মাসি পিসি গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর – একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণি

‘মাসি–পিসি’ গল্পে আহ্লাদির দাম্পত্য জীবনের করুণ চিত্র ফুটে উঠেছে। তার স্বামী জগু নিয়মিত তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করত। এই নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে আহ্লাদি বাধ্য হয়ে নিজের মাসি ও পিসির বাড়িতে আশ্রয় নেয়। এই পোস্টে মাসি পিসি গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লিখে দিলাম।

মাসি পিসি গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর

সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন]
ষাটোর্ধ্ব বিধবা ফাতেমা বেগম। নিঃসন্তান এ বৃদ্ধার আপন বলতে কেউ নেই। একদিন সকালে হাঁটতে বেরিয়ে হঠাৎ তিনি একটি মেয়েকে রাস্তায় কাঁদতে দেখেন। বৃত্তান্ত শুনে তিনি মেয়েটিকে বাড়িতে নিয়ে আসেন এবং স্বামীর অত্যাচারে অতিষ্ঠ মেয়েটিকে মাতৃস্নেহে আশ্রয় দেন। স্বামীপক্ষ খবর পেয়ে তাকে নিয়ে যেতে চান। মেয়েটি কোনোভাবেই যেতে ইচ্ছুক নয়। বৃদ্ধাও মেয়েটিকে যেতে দেননি। এতে তাঁকে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়। মৃত্যুর পূর্বে বৃদ্ধা মেয়েটিকে সমুদয় সম্পত্তি দান করে যান।

ক. ‘ছেলের মুখ দেখে পাষাণ নরম হয়।’- উক্তিটি কার?

খ. ‘যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে মাসি-পিসি।’- উক্তিটি দ্বারা কী বোঝানো হয়েছে?

গ. উদ্দীপকের মেয়েটি ‘মাসি-পিসি’ গল্পের আহ্লাদির সাথে কীভাবে সঙ্গতিপূর্ণ তা ব্যাখ্যা কর।

ঘ. ‘মাসি-পিসি’ গল্পের মাসি-পিসি ও উদ্দীপকের বৃদ্ধা একসূত্রে গাঁথা- মন্তব্যটি যথার্থতা যাচাই কর।

উত্তরঃ

ক. ‘ছেলের মুখ দেখলে পাষাণ নরম হয়’- উক্তিটি পিসির।

খ. প্রশ্নোক্ত উক্তিটিতে সম্ভাব্য আক্রমণ থেকে রক্ষা পেতে মাসি-পিসির নানা রকম প্রস্তুতির দিকটি প্রকাশ পেয়েছে।

‘মাসি-পিসি’ গল্পে দেখা যায়, রাতে দুশ্চরিত্র ও লোভী প্রতিবেশী গোকুল আহ্লাদি তুলে নেওয়ার জন্য কয়েকজন গুন্ডা-বদমাশ পাঠায়। কিন্তু মাসি-পিসি দা ও বঁটি হাতে নিয়ে প্রতিবেশীদের সাহায্যে সাহসের সঙ্গে তাদের তাড়িয়ে দেয়। তবুও তারা মনে করে, ওই দুষ্কৃতকারীরা আবার রাতে আক্রমণ করতে পারে। তাই সম্ভাব্য বিপদের কথা ভেবে মাসি-পিসি আগে থেকেই নিজেদের নিরাপত্তার জন্য প্রস্তুত থাকে। এই পরিস্থিতি বোঝানোর জন্যই গল্পকার আলোচ্য উক্তিটি ব্যবহার করেছেন।

গ. স্বামীর অত্যাচার ও জীবনের রূঢ় বাস্তবতার দিক থেকে উদ্দীপকের মেয়েটি ‘মাসি-পিসি’ গল্পের আহ্লাদির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।

‘মাসি-পিসি’ গল্পে দেখা যায়, আহ্লাদির স্বামী জগু তাকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করে। এই অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে আহ্লাদি নিজের মাসি-পিসির কাছে আশ্রয় নেয়। জগু নানা কৌশলে আহ্লাদিকে আবার বাড়িতে নিয়ে যেতে চায়। কিন্তু আহ্লাদির নিরাপত্তার কথা ভেবে মাসি-পিসি তাকে স্বামীর বাড়িতে পাঠাতে রাজি হন না।

উদ্দীপকে দেখা যায়, এক মেয়ে স্বামীর নির্যাতনে অতিষ্ঠ হয়ে স্বামীর বাড়ি ছেড়ে রাস্তায় এসে দাঁড়ায়। তখন বিধবা ফাতেমা বেগম মায়ের মতো স্নেহ করে তাকে আশ্রয় দেন। এ খবর পেয়ে মেয়েটির স্বামীপক্ষ তাকে ফিরিয়ে নিতে চাপ দিতে থাকে। কিন্তু মেয়েটি কোনোভাবেই স্বামীর বাড়িতে যেতে চায় না। তার নিরাপত্তার কথা ভেবে ফাতেমা বেগমও তাকে সেখানে যেতে দিতে রাজি হন না। অর্থাৎ, স্বামীর নির্যাতন ও কঠিন জীবনবাস্তবতার দিক থেকে উদ্দীপকের মেয়েটির অবস্থা আলোচ্য গল্পের আহ্লাদির অবস্থার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ।

ঘ. ‘মাসি-পিসি’ গল্পে জীবনসংগ্রামে নারীর সাহসী ভূমিকার দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে বলে উদ্দীপকের বৃদ্ধা ও গল্পের মাসি-পিসি পুরোপুরি এক সুরে গাঁথা নয়।

মাসি ও পিসির কঠিন জীবনসংগ্রাম ‘মাসি-পিসি’ গল্পের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তারা সারাক্ষণ নিজের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য লড়াই করে। নারী হয়েও তারা বেঁচে থাকার সংগ্রামে সাহসী ও অপরাজেয়। সমাজের নানা অন্যায় ও বিপদের মাঝেও তারা আহ্লাদিকে রক্ষা করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ থাকে।

উদ্দীপকে দেখা যায়, নিঃসন্তান বৃদ্ধা ফাতেমা বেগম আর্থিকভাবে ভালো অবস্থায় আছেন। একদিন সকালে হাঁটতে বেরিয়ে তিনি স্বামীর নির্যাতনের শিকার এক মেয়েকে দেখতে পান। মায়ের মতো স্নেহ করে তিনি মেয়েটিকে নিজের ঘরে আশ্রয় দেন। অসহায় মেয়েটির প্রতি ফাতেমা বেগম যে ভালোবাসা ও মমতা দেখিয়েছেন, তা ‘মাসি-পিসি’ গল্পে আহ্লাদির প্রতি মাসি-পিসির স্নেহের সঙ্গে মিল রয়েছে।

‘মাসি-পিসি’ গল্পে আহ্লাদি মা-বাবার ভালোবাসা থেকে বঞ্চিত এবং স্বামীর নির্যাতনে জর্জরিত একজন অসহায় নারী। তার জীবনে মাসি-পিসিই একমাত্র আপন মানুষ। তারা তাকে সন্তানের মতো ভালোবাসে এবং তার নিরাপত্তার জন্য সবসময় চিন্তিত থাকে। উদ্দীপকের ফাতেমা বেগমের মধ্যেও এই দায়িত্ববোধ ও মানবিকতার গুণ দেখা যায়। তবে ‘মাসি-পিসি’ গল্পে প্রতিকূল সামাজিক পরিবেশে দুই বিধবা নারীর টিকে থাকার যে কঠোর সংগ্রামের চিত্র ফুটে উঠেছে, উদ্দীপকে সেই দিকটি প্রকাশ পায়নি।


সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [যশোর বোর্ড ২০২৫]
এতিম ডলি বড় হয়েছে মামা-মামির কাছে। ডলির মামাও দরিদ্র মানুষ। বড় হওয়ার পর ডলির বিয়ে হয়। মামা বিয়ের সময়ের যৌতুকের দাবি মেটাতে পারে না। ফলে তার ওপর চলে নিষ্ঠুর নির্যাতন। নির্যাতন সইতে না পেরে ডলি একদিন নির্যাতক স্বামীর সংসার ফেলে আবার মামার বাড়িতে আশ্রয় নেয়।

ক. বুড়ো রহমানের মেয়ে কোথায় মারা গেছে?

খ. “যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে মাসি-পিসি।”- কেন?

গ. উদ্দীপকের ডলির সঙ্গে ‘মাসি-পিসি’ গল্পের কার সাদৃশ্য রয়েছে? কেন?

ঘ. “উদ্দীপকে ‘মাসি-পিসি’ গল্পের সম্পূর্ণ বিষয় ফুটে ওঠেনি।”-মন্তব্যটির পক্ষে অথবা বিপক্ষে তোমার যুক্তি পেশ কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩। [চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৫]
পিতৃহীন রাশেদার স্বামীর সংসারে মোটেই সুখ নেই। অর্থের জন্য শ্বশুর-শাশুড়ি তাকে মানসিক নির্যাতন করে। গর্ভবতী হওয়া সত্ত্বেও নেশাখোর স্বামী তার গায়ে হাত তোলে। স্বামীর নির্মম অত্যাচারে প্রায়ই সে অজ্ঞান হয়ে যায়। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে একসময় রাশেদার প্রতিবাদী নারীসত্তা জেগে ওঠে। নির্দয় স্বামীর কাছে নতি স্বীকার না করে আইনের আশ্রয়ে স্বামী ও শ্বশুর-শাশুড়িকে জেলে পাঠায়।

ক. বাজারের তোলা নিয়ে মাসি-পিসির কার সঙ্গে ঝগড়া হয়?

খ. “হাতে দুটো পয়সা এলে তোমারও স্বভাব বিগড়ে যায় কৈলেশ।”- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।

গ. উদ্দীপকের রাশেদার স্বামীর সাথে ‘মাসি-পিসি’ গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে? বর্ণনা কর।

ঘ. উদ্দীপকের সামাজিক সংকট ‘মাসি-পিসি’ গল্পের সমাজ বাস্তবতার অনুরূপ।”- মন্তব্যটির সত্যতা নিরূপণ কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪। [সিলেট বোর্ড ২০২৫]
চারিদিকে যখন আকালের ভয়াবহতা তখন জয়গুন তার সন্তানদের নিয়ে বেঁচে থাকার লড়াই শুরু করে। সন্তানদের কথা ভেবে সমস্ত সংকোচ ও লোকলজ্জা পেছনে ফেলে কাজ খুঁজতে থাকে জয়গুন। গ্রামে কোনো কাজ না পেয়ে সে শহরে একটি খাবার হোটেলে কাজ নেয়। দিন-রাত পরিশ্রম করে যা পায়, তা দিয়ে সে সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ চালায়। সন্তানদের উচ্চশিক্ষা ও নিরাপদ জীবনে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। কাজ শেষে অনেক রাতে সে বাড়িতে ফেরে। নানা লোকের নানা কথা, তাদের হাসি-তামাশা, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য আর অপমান কিছুই তাকে তার সংকল্প থেকে সরাতে পারেনি।

ক. ‘সালতি’ কী?

খ. “মরণ ঠেকাতেই ফুরিয়ে আসছে তাদের জীবনীশক্তি”- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকের জয়গুনের উপার্জনের পথ ও ‘মাসি-পিসি’ গল্পের মাসি-পিসির উপার্জনের পথ ভিন্নতর কেন? আলোচনা কর।

ঘ. “উদ্দীপকের জয়গুনের সংগ্রামী জীবনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সন্তান আর মাসি-পিসির জীবন-সংগ্রামের কেন্দ্রবিন্দু হলো আহ্লাদি।”- উক্তিটি মূল্যায়ন কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫। [বরিশাল বোর্ড ২০২৫]
সানজিদা অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় তার বাবা-মা ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে লোকান্তরিত হন। অসহায় সানজিদা এবং তার ছোটো ভাই সাজ্জাদ তাদের ছোট চাচা সালামের কাছে আশ্রয় নেয়। কিন্তু তাদেরকে প্রতিপালন করার সামর্থ্য তার নেই। তাদের চাচা অপারগ হয়ে ছয় মাসের মধ্যে প্রতিবেশী এক গরিব ও নিরক্ষর ছেলের সাথে সানজিদাকে বিয়ে দেয়। সেখানে শ্বশুরবাড়ির সবাই সানজিদার ওপর অমানুষিক অত্যাচার-নির্যাতন করে। তারা সানজিদার জীবনকে বিভীষিকাময় করে তোলে। একটু স্বস্তির আশায় সানজিদা তার স্বামীকে তালাক দেয়। নেমে যায় জীবনসংগ্রামে। সে নিজের বাড়িতে থেকে টিউশনি করে নিজের ও ছোট ভাইয়ের পড়ালেখা চালিয়ে যায়।
বর্তমানে সে বিচারক এবং তার ছোট ভাই ডাক্তার।

ক. সালতি কী?

খ. “যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি হয়ে থাকে মাসি-পিসি”-সপ্রসঙ্গ ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকের সানজিদা এবং ‘মাসি-পিসি’ গল্পের আহ্লাদির মধ্যকার সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য তুলে ধর।

ঘ. “সানজিদার জীবনচেতনা ‘মাসি-পিসি’ গল্পের আহ্লাদির চেয়ে আধুনিক”- মন্তব্যটির যথার্থতা নির্ণয় কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬। [ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫]
গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি জহির মাতব্বর দরিদ্র ঘরের মেয়ে স্কুলপড়ুয়া রহিমাকে জোরপূর্বক পুত্রবধূ বানাতে চায়। এমনকি তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি দেয়। এই পরিস্থিতিতে রহিমার বান্ধবীরা পাশে এসে দাঁড়ায়। বান্ধীবরা বিষয়টি স্থানীয় সাংবাদিক ও গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জানায়। এতে দমে যায় মাতব্বর। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় রক্ষা পায় রহিমা।

ক. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?

খ. “বুড়ো বহমান ছলছল চোখে তাকায় আহ্লাদির দিকে।”- ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকের রহিমার সঙ্গে ‘মাসি-পিসি’ গল্পের আহ্লাদির অবস্থার তুলনা কর।

ঘ. “সামাজিক সচেতনতা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টার দ্বারাই নারীর প্রতি সহিংসতা রোধ করা সম্ভব।”- উদ্দীপক ও ‘মাসি-পিসি’ গল্পের আলোকে মন্তব্যটি বিচার কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭। [ঢাকা বোর্ড ২০২৪]
পিতৃহীন রাশেদার স্বামীর সংসারে মোটেই সুখ নেই। অর্থের জন শ্বশুর-শাশুড়ি-তাকে মানসিক নির্যাতন করে। গর্ভবতী হওয়া সত্ত্বেও নেশাখোর স্বামী তার গায়ে হাত তোলে। স্বামীর নির্মম অত্যাচারে প্রায়ই সে অজ্ঞান হয়ে যায়। নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে একসময় রাশেদার প্রতিবাদী নারীসত্তা জেগে ওঠে। নির্দয় স্বামীর কাছে নতি স্বীকার না করে আইনের আশ্রয় নিয়ে স্বামী-শাশুড়িকে জেলে পাঠায়।

ক. বাজারের তোলা নিয়ে মাসি-পিসির সঙ্গে কার ঝগড়া হয়?

খ. “ফের আসুক, আদরে রাখব যদ্দিন থাকে।”- ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকের রাশেদার স্বামীর সাথে ‘মাসি-পিসি’ গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে? আলোচনা কর।

ঘ. “নারীর প্রতি সহিংসতা নির্মূলে সামাজিক সচেতনতার বিকর নেই।”- উদ্দীপক ও ‘মাসি-পিসি’ গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮। [ম. বো. ২০২৩]
সালমার বাবা হঠাৎ মারা যাওয়ায় তার মা অসহায় হয়ে পড়ে। একদিকে অর্থকষ্ট, অন্যদিকে ষোলো বছর বয়সি সালমার সামাজিক নিরাপত্তা, সব মিলিয়ে সালমার মা দিশাহারা হয়ে পড়ে। এই অবস্থায় সালমার বিধবা খালা তাদের বাড়িতে এসে সালমার দেখাশোনার ভার নেয়। সালমার মা-খালা অন্যের বাড়িতে ঝিয়ের কাজ করে নিজেদের খাওয়া-পরা চালায়। এভাবেই তারা জীবনের সঙ্গে লড়াই করে টিকে থাকার চেষ্টা করে।

ক. ‘ছেলের মুখ দেখে পাষাণ নরম হয়।’- উক্তিটি কার?

খ. আহ্লাদিকে দেখে বুড়ো রহমানের চোখ ছল-ছল করে ওঠে কেন?

গ. উদ্দীপকের উপার্জনের পথ ‘মাসি-পিসি’ গল্পে মাসি-পিসির উপার্জনের পথ থেকে ভিন্নতর কেন?

ঘ. “উদ্দীপকের নারীর যে সংগ্রামী চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, তা যেন ‘মাসি-পিসি গল্পের মূলভাবকে ইঙ্গিত করে।”- মূল্যায়ন করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৯। [রা. বো. ২০২৩]
সীমা শৈশবে মা-বাবাকে হারিয়ে চাচার আশ্রয়ে ছিল। সেখানে থাকাকালীন তার বাল্যবিবাহ হয়। স্বামীর ঘরে অত্যাচার-নির্যাতন, পরে তালাক। চাচার তেমন সহযোগিতা না পেলেও দমেনি সীমা। টিউশনি করে লেখাপড়া চালিয়ে যায় সে। সীমা এখন মেডিকেল কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী।

ক. ‘মাসি-পিসি’ গল্পটির লেখক কে?

খ. আহ্লাদি স্বামীর বাড়ি যেতে চায় না কেন?

গ. উদ্দীপকের চাচা ও ‘মাসি-পিসি’ গল্পের মাসি-পিসি চরিত্রের তুলনামূলক আলোচনা করো।

ঘ. “উদ্দীপকের সীমা এবং ‘মাসি-পিসি’ গল্পের আহ্লাদি উভয়েই নির্যাতিত নারী সমাজের প্রতিনিধি।”- বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১০।
রাজু, মীনা আর টিয়াপাখি মিঠু- এদের নিয়ে মীনার বাবা-মায়ের সুখের সংসার। তৎকালীন সমাজ মেয়েদের অল্প বয়সেই বিয়ে হত; মীনারও তা-ই হলো। মীনার নেশাগ্রস্ত স্বামী মিন্টু নেশাগ্রস্ত হয়ে মীনাকে অকথ্য নির্যাতন করে। নির্যাতন অসহনীয় হলে মীনা বাবার বাড়ি ফিরে আসে। তার বাবা-মা পরম মমতায় মীনাকে আগলে রাখে। গ্রামের অনেকেই মীনাকে স্বামীর বাড়ি পাঠিয়ে দিতে পরামর্শ দেয়, কিন্তু মীনার বাবা-মা কোনো কিছুকে পরোয়া না করে মেয়েকে পূর্ণ সহযোগিতা প্রদান করেন। বাবা-মায়ের পূর্ণ সহযোগিতায় মীনা ভবিষ্যতে বহুদূর এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে।

ক. ‘মাসি-পিসি’ গল্পে উল্লিখিত চৌকিদারের নাম কী?

খ. ‘যুদ্ধের আয়োজন করে তৈরি থাকে মাসি-পিসি।’- ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকের মীনার সঙ্গে ‘মাসি-পিসি’ গল্পের আহ্লাদির সাদৃশ্যের দিকটি চিহ্নিত করো।

ঘ. “উদ্দীপকের মীনার বাবা-মা আর ‘মাসি-পিসি’ গল্পের মাসি-পিসি যেন একসূত্রে গাঁথা।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১১।
ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত হয় গার্মেন্টস কর্মী দম্পতি আয়েশা ও কামাল। তাদের একমাত্র মেয়ে রেহানা অনাথ হয়ে আশ্রয় নেয় বৃদ্ধ দাদা-দাদির সংসারে। গরিব দাদা-দাদি তাদের সাধ্যমতো চেষ্টা করে তাকে বিয়ে দেয় পাশের গ্রামের হারুনের সঙ্গে। কিন্তু সুখের মুখ দেখা হলো না রেহানার। হারুনের কাছে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয় সে। সহ্য করতে না পেরে আবার ফিরে আসে দাদা-দাদির কাছে। দাদা-দাদি এতে ভীষণ কষ্ট পায়, তবু পরম যত্নে আগলে রাখে অসহায় রেহানাকে।

ক. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিতৃপ্রদত্ত নাম কী?

খ. ‘মোরা নয় মরব’- পিসির এ উক্তি কীসের ইঙ্গিত বহনকারী? ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকের হারুন ‘মাসি-পিসি’ গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করেছে? আলোচনা করো।

ঘ. উদ্দীপকের মূলভাবের সঙ্গে ‘মাসি-পিসি’ গল্পের মূলভাব কতটুকু সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১২।
কারও লড়াই বাঁচার জন্য। কারও আবার বাঁচাটাই লড়াই করবার জন্য। এভাবেই জীবনের একটা বড়ো অংশ কাটিয়ে দিয়েছেন মেদিনীপুর শহরের দিপালী দে এবং ফুলেশ্বরী মন্ডল। পরিবারের অন্নসংস্থানের জন্য এই দুই নারী বেছে নিয়েছেন এমন পথ। সচরাচর মহিলাদের যে পথে হাঁটতে দেখা যায় না। সাইকেলে চড়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে খবরের কাগজ বিক্রি করেন তারা। ভোর থেকে দুপুর। এক পাড়া থেকে অন্য পাড়া। টানা ৩০ বছর।

ক. আহ্লাদির নিজেকে কেমন লাগে?

খ. ‘দুজনের হয়ে গেল এক মনপ্রাণ।’- কাদের সম্পর্কে এ কথাটি বলা হয়েছে এবং কেন?

গ. উদ্দীপকের দিপালী এবং ফুলেশ্বরী ‘মাসি-পিসি’ গল্পের সঙ্গে কোন দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. ‘কারো লড়াই বাঁচার জন্য কারও আবার বাঁচাটাই লড়াই করবার জন্য।’ উক্তিটি ‘মাসি-পিসি’ গল্পের আলোকে যাচাই করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১৩।
ধূধূ জ্ব’লে ওঠ ধূমায়িত অগ্নি,
জাগো মাতা, কন্যা, বধূ, জায়া, ভগ্নী!
পতিতোদ্ধারিণী স্বর্গ-স্খলিতা
জাহ্নবী সম বেগে জাগো পদ-দলিতা,
মেঘে আনো বালা বজ্রের জ্বালা
চির-বিজয়িনী জাগো জয়ন্তিকা।

ক. মাসি-পিসিকে কে পাগল করে তুলেছে?

খ. জগুর বৌ নেওয়ার আগ্রহ কেন?

গ. উদ্দীপকের সঙ্গে ‘মাসি-পিসি’ গল্পের কোন বিষয়টি সাদৃশ্যপূর্ণ তা উল্লেখ করো।

ঘ. উদ্দীপক এবং ‘মাসি-পিসি’ গল্পে নারীশক্তির যে রূপ প্রকাশিত হয়েছে তা বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১৪।
মা বহু আগেই মৃত। বাবা থেকেও নেই। অসহায় রাবেয়া বেড়ে ওঠে দূরসম্পর্কের এক চাচির আশ্রয়ে। চাচি গরিব কিন্তু যথেষ্ট আন্তরিক। নিজের মেয়ের মতো রাবেয়াকে আগলে রেখেছেন। রাবেয়াকে ভালো রাখার জন্য মাঝে মাঝে তিনি অন্যের বাড়িতে কাজও করেন। কৃতজ্ঞতায় রাবেয়ার চোখে জল নেমে আসে।

ক. বাহকের মাথায় খড় চাপাতে ব্যস্ত কে?

খ. ‘তাদের দুজনেরই এখন আহ্লাদি আছে।’- কেন বলা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকে ‘মাসি-পিসি’ গল্পের কোন দিকটি ফুটে উঠেছে? আলোচনা করো।

ঘ. ‘মানবিকতা ও দায়িত্বশীলতা মানুষকে মহান করে তোলে।’-উদ্দীপক ও ‘মাসি-পিসি’ গল্পের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

নিচে মাসি পিসি গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর পিডিএফ ফাইল দেওয়া হল।

মাসি পিসি গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর পিডিএফ

Related Posts

Leave a Comment