/** * The template for displaying the header. * * @package GeneratePress */ if ( ! defined( 'ABSPATH' ) ) { exit; // Exit if accessed directly. } ?> বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সৃজনশীল প্রশ্ন ৪র্থ অধ্যায়

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সৃজনশীল প্রশ্ন ৪র্থ অধ্যায়

প্রাচীন বাংলার ইতিহাস সূচনা হয়েছে কয়েকটি গৌরবময় রাজবংশের পদচারণায়। এই সূচীপত্রে প্রথম নামটি মৌর্যবংশের। তারপর শুঙ্গ, কুশান আর গুপ্তরা – যারাই ক্রমান্বয়ে বাংলার শাসনভার নিয়েছেন। গুপ্ত শাসকদের ক্ষমতা যখন কমতে থাকে, তখন ক্ষীণ সেই সুযোগে বাংলার বুকে গজিয়ে ওঠে অসংখ্য ছোট ছোট রাজ্য। এই পোস্টে বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সৃজনশীল প্রশ্ন ৪র্থ অধ্যায় লিখে দিলাম।

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সৃজনশীল প্রশ্ন ৪র্থ অধ্যায়

সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন]
১. দৃশ্যপট-১
অজয়বাবু নবীনগরের শাসন ক্ষমতার অধিকারী হয়ে এলাকার সামাজিক উন্নয়নের সাথে এলাকার লোকজনের জন্য বড় বড় পাঠাগারও স্থাপন করেন। কারণ তিনি বই পড়তে ও নিজে বই লিখতে পছন্দ করতেন। তিনি ধর্মভীরু ছিলেন। নিজে তার ধর্মের রীতিনীতি মেনে চলতেন এবং জনগণকেও মানতে বাধ্য করতেন।
দৃশ্যপট-২
রাজনগর পৌরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন বড়ুয়া তার এলাকায় একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন। সে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেশ-বিদেশের শিক্ষার্থীর শিক্ষা গ্রহণের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়। তার এলাকার ধর্মাবলম্বীদের নিজ নিজ ধর্ম পালনের সুবিধার বিষয়ে তিনি মনোযোগী হন। তিনি তার পৌরসভায় শান্তিশৃঙ্খলা স্থাপনেও সমর্থ হন। ফলে তিনি দীর্ঘদিন পৌরশাসন করার সুযোগ লাভ করেন।

ক. মাৎস্যন্যায় কাকে বলে?

খ. সেন রাজত্বকালে সমাজে উচ্চবর্ণের হিন্দুদের প্রভাব ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছিলো কেনো?

গ. নবীনগরের শাসক অজয়বাবুর মধ্যে পাল বংশের কোন শাসকের কর্মকাণ্ডের প্রতিফলন লক্ষ করা যায়? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. সৌমেন বড়ুয়া পালবংশের যে শাসকের আদর্শ দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে দীর্ঘদিন চেয়ারম্যান ছিলেন তাঁর শাসনামলের সামাজিক অবস্থা মূল্যায়ন করো।

উত্তরঃ

ক.

খ.

গ.

ঘ.


সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২।
 বগুড়ার মহাস্থানগড়ে প্রাপ্ত প্রত্ননিদর্শনে উত্তর বাংলায় একটি বিশাল সাম্রাজ্যের অংশ হিসেবে একটি সুশৃঙ্খল প্রশাসনিক কাঠামোর অস্তিত্ব পাওয়া যায়। এখানে ‘মহামাত্র’ নামে একজন রাজপ্রতিনিধির মাধ্যমে শাসন পরিচালিত হতো। সম্রাট অশোকের রাজত্বকালেই বাংলা এই সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত হয়।
ক. ‘মহামাত্র’ কে ছিলেন?
খ. মৌর্য যুগের পূর্বে প্রাচীন বাংলার ধারাবাহিক ইতিহাস পাওয়া যায় না কেন?
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত অঞ্চলটি মৌর্য সাম্রাজ্যের কোন প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত ছিল? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. মৌর্য শাসনব্যবস্থার সাথে গুপ্ত যুগের শাসনব্যবস্থার তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩।
গুপ্ত সম্রাটরা বাংলার উত্তরাংশকে ‘পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তি’ নামে একটি প্রদেশে বিভক্ত করেন। প্রদেশের শাসনকর্তা ছিলেন ‘উপরিক’। প্রশাসনিক সুবিধার জন্য ভুক্তিকে ভাগ করা হয় কয়েকটি ‘বিষয়ে’, বিষয়কে ‘মণ্ডলে’, মণ্ডলকে ‘বীথিতে’ এবং বীথিকে ‘গ্রামে’ বিভক্ত করা হয়। গ্রামই ছিল সবচেয়ে ছোট শাসন বিভাগ।
ক. ‘উপরিক’ কে ছিলেন?
খ. গুপ্ত যুগকে ‘ভারতের স্বর্ণযুগ’ বলা হয় কেন?
গ. উদ্দীপকে বর্ণিত প্রশাসনিক কাঠামোটি বিস্তারিত ব্যাখ্যা করো।
ঘ. ‘গুপ্ত যুগের প্রশাসনিক কাঠামো আধুনিক প্রশাসনিক কাঠামোর ভিত্তি স্থাপন করেছিল’- মূল্যায়ন করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪।
সপ্তম শতকে গৌড়ের রাজা শশাঙ্ক একজন পরাক্রমশালী শাসক ছিলেন। তিনি গুপ্ত রাজার ‘মহাসামন্ত’ হিসেবে ক্ষমতায় আসেন এবং পরে স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। তার রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ। তিনি উত্তর ভারতের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন এবং হর্ষবর্ধনের সঙ্গে সংঘর্ষে লিপ্ত হন।
ক. ‘মহাসামন্ত’ কাকে বলে?
খ. শশাঙ্কের মৃত্যুর পর কেন বাংলায় ‘মাৎস্যন্যায়’ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়?
গ. উদ্দীপকের আলোকে শশাঙ্কের রাজ্য বিস্তারের বিবরণ দাও।
ঘ. “শশাঙ্ক শৈবধর্মের অনুসারী হলেও তিনি ধর্মীয় সহিষ্ণু ছিলেন”- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫।
একজন পাল রাজা বহু শিক্ষাকেন্দ্র ও বিহার প্রতিষ্ঠা করেন। সোমপুর মহাবিহার ও বিক্রমশীল বিহার তার সময়কার উল্লেখযোগ্য স্থাপত্য নিদর্শন। তিনি বৌদ্ধ হলেও ব্রাহ্মণদের ভূমিদান করেন এবং সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলেন। তার উপাধি ছিল ‘বিক্রমশীল’।
ক. বিক্রমশীল বিহার কে প্রতিষ্ঠা করেন?
খ. ধর্মপালের ধর্মনীতি কীরূপ ছিল?
গ. উদ্দীপকের রাজার শিক্ষাবিস্তারে অবদান ব্যাখ্যা করো।
ঘ. “ধর্মপালের সময়কালকে পাল বংশের শাসনের শীর্ষস্থানীয় সময় বলা হয়”- বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬।
পাল বংশের এক রাজা কম্বোজদের বিতাড়িত করে সাম্রাজ্যের পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। তিনি রাজ্য বিস্তার ও জনকল্যাণমূলক কাজে মনোযোগী ছিলেন। তার নামে রংপুর, বগুড়া ও নওগাঁয় বেশ কিছু নগরী ও দীঘি রয়েছে। তার বংশধরদের সময় বরেন্দ্র অঞ্চলে কৈবর্ত বিদ্রোহ সংঘটিত হয়।
ক. ‘কৈবর্ত বিদ্রোহ’ কী?
খ. মহীপাল কেন পাল সাম্রাজ্যের ‘পুনঃপ্রতিষ্ঠাতা’ হিসেবে পরিচিত?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত রাজার জনকল্যাণমূলক কাজ উদাহরণসহ ব্যাখ্যা করো।
ঘ. “কৈবর্ত বিদ্রোহ বাংলার ইতিহাসে প্রথম সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণে সংঘটিত বিদ্রোহ”- বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭।
পাল বংশের শেষ প্রতাপশালী শাসক বরেন্দ্র উদ্ধার করে সাম্রাজ্যের পতন রোধ করেন। ‘রামচরিত’ কাব্যে তার জীবনকথা বর্ণিত হয়েছে। তার মৃত্যুর পর সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা পরাজিত করে বাংলায় নতুন শাসনের সূচনা করেন। সেন বংশের অধীনে সমগ্র বাংলা প্রথমবারের মতো একক রাজার অধীনে আসে।
ক. ‘রামচরিত’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?
খ. সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা কে এবং তিনি কীভাবে ক্ষমতায় আসেন?
গ. উদ্দীপকের প্রথমোক্ত রাজার সাম্রাজ্য উদ্ধারের কৌশল ব্যাখ্যা করো।
ঘ. “সেন শাসনামলে বাংলায় হিন্দুধর্মের প্রভাব বৃদ্ধি পেলেও বৌদ্ধধর্ম দুর্বল হয়ে পড়ে”- বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮।
সেন বংশের এক রাজা ‘দানসাগর’ ও ‘অদ্ভুতসাগর’ গ্রন্থ রচনা করেন। তিনি ‘কৌলীন্য প্রথা’ প্রবর্তন করেন এবং তান্ত্রিক হিন্দুধর্মের পৃষ্ঠপোষকতা করেন। তার সময়ে ব্রাহ্মণ্য ধর্মের প্রতিপত্তি বৃদ্ধি পায় এবং বৌদ্ধধর্ম দুর্বল হয়ে পড়ে। তার পুত্র বৈষ্ণব ধর্ম গ্রহণ করেন এবং তুর্কি আক্রমণের সময় নদীয়ায় পরাজিত হন।
ক. ‘কৌলীন্য প্রথা’ কী?
খ. বল্লাল সেনের সাহিত্যকীর্তি কীরূপ?
গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ‘দানসাগর’ ও ‘অদ্ভুতসাগর’ গ্রন্থের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করো।
ঘ. “লক্ষণ সেনের পরাজয়ের মধ্য দিয়ে বাংলায় প্রাচীন যুগের সমাপ্তি ঘটে”- উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৯।
দৃশ্যপট-১
প্রত্নতত্ত্ববিদ মামুনুর রহমান বগুড়ার মহাস্থানগড়ে খনন কাজ করে একটি প্রাচীন নগরের সন্ধান পান। এখানে একটি কেন্দ্রীয় শাসনব্যবস্থার নিদর্শন পাওয়া যায় যেখানে একজন ‘মহামাত্র’ শাসনকার্য পরিচালনা করতেন। এ সময় বাংলার উত্তরাংশ একটি বিশাল সাম্রাজ্যের অংশ ছিল।
দৃশ্যপট-২
গুপ্ত বংশের এক সম্রাট বাংলার উত্তরাংশে ‘পুণ্ড্রবর্ধন ভুক্তি’ নামে একটি প্রদেশ গঠন করেন। এখানে ‘উপরিক’ নামে একজন শাসক নিয়োজিত থাকতেন। তিনি শ্রেণিবিন্যাস অনুসারে বিষয়, মণ্ডল, বীথি ও গ্রামের মাধ্যমে শাসন পরিচালনা করতেন।
ক. ‘মহামাত্র’ কে ছিলেন?
খ. মৌর্য যুগের পূর্বে প্রাচীন বাংলার ধারাবাহিক ইতিহাস পাওয়া যায় না কেন?
গ. দৃশ্যপটের ‘মহামাত্র’ বাংলার কোন অংশ শাসন করতেন? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. দৃশ্যপট-২-এর শাসনব্যবস্থা বর্তমান প্রশাসনিক কাঠামোর সঙ্গে কতটা সাদৃশ্যপূর্ণ? বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১০।
দৃশ্যপট-১
ইতিহাসের শিক্ষক শ্রেণিতে বললেন, “সপ্তম শতকে বাংলার পশ্চিম ও উত্তরাঞ্চল নিয়ে একটি শক্তিশালী রাজ্য গড়ে ওঠে। এর রাজা ‘মহাসামন্ত’ হিসেবে ক্ষমতায় আসেন এবং পরে স্বাধীন রাজা হন। তিনি উত্তর ভারতের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন এবং তাঁর রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ।”
দৃশ্যপট-২
প্রতিবেশী এক রাজার গুণমুগ্ধ চীনা পরিব্রাজক রাজা শশাঙ্ককে বৌদ্ধবিদ্বেষী হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তবে অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন তিনি নিজের ধর্মের প্রতি অনুগত থাকলেও অন্যদের ব্যাপারে সহনশীল ছিলেন।
ক. ‘মহাসামন্ত’ বলতে কী বোঝায়?
খ. শশাঙ্কের পতনে হর্ষবর্ধনের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।
গ. দৃশ্যপট-১-এর রাজার রাজ্য বিস্তৃতি কীরূপ ছিল? ব্যাখ্যা করো।
ঘ. দৃশ্যপট-২-এ চীনা পরিব্রাজকের মূল্যায়ন কতটা যুক্তিযুক্ত? তোমার মতামত দাও।

নিচে ৯ম-১০ম শ্রেণির বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সৃজনশীল প্রশ্ন ৪র্থ অধ্যায় পিডিএফ ফাইল দেওয়া হল।

বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা সৃজনশীল প্রশ্ন ৪র্থ অধ্যায় পিডিএফ

Related Posts

Leave a Comment