কাজী নজরুল ইসলামের ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধে যৌবনের অদম্য শক্তি ও প্রাণবন্ত রূপের প্রশংসা করা হয়েছে। নজরুলের মতে, যৌবন মানুষের জীবনে গতি, কর্মস্পৃহা ও আশার সঞ্চার করে। এই পোস্টে যৌবনের গান সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর লিখে দিলাম।
Table of Contents
যৌবনের গান সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন] অবসরপ্রাপ্ত ফারুক সাহেবের কাঁচাপাকা চুল, মুখে বয়সের ছাপ। দেখলে মনে হয় তার যথেষ্ট বয়স হয়েছে। কিন্তু রাস্তার দুই ধারে গাছ লাগানো, রাস্তার গর্ত ভরাট করা প্রভৃতি জনকল্যাণমূলক কাজে নিরবচ্ছিন্ন পরামর্শ প্রদানে তার কোনো ক্লান্তি নেই। এছাড়া পাড়ার ছেলেমেয়েদের নিয়ে বাল্যবিবাহ রোধ, স্কুলগামী মেয়েদের স্কুলে পাঠানো, অসুস্থ রোগীকে হাসপাতালে পাঠানো- এ সমস্ত মানবিক কাজে তিনি সহযোগিতা করে থাকেন। মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন। ক. গানের পাখিকে তাড়া করে কে? খ. ‘আমি আজ তাঁহাদেরই দলে, যাহারা কর্মী নন- ধ্যানী, এখানে ‘ধ্যানী’ বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে এবং কেন? গ. উদ্দীপকে ফারুক সাহেবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধের আলোকে ব্যাখ্যা কর। ঘ. “বার্ধক্যকে সমসময় বয়সের ফ্রেমে বাঁধা যায় না”- উক্তিটি উদ্দীপকের ফারুক সাহেবের প্রসঙ্গে ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধ অনুসরণে আলোচনা কর। |
উত্তরঃ
ক. গানের পাখিকে তাড়া করে বায়স-ফিঙে।
খ. উদ্ধৃত অংশে ‘ধ্যানী’ বলতে বোঝানো হয়েছে সেই মানুষদের, যারা সামনে না এসে নীরবে থেকে সমাজের বড় কাজগুলোতে দিকনির্দেশনা ও প্রেরণা দেন।
একটি তরুণদের সভায় বক্তা যৌবনের শক্তির প্রশংসা করে বলেন, এই শক্তি কোনো ছোট গণ্ডিতে আটকে থাকে না; এটি সবার মঙ্গল চায়। তিনি বলেন, সত্যিকারের তরুণেরা শুধু বড় বড় কথা বলে না, তারা চুপচাপ পরিশ্রম করে ভালো কাজ করে। তাদের এই নীরব ও কঠিন সাধনাকে ধ্যানের সঙ্গে তুলনা করা যায়। এই কারণেই প্রাবন্ধিক বলেছেন, তিনি এখন সেই নীরব সাধকদের দলে, যারা কর্মীর চেয়ে ধ্যানী।
গ. উদ্দীপকের ফারুক সাহেবের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যে ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধে বর্ণিত যৌবনের মাতৃরূপের প্রতিফলন ঘটেছে।
সমাজের জন্য তরুণদের যে সেবামূলক কাজ, প্রাবন্ধিক সেটিকেই যৌবনের মায়ের মতো রূপ বলেছেন। মা যেমন তার সন্তানকে সব বিপদ ও অমঙ্গল থেকে রক্ষা করে, তেমনই সত্যিকারের যৌবনও মানবসমাজকে ধ্বংসের হাত থেকে বাঁচাতে চায়। মায়ের স্নেহ-মমতার মতো ভালোবাসা নিয়ে যৌবন দুর্বল, গরিব ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ায়। উদ্দীপকের ফারুক সাহেবের কাজের মধ্যেও এই মানবকল্যাণমুখী তরুণসুলভ গুণ স্পষ্টভাবে দেখা যায়।
ফারুক সাহেব যৌবনের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সমাজের উপকারে নিজেকে উৎসর্গ করেছেন। মানবতার বোধ থেকে তিনি বাল্যবিবাহ বন্ধ করার চেষ্টা করেন এবং মেয়েদের পড়াশোনার জন্য স্কুলে পাঠান। এভাবে তিনি অসহায় ও পিছিয়ে পড়া মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে নিজের দায়িত্ব পালন করেন। তার এই চরিত্রের মধ্য দিয়ে ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধে বলা যৌবনের মাতৃরূপ সুন্দরভাবে প্রকাশ পেয়েছে। মানুষের জন্য কাজ করতে তিনি কখনো ক্লান্ত হন না। ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধেও এই ধরনের মানসিকতাকেই প্রকৃত তারুণ্য বলা হয়েছে।
ঘ. ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধের চেতনানযায়ী অফুরন্ত প্রাণশক্তি উদ্দীপকের বয়স্ক ফারুক সাহেবের মাঝে লক্ষ করা যায়।
‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধে কাজী নজরুল ইসলাম অদম্য ও অপ্রতিরোধ্য যৌবনের প্রশংসা করেছেন। যৌবন মানুষের জীবনকে সচল, কর্মমুখী ও আশায় ভরা করে। নজরুলের মতে, যৌবন শুধু বয়সের বিষয় নয়। কেউ ষাট বছরের বেশি বয়স হলেও যদি তার মনে শক্তি ও উদ্যম থাকে, তবে তাকেও যুবক বলা যায়। আবার কেউ বয়সে তরুণ হলেও যদি তার মনে উৎসাহ না থাকে, তবে সে আসলে বুড়োর মতো। তাই মানুষের প্রাণশক্তি ও কাজ করার আগ্রহ দিয়েই বোঝা যায় সে যুবক না বৃদ্ধ।
উদ্দীপকের ফারুক সাহেব বয়সে বয়স্ক হলেও মন ও কাজে একেবারে তরুণ। চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার পরও তিনি সব সময় মানুষের উপকারে নানা কাজ করে যান। কিন্তু রাস্তার দুই ধারে গাছ লাগানো, রাস্তার গর্ত ভরাট করা প্রভৃতি জনকল্যাণমূলক কাজে নিরবচ্ছিন্ন পরামর্শ প্রদানে তার কোনো ক্লান্তি নেই।
উদ্দীপকের ফারুক সাহেব সমাজের উন্নয়নের জন্য সক্রিয় থাকেন এবং বিভিন্ন সামাজিক কাজে তরুণ ছেলে-মেয়েদের দিকনির্দেশনা ও নেতৃত্ব দেন। এসব ভালো কাজের কারণে বার্ধক্য যেন তাকে স্পর্শ করতে পারে না।
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন] যুবকেরা পাগল, বারুদের মতো সহজেই তাদের মনে প্রতিবাদী চেতনার সৃষ্টি হয়। কারাগারে ফাঁসিতে কিছুতেই তাদের দর্পিত প্রাণ কাবু হয় না। এদের স্থিরতা, বীরত্ব, গাম্ভীর্য, ধর্মভয়, বিনয় জ্ঞান বলতে কিছু নেই। ওরা সত্যিই পাগল, বাষ্পীয় ইঞ্জিনে আবদ্ধ শক্তি বলা যায়। ক. ‘বনের পাখির মতো গান করা স্বভাব’- কার? খ. কবি তরুণদের দলভুক্ত হতে চেয়েছেন কেন? গ. অনুচ্ছেদে ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধে বর্ণিত যুবকের কোন রূপটি প্রকাশ পেয়েছে তা ব্যাখ্যা কর। ঘ. “অনুচ্ছেদে ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধে আংশিক বক্তব্য প্রতিফলিত হয়েছে”- মন্তব্যটির যৌক্তিক মূল্যায়ন কর। |
উত্তরঃ
ক. বনের পাখির মতো গান করা কবির স্বভাব।
খ. কবি তরুণদের দলভুক্ত হতে চেয়েছেন কারণ তারা সকল ধর্মের, সকল দেশের, সকল জাতির ও সর্বকালের হয়ে মানবকল্যাণে কাজ করে থাকে।
পুরোনো ও খারাপ সমাজকে ভালো ও বসবাসের উপযোগী করতে তরুণরা কুসংস্কার, অন্যায় আর জড়তা দূর করে। দেশকে নতুন ও সুন্দর সমাজ দিতে তারা প্রয়োজনে নিজের জীবনও ত্যাগ করে। তারা অন্ধকার সরিয়ে আলো নিয়ে আসে বলেই কবি তাদের আদর্শ মানেন এবং তরুণদের দলে থাকতে চান।
গ. উদ্দীপকের যৌবনের অপ্রতিরোধ্য রূপটি ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধে ফুটে উঠেছে।
‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধে তারুণ্যের দমে না-থাকা ও দুরন্ত রূপ দেখানো হয়েছে। প্রাবন্ধিক বলেন, তরুণ সেই যে শক্তিতে ভরা, যার চলার গতি ঝড়ের মতো, তেজ সূর্যের মতো। যার অনেক আশা, ক্লান্তিহীন উৎসাহ, বড় মনের উদারতা, অফুরন্ত প্রাণশক্তি, দৃঢ় সাধনা। এমনকি যে মৃত্যুকেও ভয় পায় না, সে-ই সত্যিকারের তরুণ। তরুণদের ভেতরে থাকে অদম্য শক্তি।
উদ্দীপকেও যুবকদের এই দমে না-থাকা স্বভাব দেখানো হয়েছে। তারা ফাঁসির দড়ি দেখেও ভয় পায় না, তাদের চলার গতি থামে না। স্থিরতা, ভদ্রতা, ভয় বা বিনয়ের ধার তারা ধারে না। সব বাধা তুচ্ছ করে তারা পাগলের মতো, বাবুদের মতো, ইঞ্জিনের ভেতর জমে থাকা শক্তির মতো ছুটে চলে। প্রবন্ধে যেমন যুবকের যে গুণের কথা বলা হয়েছে, উদ্দীপকের যুবকদের মধ্যেও তা আছে। তাই উদ্দীপকে ‘যৌবনের গান’-এ বর্ণিত অদম্য ও উদ্দাম তারুণ্যের রূপই ফুটে উঠেছে।
ঘ. ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধে লেখক যৌবনের দুর্বার রূপ ছাড়াও মাতৃময়ী রূপের কথা বলেছেন, যা উদ্দীপকে সম্পূর্ণরূপে ফুটে ওঠেনি।
‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধে তারুণ্যের স্বভাব, তার বিভিন্ন রূপ এবং যুবকদের করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। যৌবনের দুটি দিক আছে একটি উদ্দাম রূপ, অন্যটি মাতৃরূপ। উদ্দাম যৌবন বিপ্লবের মাধ্যমে সব বাধা ভেঙে দেয়। আর মাতৃরূপের যৌবন মানুষের কল্যাণে কাজ করে, সেবামূলক ভূমিকা পালন করে।
উদ্দীপকের তরুণেরা খুবই দুরন্ত ও উচ্ছ্বসিত। তারা প্রাণের জোরে সব ভয় ভুলে যায়। মৃত্যুকেও তারা ভয় পায় না। ফাঁসি বা জেল তাদের থামাতে পারে না। বাষ্পীয় ইঞ্জিনের শক্তির মতো তারা সবকিছু ভেঙে নতুন সৃষ্টি করতে চায়।
এই দুর্বার তারুণ্যের রূপ ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধেও আছে। কালাপাহাড়ের তলোয়ারে, কামাল, করিম, মুসোলিনি ও লেনিনের শক্তিতে। তারা নতুন কিছু গড়ার নেশায় মত্ত। আবার প্রবন্ধে মাতৃরূপের যৌবনও আছে, যেখানে তরুণেরা দুর্বল ও দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে সাহস দেয়। কিন্তু উদ্দীপকে এই মাতৃরূপের কথা নেই। তাই স্পষ্টভাবে বলা যায়, উদ্দীপকে ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধের শুধু আংশিক ভাবই প্রকাশ পেয়েছে।
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩। অসীম সম্প্রতি এমএ পাশ করেছে। এখন সে চাকরির ইন্টারভিউ নিয়েই ব্যস্ত থাকে সারা ক্ষণ। কিছুদিন আগে ঘূর্ণিঝড়ে দেশের একাংশের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলে অসীমের বন্ধুরা ত্রাণ সংগ্রহ করে উপদ্রুত এলাকায় যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়। তারা অসীমকেও এ কাজে আহ্বান করে, কিন্তু অসীম তা কৌশলে এড়িয়ে যায়। তার ধারণা, দেশে সরকার আছে, আরও অনেক মানুষ আছে, এসব তাদের কাজ। অসীম মনে মনে ভাবে, এসব কাজ করতে গেলে তার অনেক ক্ষতি হবে। অসীমের বন্ধুরা তাকে আত্মকেন্দ্রিক স্বার্থপর মানুষ হিসেবে আখ্যা দেয়। ক. ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধটি কত খ্রিষ্টাব্দে ভাষণ হিসেবে প্রদত্ত হয়? খ. ‘যে চাঁদ সাগরে জোয়ার জাগায়, সে হয়ত তাহার শক্তি সম্বন্ধে আজও না-ওয়াকিফ।’- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকটিতে ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধের কোন দিক প্রতিফলিত হয়েছে তা নিরূপণ করো। ঘ. ‘উদ্দীপকের অসীম বয়সে যুবক হলেও তার চিন্তাধারা বার্ধক্যে আক্রান্ত।’- এ কথার তাৎপর্য ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪। চারদিকে যুদ্ধের ডামাডোল। কবীর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে গিয়ে আর বাড়ি ফেরেনি। বাড়িতে একদিন একটি চিঠি এলো। চিঠিতে লেখা ছিল, ‘দেশের বঞ্চিত মানুষের জন্য মুক্তির লড়াই শুরু হয়েছে, এ লড়াইয়ের আরেক নাম মৃত্যুঞ্জয়ী লড়াই। সে, লড়াইয়ে যোগ দিতে যাচ্ছি। আমি বিজয় আর মুক্তি নিয়েই ফিরে আসব।’ ক. কোন আফগান সেনানায়ক অতর্কিত আক্রমণে নদীয়া দখল করেন? খ. ‘কবিদের বাণী বহে ক্ষীণ ভীরু ঝরনাধারার মতো।’- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো। ২ ৩ 8 গ. উদ্দীপকে বর্ণিত যৌবনের প্রকৃতির সঙ্গে ‘ যৌবনের গান’ প্রবন্ধের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা করো। ঘ. ‘আমি বিজয় আর মুক্তি নিয়েই ফিরে আসব।’- ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধের আলোকে উক্তিটি বিশ্লেষণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫। কল্যাণপুর এলাকায় দিনকে দিন চাঁদাবাজদের অত্যাচার বেড়েই চলেছে। চাঁদা না পেলে তারা বাসার জিনিসপত্র লুট করে। এমনকি মারধর করে, মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এলাকার কিছু প্রবীণ ব্যক্তি এই অত্যাচার মানতে চান না। তাঁরা এলাকাবাসীকে বোঝান, অন্যায়ের কাছে মাথা নত করে নয়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করতে হবে। তাঁদের আহ্বানে সাড়া দিয়ে কল্যাণপুরবাসী ঐক্যবদ্ধভাবে চাঁদাবাজদের প্রতিহত করে। ক. ‘বায়স’ শব্দের অর্থ কী? খ. কবি কেন যৌবনের পূজারি? গ. কল্যাণপুরের প্রবীণদের কোন বৈশিষ্ট্যটি ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ? ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত প্রবীণদের ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার দিকটি ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬। অসীম সম্প্রতি এমএ পাশ করেছে। এখন সে চাকরির ইন্টারভিউ নিয়েই ব্যস্ত থাকে সারা ক্ষণ। কিছুদিন আগে ঘূর্ণিঝড়ে দেশের একাংশের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলে অসীমের বন্ধুরা ত্রাণ সংগ্রহ করে উপদ্রুত এলাকায় যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়। তারা অসীমকেও এ কাজে আহ্বান করে, কিন্তু অসীম তা কৌশলে এড়িয়ে যায়। তার ধারণা, দেশে সরকার আছে, আরও অনেক মানুষ আছে, এসব তাদের কাজ। অসীম মনে মনে ভাবে, এসব কাজ করতে গেলে তার অনেক ক্ষতি হবে। অসীমের বন্ধুরা তাকে আত্মকেন্দ্রিক স্বার্থপর মানুষ হিসেবে আখ্যা দেয়। ক. ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধটি কত খ্রিষ্টাব্দে ভাষণ হিসেবে প্রদত্ত হয়? খ. ‘যে চাঁদ সাগরে জোয়ার জাগায়, সে হয়ত তাহার শক্তি সম্বন্ধে আজও না-ওয়াকিফ।’- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকটিতে ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধের কোন দিক প্রতিফলিত হয়েছে তা নিরূপণ করো। ২ ৩ ঘ. ‘উদ্দীপকের অসীম বয়সে যুবক হলেও তার চিন্তাধারা বার্ধক্যে আক্রান্ত।’- এ কথার তাৎপর্য ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ করো। 8 |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭। রফিক সাহেবের বয়স এখন ষাটের ঊর্ধ্বে। তিনি প্রতিনিয়ত সমাজের কল্যাণমুখী কাজে ব্যস্ত থাকেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান, অসহায়ের পক্ষে কথা বলেন। তিনি কখনো নিজের স্বার্থের কথা ভাবেন না। সমাজের সবাই তাঁকে ভক্তি-শ্রদ্ধা করে। অপরদিকে একই এলাকার জামান সাহেবের বয়স মাত্র ত্রিশ বছর। তিনি সর্বদা অর্থের পিছনে ছোটেন। ন্যায়-অন্যায়, ভালোমন্দ বিবেচনা করেন না। নিজের স্বার্থের জন্য তিনি সর্বদাই ব্যাকুল হয়ে ওঠেন। তাই সমাজের মানুষের কোনো কাজেই তিনি আসেন না। ক. ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধে কাকে আলোর দেবতা বলা হয়েছে? ১ খ. ‘ইহাই হউক তরুণের সাধনা।’- এই সাধনার স্বরূপ ব্যাখ্যা করো। ২ গ. উদ্দীপকের জামান সাহেবের সাথে ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধের কোন চেতনার সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়া যায়? ৩ 8 ঘ. উদ্দীপকের আলোকে ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধের যৌবন ও বার্ধক্যের স্বরূপ বিশ্লেষণ করো। শিখনফল |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮। জাতির কল্যাণে বজলুর রশিদ সর্বদা নিজেকে নিয়োজিত রাখতেন। কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী ছিলেন তিনি। কাজ করতেন অনাথের জন্য, অসহায়ের জন্য। নিজের বলতে তাঁর কিছুই ছিল না। মানুষের দুর্দশা লাঘবই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। মানুষকে তিনি শোনাতেন অভয়ের বাণী, তারুণ্যের গান। ক. ছেলেবেলায় নজরুল কোন গানের দলে যোগ দিয়েছিলেন? খ. অট্টালিকা চাপা পড়ে মানুষের মৃত্যুর কারণ কী? গ. উদ্দীপকে যৌবনের গান প্রবন্ধের কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকটি ‘যৌবনের গান’ প্রবন্ধের সঙ্গে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ? মূল্যায়ন করো। |
নিচে যৌবনের গান সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর পিডিএফ ফাইল দেওয়া হল।
যৌবনের গান সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর পিডিএফ
আরও পড়ুনঃ জীবন ও বৃক্ষ সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর (পিডিএফ সহ)