মরু ভাস্কর সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর – ৭ম শ্রেণির বাংলা ১ম

“মরু-ভাস্কর” প্রবন্ধটি হবীবুল্লাহ্ বাহার রচিত একটি জীবনীমূলক ও আদর্শনির্ভর প্রবন্ধ, যা মহানবী হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর জীবন ও শিক্ষার মাধ্যমে মানবতার জন্য তিনি কীভাবে একটি আদর্শ ও পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা রেখে গেছেন। এই পোস্টে মরু ভাস্কর সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর – ৭ম শ্রেণির বাংলা ১ম লিখে দিলাম।

মরু ভাস্কর সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর

সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন]
১। হজরত মুহাম্মদ (স.) সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ মানুষ। কিন্তু শ্রেষ্ঠত্বের কোনো অহমিকা তাঁর ছিল না। মানুষের প্রতি তাঁর ভালোবাসা ছিল অফুরন্ত। সকলের প্রতি তাঁর আচরণ ছিল হাসিমাখা। ছোটো শিশুদের তিনি খুব বেশি স্নেহ করতেন। তাঁর বালক-বন্ধুর সাথে দেখা হলে তিনি বন্ধুর বুলবুলি পাখির খবর নিতেও ভুলে যেতেন না।

ক. মানবতার গৌরব কাকে বলা হয়?

খ. শহিদের রক্তের চেয়ে জ্ঞানসাধকের কলমের কালিকে অধিক গুরুত্বপূর্ণ বলার কারণটি ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকে হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর যে গুণটি ফুটে উঠেছে তা ‘মরু-ভাস্কর’ প্রবন্ধের আলোকে বর্ণনা করো।

ঘ. “উদ্দীপকটিতে হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর গুণাবলির আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে।”-বক্তব্যটির যৌক্তিকতা ‘মরু-ভাস্কর’ প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

উত্তরঃ

ক. মানবতার গৌরব হজরত মুহাম্মদ (স.)-কে বলা হয়। 

খ. “জ্ঞানসাধকের দোয়াতের কালি শহিদের লহুর চাইতেও পবিত্র।” বলার কারণ জ্ঞান হলো আলো যা সমাজকে অন্ধকার ও কুসংস্কার থেকে মুক্ত করে।

শহিদের রক্ত জাতিকে মুক্তির পথ দেখালেও জ্ঞানী মানুষের কলমের কালি সেই আদর্শ ও শিক্ষা চিরন্তনভাবে লিপিবদ্ধ করে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে পথ দেখায় এবং সমাজকে টেকসই ভিত্তিতে গড়ে তোলে। জ্ঞান মানুষের চিন্তা ও বিবেককে জাগ্রত করে। তাই হজরত মুহাম্মদ (স.) বলেছেন, “জ্ঞানসাধকের দোয়াতের কালি শহিদের লহুর চাইতেও পবিত্র।”

গ. উদ্দীপকে হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর চরিত্রের যে গুণটি বিশেষভাবে ফুটে উঠেছে, তা হলো অসাধারণ বিনয়, সাধারণ মানুষের প্রতি গভীর স্নেহ ও অতি কোমল ব্যবহার।

‘মরু-ভাস্কর’ প্রবন্ধে এই গুণটিকে বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। তিনি কখনো নিজের শ্রেষ্ঠত্বের অহংকার করেননি; বরং সবাইকে সমান স্নেহ ও সম্মানের চোখে দেখতেন। শিশুদের সঙ্গে তিনি শিশুর মতোই আচরণ করতেন এবং বন্ধুদের ব্যক্তিগত বিষয়েও আগ্রহ নিতেন। যেমন বন্ধুর বুলবুলি পাখির খবর নেওয়া।

প্রবন্ধে আরও বলা হয়েছে, তাঁর ঘরের কাজের লোক আনাস (রা.) দশ বছর তাঁর সেবা করেও কখনো তাঁর মুখ থেকে একটি রূঢ় কথা শোনেননি। তিনি শত্রুর প্রতি প্রতিশোধ নেওয়ার বদলে ক্ষমা করার পথ বেছে নিতেন। তাঁর এই সদয় আচরণের কারণে সবাই তাকে অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে ভালোবাসত এবং সম্মান করত।

ঘ. “উদ্দীপকটিতে হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর গুণাবলির আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে।”-বক্তব্যটির যৌক্তিক।

উদ্দীপকে হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ব্যক্তিজীবনের কোমলতা, বিনয় ও মানবিকতার কয়েকটি দিক ফুটে উঠলেও, তাঁর চরিত্র ও কর্মের পূর্ণতা ‘মরু ভাস্কর’ প্রবন্ধে বিস্তৃতভাবে বর্ণিত হয়েছে। উদ্দীপকে তাঁর স্নেহশীলতা ও সাধারণ মানুষের সাথে হাসিমুখে মেশার দিকটি দেখানো হয়েছে। কিন্তু প্রবন্ধ অনুযায়ী, তাঁর চরিত্রে এই কোমলতার পাশাপাশি সত্য ও ন্যায়ের জন্য অটল ও বজ্রকঠোর দিকটিও ছিল।

প্রবন্ধে তাঁর সামাজিক ও নৈতিক সংস্কারকের ভূমিকা বিশদভাবে উঠে এসেছে। তিনি দাসপ্রথার অবসান চেয়েছেন, নারীর মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করেছেন এবং জাহেলিয়াতের কুসংস্কারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন। এসব গুরুত্বপূর্ণ সামগ্রিক দিক উদ্দীপকে অনুপস্থিত।

তিনি শুধু ব্যক্তিগত সদাচারই নন, ছিলেন একজন রাষ্ট্রনায়ক, সমরনীতিজ্ঞ ও আইনপ্রণেতা। মদিনায় তাঁর প্রতিষ্ঠিত শাসনব্যবস্থা ন্যায়ভিত্তিক সমাজ গঠনের অনুপম দৃষ্টান্ত। এজন্যই বলা যায় যে উদ্দীপকে তাঁর গুণাবলির আংশিক প্রতিফলন ঘটেছে।


সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন]
আবির সাহেব যে কোনো বয়সী নারীকে অত্যন্ত সম্মান করেন। কিন্তু তার স্ত্রী আমিনা বেগম তার ছেলে আকাশকে মেয়ের থেকে বেশি গুরুত্ব দেন। বলেন- আকাশ তোমার বংশের প্রদীপ। সে শিক্ষিত হলে সংসারের হাল ধরতে পারবে। আবির সাহেব তাকে বোঝান- জ্ঞান অর্জন সবার জন্য সমান গুরুত্বপূর্ণ। আজকাল নারীরাও সবক্ষেত্রে সমান তালে এগিয়ে চলেছে। ইসলামের শিক্ষা হলো- মানুষে মানুষে বৈষম্য করা উচিত না।

ক. হাদিস কী?

খ. হজরত মুহাম্মদ (স.) কে মরু-ভাস্কর বলা হয়েছে কেন?

গ. উদ্দীপকের কোন চরিত্রের সাথে ‘মরু-ভাস্কর’ প্রবন্ধের বৈসাদৃশ্য আছে তা ব্যাখ্যা করো।

ঘ. উদ্দীপকের আবির সাহেবের মধ্যে হজরত মুহাম্মদ (স.) এর গুণাবলির সামগ্রিক প্রতিফলন ঘটেনি-‘মরু-ভাস্কর’ প্রবন্ধের আলোকে মূল্যায়ন করো।

উত্তরঃ

ক. হাদিস হলো হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর কথা, কাজ, মৌন সম্মতি বা গুণাবলির বর্ণনা।

খ. ‘মরু-ভাস্কর’ শব্দের অর্থ মরুভূমির সূর্য। যেভাবে সূর্য অন্ধকার দূর করে আলো ছড়ায়, তেমনি হজরত মুহাম্মদ (স.) আরবের অজ্ঞানতা ও কুসংস্কারের অন্ধকার দূর করে জ্ঞান, ন্যায় ও মানবতার আলো বিকিরণ করেন। তাঁর আবির্ভাবে মরুভূমির মতো সংস্কৃতিগত ও নৈতিক অবক্ষয় সমাজ নতুন জীবন লাভ করে, তাই হজরত মুহাম্মদ (স.) কে মরু-ভাস্কর বলা হয়েছে।

গ. উদ্দীপকের আমিনা বেগম-এর চরিত্রের সাথে ‘মরু-ভাস্কর’ প্রবন্ধে বর্ণিত হজরত মুহাম্মদ (স.)-এর শিক্ষার বৈসাদৃশ্য (বিরোধ) রয়েছে। আমিনা বেগম মনে করেন, ছেলে মেয়ের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং ছেলেই পরিবারের “বংশের প্রদীপ”। এটি একটি লিঙ্গ বৈষম্যমূলক দৃষ্টিভঙ্গি।

অন্যদিকে, ‘মরু-ভাস্কর’ প্রবন্ধে হজরত মুহাম্মদ (স.) নারীর মর্যাদা উন্নয়ন ও সাম্যের শিক্ষা দিয়েছেন। তিনি নারীকে অধীনস্থ না দেখে সমমর্যাদাসম্পন্ন মানুষ হিসেবে গণ্য করেন, কন্যা ফাতেমা (রা.)-কে আদর্শ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন এবং বলেন: “বেহেশত মায়ের পায়ের নিচে।” অর্থাৎ, তাঁর দর্শনে নারী-পুরুষের মূল্য জ্ঞানে ও নৈতিকতায় নির্ধারিত, লিঙ্গে নয়। তাই আমিনা বেগমের বৈষম্যমূলক মনোভাব হজরত (স.)-এর শিক্ষার বিপরীত।

ঘ. উদ্দীপকের আবির সাহেব নারীকে সম্মান দেন এবং জ্ঞান অর্জনে নারী-পুরুষের সমতার পক্ষে থাকলেও, তাঁর মধ্যে হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর গুণাবলির সম্পূর্ণ প্রতিফলন ঘটেনি।

‘মরু-ভাস্কর’ প্রবন্ধ অনুসারে, রাসূল (সা.) ছিলেন সাম্য, ন্যায় ও মানবতার পূর্ণাঙ্গ মহানায়ক। যিনি শুধু লিঙ্গ সমতাই নয়, দাসপ্রথা উচ্ছেদ, গোত্রীয় বিভেদ দূরীকরণ, কুসংস্কার বিরোধিতা এবং জ্ঞানবিজ্ঞানের প্রসারে যুগান্তকারী ভূমিকা রেখেছিলেন। তিনি কঠোরতায় অটল ও কোমলতায় কুসুমের মতো ছিলেন; রাষ্ট্রনায়ক, সমাজসংস্কারক ও নৈতিক আদর্শ হিসেবে এক অসাধারণ ব্যক্তিত্বের অধিকারী ছিলেন।

আবির সাহেবের অবস্থান মূলত পারিবারিক ও ব্যক্তিক স্তরে সীমিত, যেখানে হজরত (সা.)-এর প্রভাব ছিল সামগ্রিক ও বিশ্বব্যাপী। তাই আবির সাহেব রাসূল (সা.)-এর একটি বিশেষ গুণ ধারণ করলেও, তাঁর গুণাবলির সামগ্রিক প্রতিফলন ঘটেনি


সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩।
ইতিহাসবিদ ড. আহমেদ একটি বক্তৃতায় বলেন, “যখন আরব সমাজ নারীকে সম্পত্তি হিসেবে গণ্য করত, কন্যাশিশুকে জীবন্ত পুঁতে ফেলত, তখন একজন মহামানব ঘোষণা করলেন, ‘বেহেশত মায়ের পায়ের নিচে’। তিনি কন্যাসন্তানকে লজ্জার বোঝা নয়, আল্লাহর দান হিসেবে ঘোষণা দিলেন। তিনি নারীর উত্তরাধিকার, বিবাহ ও শিক্ষার অধিকার প্রতিষ্ঠা করে নারীর মর্যাদাকে সমাজের কেন্দ্রবিন্দুতে নিয়ে আসেন।”

ক. ‘কষ্টিপাথর’ শব্দের অর্থ কী?

খ. “হজরত ঘোষণা করেছেন: ‘বেহেশত মায়ের পায়ের নিচে'”— এই বাণীর মাধ্যমে হজরত কী বুঝাতে চেয়েছেন?

গ. উদ্দীপকে ইতিহাসবিদের বক্তব্যের সাথে ‘মরু-ভাস্কর’ প্রবন্ধের হজরতের কোন সামাজিক সংস্কারের মিল রয়েছে?

ঘ. “উদ্দীপকে আলোচিত নারীমুক্তির দর্শন ‘মরু-ভাস্কর’ প্রবন্ধে বর্ণিত হজরতের জীবনদর্শনের একটি অংশমাত্র”— উক্তিটির যথার্থতা যাচাই কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪।
দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচির এক অনুষ্ঠানে বক্তা বলেন, “আমাদের আদর্শ হওয়া উচিত সেই মহান মানুষটি, যিনি রাষ্ট্রনায়ক হয়েও একজন সাধারণ মানুষের মতো অনাড়ম্বর জীবনযাপন করেছেন। তাঁর ঘরে মূল্যবান আসবাবপত্রের বদলে ছিল মাত্র একটি খেজুর পাতার বিছানা ও পানির সুরাহি। এই মিতব্যয়িতা ও সাম্যবাদী জীবনাচরণই তাঁকে চিরস্মরণীয় করে রেখেছে।”

ক. ‘সুরাহি’ কী?

খ. “৬৩ বছরের ক্ষুদ্র পরিসর জীবনে হজরতকে কেমন পরিবর্তনের সম্মুখীন হতে হয়েছে”

গ. উদ্দীপকের বক্তার উক্তিটি ‘মরু-ভাস্কর’ প্রবন্ধে বর্ণিত হজরতের কোন গুণের প্রতি ইঙ্গিত করে?

ঘ. “উদ্দীপকে উল্লিখিত গুণটি হজরতের চরিত্রের একটি দিক মাত্র, তাঁর সমগ্র ব্যক্তিত্ব এর চেয়ে বহু গুণে সমৃদ্ধ”— প্রবন্ধের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫।
একটি আন্তঃধর্মীয় সংলাপে পাদ্রি মার্টিন বলেন, “যখন পৃথিবীর বিভিন্ন ধর্মীয় নেতারা অসহিষ্ণুতা দেখিয়েছেন, তখন মহানবী মুহাম্মদ (স.) ইহুদি ও খ্রিস্টানদের প্রতি অসাধারণ সহিষ্ণুতা ও সম্মান দেখিয়েছেন। মদিনায় তিনি একটি চুক্তির মাধ্যমে সকল ধর্মের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘যে কোনো অমুসলিম নাগরিকের প্রতি অন্যায় করা স্বয়ং আল্লাহর কাছে অন্যায়।'”

ক. ‘অভিসম্পাত’ শব্দের অর্থ কী?

খ. “তিনি বলেছেন, ‘এদের জ্ঞান দাও প্রভু – এদের ক্ষমা করো।'”— হজরত কেন বলেছিলেন?

গ. উদ্দীপকে পাদ্রি মার্টিনের বক্তব্যের সাথে ‘মরু-ভাস্কর’ প্রবন্ধে বর্ণিত হজরতের কোন আচরণের সাদৃশ্য রয়েছে?

ঘ. “ধর্মীয় সহিষ্ণুতা ও মানবাধিকার রক্ষায় হজরতের ভূমিকা ছিল যুগান্তকারী”— উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটি মূল্যায়ন কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬।
একজন শিক্ষাবিদ ছাত্রদের উদ্দেশ্যে বলেন, “তোমাদের আদর্শ হওয়া উচিত সেই মহাপুরুষ, যিনি জ্ঞানার্জনের প্রতি এতটাই গুরুত্ব দিয়েছিলেন যে তিনি বলেছেন, ‘জ্ঞান অর্জন করা প্রত্যেক মুসলমান নর-নারীর উপর ফরজ’। তিনি আরও বলেছেন, ‘জ্ঞানীর কলমের কালি শহীদের রক্তের চেয়েও পবিত্র’। তাঁর এই নির্দেশনা মুসলিম সভ্যতাকে জ্ঞানের শিখরে পৌঁছে দিয়েছিল।”

ক. ‘লহু’ শব্দের অর্থ কী?

খ. “জ্ঞানসাধকের দোয়াতের কালি শহিদের লহুর চাইতেও পবিত্র”— হজরতের এই উক্তির তাৎপর্য ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকের শিক্ষাবিদের বক্তব্য ‘মরু-ভাস্কর’ প্রবন্ধে হজরতের কোন শিক্ষার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ?

ঘ. “হজরতের জ্ঞানচর্চার নির্দেশনা কেবল ধর্মীয় জ্ঞানেই সীমাবদ্ধ ছিল না, তা ছিল সর্বজনীন”— প্রবন্ধ ও উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭।
একটি টেলিভিশন টক শোতে সমাজকর্মী নুসরাত জাহান বলেন, “আমাদের সমাজে এখনো দাসপ্রথার মতো জঘন্য প্রথা বিদ্যমান। কিন্তু ইতিহাস সাক্ষী, এক মহামানব দাসদের মুক্তির জন্য নিরলস সংগ্রাম করেছিলেন। তিনি নিজে দাসদের মুক্ত করেছেন, সাহাবীদের উৎসাহিত করেছেন দাসমুক্তি করতে। তিনি ঘোষণা করেছিলেন, ‘তোমরা সবাই আদমের সন্তান, আর আদম মাটি থেকে সৃষ্ট।'”

ক. ‘হাবশি গোলাম’ কাকে বলা হয়েছে?

খ. হজরত কীভাবে সাম্য প্রতিষ্ঠা করেছিলেন?

গ. উদ্দীপকে নুসরাত জাহানের বক্তব্য ‘মরু-ভাস্কর’ প্রবন্ধে বর্ণিত হজরতের কোন সংস্কারকর্মের দিকে নির্দেশ করে?

ঘ. “হজরতের সাম্যবাদী দৃষ্টিভঙ্গি শুধু বাণীতে সীমাবদ্ধ ছিল না, বাস্তব জীবনে তার প্রতিফলন ঘটিয়েছিলেন”— উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে যুক্তি দাও।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮।
বিজ্ঞানী ড. ইয়াসমিন একটি সেমিনারে বলেন, “মধ্যযুগে যখন লোকেরা গ্রহ-নক্ষত্রকে দৈব শক্তির আধার ভাবত, তখন একজন মহান ব্যক্তি স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন, ‘চন্দ্র ও সূর্য আল্লাহর নিদর্শনমাত্র, কারো মৃত্যু বা জন্মের সাথে এদের গ্রহণের কোনো সম্পর্ক নেই।’ এই বক্তব্য প্রমাণ করে তিনি কুসংস্কারের বিরুদ্ধে বিজ্ঞানমনস্ক দৃষ্টিভঙ্গির অধিকারী ছিলেন।”

ক. ‘অকুতোভয়’ শব্দের অর্থ লেখ।

খ. হজরত মুহাম্মদ (স.) কেন সূর্যগ্রহণের সাথে তার পুত্রের মৃত্যুকে সম্পর্কিত করার প্রচেষ্টার প্রতিবাদ করেছিলেন?

গ. উদ্দীপকে ড. ইয়াসমিনের বক্তব্যের সাথে ‘মরু-ভাস্কর’ প্রবন্ধে হজরতের কোন ঘটনার মিল খুঁজে পাওয়া যায়?

ঘ. “হজরতের জীবনাদর্শে বিজ্ঞানমনস্কতা ও যুক্তিবাদিতার স্থান ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ”— উদ্দীপক ও প্রবন্ধের আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।

নিচে মরু ভাস্কর সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর পিডিএফ ফাইল দেওয়া হল।

মরু ভাস্কর সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর পিডিএফ

আরও পড়ুনঃ মরু ভাস্কর প্রবন্ধের MCQ | বহুনির্বাচনি প্রশ্ন উত্তর

Related Posts

Leave a Comment