প্রত্যাবর্তনের লজ্জা কবিতার মূলভাব, ব্যাখ্যা ও বহুনির্বাচনী প্রশ্ন উত্তর

“প্রত্যাবর্তনের লজ্জা” কবিতাটি আল মাহমুদের ‘সোনালী কাবিন’ কাব্যগ্রন্থের কবিতা। এখানে কবি শহরের দিকে যাওয়ার প্রচেষ্টার মাধ্যমে এক ধরনের অস্থিরতা ও হতাশার মধ্যে ভোগেন, তবে তার পরবর্তী প্রত্যাবর্তন এবং মায়ের কাছে ফিরে আসা তাকে এক ধরনের শান্তি ও তৃপ্তি দেয়। এই পোস্টে প্রত্যাবর্তনের লজ্জা কবিতার মূলভাব, ব্যাখ্যা ও বহুনির্বাচনী প্রশ্ন উত্তর লিখে দিলাম।

প্রত্যাবর্তনের লজ্জা কবিতার মূলভাব

আল মাহমুদের “প্রত্যাবর্তনের লজ্জা” কবিতায় কবি শেষ ট্রেন ধরতে ব্যর্থ হয়ে এক গভীর লজ্জা ও হতাশায় ভোগেন। তিনি যখন দৌড়ে স্টেশনে পৌঁছান, তখন ট্রেনটি নীল সংকেত দেখিয়ে চলে যাচ্ছিল এবং জানালা দিয়ে তাঁর বন্ধুরা উদ্বিগ্ন চোখে তাকিয়ে তাঁকে সান্ত্বনা দিচ্ছিল। এই ব্যর্থতা তাঁকে তাঁর বাবা-মায়ের সতর্কবাণী স্মরণ করিয়ে দেয়। বাবা বলেছিলেন সময় নষ্ট করলে ট্রেন মিস হবে, মা বলেছিলেন বই নিয়েই থাকতে। তিনি নিজের অদূরদর্শিতার জন্য লজ্জিত বোধ করেন, বিশেষত যখন তাঁর ভাইবোনরা যেমন জাহানারা, ফরহাদ বা লাইলী। যারা কখনো ট্রেন ফেল করে না, তাদের কথা মনে পড়ে। একা, কুয়াশাচ্ছন্ন সেই স্টেশনে দাঁড়িয়ে তিনি সাত মাইল হেঁটে বাড়ি ফেরার পথে পড়েন। ফেরার পথে প্রকৃতির সৌন্দর্য শিশির, লাল সূর্য, পরিচিত নদী, বকের ঝাঁক সবই তাঁকে আরও বেশি করে তাঁর ব্যর্থতা ও লজ্জার কথা মনে করিয়ে দেয়। বাড়ি পৌঁছে বাবাকে কোরআন তিলাওয়াত করতে দেখে মনে হয় যেন বাবার নিরব তিরস্কার পাচ্ছেন। কিন্তু মা বাসি বাসন হাতে তাঁকে দেখে খুশি হয়ে হাসেন, বলেন তাঁর ফিরে আসায় ঘর আবার প্রাণ পেয়েছে। মায়ের এই অকৃত্রিম স্নেহ ও গ্রহণযোগ্যতায় কবি তাঁর সব লজ্জা ও ব্যর্থতা ভুলে যান এবং মাকে জড়িয়ে ধরে আবার নতুনভাবে শুরু করার সাহস পান।

প্রত্যাবর্তনের লজ্জা কবিতার ব্যাখ্যা

শেষ ট্রেন ধরবো বলে এক রকম ছুটতে ছুটতে স্টেশনে পৌঁছে দেখি
নীলবর্ণ আলোর সংকেত।

ব্যাখ্যা: কবি শেষ ট্রেন ধরার জন্য দৌড়ে স্টেশনে পৌঁছালেন, কিন্তু দেখলেন নীল রঙের সংকেত জ্বলছে। রেলে নীল সংকেত মানে ট্রেন ছাড়ার সময় হয়েছে। কবি ট্রেন ধরতে পারেননি।


হতাশার মতোন হঠাৎ
দারুণ হুইসেল দিয়ে গাড়ি ছেড়ে দিয়েছে।

ব্যাখ্যা: হতাশার মতো করেই ট্রেনটি হুইসেল বাজিয়ে চলে গেল। কবির হতাশা ও নিরাশাকে যেন ট্রেনটিও উপলব্ধি করছে এবং হুইসেলের মাধ্যমে প্রকাশ করছে। ট্রেনের প্রস্থান কবির ব্যর্থতাকে আরও স্পষ্ট করে।


যাদের সাথে শহরে যাবার কথা ছিল তাদের উৎকণ্ঠিত মুখ
জানালায় উবুড় হয়ে আমাকে দেখছে। হাত নেড়েসান্ত্বনা দিচ্ছে।

ব্যাখ্যা: ট্রেনে থাকা বন্ধু বা সহযাত্রীরা কবির জন্য দুশ্চিন্তা করছে, কারণ তিনি তাদের সাথে উঠতে পারেননি। তারা হাত নেড়ে তাকে সান্ত্বনা দিচ্ছে, যা কবির জন্য লজ্জা ও দুঃখের কারণ।


আসার সময় আব্বা তাড়া দিয়েছিলেন, গোছাতে গোছাতেই
তোর সময় বয়ে যাবে, তুই আবার গাড়ি পাবি।

ব্যাখ্যা: বাবার কথাগুলো এখন কবির মনে পড়ছে। বাবা আগেই সতর্ক করেছিলেন, কিন্তু কবি সময়মতো প্রস্তুত হতে পারেননি। এটি কবির অদূরদর্শিতার প্রকাশ।


আম্মা বলছিলেন, আজ রাত না হয় বই নিয়েই বসে থাক
কত রাত তো অমনি থাকিস।

ব্যাখ্যা: মা বলেছিলেন, “আজ রাত না হয় বই নিয়ে বসে থাক, কত রাত তো অমনি কাটিয়েছিস।” মায়ের কথা থেকে বোঝা যায়, কবি পড়াশোনা বা লেখালেখিতে মগ্ন থাকেন, অনেক রাত জেগে কাটান। মা চাচ্ছিলেন কবি পড়ালেখা করুক, কিন্তু কবি ট্রেন ধরতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন।


আমার ঘুম পেলো। এক নিঃস্বপ্ন নিদ্রায় আমি
নিহত হয়ে থাকলাম।

ব্যাখ্যা: কবির ঘুম পেল। স্বপ্নহীন ঘুমে তিনি নিহত হয়ে রইলেন। হতাশা ও ব্যর্থতার ভার কবিকে ঘুমিয়ে পড়তে বাধ্য করেছে। “নিহত” শব্দটি দিয়ে কবি তাঁর মানসিক মৃত্যু বা অসাড়তা বোঝাতে চেয়েছেন। তিনি স্বপ্নহীন, নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছেন।


অথচ জাহানারা কোনদিন ট্রেন ফেল করে না। ফরহাদ
আধ ঘণ্টা আগেই স্টেশনে পৌঁছে যায়। লাইলী
মালপত্র তুলে দিয়ে আগেই চাকরকে টিকিট কিনতে পাঠায়। নাহার
কোথাও যাওয়ার কথা থাকলে আনন্দে ভাত পর্যন্ত খেতে পারে না।

ব্যাখ্যা: কিন্তু জাহানারা কখনো ট্রেন ফেল করে না। ফরহাদ আধ ঘণ্টা আগেই স্টেশনে পৌঁছে যায়। লাইলী আগেই মালপত্র তুলে দেয় এবং চাকরকে টিকিট কিনতে পাঠায়। নাহার কোথাও যাওয়ার কথা হলে আনন্দে ভাত পর্যন্ত খেতে পারে না। কবি তাঁর ভাইবোন বা পরিচিতদের উদাহরণ দিচ্ছেন, যারা সময়ানুবর্তী ও সংগঠিত। তাদের সাথে নিজের তুলনা করে কবি আরও লজ্জিত বোধ করছেন।


আর আমি এদের ভাই
সাত মাইল হেঁটে শেষ রাতের গাড়ি হারিয়ে
এক অখ্যাত স্টেশনে কুয়াশায় কাঁপছি।

ব্যাখ্যা: কবি নিজেকে অক্ষম ও হতভাগ্য ভাবছেন। তিনি সাত মাইল হেঁটেও ট্রেন ধরতে পারেননি এবং এখন একাকী, কুয়াশাচ্ছন্ন স্টেশনে দাঁড়িয়ে আছেন।


কুয়াশার শাদা পর্দা দোলাতে দোলাতে আবার আমি ঘরে ফিরবো।
শিশিরে আমার পাজামা ভিজে যাবে। চোখের পাতায়
শীতের বিন্দুজমতে জমতে নির্লজ্জের মতোন হঠাৎ
লাল সূর্য উঠে আসবে।

ব্যাখ্যা: কবি এখন বাড়ি ফিরছেন। কুয়াশা, শিশির, শীতের সকালের চিত্র এঁকেছেন। “নির্লজ্জের মতো” সূর্য উঠে আসার মাধ্যমে প্রকৃতি যেন কবির লজ্জা ও ব্যর্থতা উপেক্ষা করে চলেছে।


পরাজিতের মতো আমার মুখের উপর রোদ
নামলে, সামনে দেখবো পরিচিত নদী। ছড়ানো ছিটানো
ঘরবাড়ি, গ্রাম। জলার দিকে বকের ঝাঁক উড়ে যাচ্ছে। তারপর
দারুণ ভয়ের মতো ভেসে উঠবে আমাদের আটচালা।
কলার ছোট বাগান।

ব্যাখ্যা: কবির বাড়ি ফেরার পথে পরিচিত দৃশ্যগুলো তাঁর চোখের সামনে ভেসে উঠছে। কিন্তু “দারুণ ভয়ের মতো” কথাটি দিয়ে তিনি বাড়ি ফেরার লজ্জা ও ভয় প্রকাশ করেছেন।


দীর্ঘ পাতাগুলো না না করে কাঁপছে। বৈঠকখানা থেকে আব্বা
একবার আমাকে দেখে নিয়ে মুখ নিচু করে পড়তে থাকবেন,
ফাবি আইয়ে আলা ই-রাব্বিকুমা তুকাজ্বিবান…।

ব্যাখ্যা: বাড়ি ফিরে কবি কলাগাছের পাতার শব্দ শুনতে পাবেন, যা যেন “না না” করে তাঁর ব্যর্থতাকে প্রত্যাখ্যান করছে। বাবা তাকে দেখে কোনো কথা না বলে কুরআন তিলাওয়াত করবেন, যা তাঁর নিরব তিরস্কার।


বাসি বাসন হাতে আম্মা আমাকে দেখে হেসে ফেলবেন।
ভালোই হলো তোর ফিরে আসা। তুই না থাকলে
ঘরবাড়ি একেবারে কেমন শূন্য হয়ে যায়। হাত মুখ
ধুয়ে আয়। নাস্তা পাঠাই।

ব্যাখ্যা: মায়ের স্নেহ ও গ্রহণযোগ্যতা কবির জন্য সান্ত্বনা। মা তাঁর ফিরে আসায় খুশি, কারণ কবি না থাকলে ঘর খালি খালি লাগে। মায়ের এই ভালোবাসাই কবির লজ্জা ঘোচাতে পারে।


আর আমি মাকে জড়িয়ে ধরে আমার প্রত্যাবর্তনের লজ্জাকে
তুলে ফেলবো ঘষে ঘয়ে।

ব্যাখ্যা: কবি মায়ের স্নেহের মাধ্যমে তাঁর ব্যর্থতা ও লজ্জা দূর করতে চান। মায়ের কোলে লুকিয়ে তিনি আবারও শক্তি ও আশা পাবেন।


প্রত্যাবর্তনের লজ্জা বহুনির্বাচনি প্রশ্ন (MCQ)

১। আল মাহমুদ কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?
(ক) ঢাকা
(খ) চট্টগ্রাম
(গ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
(ঘ) খুলনা
উত্তর: (গ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া


২। আল মাহমুদের প্রকৃত নাম কী?
(ক) মির আবদুস শুকুর আল মাহমুদ
(খ) আব্দুর রব মির
(গ) রওশন আরা মির
(ঘ) আল মাহমুদ
উত্তর: (ক) মির আবদুস শুকুর আল মাহমুদ


৩। আল মাহমুদ কোথায় মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত পড়াশোনা করেন?
(ক) ঢাকা
(খ) চট্টগ্রাম
(গ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া
(ঘ) খুলনা
উত্তর: (গ) ব্রাহ্মণবাড়িয়া


৪। আল মাহমুদ কোন দুটি পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
(ক) দৈনিক বাংলা এবং দৈনিক কণ্ঠ
(খ) দৈনিক গণকণ্ঠ এবং দৈনিক কর্ণফুলী
(গ) দৈনিক যুগান্তর এবং দৈনিক সমকাল
(ঘ) দৈনিক বাংলাদেশ এবং দৈনিক আনন্দবাজার
উত্তর: (খ) দৈনিক গণকণ্ঠ এবং দৈনিক কর্ণফুলী


৫। আল মাহমুদ কোথায় চাকরি করেছিলেন?
(ক) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি
(খ) বাংলাদেশ সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়
(গ) বাংলাদেশ ব্যাংক
(ঘ) জাতীয় জাদুঘর
উত্তর: (ক) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি


৬। আল মাহমুদের প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থের নাম কী?
(ক) সোনালী কাবিন
(খ) কালের কলস
(গ) লোক-লোকান্তর
(ঘ) সবগুলি
উত্তর: (ঘ) সবগুলি


৭। আল মাহমুদ ‘সোনালী কাবিন’ কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে কোন ধরনের কবিতা রচনা করেন?
(ক) শহরজীবন সম্পর্কিত কবিতা
(খ) গ্রামীণ জীবন সম্পর্কিত কবিতা
(গ) আধুনিক কবিতা
(ঘ) প্রেমকাব্য
উত্তর: (খ) গ্রামীণ জীবন সম্পর্কিত কবিতা


৮। আল মাহমুদ কোন পুরস্কার লাভ করেন?
(ক) বাংলা একাডেমি পুরস্কার
(খ) একুশে পদক
(গ) সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার
(ঘ) সবগুলো
উত্তর: (ঘ) সবগুলো


৯। আল মাহমুদ কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?
(ক) ২০১৫
(খ) ২০১৭
(গ) ২০১9
(ঘ) ২০২০
উত্তর: (গ) ২০১৯


১০। আল মাহমুদ কিসের জন্য বিশেষভাবে পরিচিত ছিলেন?
(ক) শহরজীবনের যন্ত্রণা
(খ) গ্রামীণ জীবনের প্রশান্তি
(গ) রাজনৈতিক কবিতা
(ঘ) সামাজিক প্রতিবাদ
উত্তর: (খ) গ্রামীণ জীবনের প্রশান্তি

১১। “প্রত্যাবর্তনের লজ্জা” কবিতাটি কোন কবির লেখা?
(ক) সেলিনা হোসেন
(খ) আল মাহমুদ
(গ) সুমী পারভীন
(ঘ) শামসুর রাহমান
উত্তর: (খ) আল মাহমুদ


২। কবি কোন কারণে রেলস্টেশনে পৌঁছে ট্রেন মিস করেন?
(ক) তিনি খুব দেরি করে পৌঁছান
(খ) ট্রেন ছেড়ে চলে যায়
(গ) তিনি ভুল স্টেশনে পৌঁছান
(ঘ) ট্রেনটির যাত্রা বাতিল হয়ে যায়
উত্তর: (খ) ট্রেন ছেড়ে চলে যায়


৩। কবির সঙ্গে যারা শহরে যাওয়ার কথা ছিল, তারা কোথা থেকে তাকে সান্ত্বনা জানায়?
(ক) ট্রেনের জানালা থেকে
(খ) রেলস্টেশন থেকে
(গ) বাড়ি থেকে
(ঘ) শহরের পথে
উত্তর: (ক) ট্রেনের জানালা থেকে


৪। কবি তার বাবা-মায়ের কোন উপদেশ মনে করেন?
(ক) দেরি করো না, সময় বয়ে যাবে
(খ) চেষ্টা করলেই সব কিছু পাবো
(গ) যত দেরি করো, সব ঠিক হয়ে যাবে
(ঘ) সবার কথা শুনে চলা উচিত
উত্তর: (ক) দেরি করো না, সময় বয়ে যাবে


৫। কবি ট্রেন মিস করার পর কোথায় ফিরে আসেন?
(ক) শহরে
(খ) গ্রামে
(গ) নদীর কাছে
(ঘ) ঘরে
উত্তর: (খ) গ্রামে


৬। কবি কোথায় ট্রেন মিস করার পর কুয়াশায় কাঁপছেন?
(ক) আকাশে
(খ) শহরের সড়কে
(গ) নদীর পাশে
(ঘ) অখ্যাত স্টেশনে
উত্তর: (ঘ) অখ্যাত স্টেশনে


৭। কবি ট্রেন মিস করার পর কী অনুভূতি হয়?
(ক) আনন্দ
(খ) হতাশা
(গ) দুঃখ
(ঘ) গর্ব
উত্তর: (খ) হতাশা


৮। কবি যখন বাড়ি ফিরে আসেন, তখন কী ধরনের দৃশ্য তার চোখে পড়ে?
(ক) শহরের ব্যস্ততা
(খ) পরিচিত নদী, গ্রাম, এবং আটচালা ঘর
(গ) নতুন বাড়ি এবং ফুলের বাগান
(ঘ) ঝড় এবং বৃষ্টি
উত্তর: (খ) পরিচিত নদী, গ্রাম, এবং আটচালা ঘর


৯। কবির বাড়িতে ফিরে আসা কে খুশি করে?
(ক) আব্বা
(খ) আম্মা
(গ) ভাইবোনেরা
(ঘ) শহরের মানুষ
উত্তর: (খ) আম্মা


২০। কবি মাকে জড়িয়ে ধরে কী অনুভব করেন?
(ক) আনন্দ
(খ) পরাজয়ের লজ্জা
(গ) গর্ব
(ঘ) অভিমান
উত্তর: (খ) পরাজয়ের লজ্জা


২১। কবি কোন অবস্থায় ঘরে ফিরে আসেন?
(ক) বৃষ্টি পড়ে
(খ) সূর্য ওঠে
(গ) তুষার পড়ে
(ঘ) রাতের অন্ধকারে
উত্তর: (খ) সূর্য ওঠে


২২। কবি কুয়াশায় কাঁপতে কাঁপতে কোন অনুভূতির মুখোমুখি হন?
(ক) আস্থা
(খ) স্নেহ
(গ) পরাজয়
(ঘ) আনন্দ
উত্তর: (গ) পরাজয়


২৩। “প্রত্যাবর্তনের লজ্জা” কবিতায় কোন প্রতীকী উপাদানটি প্রকৃতির প্রতিমূর্তি হিসেবে কাজ করে?
(ক) নদী
(খ) সূর্য
(গ) আটচালা
(ঘ) মাটি
উত্তর: (ক) নদী


২৪। কবি বাড়ি ফিরে এসে কোন ধর্মীয় বাক্য মনে করেন?
(ক) আলহামদুলিল্লাহ
(খ) ফাবি আইয়ে আলা ই-রাব্বিকুমা তুকাজ্বিবান
(গ) আসসালামু আলাইকুম
(ঘ) আল্লাহু আকবর
উত্তর: (খ) ফাবি আইয়ে আলা ই-রাব্বিকুমা তুকাজ্বিবান


২৫। কবি কবিতায় কোন সময়ে ঘুমিয়ে পড়েন?
(ক) শীতে
(খ) গরমে
(গ) রাতের অন্ধকারে
(ঘ) সূর্যের আলোয়
উত্তর: (গ) রাতের অন্ধকারে


২৬। “নীলবর্ণ আলোর সংকেত” মানে কী?
(ক) ট্রেন ছেড়ে দেবার সংকেত
(খ) বাস চলার সংকেত
(গ) গাড়ি আসার সংকেত
(ঘ) সূর্যাস্তের সংকেত
উত্তর: (ক) ট্রেন ছেড়ে দেবার সংকেত


২৭। “হতাশার মতোন….ছেড়ে দিয়েছে” এই অভিব্যক্তি কী বোঝায়?
(ক) গাড়ি ধরতে না পারার হতাশা
(খ) গাড়ি ভালোভাবে চলার আনন্দ
(গ) নতুন পথে চলার আশাবাদ
(ঘ) গাড়ি বন্ধ হওয়ার কারণে ব্যাথা
উত্তর: (ক) গাড়ি ধরতে না পারার হতাশা


২৮। “নিঃস্বপ্ন নিদ্রায়….থাকলাম” অর্থ কী?
(ক) ঘুমানোর পর স্বপ্ন দেখা
(খ) নিদ্রাহীন অবস্থায় থাকা
(গ) স্বপ্নহীন নিদ্রায় আচ্ছন্ন থাকা
(ঘ) ঘুমিয়ে পড়ার আগের অনুভূতি
উত্তর: (গ) স্বপ্নহীন নিদ্রায় আচ্ছন্ন থাকা


২৯। “ফাবি আইয়ে……তুকাজ্জিবান” কথাটি কোন ভাষার উদাহরণ?
(ক) আরবি
(খ) ইংরেজি
(গ) ফারসি
(ঘ) হিন্দি
উত্তর: (ক) আরবি


৩০। “বাসি বাসন” মানে কী?
(ক) পরিষ্কার থালা
(খ) অপরিষ্কার থালা
(গ) নতুন থালা
(ঘ) ব্যবহৃত থালা
উত্তর: (খ) অপরিষ্কার থালা


৩১। কবি ট্রেন মিস করার পর কোন ধরনের পরিস্থিতি অনুভব করেন?
(ক) উত্তেজনা
(খ) বিরক্তি
(গ) হতাশা ও পরাজয়
(ঘ) আনন্দ
উত্তর: (গ) হতাশা ও পরাজয়


৩২। কবি কেন তার প্রত্যাবর্তনের লজ্জা মুছে ফেলেন?
(ক) মায়ের আশ্রয়ে
(খ) শহরে ফিরে
(গ) ভাইবোনের পাশে
(ঘ) নদীতে স্নান করে
উত্তর: (ক) মায়ের আশ্রয়ে


৩৩। কবির কাছে শহরের জীবন কেমন মনে হয়?
(ক) সুস্থ
(খ) সহজ
(গ) জটিল
(ঘ) শান্ত
উত্তর: (গ) জটিল


৩৪। কবি ট্রেন মিস করার পর নিজেকে কেমন অনুভব করেন?
(ক) শক্তিশালী
(খ) পরাজিত
(গ) খুশি
(ঘ) সাহসী
উত্তর: (খ) পরাজিত


৩৫। কবি নিজের পরাজয়ের অনুভূতি কোথায় মুছে ফেলেন?
(ক) নদীতে
(খ) শহরে
(গ) মায়ের কাছে
(ঘ) ঘর থেকে
উত্তর: (গ) মায়ের কাছে

আরও পড়ুনঃ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ কবিতার মূলভাব ও ব্যাখ্যা সহজ ভাষায়

Related Posts

Leave a Comment