৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সৃজনশীল প্রশ্ন ৪র্থ অধ্যায়

বাংলাদেশকে বলা হয় কৃষিপ্রধান দেশ। এদেশের বেশির ভাগ লোক গ্রামে বাস করে। আর কৃষিই তাদের জীবিকার প্রধান উপায়। এছাড়াও গ্রামাঞ্চলে কিছু লোক যেমন- তাঁতি, জেলে, কুমার, কামার, মুদি দোকানদারও ছোটোখাটো ব্যবসা করে জীবনধারণ করে। এই পোস্টে ৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সৃজনশীল প্রশ্ন ৪র্থ অধ্যায় লিখে দিলাম।

৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সৃজনশীল প্রশ্ন ৪র্থ অধ্যায়

সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন]
মিস ওশিন গবেষণার কাজে তথ্য সংগ্রহের জন্য জাপান থেকে পার্শ্ববর্তী একটি উন্নয়নশীল দেশে আসেন। তিনি পর্যবেক্ষণ। করেন যে, দেশটির জনগণ তাদের অবস্থার উন্নতির জন্য নানা প্রচেষ্টায় নিয়োজিত। দেশটির অভ্যন্তরীণ বার্ষিক আয়ের পরিমাণ ১০,০০০ কোটি মার্কিন ডলার। ঐ বছরে দেশটির প্রবাসী নাগরিকদের পাঠানো রেমিটেন্সের পরিমাণ ৫,০০০ কোটি মার্কিন ডলার। দেশটির বর্তমান জনসংখ্যা ১৫ কোটি। সরকার দেশটির চাষাবাদে যান্ত্রিক পদ্ধতির প্রয়োগ, প্রযুক্তির ব্যবহার ও শিল্পের হার – বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দিচ্ছে।

ক. ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার কত ছিল?

খ. ‘জাতীয় আয়’ ধারণাটি ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকে উল্লিখিত দেশটির জনগণের মাথাপিছু আয় নির্ণয় করো।

ঘ. উদ্দীপকে সরকারের নেওয়া উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ‘কর্মসংস্থান সৃষ্টি’- কি বৈষম্য দূর করতে পেরেছে কিনা তা মূল্যায়ন করো।

উত্তরঃ

ক. ২০২৪ সালে বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার ছিল শতকরা ৭৭.৯ ভাগ।

খ. একটি দেশের নাগরিকরা নির্দিষ্ট সময়ে (সাধারণত এক বছর) যে সকল দ্রব্য ও সেবা উৎপাদন করে তার মোট আর্থিক মূল্য হচ্ছে মোট জাতীয় আয়।

একজন নাগরিক নিজের দেশ বা বিদেশে যেখানেই চাকরি বা ব্যবসা করুক, তার আয় যদি দেশের অর্থনীতিতে যোগ হয়, তাহলে সেটি মোট জাতীয় আয়ের অংশ হিসেবে ধরা হয়। এই মোট জাতীয় আয় দিয়ে একটি দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান বোঝা যায়। যে দেশের মাথাপিছু আয় যত বেশি, সে দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান তত উন্নত।

গ. উদ্দীপকে উল্লেখিত দেশটির জনগণের মাথাপিছু আয় নির্ণয় করতে হলে মোট জাতীয় আয়কে দেশটির মোট জনসংখ্যা দ্বারা ভাগ করতে হবে।

একটি দেশের মোট জাতীয় আয়কে সেই দেশের মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে মাথাপিছু আয় পাওয়া যায়। এর মাধ্যমে দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মান বোঝা যায়। যে দেশের মাথাপিছু আয় বেশি, সে দেশের মানুষের জীবনযাত্রার মানও উন্নত এবং অর্থনীতি বেশি শক্তিশালী।

উদ্দীপকে দেওয়া তথ্য অনুযায়ী—
মোট জাতীয় আয় = ১০,০০০ + ৫,০০০ কোটি মার্কিন ডলার
= ১৫,০০০ কোটি মার্কিন ডলার

জনসংখ্যা = ১৫ কোটি

তাহলে মাথাপিছু আয় = ১৫,০০০ কোটি ÷ ১৫ কোটি
= ১,০০০ মার্কিন ডলার।

অতএব, উল্লিখিত দেশটির মাথাপিছু আয় ১০০০ মার্কিন ডলার।

ঘ. উদ্দীপকে সরকারের নেওয়া উদ্যোগ তথা চাষাবাদে যান্ত্রিক পদ্ধতির প্রয়োগ, প্রযুক্তির ব্যবহার ও শিল্পের হার বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেওয়ার মূল লক্ষ্য ‘কর্মসংস্থান সৃষ্টি’ হলেও তা পুরোপুরিভাবে বৈষম্য দূর করতে পারছে না।

যেসব দেশের অর্থনীতি কৃষির ওপর নির্ভরশীল, সেখানে চাষাবাদে যন্ত্রের ব্যবহার, নতুন প্রযুক্তি প্রয়োগ এবং শিল্পকারখানা বাড়ালে সহজে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। এর ফলে প্রযুক্তি ও শিল্পখাতে নতুন কাজের সুযোগ তৈরি হয়, মানুষ জীবিকা পায় এবং বেকারত্ব কমে।

উদ্দীপকে বলা হয়েছে, দেশটির সরকার কর্মসংস্থান বাড়ানোর জন্য চাষাবাদে যন্ত্রের ব্যবহার, প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং শিল্পের সংখ্যা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। আলোচনার সুবিধার জন্য আমরা দেশটিকে বাংলাদেশ ধরে নিতে পারি। কিন্তু এসব উদ্যোগ থাকলেও সমাজে এখনো বৈষম্য পুরোপুরি কমেনি। বাংলাদেশের ২০২২ সালের খানা আয়-ব্যয় জরিপ অনুযায়ী দারিদ্র্যের হার ১৮.৭% এবং অতি দারিদ্র্যের হার ৫.৬%। অর্থাৎ অনেক মানুষের জীবনমান ও শিক্ষার সুযোগ এখনো কম। এর ফলে ধনী ও দরিদ্র মানুষের আয়ের পার্থক্য এখনো অনেক বেশি।

সবশেষে বলা যায়, সরকারের এসব উদ্যোগের উদ্দেশ্য কর্মসংস্থান বাড়িয়ে দেশের উন্নয়ন করা। তবে শুধু এই পদক্ষেপের মাধ্যমে সমাজের সব বৈষম্য দূর করা সম্ভব নয়।


সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন]
রায়হান সাহেব দীর্ঘদিন চাকরি সূত্রে মালয়েশিয়ায় ছিলেন। কিছুদিন হলো তিনি দেশে তার নিজ গ্রামে ফিরে আসেন। তিনি লক্ষ করেন তার গ্রামসহ আশপাশের গ্রামের কিশোর তরুণেরা স্কুল-কলেজে যায় না, বেকার ও অলস সময় কাটায়, শিশু মৃত্যুর হারও অত্যধিক। তিনি গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সহায়তায় এলাকায় বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেন।

ক. ২০২২ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা কত ছিল?

খ. কীভাবে বোঝা যাবে একটি দেশের অর্থনীতি কতটা কল্যাণমুখী- ব্যাখ্যা করো।

গ. রায়হান সাহেবের নেওয়া উদ্যোগ দেশে যে ধরনের সম্পদ সৃষ্টিতে সহায়ক তা ব্যাখ্যা করো।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত উন্নয়নসূচক অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থা বিশ্লেষণ করো।

উত্তরঃ

ক. ২০২২ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল ১৬ কোটি ৫১ লক্ষ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন।

খ. একটি দেশের অর্থনীতি মানুষের জন্য কতটা ভালো, তা বোঝার জন্য শুধু মোট দেশজ উৎপাদন ও মাথাপিছু আয় দেখলেই যথেষ্ট নয়। এর সাথে মানব উন্নয়ন সূচক ও অন্যান্য সামাজিক বিষয়ও দেখতে হয়।

যখন অর্থনৈতিক উন্নয়নের সুবিধা সমাজের সব মানুষের কাছে পৌঁছায় এবং তারা শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও মৌলিক চাহিদা পূরণের সুযোগ পায়, তখন সেই অর্থনীতিকে সত্যিকারের কল্যাণমুখী অর্থনীতি বলা যায়।

গ. রায়হান সাহেবের নেওয়া উদ্যোগ দেশে দক্ষ মানবসম্পদ সৃষ্টিতে সহায়ক।

মানুষ তখনই দেশের বা সমাজের সম্পদ হয়ে ওঠে, যখন সে কাজ করার ক্ষমতা রাখে। তাই যেসব মানুষ কাজ করতে পারে, তাদেরই দেশের মানবসম্পদ বলা হয়। অদক্ষ ও অক্ষম মানুষকে প্রশিক্ষণ দিয়ে কাজের উপযোগী করে তোলাই মানবসম্পদের উন্নয়ন। যারা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জন করে এবং কাজের সুযোগ তৈরি করতে পারে, তারাই প্রকৃত মানবসম্পদ। কারণ দক্ষ মানুষই দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।

উদ্দীপকে দেখা যায়, রায়হান সাহেব গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সাহায্যে বেকার ও অদক্ষ তরুণদের জন্য বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ ও কাজের ব্যবস্থা করেন। তাই বলা যায়, রায়হান সাহেবের এই উদ্যোগ দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি করতে সাহায্য করবে এবং দেশকে উন্নতির দিকে এগিয়ে নেবে।

ঘ. উদ্দীপকে বর্ণিত উন্নয়ন সূচকগুলো বিবেচনা করলে বোঝা যায়, বাংলাদেশ এখনো আশানুরূপ অর্থনৈতিক অবস্থায় পৌঁছায়নি।

কোনো দেশ বা এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান বোঝার জন্য কিছু নির্দিষ্ট তথ্য জানা দরকার। এসব তথ্যকে মানব উন্নয়ন সূচক বলা হয়। যেমন— মানুষের সাক্ষরতার হার, আয়-ব্যয়, বাসস্থান, চিকিৎসা সুবিধা এবং খাদ্য গ্রহণের অবস্থা ইত্যাদি। এসব সূচক একসাথে দেখে একটি দেশ বা জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মান বোঝা যায়। উদ্দীপকে উল্লেখ করা সূচকগুলোর মাধ্যমে বাংলাদেশের অবস্থাও বিশ্লেষণ করা যায়।

২০২৫ সালের ‘Human Development Report’ অনুযায়ী মানব উন্নয়ন সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩০তম, যা ২০২২ সালে ছিল ১২৯তম। আবার ২০১৫ সালে দেশে বেকারত্বের হার ছিল ৪.৪%, যা ২০২৪ সালে বেড়ে ৪.৭% হয়েছে। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশের সাক্ষরতার হার ৭৭.৯%, যা ২০০৯ সালে ছিল ৫৪.৮%। এসব তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, কিছু ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উন্নতি করলেও অনেক ক্ষেত্রে এখনো পিছিয়ে আছে। স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জনসংখ্যা খাতে গুরুত্ব দেওয়ায় প্রজনন হার ও মৃত্যুহার কমেছে, গড় আয় বেড়েছে এবং অপুষ্টির হারও কমেছে। তবে এখনো অনেক মানুষের ভালো জীবনযাত্রা ও শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা যায়নি।

পরিশেষে বলা যায়, উল্লেখিত সূচকগুলো বিবেচনা করলে দেখা যায় যে বাংলাদেশ এখনো প্রত্যাশিত অর্থনৈতিক অবস্থায় পুরোপুরি পৌঁছাতে পারেনি।

সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩। [জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা, ২০২৫]
তথ্যসূত্র-১: একটি নির্দিষ্ট অর্থবছরে ‘X’ দেশের অভ্যন্তরে বসবাসরত দেশি ও বিদেশি নাগরিকদের দ্বারা উৎপাদিত সকল দ্রব্য ও সেবার (বিদেশিদের ৪,০০০ কোটি মার্কিন ডলারসহ) মোট আর্থিক মূল্য হলো ৩০,০০০ কোটি মার্কিন ডলার। সে দেশের প্রবাসীদের পাঠানো রেমিটেন্সের পরিমাণ হলো ১০,০০০ কোটি মার্কিন ডলার। দেশটির জনসংখ্যা ১৮ কোটি।

তথ্যসূত্র-২: জনাব সাকিল জার্মানিতে কর্মরত। তিনি প্রতি মাসে তার আয়ের একটি অংশ দেশে অবস্থানরত পরিবারকে পাঠান। পরিবারের সদস্যগণ সে অর্থ দিয়ে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে ব্যবসায় খাটিয়ে সচ্ছলতা আনয়ন করেছেন।

ক. মানবসম্পদ কাকে বলে?

খ. ‘দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র’ কী? ব্যাখ্যা করো।

গ. তথ্যসূত্র-১ এ উক্ত বছরে ‘X’ দেশের মাথাপিছু আয় নির্ণয় করো।

ঘ. নিজ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে তথ্যসূত্র-২-এর জনাব সাকিলের মতো লোকদের অবদান অপরিসীম- মূল্যায়ন করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪। [ঢাকা বোর্ড ২০১৭]
দৃশ্যকল্প-১: বিদেশে কর্মরত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রেরিত অর্থ হিসাবের মধ্যে অন্তর্ভুক্ত থাকে না।

দৃশ্যকল্প-২: দেশি ও বিদেশি সকল জনগণের উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ক. মাথাপিছু আয় কী?

খ. দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র বলতে কী বোঝায়?

গ. দৃশ্যকল্প-১ এ অর্থনীতির কোন সূচক নির্দেশ করে? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. “দৃশ্যকল্পে বর্ণিত সূচকদ্বয়ের বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটে।” বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫। [রাজশাহী বোর্ড ২০১৯]
জুয়েল একজন ব্যবসায়ী। সে দেশে-বিদেশে ব্যবসায়। পরিচালনা করে। সৌদি আরবেও তার দুটি দোকান আছে। এভাবে। সে অনেক টাকা উপার্জন করে। তার ভাই মহসিন একজন ধনী। ব্যক্তি। তিনি সবসময় তার এলাকার কল্যাণ চান। এজন্য তিনি একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন। সেখানে তার এলাকার মানুষ। বিভিন্ন বিষয়ের ওপর প্রশিক্ষণ নেয়। তিনি সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষাগ্রহণে সহায়তা করেন।

ক. মাথাপিছু আয় কী?

খ. আমাদের কৃষিখাতকে উন্নত করা প্রয়োজন কেন?

গ. জুয়েলের কাজটি অর্থনীতির কোন সূচকের মধ্যে পড়ে? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে মহসিনের কাজের গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬। [ময়মনসিংহ বোর্ড ২০১৯]
জনাব রকিব ‘X’ দেশে চাকরি করেন। দেশটিতে তার মতো অনেক বাংলাদেশি থাকেন। পৃথিবীর অনেক দেশে তার মতো অনেকে চাকরি করেন। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে এসব মানুষের ১২.২৫৫ মিলিয়ন ডলার তাদের পরিবারের নিকট পাঠিয়েছে। জনাব রকির জানতে পেরেছেন ‘X’ দেশটির জাতীয় আয় ৪৫০০০০ কোটি ডলার এবং লোকসংখ্যা ১২ কোটি।

ক. মোট দেশজ উৎপাদন কী?

খ. দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র কীভাবে মানবসম্পদ উন্নয়নকে বাধাগ্রস্ত করছে? ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকের তথ্য অনুযায়ী ‘X’ দেশটির মাথাপিছু আয় নির্ণয় করো।

ঘ. উদ্দীপকের রকিব সাহেবের মতো মানুষদের পাঠানো টাকা আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে প্রভাব ফেলে কি? যুক্তিসহ মতামত দাও।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭। [কুমিল্লা বোর্ড ২০১৭]
আরমান একটি মৎস্য খামার তৈরি করেন। সেখান থেকে। উৎপাদিত মাছ বাজারে বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করে। এই অর্থ দিয়ে তার সংসার চালায়। অন্যদিকে আরমানের বড় ভাই কামাল বিদেশে চাকরি করে প্রচুর অর্থ উপার্জন করে।

ক. GDP-এর পূর্ণরূপ কী?

খ. মাথাপিছু আয়ের ধারণাটি ব্যাখ্যা করো।

গ. আরমানের কাজ জাতীয় আয়ের কোন উৎসের অন্তর্ভুক্ত? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. দেশের মোট জাতীয় উৎপাদনে আরমান ও কামালের কাজের অবদানের তুলনামূলক বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮। [যশোর বোর্ড ২০১৯]
সজল সাহেবের ছেলে সৃজন ১০ বছর যাবৎ সৌদিতে কাজ করেন। সজল সাহেব ছেলের প্রেরিত অর্থ দিয়ে দেশে একটি গার্মেন্টস স্থাপন করেন। যেখানে অনেক বেকার লোক কাজ করার। সুযোগ পায় এবং তিনিও বেশ মুনাফা অর্জন করেন।

ক. মোট দেশজ উৎপাদন কাকে বলে?

খ. অর্থনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে মানব সম্পদ উন্নয়নের ভূমিকা ব্যাখ্যা করো।

গ. সজল সাহেবের কাজটি আমাদের জাতীয় আয়ের কোন খাতের। অন্তর্ভুক্ত? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. উদ্দীপকের সৃজনের প্রেরিত অর্থ কীভাবে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে- পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।

নিচে ৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সৃজনশীল প্রশ্ন ৪র্থ অধ্যায় পিডিএফ ফাইল দেওয়া হল।

৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সৃজনশীল প্রশ্ন ৪র্থ অধ্যায় পিডিএফ

আরও পড়ুনঃ ৮ম শ্রেণির বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় সৃজনশীল প্রশ্ন ৩য় অধ্যায়

Related Posts

Leave a Comment