রেইনকোট গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

‘রেইনকোট’ গল্পে দেখানো হয়েছে কীভাবে একটি সাধারণ পোশাক মিন্টুর রেইনকোট, নুরুল হুদার মতো ভীতু একজন মানুষকে সাহসী করে তোলে। রেইনকোটের মাধ্যমে নুরুল হুদা বিপদে দৃঢ়তার সঙ্গে কাজ করার সাহস পান। এই পোস্টে রেইনকোট গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর লিখে দিলাম।

রেইনকোট গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর

সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন]
উদ্দীপকঃ মূল বইয়ে ২০৩ পৃষ্ঠায় একটি ছবি দেওয়া আছে। সেটা দেখুন।

ক. ‘রেইনকোট’ গল্পে মিলিটারি ক্যাম্প কোথায় স্থাপন করা হয়?

খ. দেশে একটা কলেজেরও শহিদ মিনার অক্ষত নেই কেন?

গ. চিত্রে ‘রেইনকোট’ গল্পের যে দিকটি ফুটে উঠেছে তা ব্যাখ্যা কর।

ঘ. চিত্রিত দিকটি ‘রেইনকোট’ গল্পের খণ্ডাংশমাত্র- উক্তিটির যথার্থতা বিচার কর।

উত্তরঃ

ক. ‘রেইনকোট’ গল্পে মিলিটারি ক্যাম্প স্থাপন করা হয় কলেজের জিমন্যাশিয়ামে।

খ. পাকিস্তানিদের হামলা ও ধ্বংসযজ্ঞের কারণে দেশে একটা কলেজেও শহিদ মিনার অক্ষত নেই।

পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বাঙালি জাতিকে চিরতরে নিশ্চিহ্ন করার উদ্দেশ্যে নির্বিচারে মানুষ হত্যা করে। তারা চেয়েছিল বাঙালিদের মেধা নষ্ট করতে এবং জাতির ইতিহাস ও ঐতিহ্য ধ্বংস করে দিতে। এই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তারা একের পর এক হামলা চালায়। এমনকি শহিদ মিনারের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্মৃতিচিহ্নেও তারা আঘাত হানে। এ কারণেই বলা হয়েছে, নরপশু পাকিস্তানি বাহিনীর ধ্বংসযজ্ঞে দেশের কোনো কলেজেই শহিদ মিনার অক্ষত ছিল না।

গ. উদ্দীপকের চিত্রে ‘রেইনকোট’ গল্পের পাকিস্তানি বাহিনীর নৃশংসতা ও নির্যাতনের দিকটি ফুটে উঠেছে।

মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানি বাহিনী অসংখ্য নিরীহ মানুষকে নির্মমভাবে হত্যা করেছিল। ‘রেইনকোট’ গল্পে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর এই নিষ্ঠুরতার স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যায়। তারা ধর্মের কোনো মর্যাদা না রেখে মসজিদের মোয়াজ্জিনকেও গুলি করে হত্যা করে। এমনকি নুরুল হুদার মতো একেবারে নিরীহ মানুষকেও তারা ভয়ংকর নির্যাতনের হাত থেকে রেহাই দেয়নি। হানাদারদের এই অমানবিক আচরণ চারদিকে আতঙ্ক ও ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল। এই ভয়াবহ বাস্তবতাই ‘রেইনকোট’ গল্পে খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

চিত্রে দেখা যায়, পাকিস্তানি বাহিনীর কয়েকজন সদস্য এক জন বাঙালিকে নির্যাতন করে জোর করে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে। এই দৃশ্যের মাধ্যমে পাকিস্তানি বাহিনীর অত্যাচার ও নিষ্ঠুরতার বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। ‘রেইনকোট’ গল্পেও একই ধরনের নির্মমতার চিত্র দেখা যায়। সেখানে মিলিটারিরা নিরীহ কলেজ শিক্ষক নুরুল হুদাকে ছাদের সঙ্গে লাগানো একটি আংটার সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে নির্মমভাবে মারধর করে। তাই বলা যায়, চিত্র এবং ‘রেইনকোট’ গল্প উভয় ক্ষেত্রেই পাকিস্তানি বাহিনীর অমানবিক নির্যাতনের একই রকম চিত্র ফুটে উঠেছে।

ঘ. ‘রেইনকোট’ গল্পে মুক্তিযুদ্ধের একটি সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরা হলেও উদ্দীপকে কেবল হানাদার বাহিনীর নৃশংসতার দিকটি ফুটে ওঠায় তা ‘রেইনকোট’ গল্পের খন্ডাংশ ধারণ করেছে।

উদ্দীপকে দেখা যায়, পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী একজন মুক্তিযোদ্ধার লাশ টেনে নিয়ে যাচ্ছে। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। প্রিয় মাতৃভূমিকে শত্রুমুক্ত করার জন্য প্রায় নয় মাস ধরে বাঙালিরা রক্তের দামে সংগ্রাম করে। এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে প্রায় ত্রিশ লক্ষ বাঙালি আত্মোৎসর্গ করেন। অবশেষে তারা স্বাধীনতা অর্জন করে এবং উড়ায় লাল-সবুজের পতাকা।

‘রেইনকোট’ গল্পে মুক্তিযুদ্ধের শেষ সময়ে ঢাকায় পাকিস্তানি বাহিনী ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ চালায়। এ সময়ে নূরুল হুদার শ্যালক মিন্ট মুক্তিবাহিনীতে যোগ দেন। একদিন ভীরু প্রকৃতির নুরুল হুদা কলেজে যাবার জন্য প্রিনসিপ্যালের তলব মেনে যায়। তখন তিনি দেখেন, পাকিস্তানি হানাদাররা নিরীহ বাঙালিদের হত্যা করছে। এ দৃশ্য তার মধ্যে ভয় ও দুশ্চিন্তা সৃষ্টি করে।

এরপর মিন্টুর রেখে যাওয়া রেইনকোট পরে নুরুল হুদা। রেইনকোটটি পরে তার শরীরে এক অন্যরকম শক্তি এবং তেজ তৈরি হয়। উদ্দীপকে যদিও পাকিস্তানি বাহিনীর নির্মম নির্যাতনের চিত্র এসেছে, ভীরু নুরুল হুদার মধ্যে দেশপ্রেম ও সংগ্রামী চেতনার উদয় হয়নি। তাই বলা যায়, উদ্দীপকে গল্পের ঘটনার কিছু অংশ আছে, কিন্তু নুরুলের ভেতরের উজ্জীবিত হওয়ার দিকটি ‘রেইনকোট’ গল্পের খণ্ডাংশ মাত্র প্রতিফলিত হয়েছে।


সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [রাজশাহী বোর্ড ২০২৫]
অনেকবার ভেবেছে মুক্তিযুদ্ধে যাই। কিন্তু একটি সন্তান কোলে, আরেকটি পৃথিবীতে আসি আসি করছে। তাই সালেহীনের যুদ্ধে যাওয়া হয়নি। রাজ্যের অশ্বস্তি নিয়ে সে ৯টা ৫টা সরকারি অফিস করে। তবে তার স্ত্রী লক্ষ করে সালেহীন সন্ধ্যায় কোথায় যেন যায়। একদিন রাতে পাকবাহিনী তার বাসায় হানা দিলে তার স্ত্রীর অনুমানই সত্যি হয়।

ক. ‘রেইনকোট’ গল্পটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

খ. “প্রিন্সিপালের বাড়ির গেটে বোমা ফেলা মানে মিলিটারি ক্যাম্প অ্যাটাক করা।”- এ কথার তাৎপর্য লেখ।

গ. উদ্দীপকের সালেহীন ‘রেইনকোট’ গল্পের কোন চরিত্রের প্রতিনিধিত্ব করে? কীভাবে?

ঘ. উদ্দীপকে ‘রেইনকোট’ গল্পের বিষয়বস্তু কতটুকু প্রতিফলিত হয়েছে? তোমার মতামত দাও।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩। [যশোর বোর্ড ২০২৫]
বাজারে মিলিটারি ঢোকার পর থেকেই কলিমদ্দি দফাদারের ওপ বোর্ড অফিস খোলার ভার পড়েছে। অপেক্ষাকৃত কমবয়স্ক চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান মিলিটারির ভয়ে পারতপক্ষে এদিকে আসেন না। মেম্বারগণও আত্মগোপন করেছেন। কিন্তু বোর্ড অফিস নিয়মির খোলার হুকুম আছে। কলিমদ্দি এ কাজ করার জন্য বাজারে আসে। খান সেনারা ওকেই ওদের সঙ্গী করে নেয়। সে সরকারি লোক নিয়মিত নামাজ পড়ে এবং যা হুকুম হয় তা পালন করে।…..কলিমদ্দিকে আবার দেখা যায় ষোলই ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বাজারের ১৪ স্টলে। তার সঙ্গীরা সবাই মুক্তি, সে-ই শুধু তার পুরনো পোশারে সকলের পরিচিত কলিমদ্দি দফাদার।

ক. ‘রেইনকোট’ গল্পে আসমা কে?

খ. “রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের জেনারেল মনসুন।”- উক্তিটির তাৎপর্য লেখ।

গ. উদ্দীপকে বর্ণিত পরিস্থিতির সঙ্গে ‘রেইনকোট’ গল্পের পরিস্থিতি বর্ণনা কর।

ঘ. “উদ্দীপকের কলিমদ্দি দফাদারে মতো ‘রেইনকোট’ গল্পের নুরুল হুদা শেষ পর্যন্ত নিজেকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়েছে।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪। [কুমিল্লা বোর্ড ২০২৫]
১৯৭১ সালের পঁচিশে মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ইপিআর সদর দপ্তর ও রাজারবাগ পুলিশ লাইনসহ ঢাকার বেশকিছু জায়গায় একযোগে হত্যাযজ্ঞ চালানোর পরদিন অর্থাৎ ২৬শে মার্চের ঢাকা ছিল স্তম্ভিত, শোকার্ত ও ভয়াল এক নগরী। কারফিউ থাকলেও তার মধ্যেই ঢাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষজন অলিগলি পাড়ি দিয়ে শহর ছাড়তে শুরু করেছিল। শহরে কোনো ধরনের পরিবহণ ছিল না। মানুষ হতবুদ্ধি হয়ে পড়েছিল। কারও সাথে দেখা হলেও মুখ দিয়ে কথা বের হচ্ছিল না।

ক. ‘রেইনকোট’ গল্পের কথকের নাম কী?

খ. “রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের জেনারেল মনসুন।”- উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকের সাথে ‘রেইনকোট’ গল্পের সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি বর্ণনা কর।

ঘ. “উদ্দীপকে ‘রেইনকোট’ গল্পের সামগ্রিক চিত্র প্রকাশিত হয়নি।”- মন্তব্যটি বিচার কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫। [সিলেট বোর্ড ২০২৫]
মুক্তিযুদ্ধের সময় কিশোরী রাবেয়া মা ও ছোট ভাইকে নিয়ে একটি গ্রামে আশ্রয় নেয়। চারিদিকে পাকিস্তানি বাহিনীর তাণ্ডব, লুটপাট আর নারীদের উপর ভয়াবহ নির্যাতনের খবর ছড়িয়ে পড়ে। একদিন গ্রামে হানাদার বাহিনী হানা দেয়। রাবেয়ার মা তাকে বলে “তুই পালা, মা! তুই বাঁচতে পারলে আমাদের স্বাধীনতার স্বপ্ন বেঁচে থাকবে।” রাবেয়া পালিয়ে মুক্তিবাহিনীর সাথে যোগ দেয় এবং শত্রুর বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যায়। মায়ের আত্মত্যাগ আর স্বাধীনতার স্বপ্ন তাকে বারবার সাহস যোগায়।

ক. উর্দুর প্রফেসরের নাম কী?

খ. ‘রেইনকোট’ গল্পে ইসহাক মিয়ার দাপট বেড়ে যাওয়ার কারণ ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকটি ‘রেইনকোট’ গল্পের সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

ঘ. “মুক্তিযুদ্ধে ‘রেইনকোট’ গল্পের নুরুল হুদার ভূমিকা উদ্দীপকের রাবেয়া চরিত্রে ভিন্নভাবে উপস্থাপিত হয়েছে।”- উক্তিটি মূল্যায়ন কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬। [দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫]
১৯৭১ সালের পঁচিশে মার্চের রাতের গণহত্যার জের ধরে ২৬ মার্চ দিনের বেলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, পিলখানা ও রাজারবাগ পুলিশ লাইন এলাকায় আগুনের কুণ্ডলী দেখা যাচ্ছিল। কারফিউয়ের মধ্যেও বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ দলে দলে পালাতে শুরু করে। অনেকে পরিচিতজনদের খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। পুরো ঢাকায় ছড়িয়ে ছিল ধ্বংসযজ্ঞের নমুনা। যেখানে সেখানে পড়ে ছিল মৃতদেহ।

ক. ‘রেইনকোট’ গল্পের উর্দুর প্রফেসরের নাম কী?

খ. “তারাও তাকে চেনে এবং তার ওপর তাদের আস্থাও কম নয়।”- কথাটি ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপক ও ‘রেইনকোট’ গল্পে বর্ণিত ঢাকা শহরে মুক্তিযুদ্ধকালীন হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞের তুলনামূলক চিত্র বর্ণনা কর।

ঘ. “উদ্দীপকটি ‘রেইনকোট’ গল্পের সমগ্র ভাব ধারণ করেনি।”-মন্তব্যটি প্রসঙ্গে তোমার মতামত দাও।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭। [ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫]
“তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা, সাকিনা বিবির কপাল ভাঙল, সিঁথির সিঁদুর মুছে গেল হরিদাসীর। তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা, শহরের বুকে জলপাই রঙের ট্যাঙ্ক এলো দানবের মতো চিৎকার করতে করতে। তুমি আসবে বলে, হে স্বাধীনতা, ছাত্রাবাস, বস্তি উজাড় হলো।”

ক. ‘রেইনকোট’ গল্পে প্রিন্সিপালের পিওনের নাম কী?

খ. “এগুলো হলো পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা।”- কোন প্রসঙ্গে এবং কেন বলা হয়েছে?

গ. উদ্দীপকের সঙ্গে ‘রেইনকোট’ গল্পের সাদৃশ্য কোথায়? আলোচনা কর।

ঘ. “বাঙালিদের আত্মত্যাগই উদ্দীপক ও ‘রেইনকোট’ গল্পের মূল উপজীব্য।”- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮। [দি. যো. ২০২৪]
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে ভবানীপুর গ্রামের ফকির বাড়ি থেকে মিলিটারিরা দশম শ্রেণির ছাত্র মনিরকে তুলে নিয়ে যায়। শারীরিক নির্যাতন চালিয়ে তারা মনিরের মুক্তিযোদ্ধা পিতার সন্ধান চায়। ক্ষতবিক্ষত হয়েও মনির নীরব থাকে। মনে পড়ে বাবার শেষ উপদেশ, ‘জীবনের চেয়ে দেশ অনেক বড়ো।’ নিজেকে একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান মনে করায় তার বুক ফুলে ওঠে।

ক. নুরুল হুদা কোন বিষয়ের শিক্ষক ছিলেন?

খ. ‘এগুলো হলো পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা।’- বুঝিয়ে লেখো।

গ. উদ্দীপকের ছাত্র মনির ‘রেইনকোট’ গল্পের কোন চরিত্রের সঙ্গে তুলনীয়? আলোচনা করো।

ঘ. “উদ্দীপকে ‘রেইনকোট’ গল্পের মূলভাব প্রতিফলিত হয়েছে।”- তোমার মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৯। [দি. বো. ২০২৩]
হত্যাকে উৎসব ভেবে যারা পার্কে মাঠে ক্যাম্পাসে বাজারে বিষাক্ত গ্যাসের মতো বীভৎস গন্ধ দিয়েছে ছড়িয়ে আমি তো তাদের জন্য অমন সহজ মৃত্যু করি না কামনা।

ক. প্রিনসিপ্যাল কাকে তোয়াজ করতেন?

খ. ‘ক্রাক-ডাউনের রাত’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

গ. উদ্দীপকটি ‘রেইনকোট’ গল্পের সঙ্গে কীভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. “উদ্দীপকে ‘রেইনকোট’ গল্পের একটি বিশেষ দিক প্রকাশিত হয়েছে।”- মূল্যায়ন করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১০। [কু. বো. ২০২২]
‘কোথা হতে কোন পথে কেমন করে মুক্তিফৌজ আসে, আক্রমণ করে এবং প্রতি-আক্রমণ করে কোথায় হাওয়া হয়ে যায়, খান সেনারা তার রহস্য ভেদ করতে পারে না। কখনো কখনো খতরনাক অবস্থার মধ্যে পড়তে হয়। হাট-বাজারের লোকজন, মিল-ফ্যাক্টরির শ্রমিক, দোকানদার, স্কুল মাস্টার, ছাত্র সকলকে কাতারবন্দি করে বন্দুকের নল উঁচিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে, ‘মুক্তি কিধার হ্যায় বোলো।’ এক উত্তর, ওরা জানে না।”

ক. ‘রেইনকোট’ গল্পের পিয়নের নাম কী?

খ. ‘এগুলো হলো পাকিস্তানের শরীরের কাঁটা।’- কথাটি বুঝিয়ে বলো।

গ. উদ্দীপকের ঘটনা ‘রেইনকোট’ গল্পের সঙ্গে কি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. “উদ্দীপকটি ‘রেইনকোট’ গল্পের খণ্ডাংশ মাত্র।”-এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১১।
বৃত্তাকারে দাঁড়ানো মিলিটারির মাঝখানে হাত-পা বাঁধা কালামকে টানতে টানতে এনে দাঁড় করানো হলো। কালামের নাক-মুখ কপালের ঠিক মাঝখানটায় ধরা হলো। তিনি বললেন, ‘আমার মতো সাধারণ কালামের মৃত্যুতে কিছু এসে যায় না। কিন্তু মুক্তিফৌজদের জীবনের দাম আছে। মুক্তিফৌজ না বাঁচলে তোমাদের মারবে কে?’ গুলিটা কপাল ভেদ করে বেরিয়ে যায়।

ক. ‘রেইনকোট’ গল্পে ইসহাক কে?

খ. ‘রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের জেনারেল মনসুন।’- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।

গ. উদ্দীপকে বর্ণিত মিলিটারির নিপীড়নের দৃশ্যটি ‘রেইনকোট’ গল্পের সঙ্গে তুলনা করো।

ঘ. “উদ্দীপকের কালাম ও ‘রেইনকোট’ গল্পের নুরুল হুদার মতো সাধারণ ব্যক্তিরাই আমাদের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম প্রেরণা। মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১২। [য. বো. ২০২৩]
ঢাকার ছয় জায়গায় গ্রেনেড ফেটেছে, আমরা তো সাত-আটদিন আগে এরকম বোমা ফাটার কথা শুনেছিলাম, কিন্তু ঠিক বিশ্বাস করিনি। আমার সারা শরীরে কাঁটা দিয়ে উঠল। ব্যাপারটা তাহলে সত্যি? সত্যি সত্যি তাহলে ঢাকার আনাচকানাচে মুক্তিফৌজের গেরিলারা প্রতিঘাতের ছোটো ছোটো স্ফুলিঙ্গ জ্বালাতে শুরু করেছে? এতদিন জানতাম বর্ডারঘেষা অঞ্চলগুলোতেই গেরিলা তৎপরতা। এখন তাহলে খোদ ঢাকাতেও?

ক. কার জন্য নুরুল হুদাকে এক্সট্রা তটস্থ থাকতে হয়?

খ. ‘মনে হচ্ছে যেন বৃষ্টি পড়ছে রেইনকোটের উপর।’- কোন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে?

গ . উদ্দীপকে ‘রেইনকোট’ গল্পের কোন দিকটির ইঙ্গিত পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. ‘মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতিঘাতের ছোটো ছোটো স্কুলিজা এক সময় দাবানলে রূপ নেয়।’- উদ্দীপক ও ‘রেইনকোট’ গল্পের আলোকে মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১৩। [ঢা. বো. ২০২২]
১০ মার্চ, ১৯৭১। রাস্তায় রাস্তায় পাকিস্তানি মিলিটারি। গুয়াতলী গ্রামের হিন্দু জনগোষ্ঠী ভয়ে ভারতে পাড়ি জমায়। শুধু ভিটে আঁকড়ে পড়ে থাকে কেষ্টবাবু। পাশের গ্রামে ছিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর ক্যাম্প। স্থানীয় রাজাকার কাশেম মোড়ল কেষ্টবাবুকে সন্দেহের চোখে দেখে। সে মনে করে কেষ্টবাবু মুক্তি বাহিনীর লোক। এক বৃষ্টিমুখর দিনে গুয়াতলী গ্রামে মিলিটারি প্রবেশ করে এবং কাশেম মোড়লের ইশারায় হানাদার বাহিনী তাকে ধরে নিয়ে পার্শ্ববর্তী রাস্তার পাশে জীবন্ত পুঁতে রেখে চলে যায়।
ক. ‘রেইনকোট’ গল্পটি কত সালে প্রকাশিত হয়?

খ. ‘রাশিয়ার ছিল জেনারেল উইনটার, আমাদের জেনারেল মনসুন।’-ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকের কেষ্টবাবু ‘রেইনকোট’ গল্পের কোন চরিত্রকে স্মরণ করিয়ে দেয়? বুঝিয়ে দাও।

ঘ. “উদ্দীপকটি ‘রেইনকোট’ গল্পের একটি খণ্ডচিত্র মাত্র।”-উক্তিটির সত্যতা যাচাই করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১৪। [রা. বো. ২০২২]
মাস তিনেক পর শহরে গেরিলা অপারেশন করতে এসে রাজাকারের হাতে ধরা পড়ে মিনহাজউদ্দিন। ওকে ক্যাম্পে এনে বকুলগাছের সিতো ঝুলিয়ে রাখা হয়। উলঙ্গা শাস্তি সকালে দশ বেত, বিকেলে দশ বেত। এমন দৃশ্য রহমত আলীর জীবনের শ্রেষ্ঠ আনন্দ। শুধু জানালায় বসে থাকলে এ দৃশ্য পুরোপুরি উপভোগ করা যায় না। বেত মারার আগেই বকুলতলায় এসে দাঁড়ায়। দুকান ভরে মিনহাজউদ্দিনের গোঙ্গানি শোনে। বেইমানের এমন চরম শাস্তিই তো পাওয়া উচিত। যুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করার জন্য ভীতু লোকটা সাহসী হয়ে গিয়েছিল। পালিয়েছিল বাড়ি থেকে।

ক. ‘রেইনকোট’ গল্পের উর্দুর প্রফেসরের নাম কী?

খ. ‘রাশিয়ায় ছিল জেনারেল উইন্টার, আমাদের জেনারেল মনসুন।’-বাক্যটির তাৎপর্য বুঝিয়ে লেখো।

গ. “উদ্দীপকে বর্ণিত নির্যাতন চিত্র ‘রেইনকোট’ গল্পের মিলিটারির বর্বরোচিত আচরণের সঙ্গে সাদৃশ্যযুক্ত।”- মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।

ঘ. “রেইনকোট’ গল্পে মুক্তিযোদ্ধাদের যে গেরিলা আক্রমণের সার্থক চিত্র পাই- তা উদ্দীপকে নেই।”-মন্তব্যটির সঙ্গে তুমি কি একমত? যুক্তি দিয়ে বিচার করো।

নিচে রেইনকোট গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর পিডিএফ ফাইল দেওয়া হল।

রেইনকোট গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তর পিডিএফ

Related Posts

Leave a Comment