৮ম শ্রেণির ইসলাম শিক্ষা সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর ৫ম অধ্যায়

মহান আল্লাহ তার শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশের জন্য মানুষ সৃষ্টি করেছেন। মানুষ সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্য হল মহান আল্লাহর ইবাদত করা, আল্লাহর বিধিনিষেধ মান্য করা। এই পোস্টে ৮ম শ্রেণির ইসলাম শিক্ষা সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর ৫ম অধ্যায় লিখে দিলাম।

৮ম শ্রেণির ইসলাম শিক্ষা সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর ৫ম অধ্যায়

সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১। [বোর্ড বইয়ের প্রশ্ন]
‘ক’ ছোটোবেলা থেকেই তাহাজ্জুদসহ সকল নামায পড়েন। এক কাপড় দিয়ে সারাবছর কাটিয়ে দেন। বিপদে পড়লেও কোনো মানুষের সাহায্য তিনি নেন না। তিনি সবসময় নিজেকে খুব ছোটো ভাবেন। তিনি আল্লাহর নিকট বেশি বেশি ক্ষমা চান এবং তওবা করেন। ‘ক’-এর বোন ‘খ’ স্কুলে যাবার সুযোগ না পেলেও বিভিন্ন ধরনের বই পড়েন। ‘খ’ একবার যা পড়েন তা তার মুখস্ত হয়ে যায়। তিনি গ্রামের মক্তবে বাচ্চাদের পড়ান। সুযোগ পেলেই তিনি গ্রামের অসহায় দরিদ্র মানুষদের সাহায্য-সহযোগিতা করেন।

ক. মুজিযা কী?

খ. হযরত মুসা (আ.) ধর্ম প্রচারের জন্য একজন সহযোগী নবি পেয়েছিলেন কেন?

গ. ‘ক’-এর কর্মকাণ্ডে কোন মুসলিম মনীষীর কাজে মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. ‘খ’-এর কর্মকান্ডে যে মনীষীর কাজের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ তা চিহ্নিত করে মুসলিম নারীর জীবনে এর গুরুত্ব বিশ্লেষণ করো।

উত্তরঃ

ক. মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে নবি-রাসুলদের প্রদানকৃত অলৌকিক ক্ষমতাই মুজিযা।

খ. হযরত মুসা (আ.)-এর মুখে জড়তা থাকায় ধর্ম প্রচারের জন্য তিনি একজন সহযোগী নবি পেয়েছিলেন।

হযরত মুসা (আ.)-কে মিসরের বাদশাহ ফিরাউন ও তার জাতির কাছে ইসলাম প্রচারের জন্য নবি হিসেবে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু ফিরাউনের মতো অহংকারী ও অত্যাচারী শাসকের সামনে আল্লাহর দ্বীন প্রচার করা খুবই কঠিন কাজ ছিল। তাই হযরত মুসা (আ.) আল্লাহর কাছে সাহায্য চান। এর পর আল্লাহ তায়ালা হযরত হারুন (আ.)-কে নবুয়ত দিয়ে তাঁকে সহযোগী হিসেবে পাঠান, যাতে তারা একসাথে কাজ করে দ্বীনের দাওয়াত সঠিকভাবে পৌঁছাতে পারে।

গ. ‘ক’-এর কর্মকান্ডের সাথে হযরত রাবেয়া বসরি (র.)-এর কাজের মিল রয়েছে।

হযরত রাবেয়া বসরি (র.) ছিলেন খুবই আল্লাহভীরু, ইবাদতকারী এবং সংযমী একজন নারী। তিনি নিয়মিত তাহাজ্জুদসহ বেশি বেশি ইবাদত করতেন, দুনিয়ার আরাম-আয়েশ ত্যাগ করে সহজ-সরল জীবন যাপন করতেন, কারো কাছে সাহায্য চাইতেন না এবং সবসময় নিজেকে ছোট মনে করে আল্লাহর কাছে তাওবা ও ক্ষমা চাইতেন। আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা এবং আত্মশুদ্ধিই ছিল তাঁর জীবনের মূল বৈশিষ্ট্য।
উদ্দীপকের ‘ক’-এর জীবন লক্ষ্য করলে দেখা যায়, তিনি ছোটবেলা থেকেই তাহাজ্জুদসহ সব নামাজ আদায় করেন, সারা বছর এক কাপড় ব্যবহার করেন, বিপদে পড়েও মানুষের সাহায্য নেন না, সবসময় নিজেকে ছোট মনে করেন এবং নিয়মিত আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও তাওবা করেন। এসব গুণ হযরত রাবেয়া বসরি (র.)-এর ইবাদতপ্রবণ, সংযমী ও আল্লাহভীরু জীবনের সঙ্গে মিল রয়েছে। তাই বলা যায়, ‘ক’-এর কাজকর্মে হযরত রাবেয়া বসরি (র.)-এর আদর্শই প্রকাশ পেয়েছে।

ঘ. ‘খ’-এর কর্মকাণ্ড হযরত আয়েশা (রা.)-এর কাজের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। মুসলিম নারীদের জীবনে আদর্শ হিসেবে এর গুরুত্ব অপরিসীম।

হযরত আয়েশা (রা.) ছিলেন হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর সর্বকনিষ্ঠ স্ত্রী। ছোটবেলা থেকেই তিনি খুব মেধাবী ও ভালো স্মৃতিশক্তির অধিকারী ছিলেন। তিনি শুধু বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করতেন না, বরং যা শুনতেন তা সঙ্গে সঙ্গে মনে রাখতে পারতেন। তিনি হাদিস, তাফসির ও ফিকহসহ ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে গভীর জ্ঞান অর্জন করেন এবং সে সময়ের একজন বড় জ্ঞানী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত হন। তিনি শুধু জ্ঞান অর্জনেই থেমে থাকেননি, বরং তা অন্যদের শেখাতেন। তিনি শিক্ষিকা হিসেবে ২০০-এর বেশি শিক্ষার্থীকে শিক্ষা দিতেন এবং বিশেষ করে নারীদের শিক্ষাদানে গুরুত্ব দিতেন। এছাড়া গরিব, অসহায় মানুষের সাহায্য করা, দান-সদকা করা এবং সমাজসেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখা ছিল তাঁর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
উদ্দীপকের ‘খ’ স্কুলে যেতে না পারলেও নিয়মিত বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করে, খুব ভালো স্মৃতিশক্তির অধিকারী এবং গ্রামের মক্তবে শিশুদের শিক্ষা দেয়। পাশাপাশি সে দরিদ্র ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ায়। এটি হযরত আয়েশা (রা.)-এর জ্ঞানচর্চা, শিক্ষাদান ও সমাজসেবামূলক জীবনের সঙ্গে মিল রয়েছে। হযরত আয়েশা (রা.)-এর আদর্শ অনুসরণ করলে মুসলিম নারীরা জ্ঞান অর্জন, শিক্ষা বিস্তার এবং মানবসেবার মাধ্যমে সমাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সবশেষে বলা যায়, হযরত আয়েশা (রা.)-এর জীবনাদর্শ মুসলিম নারীদের জন্য একটি উজ্জ্বল অনুপ্রেরণার উৎস।


সৃজনশীল প্রশ্নঃ ২। [রাজশাহী বোর্ড ২০১৯]
জনাব আরিফুল ইসলাম তার পুত্র জামিলকে একজন
মনীষী সম্পর্কে ধারণা দিতে গিয়ে বলেন- উক্ত মনীষীর জন্মের মধ্য দিয়ে মহান আল্লাহর অসীম ক্ষমতার প্রকাশ পেয়েছে। যিনি দোলনায় থাকাবস্থায় বাকশক্তি লাভ করেন। তিনি অন্য একজন মনীষী সম্পর্কে ধরণা দিতে গিয়ে বলেন- এ মহামনীষী মাতৃভূমি। থেকে বিতাড়িত হয়ে পার্শ্ববর্তী একটি শহরে আশ্রয় নেন। সেখানে তিনি বিবদমান সম্প্রদায়গুলোকে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ করে একটি আদর্শ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন।

ক. ‘মুজিযা’ কী?

খ. ‘ফাতহুম মুবিন’ বলতে কী বোঝ? ব্যাখ্যা করো।

গ. উদ্দীপকের প্রথমাংশে কোন মনীষীর প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. উদ্দীপকের শেষাংশে বর্ণিত মহামনীষীকে চিহ্নিত করে প্রমাণ কর যে,- “তার জীবনেই রয়েছে মানুষের জন্য সর্বোত্তম আদর্শ।”
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৩। [কুমিল্লা ও বরিশাল বোর্ড ২০১৯]
জনাব আকমল একজন শিক্ষক। তিনি শ্রেণিতে এমন একজন নবি (আ.)-এর জীবনী আলোচনা করলেন, যিনি শত্রুর ঘরে প্রতিপালিত হয়। মহান আল্লাহ তাকে রাসুল হিসেবে মনোনীত করেছিলেন। হাবিব নামক একজন শিক্ষার্থী বলল, স্যার আমি এমন একজন নবির কথা শুনেছি, যিনি ছিলেন বিশ্ব শান্তির অগ্রদূত এবং সমস্ত বিশ্বে তিনিই শান্তির ফোয়ারা স্থাপন করেছিলেন।

ক. তাকদিরে বিশ্বাস কী?

খ. “আমিই শেষ নবি। আমার পরে আর কোনো নবি আসবে না।”- এ হাদিসখানার মর্মার্থ ব্যাখ্যা করো।

গ. আকমল সাহেবের আলোচনায় যে নবির জীবনী ফুটে উঠেছে তার নবুয়ত লাভের চিত্রটি ব্যাখ্যা করো।

ঘ. হাবিবের উল্লিখিত নবিকে চিহ্নিত করে তার মন্তব্যটির যথার্থতা নিরূপণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৪। [সিলেট বোর্ড ২০১৯]
পৃথিবী শাসন করেছেন এমন দুজন ব্যক্তি ইসলামের ইতিহাসে বিখ্যাত হয়ে আছেন। আব্দুল মালেক বলেন, “তিনি অলৌকিক ক্ষমতা লাভ করেছিলেন।” আব্দুল খালেক বলেন, “তার রাজত্বকাল ছিল সোনায় মোড়ানো।”

ক. বাইতুল মুকাদ্দাস কোথায় নির্মিত হয়?

খ. হযরত সুলায়মান (আ.)-এর বিচার শক্তির একটি উদাহরণ দাও।

গ. আব্দুল মালেকের কথাটি পাঠ্যবইয়ের আলোকে ব্যাখ্যা করো।

ঘ. আব্দুল খালেকের কথাটি বাস্তবতার নিরিখে বিচার করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৫। [কুমিল্লা ও বরিশাল বোর্ড ২০১৯]
জনাব আসলাম ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। তিনি সবসময় বিচার-শালিস নিজেই করেন। তার ছেলে ময়নুল বিষয়টি প্রত্যক্ষ করে থাকেন। একদিন বাবার বিচারিক সিদ্ধান্ত ময়নুলের মনপুত না হওয়ায় তিনি নিজে পুনরায় সিদ্ধান্ত দেওয়ার অনুমতি চাইলেন। বাবা অনুমতি দিলে ময়নুল নতুন সিদ্ধান্ত দেন। ফলে বাদী ও বিবাদী দু’পক্ষই খুশি হন। আসলাম সাহেবের বাড়িতে সাদিকা নামক এক মহিলা কাজ করেন। তিনি সারাদিন কাজ করার পরও রাতে নির্জনে ইবাদত বন্দেগী করেন। শত অভাবের মধ্যেও তিনি কারও নিকট কিছু চান না।

ক. বারযাখ কী?

খ. “অহংকার আমার ভূষণ।”- এ হাদিসটি ব্যাখ্যা করো।

গ. ময়নুলের বিচারিক সিদ্ধান্তটি কোন নবির বিচারের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. সাদিকার চরিত্রটির সাথে যে মহীয়সী নারীর চরিত্রের মিল রয়েছে তা চিহ্নিতপূর্বক তার চরিত্র থেকে শিক্ষামূলক বিষয়গুলো বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৬। [ঢাকা বোর্ড ২০১৯]
জারুল একজন সাংবাদিক। এলাকায় গিয়ে তিনি দেখলেন, বিবাহে কনেদের মোহর আদায় করা হয় না; উপরন্তু যৌতুকের জন্য স্ত্রীদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয়। এ সমস্যার সমাধানকল্পে জারুল তার এলাকার যুবকদের একত্রিত করে একটি ঐতিহাসিক ভাষণ পড়ে শোনান। এ ভাষণে তারা এতটাই প্রভাবিত হন যে, এর পরে এলাকায় স্ত্রী শ্রমিকদের ওপর নির্যাতন কমেছে; এমনকি ধর্ম নিয়েও আর কোনো দ্বন্দ্ব পরিলক্ষিত হয়নি। মানুষ কুরআন-সুন্নাহর দিকে ফিরে এসেছে। এ সাফল্য দেখে একজন পণ্ডিত বললেন, এ ভাষণটি চিরকালই আমাদের অনুপ্রাণিত করে।

ক. কোন খলিফা শিক্ষকদের জন্য মাথপিছু মাসিক ১০০ দিনার ভাতার ব্যবস্থা করেন?

খ. “খাদ্য তালিকায় সারিদ যেমন, নারীদের মধ্যে আয়েশা (রা.) তেমন।”- ব্যাখ্যা করো।

গ. জারুলের এলাকার সমস্যাটি আখলাকের কোন বিষয়ের লঙ্ঘন? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. যে ভাষণের প্রভাবে এলাকার সমস্যার সমাধান হলো, সেটি চিহ্নিত করে পণ্ডিতের মন্তব্যটি বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৭। [যশোর বোর্ড ২০১৯]
ইসলাম. শিক্ষা ক্লাসে মাহবুব স্যার শিক্ষার্থীদের বললেন, মক্কা বিজয় থেকে মুসলমানরা অনেক কিছু শিক্ষা নিতে পারে। মক্কা বিজয়ের পর মক্কাবাসীরা আশংকা করছিল হযরত মুহাম্মদ (স.) অপরাধের প্রতিশোধ নেবেন। বরং তিনি বললেন, তোমাদের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই। শিক্ষক আরও বলেন, তিনি জাহেলি যুগের বিভিন্ন গোত্রদ্বন্দ্ব দূর করে শান্তি শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা করেন।

ক. আনসার কাকে বলে?

খ. হুদাইবিয়ার সন্ধিকে সুস্পষ্ট বিজয় বলা হয় কেন?

গ. উদ্দীপকে হযরত মুহাম্মদ (স.)-এর কোন বিশেষ গুণটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. শিক্ষকের দ্বিতীয় বক্তব্যে মহানবি (স.)-এর জীবনের কোন আদর্শ ফুটে উঠেছে? পাঠ্যবইয়ের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৮। [যশোর বোর্ড ২০১৯: বরিশাল বোর্ড ২০১৮]
চিত্র-১: শেফালি একজন পুণ্যবতী নারী। প্রচন্ড ঝড় বৃষ্টির কবলে পড়ে কর্মস্থল থেকে ফিরতে সন্ধ্যা হয়ে গেছে দেখে এলাকার কিছু লোক তার সম্পর্কে দুর্নাম রটায়। এতে তিনি মর্মাহত হন। অবশেষে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হন।
চিত্র-২: জনাব মতলব আলী উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।।
তিনি চেয়ারম্যান হয়ে জনতার সাথে মত বিনিময়কালে বলেন, সর্বদা অন্যের আমানত রক্ষা করবেন। অধীনস্থ লোকদের প্রতি সদ্ব্যবহার করবেন, অন্যায়ভাবে কারও সাথে দুর্ব্যবহার করবেন না।

ক. ‘ফিরআউন’ কাদেরকে বলা হতো?

খ. “আল্লাহ সুদকে হারাম আর ব্যবসায়কে হালাল করেছেন।ー বাক্যটি ব্যাখ্যা করো।

গ. চিত্র-১ এ শেফালির ঘটনাটির সাথে কোন মহীয়সী নারীর মিল রয়েছে? ব্যাখ্যা করো।

ঘ. চেয়ারম্যান সাহেবের মতবিনিময়ের বিষয়াবলি তোমার পাঠ্যবইয়ের একটি ভাষণের সাথে কতটুকু সাদৃশ্যপূর্ণ? মতামত দাও।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ৯। [চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৯]
শামিম প্রতিনিধি নির্বাচিত হয়ে এলাকার রাস্তাঘাটসহ বিভিন্ন জনকল্যাণমূলক কাজে মনোযোগ দেন। রাস্তার মোড়ে মোড়ে তিনি পানি ও আলোর ব্যবস্থা করেন। অন্যদিকে কামাল যুবসমাজের অবক্ষয় রোধে মদ, জুয়া, বেহায়াপনা ও ধর্ষণের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলেন। এর ফলে এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা ফিরে আসে।

ক. হযরত ঈসা (আ.) কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

খ. হযরত মুসা (আ.) মাদইয়ান হিজরত করেন কেন?

গ. শামিমের কার্যাবলি কোন খলিফার প্রতিচ্ছবি? তার জনকল্যাণমূলক কাজের অনুসরণ কীভাবে করা যায়? বর্ণনা করো।

ঘ. কামালের কর্মকাণ্ডে মহনবি (স.)-এর যে আদর্শের প্রতিফলন ঘটেছে- তাঁর মূল্যায়ন করো।
সৃজনশীল প্রশ্নঃ ১০। [চট্টগ্রাম বোর্ড ২০১৯]
জামিলা বেগম রসুলপুর গ্রামে বসবাস করেন। তিনি একজন শিক্ষিত ও ভদ্র মহিলা। তিনি নিজ উদ্যোগে গ্রামে অশিক্ষিত মহিলাদের মধ্যে শিক্ষার আলো বিতরণের জন্য বাড়িতে একটি নারী শিক্ষাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন। অন্যদিকে রহিমা বেগমের নানাবিধ অভাব-অনটনের মধ্যেও আল্লাহর প্রতি তার বিশ্বাস ছিল অটল ও অবিচল। তিনি সর্বাবস্থায় আল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।

ক. উমাইয়া সাধু কে?

খ. মদিনা সনদ কেন প্রণয়ন করা হয়েছিল? বুঝিয়ে লেখো।

গ. জামিলা বেগমের চরিত্র রাসুল (স.)-এর যে স্ত্রীর সাথে মিল। রয়েছে তার শিক্ষা তোমার বাস্তব জীবনে কীভাবে প্রতিফলন ঘটাবে? আলোচনা করো।

ঘ. রহিমা বেগমের বিশ্বাস যে মহীয়সী নারীর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ “তিনি সকল নারীর অনুকরণীয় আদর্শ”- পর্যালোচনা করো।

নিচে ৮ম শ্রেণির ইসলাম শিক্ষা সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর ৫ম অধ্যায় পিডিএফ ফাইল দেওয়া হল।

৮ম শ্রেণির ইসলাম শিক্ষা সৃজনশীল প্রশ্ন উত্তর ৫ম অধ্যায় পিডিএফ

Related Posts

Leave a Comment