কৃষিকাজ এবং কৃষি প্রযুক্তি একে অপরের পরিপূরক। মূলত যে প্রক্রিয়ায় কৃষি কাজ করা হয় তাই হচ্ছে কৃষি প্রযুক্তি। প্রতিটি কৃষিকাজের সাথে সুনির্দিষ্ট কৃষি প্রযুক্তির সম্পর্ক রয়েছে। এই পোস্টে নবম শ্রেণির কৃষি শিক্ষা ১ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর লিখে দিলাম।
Table of Contents
নবম শ্রেণির কৃষি শিক্ষা ১ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন] সফিক সাহেব তার বন্ধু রফিকের জমিতে উন্নত জাতের নতুন গম দেখে চাষ করার সিদ্ধান্ত নিলেন। পরবর্তী মৌসুমে চাষের জন্য তিনি তার বন্ধুর নিকট থেকে বীজ সংগ্রহ করলেন। বীজগুলোর আর্দ্রতা পরীক্ষা করার জন্য ১০০ গ্রাম বীজ নিয়ে বীজের সম্পূর্ণ আর্দ্রতা বের করে ওজন নিয়ে ৯০ গ্রাম ওজন পেলেন। এরপর অঙ্কুরোদগম ও সতেজতা পরীক্ষা করে সন্তুষ্ট চিত্তে গমের আবাদ করে কাঙ্ক্ষিত ফলন পান। ক. মাটি কাকে বলে? খ. বীজের অঙ্কুরোদগম বলতে কী বোঝায়- তা নিজের ভাষায় ব্যাখ্যা করো। গ. সফিক সাহেবের পরীক্ষিত বীজের আর্দ্রতার হার নির্ণয় করো ঘ. সফিক সাহেব এর বীজ পরীক্ষার কার্যক্রমটি মূল্যায়ন করো। |
উত্তরঃ
ক. ভূ-পৃষ্ঠের নরম স্তর যেখানে ফসল জন্মায়, বন সৃষ্টি হয়, গবাদিপশু বিচরণ করে তাকে মাটি বলে।
খ. বীজ যখন অনুকূল পরিবেশ পায়, তখন তার ভেতর থেকে নতুন চারা গাছ বের হওয়ার প্রক্রিয়াকে অঙ্কুরোদগম বলা হয়। উপযুক্ত পরিবেশ না পাওয়া পর্যন্ত বীজ সাধারণত সুপ্ত অবস্থায় থাকে। অঙ্কুরোদগম ঘটার জন্য প্রধানত পানি, উপযুক্ত তাপমাত্রা ও অক্সিজেনের প্রয়োজন হয়। একটি বীজ কতটা সফলভাবে অঙ্কুরিত হতে পারে, সেই সামর্থ্যকে বীজের অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা বলা হয়।
গ. উত্তর পিডিএফ ফাইলে দেখ।
ঘ. সফিক সাহেব গমের আবাদ করার জন্য বীজের আর্দ্রতা,, অঙ্কুরোদগম ও সতেজতা পরীক্ষা করেন।
সফিক সাহেবের বীজ যাচাই করার কাজটি তার দূরদর্শিতা ও সচেতন মনোভাবের পরিচয় দেয়। উন্নত ফলন পাওয়ার জন্য তিনি চাষের আগে বীজের মান পরীক্ষা করেন। বিশেষ করে গমের বীজে ১২–১৩% আর্দ্রতা বজায় রাখা উত্তম, কারণ অতিরিক্ত আর্দ্রতা বীজের অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা ও জীবনীশক্তি কমিয়ে দেয়। তাই উপযুক্তভাবে শুকিয়ে বীজ সংরক্ষণ করা প্রয়োজন। পরে তিনি বীজের অঙ্কুরোদগম ও সতেজতা পরীক্ষা করেন। নমুনা বীজের মধ্যে যে পরিমাণ বীজ অঙ্কুরিত হয়, সেটিই অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা হিসেবে বিবেচিত হয় এবং ভালো বীজে এটি সাধারণত ৮০% এর বেশি থাকে। অন্যদিকে প্রতিকূল পরিবেশেও বীজের গজানোর সামর্থ্যকে বীজের সতেজতা বলা হয়। এসব গুণমান ঠিক না থাকলে আশানুরূপ ফলন পাওয়া সম্ভব নয়।
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন] মিসেস সাবিহা মৎস্য অধিদপ্তরের ট্রেনিং এর মাধ্যমে প্রশিক্ষিত হয়ে নিজ পুকুরে মাছ চাষ শুরু করলেন। তিনি সম্পূরক খাদ্য প্রস্তুত করে পুকুরে যথাযথভাবে প্রয়োগ করেন এবং মাছের উৎপাদন বাড়াতে সফল হন। তার সফলতা দেখে এলাকার অন্য চাষিরা নিয়মিত সম্পূরক খাদ্য প্রয়োগের কার্যক্রম গ্রহণ করলেন। ক. সম্পূরক খাদ্য কাকে বলে? খ. মাছ চাষে প্রাকৃতিক খাদ্য যথেষ্ট নয়- এর প্রধান কারণটি ব্যাখ্যা করো। গ. মিসেস সাবিহা সফলতার কারণসমূহ ব্যাখ্যা করো। ঘ. এলাকার অন্য মাছ চাষিদের গ্রহীত কার্যক্রমের গুরুত্ব মূল্যায়ন করো। |
উত্তরঃ
ক. প্রাকৃতিক খাদ্যের পাশাপাশি মাছের দ্রুত বৃদ্ধির জন্য যে অতিরিক্ত খাদ্য দেওয়া হয় তাকে সম্পূরক খাদ্য বলে।
খ. মাছ চাষে শুধু প্রাকৃতিক খাদ্যের ওপর নির্ভর করলে কাঙ্ক্ষিত উৎপাদন পাওয়া যায় না। কারণ প্রাকৃতিক খাদ্য মাছের দ্রুত বৃদ্ধি নিশ্চিত করতে যথেষ্ট সক্ষম নয়। বর্তমানে অধিক ফলনের উদ্দেশ্যে পুকুরে বেশি সংখ্যায় পোনা মজুদ করা হয়, ফলে খাদ্যের চাহিদাও বেড়ে যায়। এ কারণে মাছকে অতিরিক্তভাবে সম্পূরক খাদ্য সরবরাহ করতে হয়। এই খাদ্যে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান সঠিক পরিমাণে থাকে, যা মাছের শারীরিক বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে এবং উৎপাদন বাড়াতে সাহায্য করে। তাই লাভজনক মাছ চাষের জন্য প্রাকৃতিক খাদ্যের পাশাপাশি সম্পূরক খাদ্য ব্যবহার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
গ. মিসেস সাবিহা মৎস্য অধিদপ্তর হতে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে পুকুরে মাছ চাষ শুরু করেন।
মাছ চাষে ভালো উৎপাদন পেতে প্রাকৃতিক খাদ্যের পাশাপাশি সম্পূরক খাদ্য ব্যবহার করা প্রয়োজন। প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে মিসেস সাবিহা উপযুক্ত খাদ্য উপাদান সংগ্রহ করে মানসম্মত সম্পূরক খাদ্য তৈরি করেন। মাছ দিনে বেশি খাবার গ্রহণ করে বলে তিনি দৈনিক খাদ্যকে দুই ভাগে ভাগ করে সকাল ও বিকালে সরবরাহ করেন। এছাড়া পুকুরের বিভিন্ন স্থানে নির্দিষ্ট সময়ে খাবার দেওয়ায় খাদ্যের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত হয়। নিয়মিত সম্পূরক খাদ্য প্রয়োগের ফলে মাছের বৃদ্ধি দ্রুত ঘটে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং মৃত্যুহার কমে যায়। এতে অল্প সময়েই সুস্থ পোনা ও বড় মাছ উৎপাদন সম্ভব হয়। এভাবেই উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে মিসেস সাবিহা সফলতা অর্জন করেন।
ঘ. মিসেস সাবিহার সফলতা দেখে এলাকার অন্য চাষিরা মাছের উৎপাদন বাড়াতে নিয়মিত সম্পূরক খাদ্য প্রয়োগের কার্যক্রম গ্রহণ করেন।
উক্ত এলাকার মাছ চাষিরা আগে সম্পূরক খাদ্যের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতন ছিলেন না। তারা মূলত পুকুরে স্বাভাবিকভাবে উৎপন্ন প্রাকৃতিক খাদ্যের ওপর নির্ভর করতেন, যার ফলে মাছের প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি দেখা দিত এবং উৎপাদনও কম হতো। পরে মিসেস সাবিহার সফলতা দেখে তারা সম্পূরক খাদ্য ব্যবহারে আগ্রহী হন। নিয়মিত এই খাদ্য প্রয়োগের মাধ্যমে বেশি সংখ্যায় পোনা ও বড় মাছ চাষ করা সম্ভব হয়। এছাড়া মাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায়, সুস্থ থাকে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পায়। মাছের গঠন ও মান ভালো হওয়ায় বাজারে এর চাহিদা ও লাভ দুটোই বাড়ে। তাই অন্যান্য মাছ চাষিদের এ উদ্যোগটি সময়োপযোগী ও অত্যন্ত কার্যকর বলা যায়।
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩। [ঢা. বো. ২০২৫] দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ক্লাসে খাদ্য সংরক্ষণের পদ্ধতি সম্পর্কে আলোচনা করছিল। পরবর্তীতে কৃষি শিক্ষক তাদেরকে খাদ্যের গুণগতমান রক্ষার বিভিন্ন দিক সম্পর্কেও জানালেন। ক. দানাদার খাদ্য কাকে বলে? খ. ভূমিক্ষয়ের ক্ষতিকর দিকসমূহ উল্লেখ করো। গ. শিক্ষক যে বিষয়ে জানালেন তা কোন কোন নিয়ামকের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়? ব্যাখ্যা করো। ঘ. শিক্ষার্থীরা ক্লাসে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করছিল তার প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪। [ম. বো. ২০২৫] চরাঞ্চলের গ্রাম নয়াডাঙ্গা। প্রতিবছর বর্ষাকালে গ্রামের ফসলি জমিগুলোর মাটি ক্ষয় হতে হতে তৈরি হয় ছোট ছোট নালা যা প্রতিবছর বড় হতে থাকে। ২০২৪ এ প্রচুর বৃষ্টিপাতের ফলে নালাগুলোর মধ্যে কিছু নালা গভীর হয়ে যায়। দু’ একটি গভীর প্রশস্ত নালার পানি যখন বেশি পরিমাণ কমতে শুরু করে তখন এসব নালার পাড় থেকে মাটি ভেঙ্গে পরতে থাকে। কমে যায় কৃষি ভূমি, রক্ষা করার উপায় খুঁজে পায় না কৃষকগণ। এ ছাড়া শুষ্ক মৌসুমে কিছু বালু ব্যবসায়ী চরের বিভিন্ন স্থান থেকে বালি মাটি ও পলিমাটি কেটে অন্যত্র বিক্রি করে দেয়। সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে উপজেলা প্রশাসন পরিদর্শনে আসলে স্থানীয় কৃষকগণ ভূমি পরিস্থিতির ব্যাখ্যা করার পর্যায়ে বলেন বালু ব্যবসায়ীদের কর্মকাণ্ড যেন, “মরার উপর খরার ঘা”। ক. কোন ধান রোপণের পূর্বে চারা তৈরি করে নিতে হয়? খ. শীতকালে পুকুরে কম খাদ্য প্রয়াগ করতে হয় কেন? গ. নয়াডাঙ্গা গ্রামের ভূমিক্ষয় কোন পর্যায়ের বৈশিষ্ট্য বহন করে তা বর্ণনা করো। ঘ. উদ্দীপকের গ্রামের কৃষকগণের উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫। [রা. বো. ২০২৫] হাসেম মিয়া ফসল উৎপাদন, মাছ চাষ, পশুপালন ইত্যাদি কার্যক্রম সফলতার সঙ্গে করে থাকেন। তিনি মাছ চাষের জন্য যথাযথভাবে পুকুর প্রস্তুত করে ৩ কেজি পোনা ছাড়েন। তিনি ছয় মাসে পুকুরে ১৫০ কেজি খাদ্য প্রয়োগ করেন এবং ছয় মাস পরে ১৪০ কেজি মাছ আহরণ করেন। এছাড়া শুষ্ক মৌসুমে তার গবাদিপশুর খাদ্যের চাহিদা পূরণের জন্য বিভিন্ন ধরনের ঘাসজাতীয় উদ্ভিদ সবুজ অবস্থায় সংরক্ষণ করেন। ক. কাফ স্টার্টার কী? খ. ভূমি কর্ষণ কীভাবে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে? গ. হাসেম মিয়ার পশুর জন্য ঘাস সংরক্ষণ পদ্ধতি ব্যাখ্যা করো। ঘ. হাসেম মিয়ার পুকুরে প্রদানকৃত খাদ্যের গুণগতমান বিশ্লেষণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬। [দি. বো. ২০২৫] সুজিত বাবু তার বাড়ির পাশে একখন্ড এঁটেল দো-আঁশ মাটিতে ধান চাষ করলেন। চাষ করতে গিয়ে তিনি সঠিক নিয়মে জমি প্রস্তুত, সার প্রয়োগ এবং সেচ দেওয়ার পরেও কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় ফলন না পাওয়ায় হতাশ হলেন এবং কৃষি কর্মকর্তার শরণাপন্ন হলেন। কৃষি কর্মকর্তা তাকে ধান চাষের মূল উপকরণ সমস্যার কথা তুলে ধরেন এবং সমাধানের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। ক. ভূমি কর্ষণ কী? খ. উফশী ধানের দুইটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো। গ. সুজিত বাবুর জমিতে ধানের ভালো ফলন না হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করো। ঘ. কৃষি কর্মকর্তার উদ্দীপকে উল্লিখিত পরামর্শটি মূল্যায়ন করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭। [কু. বো. ২০২৫] মতি একজন আদর্শ চাষী। তিনি তার নিজের ২ একর জমিতে ধান চাষের উদ্দেশ্যে ছেলেকে সাথে নিয়ে জমি প্রস্তুতির ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন। কাজ করার সময় তিনি তার ছেলেকে বললেন, “ভূমিকর্ষণ হচ্ছে জমি প্রস্তুতির প্রথম ধাপ।” ক. মাটি কী? খ. ভূমিক্ষয়ের দুটি ক্ষতিকর দিক ব্যাখ্যা করো। গ. মতি মিয়া কোন বিষয়গুলো বিবেচনা করে জমি চাষ করেন তা বর্ণনা করো। ঘ. উদ্দীপকের শেষোক্ত লাইনটির তাৎপর্য বিশ্লেষণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮। [দি. বো. ২০২৫] রহমান সাহেব তার পুকুরে মাছ চাষের জন্য ৪ কেজি কার্পজাতীয় মাছের পোনা ছাড়লেন। ৬ মাস পর তিনি তার পুকুর থেকে ৭০ কেজি মাছ আহরণ করলেন। এ ৬ মাসে তিনি তার পুকুরে ৮০ কেজি সম্পূরক খাদ্য প্রয়োগ করেছিলেন। ক. সম্পূরক খাদ্য কাকে বলে? খ. বীজের বিশুদ্ধতার হার নির্ণয় করা প্রয়োজন কেন? গ. রহমান সাহেবের পুকুরে প্রয়োগকৃত খাদ্যের FCR নির্ণয় করো। ঘ. রহমান সাহেবের পুকুরে সম্পূরক খাদ্য প্রয়োগের যৌক্তিকতা মূল্যায়ন করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৯। [চ. বো. ২০২৫] কবির সাহেব উফশী জাতের ধান চাষ করে বেশ ভালো ফলন পেয়েছেন। নিজের উৎপাদিত ধান ২ দিন রোদে শুকিয়ে বীজগুলো বস্তায় সংরক্ষণ করেন। পরবর্তী বছর চারা তৈরির উদ্দেশ্যে অঙ্কুরোদগম পরীক্ষা করে দেখেন স্বল্প সংখ্যক বীজ গজিয়েছে। এতে তিনি হতাশ হয়ে কৃষি কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করেন। কৃষি কর্মকর্তা তার ভুল ধরিয়ে দিয়ে তাকে সঠিক পদ্ধতিতে বীজ সংরক্ষণের উপায় বুঝিয়ে দেন। ক. বীজ সংরক্ষণের জন্য দানা শস্যের আর্দ্রতা শতকরা কত ভাগের নিচে রাখতে হয়? খ. বীজ বিশুদ্ধতা বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের বীজগুলো সঠিক পরিমাণে না গজানোর কারণ কী? ঘ. কৃষি কর্মকর্তা জনাব কবির সাহেবকে বীজ সংরক্ষণ সম্পর্কে যা যা বুঝিয়ে দিতে পারেন তার সপক্ষে যুক্তি দাও। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১০। [চ. বো. ২০২৫] স্বপন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে তার গবাদিপশুর জন্য ঘাসের চাষ করেন। বর্ষা মৌসুমে ব্যাপকহারে ঘাস উৎপাদিত হলেও শুষ্ক মৌসুমে ঘাসের চাহিদা মেটাতে পারেন না। তিনি তার পশুগুলোর সারাবছরের খাদ্যের যোগান দেওয়ার জন্য কাঁচা ঘাস বিভিন্ন পদ্ধতিতে সংরক্ষণের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। ক. হে তৈরির জন্য বেশি উপযোগী একটি উদ্ভিদের নাম লেখো। খ. গবাদিপশুকে দানাদার খাদ্য খাওয়ানোর প্রয়োজনীয়তা ব্যাখ্যা করো। গ. উদ্দীপকের ব্যক্তির ঘাস সংরক্ষণের যে কোনো একটি পদ্ধতির বিবরণ দাও। ঘ. উদ্দীপকের কার্যক্রমের ইতিবাচক দিকগুলো বিশ্লেষণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১১। [য. বো. ২০২৫] রফিক সাহেব চাকরি জীবন শেষ করে গ্রামে ফিরে নিজের পুকুরে মাছ চাষ করে লাভবান না হওয়ায় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কাছে গেলেন। মৎস্য কর্মকর্তা তাকে প্রাকৃতিক খাদ্যের পাশাপাশি অতিরিক্ত খাদ্য সরবরাহ করতে পরামর্শ দেন। পরবর্তীতে সে পুকুরে ৩ কেজি পোনা ছাড়লো। ৬ মাস নিয়মিতভাবে ৪৫ কেজি পরিমাণ খাদ্য প্রয়োগ করে আহরণের সময় মোট ৬০ কেজি পরিমাণ মাছ পেলেন। ক. গম চাষের জমির pH মান কত? খ. দোআঁশ মাটিতে সব ধরনের ফসল ভালো হয় কেন? গ. রফিক সাহেবের পুকুরে প্রয়োগকৃত খাদ্যের FCR এর মান নির্ণয় করো। ঘ. উদ্দীপকে মৎস্য কর্মকর্তার পরামর্শের যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো। |
| সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১২। [ব. বো. ২০২৫] ফরিদপুরের অধিবাসী জামাল তার একখণ্ড জমিতে গম চাষের উদ্যোগ নেন। তার জমিটি দোআঁশ প্রকৃতির। তিনি তার জমিটি ভালোভাবে চাষ ও মই দিয়ে প্রস্তুত করে গমের বীজ বুনেন। কিন্তু কিছুদিন পর তার ক্ষেতে পোকার আক্রমণ হলে তিনি দুশ্চিন্তায় পড়ে যান। এ ব্যাপারে স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তার পরমর্শ নিলে তিনি তাকে পোকামাকড় দমনের বিভিন্ন কলাকৌশল শিখিয়ে দেন। কর্মকর্তার পরামর্শে জামাল এখন একজন সফল গমচাষী। ক. কৃষিতাত্ত্বিক বীজ কী? খ. সব ধরনের উদ্ভিদতাত্ত্বিক বীজ কৃষিতাত্ত্বিক বীজ কিন্তু সবধরনের কৃষিতাত্ত্বিক বীজ উদ্ভিদতাত্ত্বিক বীজ নয় কেন? ব্যাখ্যা করো। গ. জামাল কীভাবে তার জমিটি প্রস্তুত করেছিলেন, পাঠ্যপুস্তকের আলোকে বর্ণনা করো। ঘ. উদ্দীপকের উল্লিখিত জামাল কীভাবে কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শে উদ্ভূত সমস্যার সমাধান করে লাভবান হয়েছিলেন? বিশ্লেষণ করো। |
নিচে ৯ম-১০ম শ্রেণির কৃষি শিক্ষা ১ম অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর পিডিএফ ফাইল দেওয়া হল।