মোতাহের হোসেন চৌধুরী তাঁর ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধে বলেছেন, জীবন তখনই সত্যিকার অর্থে সার্থক হয়, যখন মানুষ নিজের স্বার্থ ভুলে অন্যের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করে। তিনি গাছের উদাহরণ দিয়ে বুঝিয়েছেন গাছ মাটি থেকে খাদ্য নেয় ঠিকই, কিন্তু সেই খাদ্য শুধু নিজের জন্য জমিয়ে রাখে না; বরং ফুল, ফল, ছায়া দিয়ে মানুষের উপকার করে। এই পোস্টে জীবন ও বৃক্ষ সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর লিখে দিলাম।
Table of Contents
জীবন ও বৃক্ষ প্রবন্ধের সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন] এই যে বিটপি শ্রেণি হেরি সারি সারি- কী আশ্চর্য শোভাময় যাই বলিহারি। কেহবা সরল সাধু হৃদয় যেমন, ফলভারে নত কেহ গুণীর মতন। এদের স্বভাব ভালো মানবের চেয়ে, ইচ্ছা যার দেখ দেখ জ্ঞানচক্ষে চেয়ে। যখন মানবকুল ধনবান হয়, তখন তাদের শির সমুন্নত রয়। কিন্তু ফলশালী হলে এই তরুগণ, অহংকারে উচ্চ শির না করে কখন। ফলশূন্য হলে সদা থাকে সমুন্নত, নীচ প্রায় কার ঠাঁই নহে অবনত। ক. মোতাহের হোসের চৌধুরী কোন আন্দোলনের কাণ্ডারি ছিলেন? খ. কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নদীকেই মনুষ্যত্বের প্রতীক বিবেচনা করতে চেয়েছেন কেন? গ. ‘বৃক্ষের দিকে তাকালে জীবনের তাৎপর্য উপলব্ধি সহজ হয়’ প্রবন্ধের এ উক্তিটি উদ্দীপকে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর। ঘ. ‘উদ্দীপকের ‘বৃক্ষ’ ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধে বর্ণিত ‘বৃক্ষের’ আংশিক পরিচিতি প্রদান করে।” উক্তিটি মূল্যায়ন কর। |
উত্তরঃ
ক. মোতাহের হোসেন চৌধুরী ‘বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন’-এর অন্যতম কান্ডারি ছিলেন।
খ. নদীর গতিতে মনুষ্যত্বের দুঃখ-বেদনা স্পষ্ট হয়ে ওঠে বলে কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নদীকেই মনুষ্যত্বের প্রতীক করতে চেয়েছেন।
নদীর পথচলা কখনোই মসৃণ নয়। চলার সময় তাকে নানা রকম বাধা, প্রতিকূলতা ও কষ্টের সম্মুখীন হতে হয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নদীর এই অবিরাম গতিকে ফুল ফোটার সৌন্দর্যের সঙ্গে তুলনা করেছেন। এই তুলনার মধ্য দিয়ে তিনি মানুষের জীবনের গভীর সত্যকে প্রকাশ করেছেন। মানুষের জীবনও নানা দুঃখ, সংগ্রাম ও বাধা অতিক্রম করে সামনে এগিয়ে চলে। নদীর মতোই মানুষের জীবন থেমে থাকে না। এ কারণেই কবি নদীকে মানুষের জীবন ও মনুষ্যত্বের সবচেয়ে সুন্দর প্রতীক হিসেবে কল্পনা করেছেন।
গ. প্রবন্ধের প্রশ্নোক্ত উক্তিটি পরার্থপরতার দিক দিয়ে উদ্দীপকে প্রতিফলিত হয়েছে।
মোতাহের হোসেন চৌধুরী তাঁর ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধে বোঝাতে চেয়েছেন, মানুষের জীবনের প্রকৃত মূল্য তখনই প্রকাশ পায়, যখন সে অন্যের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করে। একটি গাছ কেবল নিজের বৃদ্ধির জন্যই বাঁচে না, বরং ফুল, ফল ও ছায়া দিয়ে মানুষের উপকার করে। তাই মানুষেরও উচিত গাছের মতো সহিষ্ণুতা, সাধনা ও ত্যাগের মাধ্যমে পরোপকারী হয়ে ওঠা।
উদ্দীপকের কবিতাংশে গাছের ত্যাগ, সেবা, নম্রতা ও আত্মদানের দিকটি অত্যন্ত সুন্দরভাবে প্রকাশ পেয়েছে। গাছ তার সবকিছু অন্যের কল্যাণে বিলিয়ে দিয়ে প্রকৃত মহত্ত্ব অর্জন করে। সে মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর জন্য ফল, ফুল ও ছায়া প্রদান করে উপকার করে যায়। কিন্তু এত উপকার করার পরও ফলভারে গাছ যেমন নত হয়ে থাকে, তেমনি সত্যিকারের গুণী মানুষও বিনয়ী হয়। এই ভাবনাই মানুষের জীবনের আসল আদর্শকে তুলে ধরে। ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধেও মোতাহের হোসেন চৌধুরী একই শিক্ষা দিয়েছেন। গাছ আমাদের শেখায়, পরের উপকারে নিজেকে উৎসর্গ করাই জীবনের প্রকৃত সার্থকতা। তাই উদ্দীপকে উল্লিখিত বক্তব্যের যথার্থ প্রতিফলন ঘটেছে।
ঘ. উদ্দীপকের বৃক্ষ ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধের মানবজীবনের পরার্থপরতার দিকটি তুলে ধরলেও বৃক্ষের বাকি দিক তুলে না ধরায় ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধে বর্ণিত বৃক্ষের আংশিক পরিচিতি প্রদান করে।
‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক দেখিয়েছেন, গাছের জীবনকে লক্ষ্য করলেই মানুষের জীবনের প্রকৃত তাৎপর্য সহজে অনুধাবন করা যায়। তাঁর মতে, গাছ যেমন ধীর, শান্ত ও নিরব সাধনার মাধ্যমে বেড়ে ওঠে, মানুষের জীবনও তেমনি সংযম ও সাধনার পথে পরিচালিত হওয়া উচিত। গাছ সবসময় নম্র, সহনশীল ও পরের উপকারে নিয়োজিত থাকে। কোনো প্রচার বা অহংকার ছাড়াই সে নীরবে জীবনের সার্থকতার শিক্ষা দিয়ে যায়। অত্যন্ত ধৈর্য ও সহিষ্ণুতার সঙ্গে গাছ জীবনের সকল ভার বহন করে চলে।
উদ্দীপকের কবিতাংশেও গাছের ত্যাগ, সেবা, বিনয় ও আত্মনিবেদনের বিষয়গুলো সুন্দরভাবে প্রকাশ পেয়েছে, যা মানুষের জীবনকে মহৎ ও অর্থবহ করে তুলতে সাহায্য করে। গাছ নানাভাবে মানুষ ও অন্যান্য প্রাণীর কল্যাণ সাধন করে, কিন্তু এসব কাজের জন্য কখনো গর্ব প্রকাশ করে না। বরং গাছে যখন ফল ধরে, তখন সে আরও নত হয়ে পড়ে, ঠিক প্রকৃত গুণী মানুষের মতো বিনয়ী হয়ে ওঠে। উদ্দীপকের এই ভাবনা ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধের মূল বক্তব্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধে প্রাবন্ধিক গাছের সামগ্রিক জীবনধারা, স্বভাব ও আদর্শের বিস্তৃত আলোচনা করেছেন। কিন্তু উদ্দীপকের কবিতাংশে মূলত গাছের আত্মত্যাগ ও পরোপকারের দিকটিকেই বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, যা মানুষের জীবনকে মহৎ করে তুলতে পারে। অর্থাৎ এখানে গাছের সব বৈশিষ্ট্য নয়, কেবল পরার্থপরতার বিষয়টি ফুটে উঠেছে। তাই বলা যায়, প্রশ্নে উল্লিখিত মন্তব্যটি যথার্থ। কারণ উদ্দীপকের গাছ ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধে বর্ণিত গাছের পূর্ণাঙ্গ রূপ নয়, বরং তার পরোপকারী দিকটির আংশিক প্রকাশ ঘটিয়েছে।
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [রা. বো. ২০১৮: কু. বো. ২০১৮; চ. বো. ২০১৮; ব. বো. ২০১৮] নদী কভু পান নাহি করে নিজ জল, তরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফল। গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান, কাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্নদান। স্বর্ণ করে নিজরূপে অপরে শোভিত, বংশী করে নিজস্বরে অপরে মোহিত। ক. ‘তপোবন’ প্রেমিক কে? খ. বৃক্ষ কীভাবে নীরব ভাষায় আমাদের সার্থকতার গান শোনায়? গ. উদ্দীপকের মূলভাব কোন বিচারে ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধের মূলভাবকে ধারণ করে, তোমার দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করো। ঘ. “উদ্দীপকের চেতনা ও ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধের চেতনা সামগ্রিক দৃষ্টিতে এক নয়”- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩। [ঢা. বো. ২০১৮; দি. বো. ২০১৮; সি. বো. ২০১৮; য. বো. ২০১৮] নদী কড় পান নাহি করে নিজ জল, তরুগণ নাহি খায় নিজ নিজ ফল। গাভী কভু নাহি করে নিজ দুগ্ধ পান, কাষ্ঠ দগ্ধ হয়ে করে পরে অন্নদান। স্বর্ণ করে নিজরূপে অপরে শোভিত, বংশী করে নিজ স্বরে অপরে মোহিত। ক. নদীকে মনুষ্যত্বের প্রতীক বলেছেন কে? খ. ‘যা তার প্রাপ্তি তাই তার দান।’- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের মর্মার্থ ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধের বক্তব্যের সাথে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ? বিশ্লেষণ করো। ঘ. “উদ্দীপকের বক্তব্য ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধের সামগ্রিক ভাবের সংক্ষিপ্ত সার।”- এ মন্তব্যের যথার্থতা মূল্যায়ন করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪। [য. বো. ২০১৭] ধন-রত্ন সুখৈশ্বর্য কিছুতেই সুখ নাই, সুখ পর-উপকারে, তারি মাঝে খোঁজ ভাই। ‘আমিত্ব’কে বলি দিয়া স্বার্থ ত্যাগ কর যদি, পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি। নিজ সুখ ভুলে গিয়ে ভাবিলে পরের কথা, তবেই পাইবে সুখ আত্মার ভিতরে তুমি। ক. ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধে ‘তপোবনপ্রেমিক’ কাকে বলা হয়েছে? খ. ‘সাধনার ব্যাপারে প্রাপ্তি একটা বড়ো জিনিস’- বর্ণনা করো। গ. উদ্দীপক এবং ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধের সাদৃশ্য বর্ণনা করো। ঘ. “পরের হিতের জন্য ভাব যদি নিরবধি’- এ উক্তিতে ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধের মূলভাব প্রতিফলিত হয়েছে।”- উক্তিটি মূল্যায়ন করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫। [ঢা. বো. ২০১৭] কেউ ছালটা ছাড়িয়ে নিয়ে সিদ্ধ করছে। পাতাগুলো ছিঁড়ে শিলে পিষছে কেউ। কচি ডালগুলো ভেঙে চিবোয় কত লোক… দাঁত ভালো থাকে। কবিরাজরা প্রশংসায় পঞ্চমুখ। কাটে না কিন্তু যত্নও করে না। হঠাৎ একদিন একটা নতুন ধরনের লোক এলো। মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইল নিমগাছের দিকে। ছাল তুললে না, পাতা ছিঁড়লে না, ডাল ভাঙলে না, মুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রইলে শুধু। ক. বৃক্ষের গান শুনতে হবে কীভাবে? খ. ‘মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিক’- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের নিমগাছটি ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধের ক্ষেত্রে কতটা প্রাসঙ্গিক? আলোচনা করো। ঘ. উদ্দীপকের মূলবক্তব্য ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬। [সি. বো, য. বো. ২০১৬] “তরুতলে বসে পান্থ শ্রান্তি করে দূর ফল আস্বাদনে পায় আনন্দ প্রচুর। বিদায়ের কালে হাতে ডাল ভেঙে লয়, তবু তবু অকাতর, কিছু নাহি কয়। দুর্লভ মানব জন্ম পেয়েছ যখন তরুর আদর্শ কর জীবনে গ্রহণ পরার্থে আপন সুখ দিয়া বিসর্জন তুমিও হওগো ধন্য- তরুর মতন।” ক. সাধনার ব্যাপারে বড়ো জিনিস কী? খ. ‘অনবরত ধেয়ে চলা মানুষের সাধনা হওয়া উচিত নয়’- বুঝিয়ে দাও। গ. উদ্দীপকের সঙ্গে ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধটি কীভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ? আলোচনা করো। ঘ. “জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধে বিকাশ ও দানের কথা বর্ণিত হলেও উদ্দীপকে শুধুই ত্যাগের মহিমা কীর্তন করা হয়েছে।”- বিশ্লেষণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭। [ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ] তৌহিদুল ইসলাম সাহেব তাঁর বাড়ির চারপাশে অনেক বৃক্ষ রোপণ করেছেন। প্রতিদিন তিনি নিজ হাতে গাছের পরিচর্যা করেন, পানি ঢালেন, আগাছা উপড়ে দেন। তিনি একজন বৃক্ষপ্রেমী মানুষ। বিভিন্ন গাছে যখন ফুল ফোটে, ফল হয়, তখন তিনি আনন্দ খুঁজে পান। সেই আনন্দকে জগতের অন্য কোনো কিছুর সাথে তুলনা করা যায় না। তিনি প্রকৃতির মধ্যেই জীবনের সার্থকতা খুঁজে পান। ক. কীসের দিকে তাকালে জীবনের সার্থকতা উপলব্ধি করা যায়? খ. বৃক্ষের ইতিহাসকে লেখক বৃদ্ধির ইতিহাস বলেছেন কেন?-ব্যাখ্যা করো। গ. ‘জীবন ও বৃক্ষ’ গদ্যের কোন দিকটি তৌহিদুল ইসলাম সাহেবের মধ্যে প্রতিফলিত হয়েছে? ঘ. তৌহিদুল ইসলাম সাহেব একজন প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ-উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮। [ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ, চট্টগ্রাম] ভারতের জনৈক ক্যান্সার রোগী চিকিৎসার জন্য কাছাড় হাসপাতালে আসেন। চিকিৎসক তাকে আবার সাক্ষাতের তারিখ দিলে রোগীটি কাঁদতে কাঁদতে বলেন, ‘আমার আর আসা হবে না ডাক্তারবাবু। চিকিৎসার খরচ জোগাতে গিয়ে সবকিছু বিক্রি করেছি, এবার ছোটো ছেলেটাকে পাঁচ হাজার টাকায় বন্ধক রেখে আসলাম। ওকে ছাড়াতে না পারলে বাঁচব না।’ সে মুহূর্তে ডা. রবি কান্নান-এর চোখও অশ্রুসিঃ হয়। অত্যন্ত আবেগতাড়িত হয়ে তিনি রোগীটির ছেলেকে মুক্ত করার টাকা, তার এবং তার মতো আরও অনেক মানুষের সমস্ত চিকিৎসা ব্যয় নিজে বহনের সিদ্ধান্ত নিলেন। সেদিন তিনি বুঝেছেন চিকিৎসা শুধু শরীরের নয়, এটা সমাজেরও একটি দায়িত্ব। এখন পর্যন্ত তিনি ৭,০০০ দরিদ্র ক্যানসার রোগীর বিনা পারিশ্রমিকে অস্ত্রোপচার করছেন। ক. কোনটি স্রষ্টার উপভোগ্য? খ. বৃক্ষের দিকে তাকালে জীবনের তাৎপর্য উপলব্ধি সহজ হয় কেন? বুঝিয়ে লেখো। গ. সৃজনশীল মানুষের প্রাপ্তি ও দানে পার্থক্য দেখা যায় না-বিষয়টি উদ্দীপকে কীভাবে প্রতিফলিত হয়েছে ব্যাখ্যা করো। ঘ. উদ্দীপকের ডা. রবি কান্নান ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধের মূলকথা পরিপূর্ণভাবে ধারণ করেছেন। কীভাবে? বিশ্লেষণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৯। [নটর ডেম কলেজ, ঢাকা] কেউ ছালটা ছাড়িয়ে নিয়ে সিদ্ধ করছে। পাতাগুলো ছিঁড়ে শিলে পিষছে কেউ। কচি ডালগুলো ভেঙে চিবোয় কত লোক… দাঁত ভালো থাকে। কবিরাজরা প্রশংসায় পঞ্চমুখ। কাটে না কিন্তু যত্নও করে না। হঠাৎ একদিন একটা নতুন ধরনের লোক এলো। মুগ্ধদৃষ্টিতে চেয়ে রইল নিমগাছের দিকে। ছাল তুলল না, পাতা ছিঁড়ল না, ডাল ভাঙল না, মুগ্ধদৃষ্টিতে চেয়ে রইল শুধু। ক. ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধটি কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে? খ. “সাধনার ব্যাপারে প্রাপ্তি একটা বড়ো জিনিস।”- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের নিমগাছটি ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধের সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো। ঘ. “জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধের সারবক্তব্য উদ্দীপকের মূলবক্তব্যের থেকে আরও গভীর ও বিস্তৃত।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১০। [মাইলস্টোন কলেজ, ঢাকা] হাজী মুহাম্মদ মহসিন একজন দানশীল ব্যক্তি ছিলেন। বাংলার সাধারণ মানুষদের মঙ্গল ও কল্যাণ সাধনের জন্য নিজের সমস্ত সম্পত্তি মানবকল্যাণের জন্য ব্যয় করেছেন। দানশীলতার জন্য লোকে তাকে দানবীর বলে। তৎকালীন বাংলার বিখ্যাত সমাজসেবক ছিলেন তিনি। জনহিতকর নানা কাজে জীবন সমর্পণ করেছিলেন তিনি। ক. ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধটি কোন গ্রন্থের অন্তর্গত? খ. আমাদের বারবার বৃক্ষের দিকে তাকানো প্রয়োজন কেন?-বুঝিয়ে লেখো। গ. উদ্দীপকে বর্ণিত বিষয়টি ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধের কোন দিকটির প্রতিনিধিত্ব করে?- আলোচনা করো। ঘ. “উদ্দীপকের মূলভাব ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধের ত্যাগের মহিমাকেই প্রকাশ করেছে।” উক্তিটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১১। [সরকারি সিটি কলেজ, চট্টগ্রাম] ‘তাল সোনাপুরের তালেব মাস্টার চল্লিশ বছর ধরে নামমাত্র বেতনে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত। ক্লান্তিহীনভাবে জ্ঞানের প্রদীপ জ্বেলে গেছেন; তাঁর ছাত্রদের অনেকেই আজ প্রতিষ্ঠিত, দেশবিখ্যাত। কিস্ তালেব মাস্টারের নিজের ঘর অন্ধকার। অর্থাভাবে তাঁর পুত্রের শিক্ষা মাঝপথেই থেমে যায়, দারিদ্র্যের কষাঘাতে মেয়েটি করে আত্মহত্যা। ক. তপোবনপ্রেমিক কে? খ. “বৃক্ষের দিকে তাকালে জীবনের তাৎপর্য উপলব্ধি সহজ হয়।”- ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের তালেব মাস্টারের জ্ঞান বিতরণের সাথে ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধে বর্ণিত বৃক্ষের কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ? আলোচনা করো। ঘ. “যা তার প্রাপ্তি তা-ই তার দান” এ কথাটি বৃক্ষের ক্ষেত্রে যতটা প্রযোজ্য উদ্দীপকের তালেব মাস্টারের ক্ষেত্রে ততটা নয়।-বিশ্লেষণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১২। [ভোলা সরকারি কলেজ] মৃত্তিকার কঠিন আবরণ ভেদ করে বৃক্ষের জন্ম। বৃক্ষ শুধু মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকে না, বরং নিজের মধ্যে ধারণ করে ফুল-ফল। প্রকৃতিতে সৃষ্টি করে সবুজের সমারোহ। বন্ধ্যা মৃত্তিকাকে করে তোলে উর্বর ও ফসলের উপযোগী। এ ছাড়া পরিবেশ থেকে ক্ষতিকর কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে, বিনিময়ে জীবনধারণের উপাদান অক্সিজেন দেয়। ক. রবীন্দ্রনাথ নদীকে কীসের প্রতীক বলেছেন? খ. বৃক্ষের পরিবর্তনের ছবি কেন চোখে পড়ে? গ. উদ্দীপকটি ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধের সাথে কীভাবে সম্পৃক্ত? ব্যাখ্যা করো। ঘ. “উদ্দীপকটি ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধের খণ্ডিত চিত্র, পূর্ণ রূপও রয়েছে।”- ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধ এবং উদ্দীপকের আলোকে আলোচনা করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১৩। আপনাকে বিলাইয়া দীন দুঃখীদের মাঝে, বিদূরিলে পথ দুঃখ সকালে বিকালে সাঁঝে। তবেই পাইবে সুখ আত্মার ভিতরে তুমি, যা রোপিবে-তাই পাবে, সংসার যে কর্মভূমি। ক. নীরব ভাষায় বৃক্ষ আমাদের কী শোনায়? খ. ‘মানুষের বৃদ্ধি কেবল দৈহিক নয়, আত্মিকও।’- ব্যাখ্যা করো। গ. ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধের কোন দিকটি বিশেষভাবে উদ্দীপকে ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো। ঘ. উদ্দীপকটি ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধের সমগ্র ভাবকে ধারণ করে কি? বিশ্লেষণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১৪। “পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি এ জীবন মন সকলি দাও। তার মতো সুখ কোথাও কি আছে? আপনার কথা ভুলিয়া যাও।” ক. গোপন ও নীরব সাধনা কোথায় অভিব্যক্ত? খ. ‘অনুভূতির চক্ষু’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে? গ. উদ্দীপকের সঙ্গে ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধের যে সাদৃশ্য রয়েছে, তা ব্যাখ্যা করো। ঘ. “উদ্দীপকটি ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধের খন্ডাংশের রূপায়ণ মাত্র।”- উক্তিটি মূল্যায়ন করো। |
নিচে জীবন ও বৃক্ষ সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর পিডিএফ ফাইল দেওয়া হল।
Answer Kothai?
pdf এ দেখুন