বিদ্রোহী কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর

কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কবি তাঁর তীব্র বিদ্রোহী সত্তাকে নানা প্রতীকের মাধ্যমে প্রকাশ করেছেন। সমাজে যেখানে অন্যায়, শোষণ ও অত্যাচার দেখেছেন, সেখানেই তিনি প্রতিবাদের কণ্ঠ তুলেছেন। বিদ্রোহী কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর লিখে দিলাম।

বিদ্রোহী কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর

সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন]
আমি যুগে যুগে আসি, আসিয়াছি পুনঃ মহাবিপ্লব হেতু
এই স্রষ্টার শনি মহাকাল ধূমকেতু।
সাত-সাতশ নরক-জ্বালা জ্বলে মম ললাটে।
মম ধূম-কুণ্ডলী করেছে শিবের ত্রিনয়ন ঘন ঘোলাটে।
আমি স্রষ্টার বুকে সৃষ্টি পাপের অনুতাপ-
তাপ হাহাকার আর মর্ত্যে শাহারা-গোবী-ছাপ
আমি অশিব তিক্ত অভিশাপ।

ক. কবি কী মানেন না?

খ. ‘যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না’- একথা বলার কারণ কী?

গ. উদ্দীপকের সাথে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি ব্যাখ্যা করো।

ঘ. “উদ্দীপকটি ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সমগ্রভাব ধারণ করে না।” মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার করো।

উত্তরঃ

ক. কবি কোনো আইন মানেন না।

খ. নির্যাতিত ও নিপীড়িত মানুষের দুঃখকষ্ট ও আর্তচিৎকার বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত কবি বিপ্লব-প্রতিবাদ চালিয়ে যাবেন বোঝাতে তিনি প্রশ্নোত্ত কথা বলেছেন।

অসাম্য ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে কবি সব সময় প্রতিবাদ করেছেন। যেখানে তিনি অন্যায় ও অত্যাচার দেখেছেন, সেখানেই তিনি বিদ্রোহ করেছেন। নিপীড়কদের বিরুদ্ধে তিনি রুখে দাঁড়িয়েছেন এবং দুঃখী ও অসহায় মানুষের পাশে থেকেছেন। তাঁর প্রতিবাদী কণ্ঠ এত শক্তিশালী যে তা অত্যাচারীদের ক্ষমতাকেও কাঁপিয়ে দিয়েছে। তিনি দৃঢ়ভাবে বলেছেন যে, যত কষ্টই হোক, নিপীড়িত মানুষের পক্ষে তাঁর প্রতিবাদ চলতেই থাকবে। এই কথাটি বোঝানোর জন্যই কবি প্রশ্নোক্ত চরণটি ব্যবহার করেছেন।

গ. উদ্দীপকের সাথে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সাদৃশ্যপূর্ণ দিকটি হচ্ছে বিদ্রোহী চেতনা।

‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কবি নানা রকমভাবে তাঁর বিদ্রোহী মনোভাব প্রকাশ করেছেন। যেখানে তিনি অন্যায় ও অত্যাচার দেখেছেন, সেখানেই তিনি প্রতিবাদ করেছেন। বিশেষ করে পরাধীন দেশের ওপর বিদেশি শাসকদের আগ্রাসন, শোষণ ও নির্যাতন তাঁকে গভীরভাবে কষ্ট দিয়েছে। তাই তিনি এসব অপশক্তির বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন।

উদ্দীপকের কবিতাংশে বারবার ফিরে আসা বিপ্লবী চেতনার কথা বলা হয়েছে। সময়ের নিয়মে মানুষ মারা গেলেও বিপ্লবী আদর্শ কখনো মরে না। এই চেতনা এক প্রজন্ম থেকে আরেক প্রজন্মে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে বিপ্লবীর শক্ত ডাক চারদিকে আলোড়ন তোলে এবং শাসক ও অত্যাচারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। বিপ্লবীদের আঘাতে শোষকরা অভিশপ্ত হয়ে ওঠে। এই ধ্বংসাত্মক বিদ্রোহী রূপটি ‘বিদ্রোহী’ কবিতাতেও স্পষ্টভাবে দেখা যায়। সেখানে কবি সব অন্যায় নিয়ম ও শৃঙ্খল ভেঙে দিতে চান। তাই উদ্দীপক ও ‘বিদ্রোহী’ কবিতা দুটিতেই বিদ্রোহী চেতনার মিল পাওয়া যায়।

ঘ. উদ্দীপকের কবিতাংশে কেবল বিদ্রোহী চেতনার দিকটি ফুটে ওঠায় তা ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সমগ্রভাবকে ধারণ করতে পারেনি।

আলোচ্য কবিতাটি কবির বিদ্রোহী মনোভাবের এক শক্তিশালী প্রকাশ। এই কবিতা বিদ্রোহের স্বরূপ বোঝাতে একটি গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টি। তবে এতে শুধু বিদ্রোহের কথাই বলা হয়নি। এখানে কবি নিজেকে একজন বিদ্রোহী মানুষ হিসেবে তুলে ধরেছেন। পাশাপাশি প্রেম, দ্রোহ এবং মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষাও প্রকাশ পেয়েছে। কবি আর্ত ও নির্যাতিত মানুষের মুক্তির জন্য দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

উদ্দীপকের কবিতাংশেও বিদ্রোহী চেতনার প্রকাশ দেখা যায়। সেখানে অন্যায় ও অসাম্য দূর করার জন্য বারবার বিপ্লবী চেতনার ফিরে আসার কথা বলা হয়েছে। এই বিপ্লবী চরিত্র ভয়হীন এবং মানুষের কল্যাণে নিবেদিত। নানা বাধা এলেও সে থেমে যায় না। অন্যায়ের পক্ষে থাকা মানুষদের জন্য সে হয়ে ওঠে এক ভয়ংকর শাস্তির মতো। ‘বিদ্রোহী’ কবিতাতেও কবি ঠিক এমন বিদ্রোহী সত্তার কথাই বলেছেন।

তবে উভয় জায়গায় বিপ্লবের কথা থাকলেও ‘বিদ্রোহী’ কবিতার পরিসর উদ্দীপকের তুলনায় অনেক বেশি বিস্তৃত। এই কবিতায় কবির মানবতাবোধ ও দৃঢ় আত্মবিশ্বাস স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে। তিনি কখনোই অপশক্তির কাছে মাথা নত করতে রাজি নন। তাঁর বিদ্রোহের মূল শক্তি হলো মানুষের প্রতি গভীর ভালোবাসা। এসব বিষয় উদ্দীপকের কবিতাংশে নেই। তাই প্রশ্নোক্ত মন্তব্যটি যথার্থ।


সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [ঢাকা বোর্ড ২০২৫]
সুকান্ত ভট্টাচার্য একজন তেজস্বী কৰি। তিনি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকদের বিরুদ্ধে তাঁর লেখনী ধারণ করেন। তাঁর কবিতায় আছে মানুষের মুক্তির বার্তা এবং স্বকীয়তা ও স্বাধীনতার স্বাদ। তাঁর দ্রোহচেতনা কবিতার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল সমাজে।

ক. ‘অগ্নি-বীণা’ কাব্য কত সালে প্রকাশিত হয়?

খ. কবি নিজেকে ‘বিদ্রোহী রণক্লান্ত’ বলেছেন কেন? ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার কোন বক্তব্যটি ফুটে উঠেছে? বুঝিয়ে লেখ।

ঘ. উদ্দীপক এবং ‘বিদ্রোহী’ কবিতার আলোকে বিদ্রোহীসত্তার স্বরূপ উন্মোচন কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩। [রাজশাহী বোর্ড ২০২৫]
কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর ‘রাজবন্দীর জবানবন্দী’ প্রবন্ধে বলেন-প্যামি শুধু রাজার বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করি নাই, সমাজের, জাতির, দেশের বিরুদ্ধে আমার সত্য-তরবারির তীব্র আক্রমণ সমান বিদ্রোহ ঘোষণা করেছে। তার জন্য ঘরে-বাইরের বিদ্রপ, অপমান, লাঞ্ছনা, প্রয়াত আমার উপর পর্যাপ্ত পরিমাণে বর্ষিত হয়েছে।

ক. ‘বিদ্রোহী’ কবিতায় কবি নিজেকে কার ‘মরম বেদনা’ বলেছেন?

খ. “মম এক হাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণ-তূর্য।”-উক্তিটির তাৎপর্য লেখ।

গ. উদ্দীপকের সঙ্গে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার কোন দিকটি সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা কর।

ঘ. “উদ্দীপকটি ‘বিদ্রোহী’ কবিতার মূল সুরকে সর্বাংশে ধারণ করেনি।”- তোমার মতামত দাও।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪। [যশোর বোর্ড ২০২৫]
আমার এখন তৈরি হবার সময়।
………………………………
বড়ো দীর্ঘকাল আমি অপেক্ষা করেছিলাম
উত্তাল ঊনসত্তর আমাকে ডেকে এনেছে
রাস্তায় প্রণয়ীর মতো মাটিকে আলিঙ্গনে বেঁধে রাখা চায়
তার ঔরসে আমার জন্ম প্রতিটি কৃষক বিদ্রোহে
আমি ছিলাম উলঙ্গ শড়কির হিংসা পলাশীর আম্রকাননে।
আমি ছিলাম মীরমর্দনের তলোয়ার
১৮৫৭’র সিপাহী বিদ্রোহে বিদ্রোহীর কার্তুজ
আমি ছিলাম তীতুমীরের বাঁশের কেল্লা
আমাকে তুমি দাঁড় করিয়ে দিয়েছ বিপ্লবের সামনে
এখন আমার আর ফেরার উপায় নেই।

ক. ‘মহা-প্রলয়ের আমি কে?

খ. “আমি সেই দিন হব শান্ত।”- কেন?

গ. উদ্দীপকের ‘আমি’ ‘বিদ্রোহী’ কবিতার ‘আমি’র সঙ্গে কীভাবে তুলনীয়? ব্যাখ্যা কর।

ঘ. “বিষয়ের ভিন্নতা সত্ত্বেও উদ্দীপক ও ‘বিদ্রোহী’ কবিতা চেতনাগতভাবে অভিন্ন।”- তুমি কি একমত? তোমার যুক্তি দাও।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫। [ময়মনসিংহ বোর্ড ২০২৫]
‘তার চেয়ে পোষমানাকে অস্বীকার করো
অস্বীকার করো বশ্যতাকে।
চলো শুকনো হাড়ের বদলে
সন্ধান করি তাজা রক্তের।
তৈরি হোক লাল আগুনে ঝলসানো আমাদের খাদ্য
শিকলের দাগ ঢেকে দিয়ে গজিয়ে উঠুক
সিংহের কেশর প্রত্যেকের ঘাড়ে।”

ক. ‘বিদ্রোহী’ কবিতা কবির কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?

খ. “আমি ক্ষ্যাপা দুর্বাসা-বিশ্বামিত্র-শিষ্য।”- ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকের সাথে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সাদৃশ্য আলোচনা কর।

ঘ. ‘উদ্দীপকে প্রতিফলিত কবির মনোভাব যেন ‘বিদ্রোহী’ কবিতার ভাবসত্যেরই সংহত রূপ”- মন্তব্যটি বিচার কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬। [দিনাজপুর বোর্ড ২০২৫]
আমরা বন্দী থাকব না তোমাদের পকেটে পকেটে,
মরা বেরিয়ে পড়ব, আমরা ছড়িয়ে পড়ব শহরে,
গঞ্জে, গ্রামে- দিগন্ত থেকে দিগন্তে।
আমরা বার বার জ্বলি, নিতান্ত অবহেলায়
তা তো তোমরা জানোই! কিন্তু তোমরা তো জানো না;
কবে আমরা জ্বলে উঠব-সবাই শেষবারের মতো!

ক. ‘নিদাঘ’ শব্দের অর্থ কী?

খ. কবি নিজেকে ‘পরশুরামের কুঠার’ বলেছেন কেন?

গ. উদ্দীপকের সঙ্গে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সাদৃশ্য বিচার কর।

ঘ. “উদ্দীপকের বক্তব্যে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার দ্রোহই প্রকাশিত হয়েছে।”- উক্তিটির যথার্থতা নিরূপণ কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭। [ঢা. বো. ২০২৪]
‘চলে যাব- তবু আজ যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ
প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল,
এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব
আমি-নবজাতকের কাছে এ আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।’

ক. ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কোন কাব্যগ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?

খ. ‘আমি সেই দিন হব শান্ত’- বলতে কবি কী বুঝিয়েছেন?

গ. উদ্দীপক ও ‘বিদ্রোহী’ কবিতার ভাবগত মিল তুলে ধরো।

ঘ. “মানবমুক্তির আকাঙ্ক্ষাই ‘বিদ্রোহী’ কবিতা ও উদ্দীপকের মূলসুর।”- বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮। [রা. বো. ২০২৪]
ক্ষুদিরাম বসু স্বাধীনতাকামী একজন বিপ্লবী ছিলেন। দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য অতি অল্প বয়সে তিনি বিপ্লবের মন্ত্রে দীক্ষিত হন।। তিনি স্বপ্ন দেখেন উপনিবেশিক শাসনের হাত থেকে ভারতকে মুক্ত করার। মাতৃভূমির স্বাধীনতার জন্য তিনি নিজের জীবন বিসর্জন দিয়েছেন। তবু পরাধীনতার শৃঙ্খল মেনে নেননি।

ক. ‘বিদ্রোহী’ কবিতা কবির কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?

খ. ‘আমি ক্ষ্যাপা দুর্বাসা, বিশ্বামিত্র-শিষ্য’- ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকের সাথে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সাদৃশ্য আলোচনা করো।

ঘ. “উদ্দীপকে প্রতিফলিত ক্ষুদিরামের সংগ্রামী চেতনা যেন ‘বিদ্রোহী’ কবিতার ভাবসত্যেরই সংহত রূপ।”- মূল্যায়ন করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৯। [য. বো. ২০২৪]
শাসনের নামে চলে শোষণের সুকঠিন যন্ত্র।
বজ্রের হুংকারে শৃঙ্খল ভাঙতে
সংগ্রামী জনতা অতন্দ্র।
আমি করি না করি না করি না ভয়
জয় বাংলা বাংলার জয়।

ক. ‘কুর্নিশ’ কথাটির মানে কী?

খ. ‘শির নেহারি’ আমারি, নতশির ওই শিখর হিমাদ্রির।’- ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকটি ‘বিদ্রোহী’ কবিতার কোন দিকটিকে নির্দেশ করেছে? বিশ্লেষণ করো।

ঘ. উদ্দীপকটিতে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার ‘মূলভাবের পূর্ণ প্রতিফলন ঘটেছে কি? তোমার উত্তরের পক্ষে যুক্তি দাও।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১০। [ব. যো. ২০২৪]
তারুণ্য দেখিয়াছি আরবের বেদুইনদের মাঝে। তারুণ্য দেখিয়াছি মহাসমরের সৈনিকের মুখে, কালাপাহাড়ের অসিতে কামাল-করিম-মুসোলিনি-সানাইয়াৎ-লেলিনের শক্তিতে। যৌবন দেখিয়াছি তাহাদের মাঝে যাহারা বৈমানিকরূপে অনন্ত আকাশের সীমা খুঁজিতে গিয়া প্রাণ হারায়, আবিষ্কারক রূপে নব পৃথিবীর সন্ধানে গিয়া আর ফিরে না।

ক. নটরাজ কী?

খ. ‘মম একহাতে বাঁকা বাঁশের বাঁশরী আর হাতে রণতূর্য’- ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকের আলোকে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সাদৃশ্য বর্ণনা করো।

ঘ. “উদ্দীপকের চেতনা এবং ‘বিদ্রোহী’ কবিতার মর্মকথা প্রায় একই”- বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১১। [কু. বো. ২০২৩]
আমি যুগে যুগে আসি, আসিয়াছি পুনঃমহাবিপ্লব হেতু
এই স্রষ্টার শনি মহাকাল ধূমকেতু।
সাত-সাতশ নরক-জ্বালা জ্বলে মম ললাটে।
মম ধূম কুণ্ডলী করেছে শিবের ত্রিনয়ন ঘন ঘোলাটে।
আমি স্রষ্টার বুকে সৃষ্টি পাপের অনুতাপ-তাপ,
হাহাকার আর মর্ত্যে সাহারা-গোবি ছাপ
আমি অশিব তিক্ত অভিশাপ।

ক. অর্ফিয়াসের ভালোবাসার পাত্রীর নাম কী ছিল?

খ. কবি ‘অনিয়ম-উচ্ছৃঙ্খল’ কেন?

গ. উদ্দীপকের সঙ্গে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার সাদৃশ্য তুলে ধরো।

ঘ. “উদ্দীপকের মতো ‘বিদ্রোহী’ কবিতায়ও দ্রোহের স্বাক্ষর নিহিত।”- কথাটির মূল্যায়ন করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১২। [সি. বো. ২০২২]
আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা, আমি বাঁধি তার ঘর,
আপন করিতে কাঁদিয়া বেড়াই যে মোরে করেছে পর।
যে মোরে করিল পথের বিবাগী,-
পথে পথে আমি ফিরি তার লাগি,
দীঘল রজনী তার তরে জাগি ঘুম যে হরেছে মোর;
আমার এ ঘর ভাঙিয়াছে যেবা আমি বাঁধি তার ঘর।

ক. ‘বিদ্রোহী’ কবিতার কবিকে রুষে উঠতে দেখে কী ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে নিভে যায়?

খ. কবি নিজেকে বেদুঈন বলেছেন কেন? ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকের কবির বক্তব্য বিষয়ের সাথে ‘বিদ্রোহী’ কবিতার বৈসাদৃশ্যের দিকটি ব্যাখ্যা করো।

ঘ. “উদ্দীপকের কবিতাংশে প্রতিফলিত চেতনা ‘বিদ্রোহী’ কবিতার মর্মকথারই প্রতিরূপ।” বিশ্লেষণ করো।

নিচে বিদ্রোহী কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর পিডিএফ ফাইল দেওয়া হল।

বিদ্রোহী কবিতার সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর পিডিএফ

Related Posts

Leave a Comment