অপরিচিতা গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর (পিডিএফ সহ)

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘অপরিচিতা’ গল্পে অনুপমের মামার চরিত্রে যৌতুকলোভী ও লোভী মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়। তিনি অনুপমের বিয়েকে কেন্দ্র করে কল্যাণীর বাবার কাছে টাকা ও গহনা যৌতুক হিসেবে দাবি করেন। এই পোস্টে অপরিচিতা গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর লিখে দিলাম।

অপরিচিতা গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর

সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন]
মা-মরা ছোটো মেয়ে লাবনি আজ শ্বশুরবাড়ি যাবে। মেয়ে সুখে থাকবে এই আশায় দরিদ্র কৃষক লতিফ মিয়া আবাদের সামান্য জমিটুক রেখে পণের টাকা জোগাড় করলেন। কিন্তু তাতেও কিছু ঘাটতি রয়ে গেল। এদিকে বর পারভেজের বাবা হারুন মিয়ার এক কথা- সম্পূর্ণ টাকা না পেলে তিনি ছেলেকে নিয়ে চলে যাবেন। বিষয়টি পারভেজের কানে গেলে সে বাপকে সাফ জানিয়ে দেয়া সে দরদাম বা কেনাবেচার পণ্য নয়। সে একজন মানুষকে জীবনসঙ্গী করতে এসেছে, অপমান করতে নয়। ফিরতে হলে সে লাবনিকে সঙ্গে নিয়েই ফিরবে।

ক. শম্ভুনাথ সেকরার হাতে কী পরখ করতে দিয়েছিলেন?

খ. ‘বাংলাদেশের মধ্যে আমিই একমাত্র পুরুষ যাহাকে কন্যার বাপ বিবাহ আসর হইতে নিজে ফিরাইয়া দিয়াছে’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

গ. অনুপম ও পারভেজের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের বৈপরীত্য ব্যাখ্যা করো।

ঘ. ‘অনুপমের মামা ও হারুন মিয়ার মতো মানুষের কারণে আজও কল্যাণী ও লাবনিরা অপমানের শিকার হয়’- মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ কর

উত্তরঃ

ক. শম্ভুনাথ সেকরার হাতে একজোড়া এয়ারিং পরখ করতে দিয়েছিলেন।

খ. বিয়ের দিনে অনুপমের ব্যক্তিত্বহীনতার পরিচয় পেয়ে শম্ভুনাথ সেনের কল্যাণীর সঙ্গে তার বিয়ে ভেঙে দেওয়ার মতো অভাবনীয় কাণ্ডে
অনেকটা হতবিহ্বল হয়ে অনুপম এ কথা বলেছে।

অনুপমের বিয়ের সময় তার লোভী মামা কল্যাণীর বাবার কথায় বিশ্বাস না করে বিয়ের আগেই সব গহনা সেকরা দিয়ে পরীক্ষা করতে চান। এই বিষয়টি খুবই অপমানজনক ছিল। অথচ অনুপম এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিবাদ করেনি। এতে কল্যাণীর বাবা শম্ভুনাথ সেন খুব কষ্ট পান এবং নিজেকে অপমানিত মনে করেন। তাই তিনি কন্যাদান করতে রাজি হন না। সাধারণত এমন ঘটনা খুব কমই দেখা যায়। এই অস্বাভাবিক ও অপমানজনক পরিস্থিতিতে শম্ভুনাথ সেন যেভাবে অনুপমকে অপমান করেছেন, সেটি বোঝানোর জন্যই প্রশ্নোক্ত উক্তিটি বলা হয়েছে।

গ. ‘অপরিচিতা’ গল্পের অনুপমের মাঝে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে উদ্দীপকের পারভেজের মতো চারিত্রিক দৃঢ়তার পরিচয় পাওয়া যায় না।

‘অপরিচিতা’ গল্পে দেখা যায়, অনুপমের বাবা মারা যাওয়ার পর তার মামাই পরিবারের সব দায়িত্ব নেয়। অনুপমের বিয়ের সময় মামা কল্যাণীর বাবার দেওয়া গহনা পরীক্ষা করাতে চান। এতে একটি অপমানজনক পরিস্থিতি তৈরি হয়। কিন্তু অনুপম এ অন্যায়ের বিরুদ্ধে কিছুই বলে না। এমনকি শম্ভুনাথ সেন বিয়ে ভেঙে দিলেও অনুপম নীরব থাকে।

উদ্দীপকে পারভেজের বাবা হারুন মিয়া অল্প টাকার জন্য ছেলেকে নিয়ে বিয়ের আসর ছেড়ে চলে যাওয়ার হুমকি দেন। এ কথা জানতে পেরে পারভেজ স্পষ্টভাবে বাবাকে জানিয়ে দেয় যে, সে কোনো জিনিস কিনতে আসেনি। তাই বাড়ি ফিরতে হলে সে লাবনিকে বিয়ে করেই ফিরবে। এতে পারভেজের দৃঢ় মানসিকতা প্রকাশ পায়। কিন্তু ‘অপরিচিতা’ গল্পের অনুপম তার মামার অন্যায় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে কল্যাণীকে বিয়ে করার সাহস দেখাতে পারেনি। এই দিক থেকে পারভেজ ও অনুপমের চরিত্রে স্পষ্ট পার্থক্য লক্ষ করা যায়।

ঘ. অপরিচিতা’ গল্পে যৌতুকপ্রথার কারণে নারীদের অপমানের দিকটি লক্ষ করা যায়।

‘অপরিচিতা’ গল্পে অনুপমের মামার মধ্যে স্পষ্ট যৌতুকলোভী মনোভাব দেখা যায়। তিনি অনুপমের বিয়ের সময় কল্যাণীর বাবার কাছে টাকা ও গহনা যৌতুক হিসেবে দাবি করেন। কল্যাণীর বাবা বাধ্য হয়ে মামার সব শর্ত মেনে নেন। কিন্তু বিয়ের দিন অনুপমের মামা মেয়ের বাবা খাঁটি গহনা দিয়েছেন কি না, তা যাচাই করার জন্য সেকরাকে সঙ্গে করে আনেন। এতে কল্যাণীর বাবা খুব অপমানিত বোধ করেন এবং এই অপমান সহ্য করতে না পেরে তিনি কল্যাণীর সঙ্গে অনুপমের বিয়ে দিতে অস্বীকৃতি জানান।

উদ্দীপকে দেখা যায়, লতিফ মিয়া তার মা-হারা মেয়ে লাবনির সুখের জন্য নিজের শেষ সম্বল আবাদি জমিটুকুও বন্ধক রেখে যৌতুকের টাকা জোগাড় করার চেষ্টা করেন। কিন্তু সামান্য কিছু টাকা কম পড়ায় হারুন মিয়া তার ছেলের বিয়েতে রাজি হন না। এতে হারুন মিয়ার লোভী ও হীন মানসিকতার পরিচয় পাওয়া যায়। এই মানসিকতা ‘অপরিচিতা’ গল্পে অনুপমের মামার চরিত্রের সঙ্গেও মিল রয়েছে।

উদ্দীপক ও ‘অপরিচিতা’ গল্প উভয় ক্ষেত্রেই দেখা যায়, যৌতুকপ্রথার কারণে লাবনি ও কল্যাণীকে অপমানিত হতে হয়েছে। দুঃখের বিষয় হলো, আমাদের সমাজে আজও এই বাস্তবতা বিদ্যমান। যৌতুকপ্রথার মতো কুপ্রথা এখনও টিকে আছে। এই দিক থেকে বলা যায়, উদ্দীপকের হারুন মিয়া ও ‘অপরিচিতা’ গল্পের অনুপমের মামার মতো মানুষের কারণেই আজও কল্যাণী ও লাবনির মতো মেয়েরা অপমানের শিকার হয়—এই মন্তব্যটি যথার্থ।


সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [ঢাকা বোর্ড ২০২৫]
সুমন ও নীলিমা দুজনেই উচ্চশিক্ষিত। তারা পরস্পরকে খুব ভালোবাসে। তারা বিয়ে করে সংসারী হতে চায়। নীলিমার পরিবার যৌতুক দিতে পারেনি বলে সুমনের পরিবার তাকে মেনে নিতে চায় না। সুমন পরিবারের ইচ্ছায় অন্যত্র বিয়ে করে। কিন্তু নীলিমা এটিকে অপমানজনক মনে করে আর বিয়ে করে না। অতঃপর শিক্ষকতায় নিবেদিত হয়ে নীলিমা তার বাকি জীবন অতিবাহিত করে।

ক. কল্যাণীর বাবার পেশা কী?

খ. “এই তো আমি জায়গা পাইয়াছি”- ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকের সুমন আর ‘অপরিচিতা’ গল্পের অনুপম চরিত্রের সাদৃশ্য তুলে ধর।

ঘ. “উদ্দীপকের নীলিমা ‘অপরিচিতা’ গল্পের কল্যাণীরই প্রতিচ্ছবি”-মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩। [রাজশাহী বোর্ড ২০২৫]
জেরিন রহমান ডাক্তার। বাবা-মার অনুরোধ সত্ত্বেও বিয়ে করতে চান না। কারণ, পত্র-পত্রিকা আর বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে যৌতুক ও নারী নির্যাতন বিষয়ে বিভিন্ন ঘটনা দেখে বিয়ে সম্পর্কে তার একটি নেতিবাচক ধারণা তৈরি হয়েছে। অবশেষে তার বাবা-মা বুঝিয়ে জেরিনকে বিয়ে করতে রাজি করান। বিয়ের দিনই তার ধারণা বদলে যায়। কারণ, বাবা-মা জেরিনের প্রয়োজনের কথা বিবেচনা করে কিছু আসবাবপত্র কিনে দিতে চাইলে জেরিনের শ্বশুর-শাশুড়ি তা নিতে বিনয়ের সঙ্গে অস্বীকৃতি জানায়। শ্বশুরবাড়িতে এসে তার ধারণা একদম পাল্টে যায়। স্বামী ইরফান হাসানের ভালোবাসা এবং শ্বশুর-শাশুড়ির আদর-স্নেহ তাকে বিমোহিত করে।

ক. ‘অপরিচিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গল্পগুচ্ছের কোন খণ্ডে অন্তর্ভুক্ত হয়?

খ. “সমস্ত মন যে সেই অপরিচিতার পানে ছুটিয়া গিয়াছিল।”-বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

গ. “উদ্দীপকের শ্বশুর-শাশুড়ি এবং ‘অপরিচিতা’ গল্পের মামা ভিন্ন জগতের মানুষ।”- উক্তিটি যাচাই কর।

ঘ. “শম্ভুনাথ ও কল্যাণীর কাঙ্ক্ষিত সমাজের ইঙ্গিত রয়েছে – উদ্দীপকে।”- তোমার মতামত দাও।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪। [কুমিল্লা বোর্ড ২০২৫]
বরপক্ষ অনেক টাকা ও দানসামগ্রী যৌতুক দাবি করলেও পাত্র হাতছাড়া হওয়ার ভয়ে রামসুন্দর মেয়ের বিয়ের জন্য তাতেই রাজি হয়ে যান। নিজের সম্পদ বিক্রি ও বন্ধক রাখার পরও বিয়ের দিন যৌতুকের কিছু টাকা বাকি থেকে যায়। পুরো যৌতুক বুঝে না নিয়ে বরের পিতা রায়বাহাদুর সন্তানকে বিয়ের আসরে বসতে দিতে রাজি নন। কিন্তু বর বিয়ে না করে বিয়ের আসর ছাড়বেন না ঘোষণা দেওয়ায় রায়বাহাদুর পুত্রের বিয়ে সম্পন্ন করার অনুমতি দিতে বাধ্য হন।

ক. ‘অপরিচিতা’ গল্পটি কোন পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়?

খ. অনুপম তার মামাকে ভাগ্যদেবতার প্রধান এজেন্ট বলেছে কেন?

গ. উদ্দীপকের বর ও ‘অপরিচিতা’ গল্পের অনুপম চরিত্রের বৈসাদৃশ্য বর্ণনা কর।

ঘ. “উদ্দীপকের রায়বাহাদুর এবং ‘অপরিচিতা’ গল্পের মামা দুটো নর-নারীর হৃদয়ের মিলনের চেয়ে বৈষয়িক লাভ-ক্ষতিকেই প্রাধান্য দিয়েছেন।”- মন্তব্যটি বিচার কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫। [চট্টগ্রাম বোর্ড ২০২৫]
মেয়ের বিয়ে নিয়ে বাবার উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তার অন্ত নেই। সমাজ এখনও কালো কিংবা শ্যামলা মেয়েদের পছন্দ করতে চায় না। হাশেম সাহেবের মেয়ে তাহমিনার গায়ের রং কালো হওয়ায় এ নিয়ে পরপর-চারবার বিয়ে ভেঙে যায়। তাই তাহমিনা বিয়ের পিঁড়িতে বসার চিন্তা পরিহার করে নারীশিক্ষার উন্নয়নে জীবন উৎসর্গ করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

ক. “মন্দ নয় হে! খাঁটি সোনা বটে।”- উক্তিটি কার?

খ. “আমাকে’ একটি কথা বলাও তিনি আবশ্যক বোধ করিলেন না।”- উক্তিটি বুঝিয়ে লেখ।

গ. উদ্দীপকের তাহমিনার বিয়ে ভাঙার ক্ষেত্রে গায়ের রঙের প্রসঙ্গটি ‘অপরিচিতা’ গল্পের কোন বিষয়টিকে মনে করিয়ে দেয়? বর্ণনা কর।

ঘ. “নারীর নানাবিধ সামাজিক প্রতিবন্ধকতা তাহমিনা ও কল্যাণী চরিত্রের ব্যক্তিসত্তার জাগরণের অনুঘটক।”- মন্তব্যটির যথার্থতা বিচার কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬। [সিলেট বোর্ড ২০২৫]
আশফাক সাহেব নিজের প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। তার একমাত্র ছেলে তন্ময়ের জন্য তিনি একটি সম্ভ্রান্ত পরিবারের বিয়ের প্রস্তাব মেনে নেন। মেয়েটি মেধাবী, আত্মবিশ্বাসী এবং উচ্চশিক্ষিত। তবে, বিয়ের অনুষ্ঠানের পূর্বমুহূর্তে মেয়েটি জানতে পারে, আশফাক সাহেব তার পরিবারের আর্থিক অবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন এবং পণ হিসেবে একটি বড় অঙ্কের অর্থ দাবি করেছেন। তখন মেয়েটি পরিবারের সকলের আপত্তি উপেক্ষা করে নিজেই সামনে এসে ঘোষণা করে, “একজন মানুষের মর্যাদা এবং সম্পর্ক অর্থের উপর নির্ভরশীল হতে পারে না। আমি এমন কোনো সম্পর্কে জড়াতে চাই না, যেখানে আত্মসম্মান নেই।” মেয়েটি বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে এবং নিজের সিন্ধান্তে অটল থাকে।

ক. ‘অপরিচিতা’ গল্পে কথকের নাম কী?

খ. “একে তো বরের হাট মহার্ঘ, তাহার পরে ধনুক-ভাঙা পণ।”-উক্তিটি ব্যাখ্যা কর।

গ. উদ্দীপকের আশফাকের সাথে ‘অপরিচিতা’ গল্পের কোন চরিত্রের সাদৃশ্য রয়েছে? সাদৃশ্যের কারণ বুঝিয়ে দাও।

ঘ. উদ্দীপকে ‘অপরিচিতা’ গল্পের মূল বক্তব্য কতটা প্রতিফলিত হয়েছে বলে তুমি মনে কর, তা নিজের ভাষায় বিশ্লেষণ কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭। [বরিশাল বোর্ড ২০২৫]
রুনা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলএম (আইনশাস্ত্রে) পাশ করেছে। ইতোমধ্যে তার বয়স ছাব্বিশ বছর অতিক্রান্ত হয়েছে। সে সরকারি চাকরি পাওয়ার আশায় অনেক পরীক্ষা দিয়েছে। এমতাবস্থায়, ডাক্তার পাত্র অজয়ের সাথে বিশ লক্ষ টাকা পণ ধার্য করে তার বিয়ে ঠিক হয়। বিয়ের দিন রুনার বাবা পণের জন্য পনেরো লক্ষ টাকা জোগাড় করতে সক্ষম হন। কিন্তু বাকি পাঁচ লক্ষ টাকা না দেওয়া পর্যন্ত বিয়ের কাজ সম্পন্ন হবে না বলে জানিয়ে দেন ডাক্তার অজয়ের বাবা। বিষয়টি বুনার ব্যক্তিত্বে আঘাত করে। সে ব্যথিত হয়ে বিয়ে ভেঙে দেয়। স্বাবলম্বী না হয়ে বিয়ে করবে না বলে সে তার বাবা ইন্দ্র বাবুকে জানিয়ে দেয়। বিয়ে ভাঙার ছয় মাস পর রুনা বিচারকের চাকরি পায়।

ক. অনুপমের বাবার পেশা কী ছিল?

খ. “একে তো বরের হাট মহার্ঘ, তাহার পরে ধনুক-ভাঙা পণ।”-ব্যাখ্যা কর।

গ. ‘অপরিচিতা’ গল্পের কল্যাণীর সাথে উদ্দীপকের রুনার সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য দেখাও।

ঘ. “অপরিচিতা’ গল্পের কল্যাণীর চেয়ে উদ্দীপকের বুনার জীবনচেতনা অধিকতর আধুনিক”- মন্তব্যটির যথার্থতা নির্ণয় কর।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮। [রা. বো. ২০২৪]
তুমি কি এখন দেখিছ স্বপন
আমারে, আমারে, আমারে
খোলা এলোচুল মুখের দুপাশে ছড়ায়ে
তুমি ঘুমায়ে আছ কি –
মোর দেওয়া সেই ঝরা মালা বুকে জড়ায়ে
স্বপনে দিলে কি ভুলিয়া
স্মৃতির দুয়ার খুলিয়া
আবার কি তারে ফিরে চাও তুমি
ফিরায়ে দিয়াছ যাহারে।

ক. কল্যাণীর পিতার নাম কী?

খ. ‘এই তো আমি জায়গা পাইয়াছি।’- ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকের সাথে ‘ অপরিচিতা’ গল্পের সাদৃশ্য বিচার করো।

ঘ. উদ্দীপকে উল্লিখিত ভাবের সাথে ‘অপরিচিতা’ গল্পের নায়কের প্রেমবোধ বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৯। [কু. বো. ২০২৪]
গৌরী এমএ পাশ মেয়ে। লেখাপড়া শেষ করতে তার পঁচিশ বছর পেরিয়ে গেল। বিয়ের ব্যাপারে কয়েকবার আলোচনা এবং দেখাশোনা হলেও শেষ পর্যন্ত তার বিয়ে হয়নি। সে বর্তমানে বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন পরিষদে সমাজের অধিকার বঞ্চিত নারীদের আইনি সহায়তা। দিচ্ছে। গৌরীর কাকা একদিন তাকে বিয়ের কথা বললেন। কিন্তু গৌরী তার কাকাকে বিনয়ের সাথে বলে ‘নারীর কল্যাণে আমি প্রতিজ্ঞাবদ্ধ’।

ক. ‘অপরিচিতা’ গল্পটি প্রথম কোন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়?

খ. ‘তার পর বুঝিলাম, মাতৃভূমি আছে।’- উক্তিটি ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকের গৌরীর সাথে ‘অপরিচিতা’ গল্পের কল্যাণীর সাদৃশ্য-বৈসাদৃশ্য তুলে ধরো।

ঘ. “উদ্দীপকের গৌরী এবং ‘অপরিচিতা’ গল্পের কল্যাণী উভয়ই মানব-কল্যাণের পূজারি।”- মন্তব্যটি যাচাই করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১০। [চ. বো. ২০২৪]
তার বড়ো মেয়ে যুঁথিকার বিয়ে না হলে অন্য দুমেয়েরও বিয়ে হবে না- এমন মনে হলেই রায়হান সাহেব অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিন্তু সম্প্রতি যুঁথিকা ক্যানসার চিকিৎসার উপর গবেষণার জন্য জার্মান সরকারের বৃত্তি লাভ করায় বাড়িতে পাত্রের হাট বসে গেছে। কিন্তু যুথিকার একটাই কথা- দেশের কল্যাণ আমার প্রধান লক্ষ্য। বিয়ের কথা এখন একদমই ভাবছি না।

ক. বেহাই সম্প্রদায়ের কী থাকা দোষের?

খ. ‘নিতান্ত এক ছেলে বলিয়া মা আমাকে ছাড়িতে পারেন নাই।’- বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

গ. উদ্দীপকের যুঁথিকার সাথে কল্যাণীর চরিত্রের সাদৃশ্যগত দিকগুলো আলোচনা করো।

ঘ. “উদ্দীপকেও ‘অপরিচিতা’ গল্পের অনুরূপ নারী-স্বাধীনতার বিষয়টি ফুটে উঠেছে।”- উক্তিটির যথার্থতা বিশ্লেষণ করো।

নিচে অপরিচিতা গল্পের সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর পিডিএফ ফাইল দেওয়া হল।

অপরিচিতা গল্পের সৃজনশীল প্রশ্নের উত্তর পিডিএফ

Related Posts

Leave a Comment