বঙ্গভূমির প্রতি কবিতার মূলভাব, ব্যাখ্যা ও বহুনির্বাচনী প্রশ্ন উত্তর

বঙ্গভূমির প্রতি কবিতায় মধুসূদন দত্ত কেবল একজন কবি নন, একজন প্রবাসী সন্তান হিসেবে বাংলা মায়ের কাছে ফিরে যাওয়ার আকুতি জানিয়েছেন। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি উজ্জ্বল দেশপ্রেমমূলক কবিতা। এই পোস্টে বঙ্গভূমির প্রতি কবিতার মূলভাব, ব্যাখ্যা ও বহুনির্বাচনি প্রশ্ন উত্তর লিখে দিলাম।

বঙ্গভূমির প্রতি কবিতার মূলভাব

মাইকেল মধুসূদন দত্তের “বঙ্গভূমির প্রতি” কবিতায় তিনি বাংলাকে মায়ের মতো করে ডেকে নিজের গভীর দেশপ্রেম ও ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন। বিদেশে থাকলেও তিনি কখনো বাংলাকে ভুলতে পারেননি। তাই তিনি বাংলার কাছে প্রার্থনা করেছেন। বাংলা যেন তাঁকে মনে রাখে। কবি নিজের জীবনের ভুলত্রুটির জন্য ক্ষমা চেয়েছেন এবং বলেছেন, মৃত্যু তাঁর কাছে ভয়ের নয়; কিন্তু বাংলা যদি তাঁকে ভুলে যায়, সেটাই তাঁর সবচেয়ে বড় কষ্ট। তিনি নিজেকে খুব সাধারণ ও তুচ্ছ মানুষ হিসেবে তুলে ধরেছেন। এমনকি বাংলার স্মৃতির অমৃতসাগরে পড়লেও নিজেকে তিনি মাছির মতো ছোট মনে করেন। তবু তাঁর শেষ ইচ্ছা হলো বাংলার স্মৃতিতে তিনি যেন একটি সুন্দর পদ্মফুলের মতো ফুটে থাকতে পারেন, যা সব ঋতুতেই সুগন্ধ ছড়ায়। অর্থাৎ, কবি বড় বা অমর হয়ে থাকার আশা করেন না, শুধু বাংলার হৃদয়ে একটি ভালো স্মৃতি হয়ে বেঁচে থাকতে চান। এই কবিতায় প্রবাসে থাকা এক সন্তানের মাতৃভূমির প্রতি টান, নিজের ভুল স্বীকার এবং স্মরণে থাকার আকুল ইচ্ছা প্রকাশ পেয়েছে।

বঙ্গভূমির প্রতি কবিতার ব্যাখ্যা

“রেখো, মা, দাসেরে মনে, এ মিনতি করি পদে।”

অর্থ: “হে মা, তোমার দাসকে (আমাকে) মনে রাখো, আমি এই বিনীত প্রার্থনা করছি তোমার পায়ে।”

ব্যাখ্যা: কবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা দেশকে সরাসরি “মা” সম্বোধন করছেন। তিনি নিজেকে মায়ের “দাস” বা সন্তান বলে পরিচয় দিচ্ছেন। বিদেশে বসবাস করেও তাঁর হৃদয়ে বাংলার জন্য গভীর টান কাজ করে। তিনি বাংলা মায়ের কাছে অনুনয় করছেন, মা যেন তাঁকে ভুলে না যান, বাংলার স্মৃতির পাতায় যেন তাঁর স্থানটি অক্ষুণ্ণ থাকে।


“সাধিতে মনের সাধ ঘটে যদি পরমাদ,”

অর্থ: “মনের ইচ্ছা পূরণ করতে গিয়ে যদি কোনো বিপত্তি বা ভুল হয়ে থাকে।”

ব্যাখ্যা: মধুসূদন তাঁর জীবনে সাহিত্য, সমাজ বা ব্যক্তিগত পর্যায়ে অনেক বড় বড় স্বপ্ন দেখেছিলেন – যেমন ইংরেজি কাব্য রচনা, খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ, বা বিদেশে সাফল্য খোঁজা। কিন্তু এসব “মনের সাধ” পূরণের পথে তাঁর কিছু সিদ্ধান্ত হয়তো বাংলা মায়ের কাছেই “পরমাদ” বা দুর্ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। কবি এখানে নিজের সম্ভাব্য ভুলগুলোর জন্য ক্ষমা চাইছেন।


“মধুহীন করো না গো তব মনঃকোকনদে।”

অর্থ: “হে মা, তোমার মনের পদ্মফুলটিকে (কোকনদ) মধুহীন করো না।”

ব্যাখ্যা: এখানে একটি সূক্ষ্ম রূপক ব্যবহার করা হয়েছে। বাংলা মায়ের মন বা হৃদয়কে একটি পদ্মফুলের (কোকনদ) সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। পদ্মফুল সাধারণত পবিত্রতা ও সৌন্দর্যের প্রতীক। কবি চাচ্ছেন না যে, তাঁর কোনো ভুলের কারণে বাংলার মনে তাঁর জন্য যে স্নেহের পদ্মফুল ফুটে আছে, সেটি “মধুহীন” বা তিক্ত হয়ে যাক। অর্থাৎ, বাংলা যেন তাঁর প্রতি বিরূপ না হন।


“প্রবাসে, দৈবের বশে, জীব তারা যদি খসে”

অর্থ: “বিদেশে, ভাগ্যের ফেরে, যদি প্রাণ (জীব) খসে পড়ে (মৃত্যু হয়)।”

ব্যাখ্যা: কবি তখন ইউরোপে (প্রবাসে) বসবাস করছেন। তিনি ভাবছেন, যদি তাঁর মৃত্যু হয় বিদেশেই। “দৈবের বশে” অর্থাৎ ভাগ্যের পরিহাসে।


“এ দেহ-আকাশ হতে, নাহি খেদ তাহে।”

অর্থ: “এই দেহ-আকাশ থেকে (মৃত্যু হলে), তাতে আমার কোনো খেদ (দুঃখ) নেই।”

ব্যাখ্যা: মধুসূদন বলছেন, বিদেশে মৃত্যু হলেও তিনি দুঃখিত হবেন না। কারণ মৃত্যু তো সবারই অবধারিত। তিনি মৃত্যুকে “দেহ-আকাশ” থেকে পড়ে যাওয়া নক্ষত্রের মতো দেখছেন – একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।


“জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে,”

অর্থ: “জন্মালে মরতে হবে, অমর কে বা কোথায় আছে?”

ব্যাখ্যা: এটি একটি চিরন্তন সত্যের প্রকাশ। কবি বলছেন, মৃত্যুই জীবনের একমাত্র নিশ্চিত সত্য। কেউই চিরকাল বেঁচে থাকে না। এখানে তিনি দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গিতে মৃত্যুকে মেনে নিয়েছেন।


“চিরস্থির কবে নীর, হায় রে, জীবন-নদে?”

অর্থ: “হায়, জীবন-নদীর জল কখনো চিরস্থির থাকে?”

ব্যাখ্যা: এখানে জীবনকে একটি নদীর সাথে তুলনা করা হয়েছে। যেমন নদীর জল কখনো স্থির থাকে না, সবসময় প্রবাহিত হয় – তেমনি জীবনও গতিশীল, পরিবর্তনশীল। এর কোনো স্থিরতা নেই। কবি “হায় রে” বলে একটু বেদনা প্রকাশ করেছেন।


“কিন্তু যদি রাখ মনে, নাহি, মা, ডরি শমনে;”

অর্থ: “কিন্তু (তুমি) যদি আমাকে মনে রাখো, হে মা, তবে আমি মৃত্যুকেও (শমন) ভয় করি না।”

ব্যাখ্যা: এখানে কবির আবেগ ঘুরে যায়। তিনি বলছেন, যদি বাংলা মা তাঁকে সত্যিই মনে রাখেন, তবে তাঁর মৃত্যুভয় থাকবে না। কারণ মায়ের স্মৃতিতে বেঁচে থাকাটাই তাঁর কাছে সবচেয়ে বড় অমরত্ব। “শমন” হলো হিন্দু পুরাণে মৃত্যুর দেবতা।


“মক্ষিকাও গলে না গো পড়িলে অমৃত-হ্রদে।”

অর্থ: “মাছিও গলে যায় না যদি পড়ে অমৃতের হ্রদে।”

ব্যাখ্যা: এটি একটি শক্তিশালী রূপক। “মক্ষিকা” বা মাছি সাধারণত ময়লা বা নোংরা জায়গায় বিচরণ করে। আর “অমৃত-হ্রদ” হলো দেবতাদের পবিত্র পানীয়ের হ্রদ। অর্থাৎ, মাছি যদি কোনোভাবে অমৃতের হ্রদেও পড়ে, তবু সেটি অমৃত হয় না, মাছিই থাকে।

কবির বিনয়: কবি নিজেকে সেই “মক্ষিকা” বলছেন। তাঁর মানে, তিনি সাধারণ মানুষ, তাঁর অনেক দোষত্রুটি আছে। বাংলার স্মৃতি যদি অমৃতের হ্রদও হয়, তবু তিনি সেখানে পড়লেও নিজেকে মহান বলে দাবি করতে পারবেন না।


“সেই ধন্য নরকুলে, লোকে যারে নাহি ভুলে,”

অর্থ: “সেই মানুষ ধন্য পৃথিবীতে, যাকে মানুষ ভোলে না।”

ব্যাখ্যা: কবি বলছেন, মানুষের মনে যিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকেন, তিনিই প্রকৃত ধন্য। এটি ইতিহাসের একটি সত্য – মহাপুরুষরা মারা গেলেও মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকেন।


“মনের মন্দিরে সদা সেবে সর্বজন;”

অর্থ: “সকলেই তাকে মনের মন্দিরে সবসময় সেবা করে (স্মরণ করে)।”

ব্যাখ্যা: যাঁরা মহান, তাঁদের মানুষ শুধু মনে রাখে না, “মনের মন্দিরে” স্থান দিয়ে পূজা করে। এখানে “সেবে” শব্দটি ব্যবহার করে কবি দেখিয়েছেন, মানুষ সত্যিকারের মহান ব্যক্তিকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে।


“কিন্তু কোন গুণ আছে, যাচিব যে তব কাছে,”

অর্থ: “কিন্তু আমার কোন গুণ আছে, যা তোমার কাছে যাচাই করব বা চাইব?”

ব্যাখ্যা: কবি আবারও নিজের দিকে ফিরে এসে বলছেন, তিনি তো এমন কোনো মহান গুণের অধিকারী নন, যার ভিত্তিতে বাংলার কাছে কিছু চাইতে পারেন বা নিজেকে মহান বলে দাবি করতে পারেন। এখানে তাঁর আত্মসন্দেহ ও বিনয় আবারও প্রকাশ পায়।


১৩. “হেন অমরতা আমি, কহ, গো, শ্যামা জন্মদে!”

অর্থ: “হে শ্যামা (সবুজ বাংলা), হে জন্মদাত্রী, বলো – আমি কি এমন অমরতা চাইতে পারি?”

ব্যাখ্যা: “শ্যামা” হলো বাংলার সবুজ শ্যামলিমার প্রতীক, “জন্মদে” মানে জন্মদাত্রী মা। কবি লজ্জিত ও সংকোচের সাথে বাংলাকে জিজ্ঞেস করছেন, তিনি কি এমন অমর হওয়ার আকাঙ্ক্ষা পোষণ করার অধিকারী?


১৪. “তবে যদি দয়া কর, ভুল দোষ, গুণ ধর”

অর্থ: “তবে যদি দয়া করো, আমার দোষ ভুলে গুণ গ্রহণ করো।”

ব্যাখ্যা: কবি বাংলার কাছে সরল প্রার্থনা করছেন – হে মা, আমার দোষগুলো ক্ষমা করে শুধু আমার ভালো গুণগুলোই দেখো এবং মনে রাখো। এখানে মায়ের সাধারণ বৈশিষ্ট্য ফুটে উঠেছে। মা সন্তানের দোষ ভুলে গুণই বেশি দেখেন।


১৫. “অমর করিয়া বর দেহ দাসে, সুবরদে!”

অর্থ: “হে কল্যাণময়ী (সুবরদে), তোমার দাসকে অমর করে বর দাও।”

ব্যাখ্যা: “সুবরদে” মানে মঙ্গলদায়িনী, কল্যাণকারিণী। কবি বাংলাকে মঙ্গলময়ী মা বলে ডাকছেন এবং চূড়ান্ত প্রার্থনা করছেন – মা, আমাকে অমর করে দাও। এখানে “অমর” বলতে শারীরিক অমরত্ব নয়, বরং বাংলার স্মৃতি ও ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকার আকাঙ্ক্ষা।


“ফুটি যেন স্মৃতি-জলে, মানসে, মা, যথা ফলে”

অর্থ: “হে মা, তোমার স্মৃতির জলে যেন আমি ফুটে উঠি, যেমন ফোটে (পরের লাইনে বলা হয়েছে)।

ব্যাখ্যা: কবি এখন একটি চমৎকার চিত্রকল্প তৈরি করছেন। তিনি বাংলার স্মৃতিকে একটি জলাশয় হিসেবে কল্পনা করছেন, যেখানে তিনি একটি ফুল হিসেবে ফুটতে চান।


“মধুময় তামরস কী বসন্ত ,কী শরদে !”

অর্থ: “মধুময় পদ্ম যেমন ফোটে বসন্তে বা শরতে।”

ব্যাখ্যা: “তামরস” মানে পদ্ম। কবি চান তিনি বাংলার স্মৃতির জলে একটি “মধুময় পদ্ম” হয়ে ফুটে উঠুন। এই পদ্ম শুধু এক ঋতুতে নয়, “বসন্তে” (বসন্তকাল) বা “শরদে” (শরৎকাল) অর্থাৎ সব ঋতুতেই, সব সময়েই যেন তাঁর স্মৃতি মধুর ও সুন্দর থাকে।


বঙ্গভূমির প্রতি কবিতার বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (MCQ)

১। ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার কবি কে?
ক) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত
গ) কাজী নজরুল ইসলাম
ঘ) দ্বিজেন্দ্রলাল রায়
উত্তর: খ) মাইকেল মধুসূদন দত্ত

২। কবিতায় কবি কাকে ‘মা’ বলে সম্বোধন করেছেন?
ক) নিজের জন্মদাত্রী মা
খ) প্রকৃতি
গ) জন্মভূমি
ঘ) দেবী দুর্গা
উত্তর: গ) জন্মভূমি

৩। কবি নিজেকে মায়ের কী হিসেবে কল্পনা করেছেন?
ক) বন্ধু
খ) ভক্ত
গ) সন্তান
ঘ) দাস
উত্তর: গ) সন্তান

৪। ‘রেখো, মা, দাসেরে মনে’—এখানে ‘দাস’ বলতে কাকে বোঝানো হয়েছে?
ক) সাধারণ মানুষ
খ) কবিকে
গ) দেশবাসীকে
ঘ) ঈশ্বরকে
উত্তর: খ) কবিকে

৫। কবি কীসের জন্য মিনতি করেছেন?
ক) ধন-সম্পদের জন্য
খ) ক্ষমতার জন্য
গ) স্মরণে রাখার জন্য
ঘ) খ্যাতির জন্য
উত্তর: গ) স্মরণে রাখার জন্য

৬। ‘মিনতি’ শব্দের অর্থ কী?
ক) আদেশ
খ) অভিযোগ
গ) বিনীত প্রার্থনা
ঘ) অনুরোধহীন কথা
উত্তর: গ) বিনীত প্রার্থনা

৭। কবি কোন অবস্থায় প্রবাসে গেছেন?
ক) ইচ্ছায়
খ) জোরপূর্বক
গ) দৈবের বশে
ঘ) রাজকীয় আদেশে
উত্তর: গ) দৈবের বশে

৮। ‘জীব তারা যদি খসে’—এখানে তারা বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) আকাশের তারা
খ) চোখের তারা
গ) জীবন
ঘ) সুখ
উত্তর: গ) জীবন

৯। প্রবাসে জীবন শেষ হলে কবির কী অনুভূতি হবে বলে তিনি বলেছেন?
ক) গভীর আনন্দ
খ) দুঃখ হবে
গ) খেদ থাকবে না
ঘ) ভয় লাগবে
উত্তর: গ) খেদ থাকবে না

১০। ‘জন্মিলে মরিতে হবে’—এই পঙ্‌ক্তির মাধ্যমে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) জীবনের সৌন্দর্য
খ) মৃত্যুর অনিবার্যতা
গ) জন্মের আনন্দ
ঘ) ভাগ্যের খেলা
উত্তর: খ) মৃত্যুর অনিবার্যতা

১১। কবির মতে কে অমর?
ক) রাজা
খ) বীর
গ) কেউ নয়
ঘ) কবি
উত্তর: গ) কেউ নয়

১২। ‘জীবন-নদ’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) প্রকৃত নদী
খ) সময়
গ) মানবজীবন
ঘ) ভাগ্য
উত্তর: গ) মানবজীবন

১৩। কবি কাকে ভয় করেন না যদি মা তাঁকে মনে রাখেন?
ক) শত্রুকে
খ) দারিদ্র্যকে
গ) শমনকে
ঘ) সমাজকে
উত্তর: গ) শমনকে

১৪। ‘শমন’ শব্দের অর্থ কী?
ক) ঈশ্বর
খ) যম বা মৃত্যুর দেবতা
গ) দানব
ঘ) বিচারক
উত্তর: খ) যম বা মৃত্যুর দেবতা

১৫। ‘মক্ষিকাও গলে না’—এখানে মক্ষিকা বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) পাখি
খ) মাছ
গ) মাছি
ঘ) পোকা
উত্তর: গ) মাছি

১৬। ‘অমৃত-হ্রদ’ কীসের প্রতীক?
ক) নদী
খ) অমরত্ব
গ) বিষ
ঘ) দুঃখ
উত্তর: খ) অমরত্ব

১৭। কবির মতে কারা ধন্য নরকুলে জন্মায়?
ক) ধনীরা
খ) যোদ্ধারা
গ) যাদের লোকে ভুলে না
ঘ) রাজপুরুষরা
উত্তর: গ) যাদের লোকে ভুলে না

১৮। মানুষ কাকে ভুলে না বলে কবি উল্লেখ করেছেন?
ক) ধনীদের
খ) ক্ষমতাবানদের
গ) স্মরণীয় মানুষকে
ঘ) আত্মীয়দের
উত্তর: গ) স্মরণীয় মানুষকে

১৯। কবির মতে তাঁর মধ্যে কীসের অভাব রয়েছে?
ক) অর্থের
খ) শক্তির
গ) মহৎ গুণের
ঘ) সাহসের
উত্তর: গ) মহৎ গুণের

২০। কবি কার কাছে অমরতা যাচনা করছেন?
ক) ঈশ্বরের কাছে
খ) সমাজের কাছে
গ) জন্মভূমির কাছে
ঘ) মানুষের কাছে
উত্তর: গ) জন্মভূমির কাছে

২১। ‘শ্যামা জন্মদে’ বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
ক) দেবী কালী
খ) শ্যামল জন্মভূমি
গ) প্রকৃতি
ঘ) গ্রামবাংলা
উত্তর: খ) শ্যামল জন্মভূমি

২২। ‘বর’ শব্দের অর্থ কী?
ক) দান
খ) আশীর্বাদ
গ) অনুগ্রহ
ঘ) পুরস্কার
উত্তর: খ) আশীর্বাদ

২৩। কবি কীভাবে অমর হতে চান?
ক) যুদ্ধ করে
খ) সম্পদ রেখে
গ) মায়ের স্মৃতিতে থেকে
ঘ) ক্ষমতা অর্জন করে
উত্তর: গ) মায়ের স্মৃতিতে থেকে

২৪। ‘স্মৃতি-জলে’ ফোটা তামরস কীসের প্রতীক?
ক) দুঃখ
খ) পাপ
গ) স্মরণীয়তা
ঘ) মৃত্যু
উত্তর: গ) স্মরণীয়তা

২৫। ‘তামরস’ শব্দের অর্থ কী?
ক) গোলাপ
খ) শাপলা
গ) পদ্ম
ঘ) শিউলি
উত্তর: গ) পদ্ম

২৬। কবি কোন ঋতুতে স্মৃতিতে ফুটে থাকতে চান?
ক) শুধু বসন্তে
খ) শুধু শরতে
গ) সব ঋতুতে
ঘ) বর্ষায়
উত্তর: গ) সব ঋতুতে

২৭। কবিতাটি কোন ধরনের রচনা?
ক) মহাকাব্য
খ) গীতি কবিতা
গ) নাটক
ঘ) প্রবন্ধ
উত্তর: খ) গীতি কবিতা

২৮। কবিতায় কবির মনোভাব কেমন?
ক) অহংকারী
খ) বিদ্রোহী
গ) বিনয়ী
ঘ) রূঢ়
উত্তর: গ) বিনয়ী

২৯। ‘বঙ্গভূমির প্রতি’ কবিতার মূল বিষয় কী?
ক) প্রকৃতিপ্রেম
খ) ঈশ্বরভক্তি
গ) স্বদেশপ্রেম
ঘ) মানবপ্রেম
উত্তর: গ) স্বদেশপ্রেম

Related Posts

Leave a Comment