৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সৃজনশীল প্রশ্ন ৩য় অধ্যায়

১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ শাসন শেষে ভারতীয় উপমহাদেশ ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি রাষ্ট্রের জন্ম হয়। হাজার মাইলের ভৌগোলিক দূরত্ব, ভাষা ও সংস্কৃতিসহ সকল বিষয়ে অমিল থাকা সত্ত্বেও শুধু ধর্মীয় মিলের কারণে পূর্ববাংলাকে পাকিস্তানের একটি প্রদেশ পূর্বপাকিস্তান করা হয়। এই পোস্টে ৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সৃজনশীল প্রশ্ন ৩য় অধ্যায় লিখে দিলাম।

৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সৃজনশীল প্রশ্ন ৩য় অধ্যায়

সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন]
চিত্র-১: ২য় বিশ্বযুদ্ধের গণহত্যার দৃশ্য

চিত্র-২: মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন যৌথবাহিনীর অভিযানের দৃশ্য

ক. আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি কে ছিলেন?

খ. ‘গণহত্যার’ ধারণাটি ব্যাখ্যা করো

গ. চিত্র-১ বাংলাদেশের ইতিহাসের কোন ঘটনার প্রতিচ্ছবি?

ঘ. চিত্র-২ এ উল্লিখিত বাহিনীর কার্যক্রমই কি এদেশের স্বাধীনতা ত্বরান্বিত করেছিল? বিশ্লেষণ করো।

উত্তরঃ

ক. আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে মুজিবনগর সরকারের প্রতিনিধি ছিলেন মুক্তিবাহিনীর উপ-প্রধান সেনাপতি গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ. কে. খন্দকার।

খ. গণহত্যা বলতে কোনো দেশের ক্ষমতাশালী পক্ষের দ্বারা নির্দিষ্ট জাতি, গোষ্ঠী বা ভিন্ন মতাদর্শধারীদের নির্বিচারে হত্যা করাকে বোঝায়।

জাতিসংঘের মতে, গণহত্যা হলো কোনো জাতি, ধর্মীয় গোষ্ঠী বা নৃতাত্ত্বিক সম্প্রদায়কে পুরোপুরি বা আংশিকভাবে ধ্বংস করার চেষ্টা। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের নিরীহ মানুষের ওপর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী যে ভয়াবহ হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালায়, তাকে গণহত্যা বলা হয়।

গ. চিত্র-১ বাংলাদেশের ইতিহাসের ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চের গণহত্যার প্রতিচ্ছবি।

১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী নিরীহ বাঙালিদের ওপর ভয়াবহ অত্যাচার চালায়। সেই রাতে সাধারণ মানুষ, শিশু, নারী, বৃদ্ধ এবং ছাত্র-শিক্ষকদের নির্বিচারে হত্যা করা হয়। শুধু ওই রাতেই ঢাকা শহরে প্রায় ৭–৮ হাজার নিরীহ মানুষ নিহত হয়।

উদ্দীপকের চিত্র–১ এ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার ভয়াবহ গণহত্যার দৃশ্য দেখানো হয়েছে। ১৯৩৯ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত চলা এই যুদ্ধে অনেক গণহত্যা ঘটে এবং অসংখ্য নিরপরাধ মানুষ প্রাণ হারায়। একইভাবে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি সেনাবাহিনী ঘুমন্ত বাঙালিদের ওপর আক্রমণ চালায়। ঢাকার বিভিন্ন এলাকা, পিলখানা, রাজারবাগ পুলিশ লাইনস ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ সারা দেশে বাঙালি হত্যাকাণ্ড চালানো হয়। পাকিস্তানি সেনাদের এই হত্যাযজ্ঞের চিত্রই চিত্র–১ এ ফুটে উঠেছে।

ঘ. হ্যাঁ, চিত্র-২-এ উল্লেখিত বাহিনী অর্থাৎ যৌথবাহিনীর কার্যক্রম বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ত্বরান্বিত করেছিল।

১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ শহিদ প্রেসিডেন্ট (তৎকালীন মেজর) জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। পরে ১০ এপ্রিল মুক্তিযুদ্ধ সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়। এর ফলে মুক্তিযোদ্ধারা সাহসের সঙ্গে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে থাকে। যুদ্ধকে আরও শক্তিশালী করার জন্য মুজিবনগর সরকার ও ভারত সরকার মিলে ‘যৌথবাহিনী’ গঠন করে।

১৯৭১ সালের নভেম্বরের মাঝামাঝি সময় থেকে ভারতীয় বাহিনী পাকিস্তানি সেনাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে মুক্তিবাহিনীকে সাহায্য করতে শুরু করে। তখন স্থলপথে মুক্তিযোদ্ধারা পাকিস্তানি বাহিনীর ওপর গেরিলা আক্রমণ বাড়িয়ে দেয়। একই সময় আকাশপথেও যৌথবাহিনীর বিমান হামলা বাড়তে থাকে। এর ফলে ডিসেম্বরের শুরু থেকেই বাংলাদেশের অনেক এলাকা শত্রুমুক্ত হতে থাকে।

এইভাবে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের লড়াইকে আরও শক্তিশালী করতে যৌথবাহিনী আক্রমণ চালায়। এর ফলে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন দ্রুত সম্ভব হয়।


সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন]
নাসিফের বাবা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাকালীন মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তিনি প্রতিবেশী দেশে মুক্তিযুদ্ধের প্রশিক্ষণ ছাড়াই বাহিনী গড়ে তোলেন এবং নেতৃত্ব দেন। তাঁর বাহিনীর অনেক নারী মুক্তিযোদ্ধা সম্মুখ যুদ্ধেও অংশগ্রহণ করেছিলেন।

ক. আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলার পতাকা কত তারিখে উত্তোলন করা হয়?

খ. যৌথবাহিনী গঠন করা হয়েছিল কেন?

গ. উদ্দীপকের ক্ষেত্রটি ছাড়াও নারীরা কীভাবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন? আলোচনা করো।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটিতে প্রশিক্ষণ গ্রহণ ছাড়াও অনেকগুলো আঞ্চলিক বাহিনী ছিল, যাঁরা মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে- মূল্যায়ন করো।

উত্তরঃ

ক. আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলার পতাকা ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ উত্তোলন করা হয়।

খ. পাকিস্তানি বাহিনীর ওপর আক্রমণ সুদৃঢ় করার জন্য বাংলাদেশ ও ভারত সরকারের সমন্বয়ে ‘যৌথবাহিনী’ গঠন করা হয়েছিল।

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় বাঙালি গেরিলা যোদ্ধারা দেশের ভেতরে পাকিস্তানি বাহিনীর ওপর অনেক আক্রমণ চালায়। এই আক্রমণকে আরও শক্তিশালী ও দ্রুত করার জন্য ২১ নভেম্বর মুক্তিবাহিনী ও মিত্রবাহিনী মিলে ‘যৌথবাহিনী’ গঠন করা হয়।

গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত ক্ষেত্র তথা সম্মুখ যুদ্ধ ছাড়াও নারীরা সহযোগী যোদ্ধা, সেবাদানকারী, সংগঠক ইত্যাদি ভূমিকায় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন।

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে নারীদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। তারা শুধু সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেননি, বরং নানা ভাবে মুক্তিযোদ্ধাদের সাহায্য করেছেন। অনেক নারী যুদ্ধক্ষেত্রে সেবাদান করেছেন এবং সাহসের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের সহযোগিতা করেছেন। তারা নিজেরা কষ্ট সহ্য করে সন্তান, ভাই ও স্বামীদের যুদ্ধে পাঠিয়েছেন। অনেক নারী হত্যা, নির্যাতন ও ধ্বংসযজ্ঞের শিকারও হয়েছেন।

এছাড়া নারীরা অস্ত্র লুকিয়ে রাখা, মুক্তিযোদ্ধাদের আশ্রয় দেওয়া, খাবার সরবরাহ করা, খবর দেওয়া, সংগঠক হিসেবে কাজ করা এবং সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে মানুষকে অনুপ্রেরণা দেওয়ার মতো কাজও করেছেন। যুদ্ধের কঠিন সময়ে পরিবারকে সামলে রেখে দেশকে টিকিয়ে রাখতেও তারা বড় ভূমিকা রেখেছেন।

উদ্দীপকে বলা হয়েছে, মুক্তিযুদ্ধের সময় নাসিফের বাবার বাহিনীতে অনেক নারী সরাসরি যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। তাই বলা যায়, সম্মুখ যুদ্ধের পাশাপাশি নারীরা মুক্তিযুদ্ধে আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লেখিত দেশ তথা ভারতে প্রশিক্ষণ গ্রহণ ছাড়াও অনেকগুলো আঞ্চলিক বাহিনী ছিল, যাঁরা মুক্তিযুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে-উক্তিটি যথার্থ।

মুক্তিযুদ্ধের সময় বিপুল সংখ্যক বাঙালি ভারতে সামরিক প্রশিক্ষণ নিয়ে নিয়মিত ও অনিয়মিত বাহিনীর সদস্য হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছে। তবে এর বাইরেও বিভিন্ন অঞ্চলে স্থানীয় পর্যায়ে অনেকগুলো আঞ্চলিক বাহিনী গড়ে উঠেছিল। আঞ্চলিক বাহিনীগুলোর সদস্যরা ভারতে প্রশিক্ষণ গ্রহণ ছাড়াই মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন। বাহিনীগুলো তাদের নেতার নামে পরিচিত ছিল। এসব বাহিনীর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- কাদেরিয়া বাহিনী (টাঙ্গাইল), আফসার ব্যাটালিয়ন (ভালুকা, ময়মনসিংহ), বাতেন বাহিনী (টাঙ্গাইল), হেমায়েত বাহিনী (গোপা গঞ্জ, বরিশাল), হালিম বাহিনী (মানিকগঞ্জ), আকবর বাহিনী (মাগুরা), তিফ মীর্জা বাহিনী (সিরাজগঞ্জ, পাবনা) ও জিয়া বাহিনী (সুন্দরবন)।

স্থানীয় পর্যায়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে প্রতিরোধ এবং মুক্তিফৌজকে সহায়তা করার বিষয়ে বিভিন্ন আঞ্চলিক বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

উপরের আলোচনার পরিসমাপ্তিতে বলা যায়, ভারতে প্রশিক্ষণ না নিয়েই মুক্তিযুদ্ধের সময় বিভিন্ন আঞ্চলিক বাহিনী যে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল, তা মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির বিজয়কে ত্বরান্বিত করেছিল। অর্থাৎ আঞ্চলিক বাহিনীগুলোর মুক্তিযুদ্ধে ভূমিকা সম্পর্কিত প্রশ্নোক্ত উক্তিটি যথার্থ।

সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩। [জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা, ২০২৫]
জনাব মতিন মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতেন। যুদ্ধ শুরু হওয়ার কিছুদিন পর তিনি নিকটবর্তী একটি দেশ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে ফিরে এসে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। অপরদিকে, জনাব মাসুদ মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশ পরিচালনার জন্য একটি সরকার গঠিত হলে সেই সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ে যোগদান করেন।

ক. ‘অপারেশন জ্যাকপট’ কী?

খ. ‘নিয়মিত বাহিনী’ বলতে কী বোঝায়? ব্যাখ্যা করো।

গ. জনাব মতিন কোন বাহিনীর অধীনে থেকে যুদ্ধ করেছেন? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. উদ্দীপকে জনাব মাসুদের মুক্তিযুদ্ধের সময়ে যোগদানকৃত সরকারের ভূমিকা মূল্যায়ন করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪। [রাজশাহী বোর্ড ২০১৯]
জনাব ‘ক’ হচ্ছেন ‘খ’ দেশের একজন প্রধান রাজনৈতিক নেতা। তিনি একটি নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পরও কর্তৃপক্ষ তাকে ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি। তাই জনাব ‘ক’ দেশের মানুষের সামনে একটি ভাষণ প্রদান করেন। জনগণ তার ভাষণ শুনে একত্রিত হয়ে আন্দোলন শুরু করে। পরবর্তীতে জনাব ‘ক’ কে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার কিছু বন্ধু একটি কমিটি তৈরি করে। এ কমিটি কর্তৃপক্ষের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য জনমত তৈরি করে এবং অন্য দেশের কাছ থেকে সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করে।

ক. মিত্রবাহিনী কী?

খ. আমরা আমাদের দেশকে ভালোবাসব কেন?

গ. জনাব ‘ক’-এর কাজে তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন ধারণাটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. তোমার পাঠ্যবইয়ের যে ধারণাটির সাথে উদ্দীপকের কমিটির মিল আছে তা চিহ্নিত কর এবং কর্তৃপক্ষের হাত থেকে মুক্ত হতে এর ভূমিকা বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫। [কুমিল্লা বোর্ড ২০১৯]
ঘটনা-১: ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের শেষ সপ্তাহ। এক রাতে হঠাৎ গোলাগুলির শব্দ। এটি ছিল নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর শাসকগোষ্ঠীর আক্রমণ।

ঘটনা-২: ১৯৭১ সালের এপ্রিল মাস। রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সংগঠিত হয়ে গড়ে তোলে প্রতিরোধ। একপর্যায়ে শাসকগোষ্ঠী এদেশ ছেড়ে যেতে বাধ্য হয়।

ক. স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী বেতার কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

খ. যৌথবাহিনী গঠন করা হয় কেন?

গ. ঘটনা-১ দ্বারা বাংলাদেশের ইতিহাসের কোন ঘটনাকে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. “ঘটনা-২-এ উল্লিখিত বিষয়টি বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের ক্ষেত্রে মুখ্য ভূমিকা পালন করে।”- বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬। [চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৮]
বীর মুক্তিযোদ্ধা জনাব মালেক চৌধুরী একটি স্কুলের ‘বীরের কণ্ঠে বীর গাথা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন। সেখানে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে এক পর্যায়ে তিনি বলেন, পাকিস্তানের সাথে যখন বিভিন্ন দাবি নিয়ে আলোচনা চলছিল তখন হঠাৎ একদিন তারা রাতের বেলায় ঘুমন্ত মানুষসহ বিভিন্ন জায়গায় একযোগে হামলা করে অনেক লোক হত্যা। করে। এরপরই জনাব মালেক চৌধুরীর মতো অনেকেই দেশ মুক্ত করার সংগ্রামে লিপ্ত হন। তিনি প্রতিবেশী দেশে গিয়ে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।

ক. নিয়মিত বাহিনী কাকে বলে?

খ. ৭ই মার্চের ভাষণকে বাঙালির মুক্তির সনদ বলা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকে বক্তব্যের প্রথম অংশটি তোমার পাঠ্যবইয়ের কোন বিষয়টিকে ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. তুমি কি মনে করো, স্বাধীনতা অর্জনের ক্ষেত্রে উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটিই একমাত্র ভূমিকা পালন করেছে? উত্তরের সপক্ষে তোমার মতামত দাও। 
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭। [ঢাকা বোর্ড ২০১৯]
অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ঢাকার একটি জাদুঘর পরিদর্শনে যায়। প্রথমে তারা একটি কক্ষে লাশের দৃশ্যের সাথে লিখিত কিছু তথ্য পড়ে ভয়াল রাতের নৃশংস হত্যার কথা জানতে পারে। আর একটি দৃশ্যে ঐ সময়ে আমাদের সহায়তাকারী একটি বাহিনীর যুদ্ধ অভিযান দেখে। সবশেষে তারা দুটি দেশের সামরিক কমান্ডারদের দলিল স্বাক্ষরের দৃশ্য দেখে খুশি হয়।

ক. ন্যাপ (NAP)-এর পূর্ণরূপ কী?

খ. মুজিবনগর সরকার মুক্তিযুদ্ধকালীন ‘উপদেষ্টা পরিষদ’ গঠন করে কেন?

গ. শিক্ষার্থীদের প্রথম দেখা দৃশ্যটি মুক্তিযুদ্ধের কোন ঘটনার ইঙ্গিত করে? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. উদ্দীপকের শেষাংশে দেখা ঘটনাটি এ দেশের স্বাধীনতা অর্জনের ‘সাফল্য বহন করে- মূল্যায়ন করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮। [দিনাজপুর বোর্ড ২০১৯]
শফিকের বাবা মুক্তিযুদ্ধকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তেন। যুদ্ধের শুরুতেই তিনি গ্রামে চলে আসেন এবং প্রতিবেশী। একটি দেশে যুদ্ধের প্রশিক্ষণ নিয়ে দেশে ফিরে এসে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় দেশকে পরিচালনার জন্য। অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে একটি সরকার গঠিত হয়।

ক. বাংলাদেশের গণহত্যা ও বর্বরতার খবর বহির্বিশ্বে প্রথম ছড়িয়ে দেন কারা?

খ. যৌথবাহিনী গঠনের ফলে মুক্তিযুদ্ধ দারুণ গতি লাভ করে কেন? ব্যাখ্যা করো।

গ. মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে শফিকের বাবা কোন বাহিনীর অধীন থেকে যুদ্ধ করেছেন? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. মুক্তিযুদ্ধে উদ্দীপকে ইঙ্গিতকৃত সরকারের ভূমিকা বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৯।
২৫শে মার্চ ১৯৭১। ওই দিন ঘুমন্ত বাঙালিদের ওপর সশস্ত্র পাক বাহিনী নির্মমভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে ও ইতিহাসের নিষ্ঠুরতম গণহত্যা। চালায়। যুদ্ধ শুরুর পরে আসিফ সাহেবের মতো প্রবাসে বাসকারী বাঙালিরা মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে সমর্থন আদায়ে সচেষ্ট হয়।

ক. মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা কোন সেক্টরে ছিল?

খ. মুক্তিযুদ্ধে ব্রিগেড ফোর্স কী ছিল?

গ. মুক্তিযুদ্ধে আসিফ সাহেবের মতো বাঙালিদের অবদান লেখো।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত তারিখে বাংলাদেশের ইতিহাসের কোন ঘটনাকে ইঙ্গিত করে তা আলোচনা করো।

নিচে ৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সৃজনশীল প্রশ্ন ৩য় অধ্যায় পিডিএফ ফাইল দেওয়া হল।

৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সৃজনশীল প্রশ্ন ৩য় অধ্যায় পিডিএফ

আরও পড়ুনঃ ৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ২য় অধ্যায় সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর

Related Posts

Leave a Comment