নবম শ্রেণির কৃষি শিক্ষা ২য় অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর

ফসল ফলানোর জন্য প্রয়োজনীয় মৌলিক উপাদানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ফসল বীজ ও বংশবিস্তারক উপকরণ। এদের ব্যবহারের মধ্য দিয়ে আমরা বছরের পর বছর ফসল উৎপাদন করতে পারি। এই পোস্টে নবম শ্রেণির কৃষি শিক্ষা ২য় অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর লিখে দিলাম।

নবম শ্রেণির কৃষি শিক্ষা ২য় অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর

সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন]
আবুল কাশেম পশু পালনের জন্য চারণ ভূমি তৈরি করেছেন। বর্ষা মৌসুমে তার চারণ ভূমিতে ব্যাপক হারে ঘাস উৎপাদন হলেও শুষ্ক মৌসুমে ঘাসের চাহিদা মেটাতে পারেন না। এজন্য তার পশুগুলোর সারা বছরের প্রয়োজনীয় খাদ্যের জন্য কাঁচা ঘাসের যথোপযুক্ত সংরক্ষণের ব্যবস্থা করলেন। এরপর আবুল কাশেম তার প্রতিবেশী অনেককেই উক্ত পদ্ধতিতে গো-খাদ্য সংরক্ষণে উদ্বুদ্ধ করলেন।

ক. গো-খাদ্য কাকে বলে?

খ. দানাজাতীয় খাদ্য কীভাবে পশুর উৎপাদন বাড়ায় ব্যাখ্যা করো।

গ. আবুল কাশেমের গৃহীত পদ্ধতিটির তৈরি কৌশল ব্যাখ্যা করো।

ঘ. আবুল কাশেমের কার্যক্রমটি মূল্যায়ন করো।

উত্তরঃ

ক. গবাদিপশু যে সকল উপাদান খাদ্যরূপে গ্রহণ করে এবং পরিপাক, শোষণ ও বিপাকের মাধ্যমে দেহে শক্তি উৎপাদন করে তাকে গো-খাদ্য বলে।

খ. যে ধরনের খাদ্যে আঁশের পরিমাণ কম কিন্তু শক্তির পরিমাণ বেশি থাকে, তাকে দানাজাতীয় খাদ্য বলা হয়। দুধ ও মাংস উৎপাদনকারী গবাদিপশুকে শুধু আঁশযুক্ত খাদ্য খাওয়ালে প্রত্যাশিত উৎপাদন পাওয়া সম্ভব নয়। এজন্য তাদের খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত দানাদার খাদ্য অন্তর্ভুক্ত করা প্রয়োজন। এ ধরনের খাদ্যে শর্করা, আমিষ ও স্নেহজাতীয় উপাদান বেশি থাকে, যা পশুর শারীরিক বৃদ্ধি এবং দুধ ও মাংস উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

গ. উদ্দীপকে আবুল কাশেম কাঁচা ঘাস সাইলেজ তৈরির মাধ্যমে যথোপযুক্ত সংরক্ষণের ব্যবস্থা করেছিলেন।

ফুল আসার সময় কোমল ও রসালো সবুজ ঘাস কেটে ছোট ছোট অংশে বিভক্ত করে বায়ুরোধীভাবে সংরক্ষণ করার পদ্ধতিকে সাইলেজ বলা হয়। ভুট্টা, সরগাম, আলফা আলফা, নেপিয়ার ও পিনি ঘাস সাইলেজ তৈরির জন্য উপযোগী ঘাস হিসেবে পরিচিত। এ প্রক্রিয়ায় প্রথমে সতেজ ঘাস সংগ্রহ করে ছোট টুকরো করা হয়। এরপর সেগুলো গর্ত বা সাইলোপিটে বাতাস প্রবেশ করতে না পারে এমনভাবে সংরক্ষণ করা হয়। সংরক্ষণের সময় ঝোলাগুড় ব্যবহার করলে গুণগত মান ভালো থাকে। বর্তমানে পলিথিনের বড় ব্যাগেও সহজে সাইলেজ তৈরি ও দীর্ঘদিন ধরে পুষ্টিগুণ অক্ষুণ্ণ রেখে সংরক্ষণ করা সম্ভব। এভাবেই কাঁচা ঘাসকে সাইলেজে রূপান্তর করে দীর্ঘ সময় ব্যবহার উপযোগী রাখা যায়।

ঘ. আবুল কাশেম তার গবাদিপশুর সারাবছরের খাদ্য চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে কাঁচা ঘাস সংরক্ষণ করেন।

খরা মৌসুমে মাটিতে আর্দ্রতার ঘাটতির কারণে ঘাসের উৎপাদন কমে যায়। ফলে গবাদিপশুকে শুকনো খড়ের মতো খাদ্যের ওপর বেশি নির্ভর করতে হয়। খাদ্যের স্বল্পতার কারণে আবুল কাশেমের পশুগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে এবং দুধ ও মাংস উৎপাদনও কমে যায়। তবে তিনি বর্ষাকালে চারণভূমিতে উৎপাদিত অতিরিক্ত ঘাস সাইলেজ তৈরি করে সংরক্ষণ করেছিলেন। সাইলেজ দীর্ঘদিন পুষ্টিগুণ বজায় রাখে এবং এতে পুষ্টির অপচয় তুলনামূলক কম হয়। এর মাধ্যমে সারা বছর পশুর খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়। পাশাপাশি প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ উপাদানের চাহিদাও পূরণ হয়, ফলে পশু সুস্থ থাকে এবং উৎপাদন কমে না। এতে আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কাও হ্রাস পায়। তাই বর্ষাকালের অতিরিক্ত ঘাস সাইলেজ বা হে তৈরি করে সংরক্ষণ করা আবুল কাশেমের জন্য অত্যন্ত কার্যকর ও দূরদর্শী উদ্যোগ।

সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন]
যুবক মহিবুল্লাহ বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমী থেকে মৎস্য চাষের উপর প্রশিক্ষণ নিয়ে মাছ চাষের সিদ্ধান্ত নেন। তিনি ৫০ শতাংশের পুকুর সংস্কার করে কার্প জাতীয় মাছ চাষের জন্য প্রস্তুত করেন। প্রয়োজনীয় সার প্রয়োগের পর মাছের পোনা মজুদ করেন। মজুদ পরবর্তী সময়ে সেক্কিডিস্ক ব্যবহারের মাধ্যমে পুকুরের প্রাকৃতিক খাদ্য পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় সার প্রয়োগ করেন। বর্তমানে সফল মৎস্য চাষি হিসেবে তিনি এলাকায় পরিচিত।

ক. মাছের চাষের জন্য পুকুরের পানিতে প্রতি লিটারে কী পরিমাণ দ্রবীভূত অক্সিজেনের প্রয়োজন?

খ. চুন পানির গুণগত মান বৃদ্ধি করে ব্যাখ্যা করো।

গ. মহিবুল্লাহ তার পুকুর প্রস্তুতির সময় কতটুকু গোবর প্রয়োগ করেছিলেন হিসাব করে দেখাও।

ঘ. মহিবুল্লাহর পুকুরে সার প্রয়োগ পদ্ধতি অর্থের অপচয় রোধ করে বেশি উৎপাদনে সহায়ক বিশ্লেষণ করো।

উত্তরঃ

ক. মাছ চাষের জন্য পুকুরের পানিতে প্রতি লিটারে কমপক্ষে ৫ মিলিগ্রাম দ্রবীভূত অক্সিজেন থাকা প্রয়োজন।

খ. পুকুরের পানির পিএইচ মাত্রা কমে গেলে চুন ব্যবহার করে তা স্বাভাবিক অবস্থায় আনা হয়। চুন প্রয়োগের ফলে পানির ময়লাভাব ও ঘোলাটে অবস্থা কমে গিয়ে পানি স্বচ্ছ হয়। এছাড়া সার ব্যবহারের পূর্বে চুন প্রয়োগ করলে সারের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। এর মাধ্যমে পানির উর্বরতা উন্নত হয় এবং পুকুরের সামগ্রিক পানির গুণগত মান বজায় থাকে।

গ. পুকুর প্রস্তুতের সময় মাছের প্রাকৃতিক খাদ্য উৎপাদনের জন্য সার ব্যবহার করা প্রয়োজন। সার পানিতে মিশে ফসফরাস, পটাশিয়ামসহ বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান সরবরাহ করে, যা জলজ খাদ্য উৎপাদনে সহায়ক ভূমিকা রাখে। এ কাজে জৈব সার হিসেবে গোবর ও হাঁস-মুরগির বিষ্ঠা এবং অজৈব সার হিসেবে ইউরিয়া, টিএসপি ও এমওপি ব্যবহার করা হয়। সাধারণত রৌদ্রোজ্জ্বল দিনে সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে সার প্রয়োগ করা উত্তম। মহিবুল্লাহর পুকুরের আয়তন ছিল ৫০ শতাংশ।

১ শতাংশে গোবর সার দেওয়া হয় ৫ থেকে ৭ কেজি

৫০ শতাংশে গোবর সার দেওয়া হয় (৫ থেকে ৭) × ৫০ কেজি = ২৫০ থেকে ৩৫০ কেজি

সুতরাং, মহিবুল্লাহ পুকুর প্রস্তুতির সময় সার প্রয়োগ করেছিলেন। ২৫০ থেকে ৩৫০ কেজি গোবর

ঘ. মহিবুল্লাহ পুকুরে পোনা মজুদ পরবর্তী সময়ে সার প্রয়োগের জন্য সেক্কিডিস্ক ব্যবহার করেন।

এই পদ্ধতির মাধ্যমে পুকুরে পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক খাদ্য আছে কি না এবং অতিরিক্ত সার প্রয়োগের প্রয়োজন আছে কি না তা নির্ণয় করা যায়। সেক্কিডিস্ক পদ্ধতিতে ২০ সেমি ব্যাসের একটি সাদা-কালো রঙের টিনের থালা সুতা দিয়ে পানিতে নামানো হয়। যদি থালাটি ২৫–৩০ সেমি গভীরতায় নামানোর পরও দেখা না যায়, তাহলে বুঝতে হবে পানিতে প্রাকৃতিক খাদ্য বিদ্যমান রয়েছে। আর যদি ৩০ সেমির বেশি গভীরতায় থালাটি দেখা যায়, তবে ধারণা করা হয় যে খাদ্যের পরিমাণ কম। এভাবে পুকুরে সার প্রয়োগের প্রয়োজনীয়তা নির্ধারণ করা হয়। পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক খাদ্য থাকলে অতিরিক্ত সার ব্যবহার করতে হয় না।

উক্ত পদ্ধতি অনুসরণ করে মহিবুল্লাহ অতিরিক্ত সার প্রয়োগ এড়িয়ে যান, ফলে খরচ কমে এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।


সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩। [ঢা. বো. ২০২৫]
মো. কাশেম তার একখণ্ড জমিতে বীজ আলু উৎপাদন করতে চান। এজন্য তিনি কৃষি কর্মকর্তা হাশেম আলীর পরামর্শ চান। কৃষি কর্মকর্তা তাকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে বলেন, “ফসল উৎপাদনে বীজ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”

ক. সুষম খাদ্য কাকে বলে?

খ. রোগিং করার প্রয়োজন কেন, লেখো।

গ. মো. কাশেম কী ধরনের বীজ ব্যবহার করবেন? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. হাশেম আলীর উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪। [ঢা. বো. ২০২৫]
সোয়াদের দাদার ৫ শতক জমির উপর একটি মৌসুমি পুকুর ছিল। একদিন মৎস্য অফিসার পরিদর্শনে এসে পুকুরটি সংস্কার করে মাছ চাষের পরামর্শ দেন। পরামর্শ অনুযায়ী তিনি পুকুরটির প্রয়োজনীয় সংস্কার করেন এবং রাক্ষুসে ও অচাষযোগ্য মাছ দূর করেন। পরে পুকুরে চুন ও সার প্রয়োগ করে মাছের পোনা ছাড়েন।

ক. স্থায়ী পুকুর কাকে বলে?

খ. উফশী ধানের বৈশিষ্ট্যগুলো লেখো।

গ. সোয়াদের দাদার পুকুরটিকে মাছ চাষের উপযোগীকরণের লক্ষ্যে কী কী কার্যক্রম গ্রহণ করেছিলেন? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সোয়াদের দাদার চাষের পদ্ধতিটি মূল্যায়ন করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫। [ম. বো., রা. বো. ২০২৫]
আবু ও করিম দুই বন্ধুর দুটি পুকুর আছে। তারা সিদ্ধান্ত নিল মৎস্য চাষ করার। সে অনুযায়ী একদিন আবু দুটি মাটির হাঁড়ি ও করিম দুটি বড় পলিথিন নিয়ে পোনা সংগ্রহ করতে যায়। আবু হাঁড়িতে সুন্দরভাবে পোনা সংগ্রহ করে এবং করিম প্রতিটি পলিব্যাগে তিন ভাগের এক ভাগ পানিসহ পোনা নেয় ও বাকি দুই ভাগে সে নিজে মুখের বাতাস দিয়ে ব্যাগটি ফুলিয়ে নেয়। দু’জনই পোনাগুলো নিজ পুকুরে ছাড়ার জন্য নিয়ে আসে। আবুর হাঁড়ির সকল পোনা সুস্থ ছিল। সে দ্রুত সময়ে পোনাগুলোকে সরাসরি পুকুরে ছেড়ে দেয় কিন্তু সে. পরদিন লক্ষ করল বেশ কিছু পোনা মরে ভেসে উঠেছে। এদিকে করিম পোনা ছাড়তে গিয়ে লক্ষ করল তার পলিব্যাগের বেশিরভাগ পোনাই মারা গেছে। পরদিন দুই বন্ধু একসাথে বিষয়টি আলোচনার জন্য মৎস্য কর্মকর্তার নিকট যায়।

ক. প্লাংকটন কী?

খ. পুকুরে বকচর রাখতে হয় কেন ব্যাখ্যা করো।

গ. আবু কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করলে পুকুরে পোনাগুলো ঝুঁকিমুক্ত করতে পারত তা বর্ণনা করো।

ঘ. করিমের পোনা পরিবহন পদ্ধতিটি যুক্তিযুক্ত কিনা বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬। [ম. বো. ২০২৫]
লিতুর বাড়ির পার্শ্বেই ১০ শতাংশ একটা পুকুর কচুরিপানায় অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় ছিল। লিতু তার ছোট ভাইবোনদের নিয়ে কচুরিপানা পরিষ্কার শুরু করলে কিছু কৈ ও শিং মাছ পেয়ে যায়। কচুরিপানা পরিষ্কার শেষে সে ঐ পুকুরে কিছু রুই-কাতলা ও মৃগেলের ধানী পোনা ছেড়ে দেয়। ৫-৬ মাস পরে শীতের শেষে লিতু পুকুরটি সেচ দিয়ে মাছ সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখেন রুই-কাতলার পরিমাণ খুবই কম আর বেশ কিছু মাগুর ও শোল মাছ পাওয়া যায়।

ক. বাণিজ্যিক কৃষি খামারের বৈশিষ্ট্য কী?

খ. পোল্ট্রির জন্য রোগের চিকিৎসা থেকে প্রতিরোধ অধিক গুরুত্বপূর্ণ কেন? ব্যাখ্যা করো।

গ. লিতুর পুকুরটির জন্য কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি ছিল? তা বর্ণনা করো।

ঘ. লিতুর উদ্যোগটির যথার্থ প্রয়োগ মানুষের আমিষ চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখবে। তোমার মতামতের পক্ষে যুক্তিযুক্ত আলোচনা করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭। [দি. বো. ২০২৫]
শহিদ মিয়া ১০০টি বাড়ন্ত মুরগি নিয়ে একটি খামার তৈরির সিদ্ধান্ত নেন। তিনি এ সম্পর্কে অভিজ্ঞ খামারীদের কাছে পরামর্শ গ্রহণ করার জন্য গেলে তারা তাকে মুরগির খাদ্য তৈরির নিয়মাবলি শিখিয়ে দিলেন। তাতে শহিদ মিয়া তার খামারে প্রত্যাশিত লাভের মুখ দেখেন।

ক. বকচর কী?

খ. সাইলেজ ব্যবহারের সুবিধাগুলো ব্যাখ্যা করো।

গ. শহিদ মিয়ার খামারে এক সপ্তাহের জন্য খাদ্যের পরিমাণ নির্ণয় করো।

ঘ. অভিজ্ঞ খামারীদের সাথে পরামর্শের যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮। [দি. বো. ২০২৫]
সুমন যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে ৩০ শতক জমিতে একটি পুকুর খনন করেন। সঠিক নিয়ম পালন করে শিং মাছ ও রুই মাছের পোনা ছাড়লেন। সুমনের দেখাদেখি রিপন তার ৫০ শতকের পুরাতন পুকুর সংস্কার করে পাবদা মাছের পোনা ছাড়লেন। দু’জনই সঠিক নিয়ম পালন করে মাছ চাষ করায় তারা বেশ লাভবান হলেন।

ক. অভিযোজন কী?

খ. থানকুনির ভেষজ গুণাগুণ ব্যাখ্যা করো।

গ. রিপনের ‘পুরাতন পুকুরটি সংস্কারের পদ্ধতিগুলো বর্ণনা করো।

ঘ. সুমনের প্রশিক্ষণ ও রিপনের অভিজ্ঞতা খামারটিকে লাভজনক 8 হতে সাহায্য করে- কথাটির যথার্থতা মূল্যায়ন করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৯। [কু. বো. ২০২৫]
অমল বোস যুব উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে দুধ উৎপাদনের জন্য একটি গবাদিপশুর খামার প্রতিষ্ঠা করেছেন। কাঁচা ঘাসের চাহিদা পূরণের জন্য তিনি ভুট্টার আবাদ করে ভুট্টা গাছ হতে বিশেষ ধরনের গো-খাদ্য তৈরি করেন। কাঁচা ঘাসের সংকট দেখা দিলে তিনি এ ধরনের খাদ্য গবাদিপশুকে খাওয়ান। অধিক পুষ্টি ও উৎপাদনের সহায়ক হওয়ায় আশে-পাশের অন্যান্য খামারিরাও এ পদ্ধতিতে ঘাস সংরক্ষণের উদ্যোগ নেন।

ক. রেশন কী?

খ. মাছ চাষের পুকুর থেকে রাক্ষুসে মাছ অপসারণ করতে হয় কেন?

গ. অমল বোসের কাঁচা ঘাস সংরক্ষণের পদ্ধতিটির ধাপগুলো বর্ণনা করো।

ঘ. অমল বোসের তৈরি গো-খাদ্য জনপ্রিয় হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১০। [চ. বো. ২০২৫]
রহমত কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ নিয়ে যথাযথভাবে পুকুর প্রস্তুতের পর পানির বিষাক্ততা পরীক্ষা করে, পোনা ছাড়ার নিয়ম মেনে পুকুরে পোনা ছাড়েন। এতে তিনি সফলতা অর্জন করেন।

ক. নেকটন কী?

খ. পর্যাপ্ত আলো বাতাসের অভাবে পুকুরে কী সমস্যা হতে পারে? ব্যাখ্যা করো।

গ. রহমত কীভাবে পানির বিষাক্ততা পরীক্ষা করেন? তার সচিত্র বিবরণ দাও।

ঘ. রহমতের পোনা ছাড়ার কার্যক্রমটি বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১১। [চ. বো. ২০২৫]
আমির মিয়া সঠিকভাবে পুকুর প্রস্তুতির পর তার পুকুরে গ্রাসকার্প, কমনকার্প, কালবাউশ, রুই, কাতলা, মৃগেল মাছের মিশ্র চাষ করেন এবং যথাযথ ব্যবস্থাপনার ফলে তিনি সফলতা লাভ করেন।

ক. মাছের মিশ্র চাষ কী?

খ. পুকুরে চুন প্রয়োগ করা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকের পুকুরে কোন মাছ কোন স্তরের খাদ্য গ্রহণ করে তা চিহ্নিত করো।

ঘ. উদ্দীপকের ব্যক্তির সফল হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১২। [সি. বো. ২০২৫]
আবদুর রহিম মিয়া একজন প্রশিক্ষিত চাষি। বর্তমানে সার, বীজ, পশু-পাখি ও মৎস্য খাদ্যের মূল্য অধিক। তাই তিনি প্রশিক্ষণ কাজে লাগিয়ে ধানের বীজ উৎপাদন, পশু খাদ্য সংরক্ষণে সাইলেজ পদ্ধতি এবং জৈব সার ব্যবহার করে অধিক লাভবান হয়ে এলাকায় চমক সৃষ্টি করেন।

ক. কৃষিতাত্ত্বিক বীজ কী?

খ. জৈব সারের একটি বৈশিষ্ট্য ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত বীজ উৎপাদনের ধাপগুলো বর্ণনা করো।

ঘ. সারাবছর সবুজ ঘাসের অপর্যাপ্ততা রোধে উদ্দীপকের পশু খাদ্য সংরক্ষণ পদ্ধতির ভূমিকা বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১৩। [য. বো. ২০২৫]
রহমান সাহেব তার জমিতে বীজ আলু চাষের সিদ্ধান্ত নিলেন। তিনি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে পরামর্শ চাইলে কৃষি কর্মকর্তা তাকে বীজ আলু উৎপাদনের পদ্ধতি সম্পর্কে জানালেন। কৃষি কর্মকর্তার পরামর্শ অনুসরণ করে রহমান সাহেব বেশ সফলতা পেলেন। তার সফলতা দেখে গ্রামের অনেক চাষী বীজ আলু উৎপাদনে অনুপ্রাণিত হলো।

ক. নার্সারি পুকুর কী?

খ. রোগিং বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ফসলটি উৎপাদনে জমি নির্বাচন ও তৈরি এবং বীজ প্রস্তুতি পদ্ধতিটি ব্যাখ্যা করো।

ঘ. উদ্দীপকে রহমান সাহেবের উদ্যোগটির যথাযথ মূল্যায়ন করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১৪। [চ. বো. ২০২৫]
আমির মিয়া সঠিকভাবে পুকুর প্রস্তুতির পর তার পুকুরে গ্রাসকার্প, কমনকার্প, কালবাউশ, রুই, কাতলা, মৃগেল মাছের মিশ্র চাষ করেন এবং যথাযথ ব্যবস্থাপনার ফলে তিনি সফলতা লাভ করেন।

ক. মাছের মিশ্র চাষ কী?

খ. পুকুরে চুন প্রয়োগ করা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকের পুকুরে কোন মাছ কোন স্তরের খাদ্য গ্রহণ করে তা চিহ্নিত করো।

ঘ. উদ্দীপকের ব্যক্তির সফল হওয়ার কারণ বিশ্লেষণ করো।

নিচে ৯ম-১০ম শ্রেণির কৃষি শিক্ষা ২য় অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর পিডিএফ ফাইল দেওয়া হল।

নবম শ্রেণির কৃষি শিক্ষা ২য় অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর পিডিএফ

Related Posts

Leave a Comment