.)-এর জীবনী অনুসরণ করেই আমরা শান্তি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে পারি। ক. হযরত ইসমাঈল (আ.)-এর উপাধি কী ছিল? খ. মহানবি (স.) মদিনায় হিজরত করলেন কেন? ব্যাখ্যা করো। ২ গ. উদ্দীপকের সমঝোতা চুক্তিটি মহানবি (স.)-এর কোন চুক্তির সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো। ৩ ঘ. সেলিম মিয়ার শেষ উক্তিটি পাঠ্যপুস্তকের আলোকে মূল্যায়ন করো। ৪ |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫। মিশরের কেনানে একজন নবি ছিলেন। তার ছিল এগারজন পুত্র। পিতা একজনকে সবার চেয়ে বেশি আদর করতেন তাই তার সহোদয় ভাই ব্যতীত অন্যান্য ভাইয়েরা তাকে হিংসা করে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র করল। আল্লাহ তাঁকে রক্ষা করলেন এবং একসময় তিনি মিশরের অর্থমন্ত্রীও হয়েছিলেন। তিনি অবশেষে ভাইদেরকে ক্ষমা করে দিলেন। ক. ছাদিকুল ওয়াদ অর্থ কী? খ. আহসানুল কাসাস বলতে কী বোঝায়? গ. উদ্দীপকে বর্ণিত ষড়যন্ত্রটি ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত অর্থমন্ত্রী হওয়া ও ভাইদেরকে ক্ষমা করার ঘটনা বর্ণনা করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬। নবুয়তপ্রাপ্তির পর মুহাম্মদ (স.) প্রথমে গোপনে ইসলামের দাওয়াত দেন। প্রকাশ্যে দাওয়াত দিতে শুরু করলে তাঁর ও তাঁর সঙ্গীদের ওপর চলে নানারকম অত্যাচার-নির্যাতন। মক্কার কাফিরদের সীমাহীন অত্যাচার এবং তায়িফবাসীদের দুর্ব্যবহারে মহানবি (স.) যখন দারুণ মর্মাহত ও ব্যথিত তখন আল্লাহ তাঁকে মিরাজের সম্মান দান করেন। ৬২২ খ্রিষ্টাব্দে তিনি আল্লাহর আদেশে মদিনায় হিজরত করেন। ক. হিজরত অর্থ কী? খ. মহানবি (স.) মক্কা ছেড়ে মদিনায় হিজরত করেছিলেন কেন? গ. মহানবি (স.)-এর মদিনায় হিজরতের ঘটনা থেকে আমরা কী শিক্ষালাভ করতে পারি? ব্যাখ্যা করো। ঘ. “মিরাজ মহানবি (স.)-এর জীবনে সর্বাধিক তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা”-উদ্দীপকের আলোকে উক্তিটির যথার্থতা যাচাই করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭। জিলহাজ্জ মাসের চাঁদ উঠেছে। তাহমিনা বলল; আব্বু কুরবানির ঈদ কখন হবে? বাবা বললেন, আর দশ দিন পর, জিলহজ্জ মাসের দশ তারিখ। তাহমিনা বলল, কোন সময় থেকে পশু কুরবানি করা শুরু হয়েছে? বাবা বললেন, হযরত ইবরাহিম (আ.) শিশুপুত্র ইসমাঈল (আ.)-কে কুরবানি দিতে গিয়ে আল্লাহর মহিমায় অলৌকিকভাবে একটি দুম্বা কুরবানি হয়ে যায়। তখন থেকে পশু কুরবানি শুরু। ক. হযরত ইসমাঈল (আ.) কে ছিলেন? খ. হযরত ইবরাহিম (আ.) কেন পুত্র ইসমাইলকে কুরবানি দেন? গ. হযরত ইসমাঈল (আ.)-এর কুরবানি সম্পর্কিত ঘটনা থেকে আমরা কী শিক্ষা নিতে পারি- ব্যাখ্যা করো। ঘ. পিতার প্রস্তাবে ইসমাঈল (আ.)-এর ধৈর্যের যে পরিচয় পাওয়া যায় তা বুঝিয়ে লেখো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮। মুহীত সাহেব একজন বিত্তবান লোক। তিনি তার এলাকার মানুষের জন্য। গভীর নলকূপ স্থাপন করে সুপেয় পানির ব্যবস্থা করেন। স্থানীয় মসজিদে মুসল্লিদের স্থান সংকুলান না হওয়ায় ব্যক্তিগত খরচে মসজিদ সম্প্রসারণ করেন। অপরদিকে, তার প্রতিবেশী করিম সাহেব একজন জ্ঞানী মানুষ। কুরআনের তাফসির, হাদিসের ব্যাখ্যাসহ অনেক বিষয়ে তার অগাধ জ্ঞান। আরবি ভাষার ব্যাকরণে তার অবদান অনস্বীকার্য। ক. আশারা-ই-মুবাশশারা কী? খ. “হযরত ফাতিমা (রা.) দানের ব্যাপারে ছিলেন ‘খুবই উদার।”-” উক্তিটি ব্যাখ্যা করো। গ. মুহীত সাহেবের কর্মে কার চরিত্রের প্রতিফলন ঘটেছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. করিম সাহেবের কর্মকান্ড যে মহামানবের কর্মময় জীবনের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ তার জীবনী আলোচনা করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৯। একদিন মিশরের বাদশাহ স্বপ্ন দেখলেন, “সাতটি সুস্থ সবল গাভিকে সাতটি দুর্বল গাভি খেয়ে ফেলছে।” তিনি আরও দেখেন, “সাতটি সবুজ শস্য শিষ এবং সাতটি শুদ্ধ শিষ।” তিনি এ স্বপ্নের ব্যাখ্যার জন্য রাজদরবারে জ্ঞানী-গুণী ও পন্ডিতদের ডাকেন। কিন্তু কারোর ব্যাখ্যা তার পছন্দ হয়নি। বাদশাহ খবর পেলেন কারাগারে এক যুবক আছেন, যিনি স্বপ্নের ভালো ব্যাখ্যা করতে পারেন। অবশেষে হযরত ইউসুফ (আ.)-এর স্বপ্নের ব্যাখ্যায় খুশি হয়ে বাদশাহ তাকে অর্থমন্ত্রীর পদে নিয়োগ দেন। ক. ‘আহসানুল কাসাস’ অর্থ কী? খ. কেন হযরত ইউসুফ (আ.) কারাবরণ করেন? গ. হযরত ইউসুফ (আ.)-এর অসাধারণ মেধা ও বুদ্ধিমত্তা থেকে তুমি কী শিক্ষালাভ করতে পার? ব্যাখ্যা করো। ঘ. হযরত ইউসুফ (আ.) কীভাবে তাঁর পিতার সাথে মিলিত হলেন? ধারাবাহিক ঘটনাটি বর্ণনা করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১০। রহিমা তার মায়ের কাছ থেকে কুরবানির ইতিহাস শুনল। কুরবানির ইতিহাস শুনে তার মনে ইসমাঈল (আ.) সম্পর্কে জানার কৌতূহল জাগল। মেয়ের আগ্রহ দেখে হাফিজা বেগম ইসমাঈল (আ.)-এর জন্ম পরিচয়, নির্বাসনকাল, নির্বাসনকালে যমযম কূপ সৃষ্টি, কাবাঘর নির্মাণে অংশগ্রহণ, উপাধি লাভ ইত্যাদি বিষয়ে আলোচনা করলেন। ক. কাবাঘর নির্মাণ করেন কে? খ.যমযম কূপ সৃষ্টি হয়েছিল কেন? গ. ইসমাঈল (আ.)-এর জীবনাদর্শ থেকে রহিমা ব্যক্তি জীবনে কী আদর্শ ধারণ করবে? ব্যাখ্যা কর। ঘ. হাফিজা বেগমের বর্ণনার আলোকে ইসমাঈল (আ.)-এর নির্বাসন জীবনের ফলাফল আলোচনা কর। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১১। স্বপ্না ও কাজল দুই বোন। কাজল পড়াশুনায় ফাঁকিবাজ। কিন্তু গল্প শুনতে ভালোবাসে। স্বপ্না তাকে রাসুল (স.)-এর হিজরতের গল্পটি শোনায়। ক. হিজরত কী? খ. মহানবি (স.)-এর হিজরতের কারণ কী? গ. হিজরতের পর মহানবি (স.)-এর প্রণীত নীতিমালার নাম কী? এটির ৫টি ধারা লেখ। ঘ. মহানবি (স.)-এর এ সনদের গুরুত্ব আলোচনা কর। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১২। হিজরতের পর হযরত মুহাম্মদ (স.) মদিনায় ১টি আদর্শ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ধর্ম, বর্ণ, গোত্রের বিভেদ নিরসন করে। পারস্পরিক শান্তি, সম্প্রীতি ও শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করতে কতিপয় নীতিমালা তৈরি করেন। যা মদিনা সনদ নামে খ্যাত। ক. মদিনা সনদের কয়টি ধারা? খ. হুদায়বিয়ার সন্ধির ২টি শর্ত উল্লেখ কর। গ. মদিনায় ১টি আদর্শ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় মদিনা সনদের গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর। ঘ. মদিনা সনদের ফলে মুসলমানরাই সবচেয়ে লাভবান হয়-উক্তিটির বিশ্লেষণ কর। |
নিচে ৭ম শ্রেণির ইসলাম শিক্ষা ৫ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর পিডিএফ ফাইল দেওয়া হল।