শামসুর রাহমানের “বাঁচতে দাও” কবিতাটিতে কবি প্রকৃতির বিভিন্ন উপাদান, শিশুদের আনন্দ এবং জীবনের সাধারণ কিন্তু সুন্দর মুহূর্তগুলোর মাধ্যমে একটি বার্তা দেন—সবাইকে বাঁচতে দাও, তাদের স্বাধীনভাবে জীবন উপভোগ করতে দাও। এই পোস্টে বাঁচতে দাও কবিতার প্রশ্ন উত্তর (জ্ঞানমূলক) লিখে দিলাম।
বাঁচতে দাও কবিতার প্রশ্ন উত্তর
১। বাঁচতে দাও কবিতার প্রথম লাইনটি কী?
উত্তরঃ এই তো দ্যাখো ফুলবাগানে গোলাপ ফোটে, ফুটতে দাও।
২। ‘গাঙে’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ গাঙে অর্থ নদীতে।
৩। কে রঙিন কাটা ঘুড়ির পিছে ছোটে?
উত্তরঃ বালক।
৪। পানকৌড়ি কী ধরনের পাখি?
উত্তরঃ পানকৌড়ি একটি কালো রঙের হাঁস জাতীয় মাছ-শিকারি পাখি।
৫। নীল আকাশে কী উড়ছে?
উত্তরঃ সোনালি চিল।
৬। কবি সোনালি চিলকে কী করতে বলেছেন?
উত্তরঃ মেলতে দাও।
৭। কোন প্রাণী আলোর খেলা খেলছে?
উত্তরঃ জোনাক পোকা।
৮। কবি জোনাক পোকাকে কী করতে বলেছেন?
উত্তরঃ খেলতে দাও।
৯। মধ্য দিনে কী ডাকছে?
উত্তরঃ ঘুঘু ডাকছে।
১০। কবি ঘুঘুকে কী করতে বলেছেন?
উত্তরঃ ডাকতে দাও।
১১। কে বালির উপর কিছু আঁকছে?
উত্তরঃ শিশু।
১২। কবি শিশুকে কী করতে বলেছেন?
উত্তরঃ আঁকতে দাও।
১৩। কাজল বিলে কী সুখে আছে?
উত্তরঃ পানকৌড়ি।
১৪। কবি পানকৌড়িকে কী করতে বলেছেন?
উত্তরঃ নাইতে দাও।
১৫। গহিন গাঙে কে কী করছে?
উত্তরঃ সুজন মাঝি বাইছে নাও।
১৬। কবি সুজন মাঝিকে কী করতে বলেছেন?
উত্তরঃ বাইতে দাও।
১৭। শ্যামা পাখি কী করছে?
উত্তরঃ নাচ জুড়েছে।
১৮। কবি শ্যামা পাখিকে কী করতে বলেছেন?
উত্তরঃ নাচতে দাও।
১৯। । ‘গহিন’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ গহিন অর্থ গভীর, অতল বা গহন।
২০। শিশুর স্বাভাবিক বিকাশের জন্য কী প্রয়োজন?
উত্তরঃ সুস্থ পরিবেশ।
২১। পৃথিবী যদি ফুল, পাখি ও সবুজের অভাবে ভোগে তবে কী হবে?
উত্তরঃ শিশুর বিকাশ বাধাগ্রস্ত হবে।
২২। কবিতায় প্রকৃতির কোন উপাদানগুলোর কথা বলা হয়েছে?
উত্তরঃ গোলাপ, পাখি, শিশু, জোনাক পোকা, ঘুঘু, পানকৌড়ি, শ্যামা পাখি ইত্যাদি।
২৩। ‘নাইতে’ শব্দের অর্থ কী?
উত্তরঃ নাইতে অর্থ গোসল বা স্নান করা।
২৪। শামসুর রাহমান কোন দেশের কবি?
উত্তরঃ বাংলাদেশ।
২৫। তিনি কোন পেশার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন?
উত্তরঃ সাংবাদিকতা।
২৬। তিনি কোন পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন?
উত্তরঃ দৈনিক বাংলা।
২৭। শামসুর রাহমানের জন্ম কোথায়?
উত্তরঃ ঢাকায়।
২৮। তাঁর পৈতৃক নিবাস কোথায়?
উত্তরঃ নরসিংদী জেলার পাড়াতলী গ্রামে।
২৯।। কবি শামসুর রাহমানের জন্ম সাল কত?
উত্তরঃ ১৯২৯ সাল।
৩০। তিনি মৃত্যুবরণ করেন কবে এবং কোথায়?
উত্তরঃ ২০০৬ সালে, ঢাকায়।